–আল-হাদিস
৯৩. আমরা সবাই পরকালের গানে ছুটে চলেছি। প্রত্যেকেই আমরা এক-একজন মুসাফির ছাড়া আর কিছু নই। এই সফরের শুরু মায়ের কোল হতে, শেষ কবর পর্যন্ত। প্রতিটি দিন, মাস, বছর এই সফরের এক-একটি মনজিলবিশেষ। প্রতিটি নিশ্বাস এক একটি পদক্ষেপের মতো।
ইমাম গাজ্জালি (রহঃ)
৯৪. ছোট পাপকে ছোট বলিয়া অবহেলা করিও না, ছোটদের সমষ্টিই বড় হয়।
–হযরত আলি (রা.)
৯৫. ইসলামে সন্ন্যাসধর্ম নাই।
–আল-হাদিস
৯৬. আমরা ভক্তিপ্রবণ জাতি। ভক্তি করাকেই অমরা ধর্মাচরণ বলিয়া থাকি। কাহাকে ভক্তি করি তাহা বিচার করা আমাদের পক্ষে বাহুল্য।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৯৭. অলৌকিকতার কাছে সবার আকৃতি ঝরে যায়।
শক্তি চট্টোপধ্যায়
৯৮. চান ভগবান প্রেম দিয়ে তাঁর
গড়া হবে দেবালয়,
মানুষ আকাশে উঁচু করে তোলে
ইট পাথরের জয়।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৯৯. তব মসজিদ মন্দিরে প্রভু নাই মানুষের দাবী
মোল্লা-পুরুত লাগায়েছে তার সকল দুয়ারে চাবি।
কাজী নজরুল ইসলাম
১০০. অন্য মানুষের পাপদর্শন ও বর্ণনা থেকে বিরত থাকো; তা তোমাদের মধ্যেও আছে।
–আল-হাদিস
১০১. ধার্মিক হতে চাইলে প্রতিদিন রাতে শোবার সময় প্রতিদিনের কর্মের হিসাব নিকাশ করবি অর্থাৎ ভাল কর্ম কী করেছিস এবং মন্দ কর্ম কী করেছিস, তা চিন্তা করে মন্দ কর্ম আর যাতে করতে না হয় সেজন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হবি।
শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী
১০২. ঈশ্বর যদি থাকেন, তা হলে তার অস্তিত্ব অনুভব করার, তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কোনো-না-কোনো পথ থাকবে। সে-পথ যতই দুর্গম হোক, আমি সে-পথে যাবার দৃঢ়সংকল্প করে বসেছি। হিন্দু ধর্ম বলে, নিজের শরীরে নিজের মনের মধ্যে সে-পথ আছে।
–ঋষি অরবিন্দ
১০৩. সব ধর্মের লোকে একজনকেই ডাকছে। কেউ বলছে ঈশ্বর, কেউ রাম, কেউ হরি, কেউ আল্লাহ্, কেউ ব্ৰহ্ম। নাম আলাদা, কিন্তু একই।
শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব
১০৪. ইসলাম শব্দের অর্থ সমৰ্পণ, শান্তি ও নিরাপত্তা। ধর্মীয় পরিভাষায় ইসলামের অর্থ বিশ্বস্রষ্টা আল্লাহতাআলার নিকট আত্মসমর্পণ করা এবং তাঁহার যাবতীয় আদেশ মানিয়া লওয়া।
মাওলানা মোঃ আবদুস সাত্তার
১০৫. অলৌকিকতা আমাদের শেখায় ধর্মমতকে বিচার করতে। ধর্মমত বিচার করতে শেখায় অলৌকিকতাকে।
–প্যাসকেল
১০৬. ইসলাম একমাত্র ধর্ম, যা সকল যুগে সকল মানুষের ধর্ম অর্থাৎ বিশ্বজনীন ধর্মরূপে গণ্য হতে পারে।
–জর্জ বার্নার্ড শ
১০৭. তোমরা ভীত হইও না, তোমরা চিন্তিত হইও না। তোমরা আল্লাহর প্রতি দৃঢ় ইমান রাখিতে পার।
