–ত্রিপিটক
১৪৮. ধর্মচিন্তার বিকাশের সঙ্গে বিজ্ঞানবুদ্ধির বিকাশ সমন্বিত না হলে তা মানুষের মৃত্যুভয়ই কেবল বাড়িয়ে তোলে।
সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণন
১৪৯. সত্য হয়ে উঠতে চাইলেই মৃত্যু ঘটে ধর্মের। বিজ্ঞান মৃত ধর্মের তালিকা।
–অস্কার ওয়াইল্ড
১৫০. বিজ্ঞান অন্বেষণ করে, ধর্ম করে ব্যাখ্যা। বিজ্ঞান দেয় জ্ঞান, যা ক্ষমতা; ধর্ম দেয় চিন্তা, যা নিয়ন্ত্রণ।
মার্টিন লুথার কিং
১৫১. অসাধু ও আপনার অহিতকর কর্ম করা সহজ; কিন্তু যা সাধু ও হিতকর, তা পালন করা অতিশয় দুষ্কর।
ত্রিপিটক
১৫২. কোরআন মজিদ কেবলমাত্র নামাজ আর অজুর বর্ণনা করার জন্য অবতীর্ণ হয়নি, বরং তা মানবজাতির সর্বাঙ্গীণ কল্যাণের এক পরিপূর্ণ বিধান। মানবজীবনের কোনোদিকই তাতে বাদ পড়েনি। তাই মুললমানদের সব নীতি ও কাজ কোরআনের উপর ভিত্তি করে যদি পরিচালিত না হয়, তা হলে তা তাদের কোনো কল্যাণে আসবে না।
মাওলানা আবুল কালাম আজাদ
১৫৩. মানুষের মনের ভিতর পাপ ও পুণ্যের দুইটি অনুভূতি আছে। পাপ ও পুণ্যের যে দ্বন্দ্ব মনের মধ্যে চলিতে থাকে, উহাদের জয়-পরাজয়য়ের উপর মানুষের ধর্ম বা অধর্ম নির্ভর করে।
ডা. লুর রহমান
১৫৪. যে ধর্ম বা ঈশ্বর বিধবার অমোচন করতে অথবা পিতৃ-মাতৃহীন অনাথের মুখে এক টুকরো খাবার দিতে পারে না, আমি সে-ধর্ম বা ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না।
–স্বামী বিবেকানন্দ
১৫৫. মিথ্যা পাপ, মিথ্যা নিন্দা আরও পাপ এবং স্বজাতির মিথ্যা নিন্দার মতো পাপ অল্পই আছে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৫৬. পরার্থের বহু অনুরোধেও কোনো ব্যক্তির নিজ স্বার্থ পরিত্যাগ করা উচিত নয়, স্বকীয় কার্য উত্তমরূপে জেনে তাতে নিবিষ্ট থাকা কর্তব্য।
–ত্রিপিটক
১৫৭. রিপু যাকে শাসন করে, সে দাসদের মধ্যে অধম। ১৫. যখন অবসর পাও, সাধন করো আর তোমার প্রভুর প্রতি অনুরক্ত হও।
–আল-কোরআন
১৫৯. আমার পুত্র আছে, আমার ধন আছে, মূর্খেরা এভাবে চিন্তা করে যন্ত্রণা ভোগ করে। যথন আপনিই আপনার নয়, তখন পুত্র কিংবা ধন কীভাবে আপনার হবে?
ত্রিপিটক
১৬০. দার্শনিক হওয়া বলতে আসলে কী বোঝায়? ঘটনার বিরুদ্ধে প্রস্তুতি নেয়া নয় কি?