ভলতেয়ার
১০৮. সত্যি যদি ঈশ্বর বলে কিছু না থাকত তা হলে মানুষের প্রয়োজন হত তাঁকে আবিষ্কার করার।
ভলতেয়ার
১০৯. নিয়মিত ইবাদত করো। কারণ ইবাদত মানুষকে অন্যায় ও লজ্জাজনক কাজ থেকে রক্ষা করে এবং নিঃসন্দেহে আল্লাহুকে স্মরণ করা এক মহত্ত্বের কাজ।
–আল-কোরআন
১১০. কোরআনের অনুশাসনই একমাত্র সত্য এবং একমাত্র কোরআনই মানুষকে শান্তির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।
নেপোলিয়ান বোনাপার্ট
১১১. বিজ্ঞান আর ধর্ম, ধর্ম আর বিজ্ঞান, যেভাবেই এদের সাজাই না কেন, ওরা একই পরকলার এপিঠ-ওপিষ্ঠ, দুদিক দিয়েই আমরা অন্ধকার দেখি, যে পর্যন্ত না দুটোর ফোকাস-বিন্দু সত্যের ওপর স্থাপিত হয়।
–পার্ল এস বাক
১১২. ধর্মহীন বিজ্ঞান পঙ্গু আর বিজ্ঞানবিহীন ধর্ম অন্ধ।
–আইনস্টাইন
১১৩. ধর্ম যখন বিজ্ঞানকে ভয় পায় তখন সে ঈশ্বরকে অসম্মান করে, আর ঢলে পড়ে আত্মহত্যায়।
ইমারসন
১১৪. সকলকেই আমি সমান ভালোবাসি। (বিশেষ) ভালোবাসা বিশেষ কাহারও প্রতি আমার নাই। কিন্তু যাহারা ভক্তি করিয়া আমার পূজা করে, আমি তাহাদের অনুগ্রহ করি তাহাদের ছাড়িয়া যাই না, আবার তাহারাও আমাকে ছাড়িয়া যায় না। (এটি আমার পক্ষপাত নয়, এটি আমার ভক্তির মহিমা মাত্র)।
শ্রীশ্রীগীতা
১১৫. তোমাদের প্রার্থনা আল্লাহতাআলা মঞ্জুর করিবেন–এইরূপ দৃঢ়বিশ্বাস লইয়া তাঁহার নিকট প্রার্থনা করো।
–আল-হাদিস
১১৬. ঈশ্বর জীবের জন্য কর্তৃত্ব, কর্ম বা কর্মের ফল কিছুই সৃষ্টি করেন না। মানুষ স্বভাববশতই (মায়ার প্রভাবে) কুর্ম করিতে আরম্ভ করে।
শ্রীশ্রীগীতা
১১৭. বহু বাক্য বললে পণ্ডিত হওয়া যায় না। যিনি নিরাপদ–মঙ্গলকারী, শত্রুহীন এবং যার কাছ থেকে কোনো ক্ষতির সম্ভাবনা নেই, তিনিই পণ্ডিত বলে কথিত হন।
ত্রিপিটক
১১৮. কাম, ক্রোধ ও লোভ–এই তিনটি নরকের দ্বারের মতো (এ-পথে চলিলে নরকে যাইতে হয়)। ইহাতে মানুষের সর্বনাশ হয়। তাই এই তিনটিকে ত্যাগ করিবে।
শ্রীশ্রীগীতা
১১৯. যে-ব্যক্তি প্রাণিহত্যা করে, মিথ্যা কথা বলে, চুরি করে, পরদার গমন করে, সুরা ইত্যাদি মদকদ্রব্য সেবন করে, এরূপ ব্যক্তি ইহলোকে আপনার কুশলকর্মের মূল খনন করে–অর্থাৎ নিজেই নিজের নিপাতের কারণ হয়।
ত্রিপিটক
১২০. যার যার নিজ নিজ কাজে যদি সকলে মনোযোগী হয়, তবে সকলেরই সিদ্ধিলাভ হয়।
শ্রীশ্রীগীতা
১২১. যে-ভিক্ষু অতি অল্প লাভ করেও তা অবজ্ঞা করেন না, সেই পবিত্র জীবিকাধারী নিরলস ভিক্ষুকেই দেবতারা প্রশংসা করেন।
–ত্রিপিটক
১২২. পরমেশ্বর সকল প্রাণীতে আছেন সমানভাবে, অথচ সকল কিছু নষ্ট হইয়া গেলেও তিনি নষ্ট হন না। তাঁহাকে এইরূপে যিনি জানিতে পারেন তিনিই প্রকৃত জ্ঞানী।