–এপিক্তেতাস
১৬১. দর্শন ছাড়া তুমি কিছুই করতে পার না; কেননা প্রতিটি বিষয়েরই আছে গোপন তাৎপর্য যা আমাদের জানা দরকার।
–ম্যক্সিম গোর্কি
১৬২. জ্ঞানহীন পুরুষ কেবল বলীবদের ন্যায় দেহমাংসে এবং বয়সে বর্ধিত হয়ে থাকে বটে, কিন্তু তার প্রজ্ঞা বর্ধিত হয় না।
–ত্রিপিটক
১৬৩. আত্মা যত মহৎ কাজও তত মহৎ হবে।
রবার্ট গ্রীন
১৬৪. ইসলাম একমাত্র ধর্ম যা জন্ম ও বর্ণবৈষম্যের সকল বাধা বিদূরিত করেছে।
–পারশিক ডাক্তার এস. এন. ধন্না
১৬৫. পবিত্রতা ইমানের অঙ্গ।
–আল-হাদিস
১৬৬. দণ্ডকে সকলেই ভয় করে। জীবন সকলেরই প্রিয়। অতএব নিজকে উপমাস্থলে রেখে কাউকে হত্যা করবে না কিংবা আঘাতও করবে না।
ত্রিপিটক
১৬৭. কোনো লোকের যদি আহারের জন্য খাদ্য, পরনের জন্য কাপড়, বসবাসের গৃহ না থাকে অথবা ঐ সমস্তের জন্য তার পর্যাপ্ত অর্থ না থাকে, তবে তার পক্ষে আল্লাহর ইবাদত করতে যাওয়া মাতলামি ছাড়া কিছুই নয়।
ইমাম গাজ্জালি (রহঃ)
১৬৮. অন্তরীক্ষে, সমুদ্রমধ্যে কিংবা পর্বত-বিবরে–জগতে এমন কোনো স্থান বিদ্যমান নেই যেখানে অবস্থান করলে মৃত্যু আক্রমণ করতে পারে না।
ত্রিপিটক
১৬৯. কুরআন শরীফ কোন বৈজ্ঞানিক পুস্তক না হইলেও ইহা অবৈজ্ঞানিক নহে। কুরাআনে আল্লাহর মহত্ত্ব বর্ণনার জন্য প্রাসঙ্গিক রূপে এরূপ অনেক কথা বলা হইয়াছে, যাহা আশ্চর্যরূপে আধুনিক বিজ্ঞানের সহিত মিলিয়া যায়। যদি দুই এক স্থানে সামান্য অমিল দেখা যায়, তাহা আধুনিক বিজ্ঞানের অসম্পূর্ণতাবশত।
–ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
১৭০. সাংসারিক কর্তব্যপালনই প্রকৃতপক্ষে ধর্মকার্য। দুনিয়া চোখের সামনেই তো পড়ে রয়েছে। কেতাবের চেয়ে দুনিয়া থেকে মানুষের শিখবার আছে বেশি।
-আলমগির
১৭১. যে দুশ্চরিত্র ও অসমাহিত হয়ে শত বৎসর জীবিত থাকে, তার জীবন অপেক্ষা চরিত্রবান ধ্যানপরায়ণ ব্যক্তির একদিনের জীবনও শ্রেয়।
ত্রিপিটক
১৭২. ইচ্ছা করে কেউ পাপাঁচরণ করে না। পাপ অজ্ঞানতার ফল।
সক্রেটিস
১৭৩. মৃত্যুকে পরিহার করা বোধহয় কঠিন নয়, পাপকে পরিহার করাই অধিকতর কঠিন। কারণ পাপ মৃত্যু অপেক্ষা দ্রুতগামী।
সক্রেটিস
১৭৪. যার হাত ও জবান থেকে মানবজাতি নিরাপদ, তিনি খাঁটি মুসলমান।
–আল-হাদিস
১৭৫. তোমরা রোজা রাখিও, তাহা হইলে স্বাস্থ্য ভালো থাকিবে।
–আল-হাদিস
১৭৬. দেশের জন্য যারা নির্যাতন ভোগ করে তারা ফুলের মালা পায়। কিন্তু যারা এদেরকে ফুলের মালা পাওয়ার মতো করে গড়ে তুললেন তাঁরা মালা পান না। তারা সব সময় থাকেন লোকচক্ষুর অন্তরালে। আল্লাহ্ যে এত বড় স্রষ্টা, তিনিও তাই মানুষের দেখার অতীত, কল্পনার অতীত, তিনি শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা। তাই তিনি সবচেয়ে বেশি গোপন।
কাজী নজরুল ইসলাম
১৭৭. ঈশ্বর একটি বৃত্তের মতো, যার কোনো নির্দিষ্ট কেন্দ্রবিন্দু নেই, কোনো অবস্থানও নেই।
–এস্কাডোক্লেস
১৭৮. মহৎ দার্শনিকেরা আসলে কবি যারা তাদের কবিতার বাস্তবতায় বিশ্বাস করে।
আন্তোনিয়ো মাচাদো
১৭৯. সমস্ত দর্শনই জীবনের একটি পর্যায়ের দর্শন।
নিৎসে
১৮০. কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক
কে বলে তা বহুদূর?
মানুষেরি মাঝে স্বৰ্গনরক
মানুষেতে সুরাসুর।
