বাইবেল
২৭. সামান্য মূল্যের বদলে আমার আয়াতগুলোকে বিক্রি কোরো না।
–আল-কোরআন
২৮. (কেয়ামতের দিন) কাহারও সুপারিশ কবুল হইবে না।
–আল-কোরআন
২৯. ঈশ্বরকে বিশ্বাস করা শক্ত, কিন্তু তার চাইতেও বেশি শক্ত তাঁকে অবিশ্বাস করা। কতির বিস্ময়কর লীলা দেখে তাঁর প্রতি আমার বিশ্বাস জন্মেনি, বরং এ-বিশ্বাস জন্মেছে মানুষের প্রাণপ্রাচুর্য দেখে।
টেনিসন
৩০. যে-ঈশ্বর আমাদের জীবন দান করেছেন, তিনি একই সাথে আমাদের স্বাধীনতাও দান করেছেন।
টমাস জেফারসন
৩১. কোনো ভৃত্য দুই কর্তার দাসত্ব করিতে পারে না, কেননা সে হয় একজনকে ঘৃণা করিবে, অন্যকে প্রেম করিবে, নয়তো কজনে অনুরক্ত হইবে, অন্যকে তুচ্ছ করিবে।
বাইবেল
৩২. ধর্মমোহের চেয়ে নাস্তিকতা অনেক ভালো।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩৩. মানবতাই মানুষের একমাত্র ধর্ম হওয়া উচিত।
বার্ট্রান্ড রাসেল
৩৪. চিত্তকে মিথ্যার বিরুদ্ধে স্বাধীন করে রাখাই ধর্ম।
–ডা. লুৎফর রহমান
৩৫. সবকিছু মেনে নেওয়ার অর্থাৎ আনুগত্যের নিয়মকানুন এসেছে ধর্মগ্রন্থ থেকে এবং মুক্তি বা স্বাধীনতার নিয়মকানুন এসেছে বিজ্ঞান বা মানুষের মন থেকে।
–ম্যাক্সিম গোর্কি
৩৬. ধর্ম অর্থ ঈশ্বরের এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা ব্যতীত কিছুই বোঝায় না।
–উইলিয়াম পেন
৩৭. ভয়ের তাড়া খেলেই ধর্মের মূঢ়তার পিছনে মানুষ লুকোতে চেষ্ট করে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩৮. মানুষের জন্য যাহা কল্যাণকর তাহাই ধর্ম। যে ধর্ম পালন করিতে গিয়া মানুষকে অকল্যাণ করিতে হয়, তাহা ধর্মের নামে কুসংস্কার মাত্র। মানুষের জন্য ধর্ম, ধর্মের জন্য মানুষ নয়।
প্রিন্সিপাল ইব্রাহিম খাঁ
৩৯. ধর্ম নিয়ে যারা কোন্দল করে, ধর্মের মর্ম তারা জানে না।
–ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
৪০. ধর্ম আর ধর্মবিশ্বাসের বেলায় মানুষ এত বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে ওঠে যে, সে বিনা দ্বিধায় মনে করে তার নিজের ধর্মই পৃথিবীর সেরা আর তার ধর্মমতই অভ্রান্ত।
–আবুল ফজল
৪১. আল্লাহর সৃষ্টিতে কোনো পরিবর্তন নাই।
–আল-কোরআন
৪২. তোমাদের মনে যা আছে, তা প্রকাশ করো বা গোপন করো, আল্লাহ্ তা জানেন।
–আল-কোরআন
৪৩. অধিকাংশ ধর্ম এবং ধর্মের অধিকাংশ তথ্য অন্ধ-বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত।…. তাই বিজ্ঞানের ন্যায় ধর্মের উপর সকল লোকের অটল বিশ্বাস হয় না। ধর্মকে সন্দেহাতীত রূপে পাইতে হইলে উহাকে অন্ধবিশ্বাসের উপর রাখিলে চলিবে না। উহাকে খাঁটি বিশ্বাস অর্থাৎ জ্ঞানের উপর প্রতিষ্ঠা করিতে হইবে।
আরজ আলি মাতুব্বর
৪৪. ভগ্নমনোরথ হয়ো না, নিরাশ হয়ো না, যদি মুমিন হও, বিশ্বাসী হও, জয়ী তুমি হবেই।
–আল-কোরআন
৪৫. মানুষ মহত্তম বলে অন্তরে যা ধারণ করে তা-ই ধর্ম। ধর্মের সঙ্গে কর্ম না-ও মিলতে পারে।
আবদুর রহামান শাদাব
৪৬. ধর্ম মানুষের প্রয়োজনেই সৃষ্ট, তাই ধর্ম মানুষের মঙ্গলের কথাই বলে।
–স্টেপ হেন
৪৭. অর্থের লোভে যে-ব্যক্তি কোরান পাঠ করে, সে অন্যের দুয়ারে ভিক্ষা করে।
হজরত আবু তোর
৪৮. যে-ব্যক্তি রোজা রাখিয়া মিথ্যাচার ও নিন্দাবাদ পরত্যাগ করে না, তাহার পান আহার ছাড়িয়া দেওয়াকে খোদাতাআলা গ্রাহ্য করেন না, অর্থাৎ তিনি তাহার রোজা গ্রহণ করেন না।
–আল-হাদিস
৪৯. আমার ধর্ম কোনো ভৌগোলিক সীমার মধ্যে আবদ্ধ নেই। আমার ধর্মের ভিত্তি হল ভালোবাসা এবং অহিংসা।
মহাত্মা গান্ধী
৫০. শয়তানের কোনো ক্ষমতা নাই তাহাদের উপর যাহারা ইমান আনিয়াছে এবং প্রভুর উপর নির্ভর করিয়াছে।
–আল-কোরআন
৫১. আল্লাহ্ কখনো কাফেরগণকে সৎপথ প্রদর্শন করেন না –আল-কোরআন
৫২. নামাজ চিৎকার করিয়া পড়িও না, চুপিচুপিও পড়িও না। বরং উহার মাঝামাঝি এক পথ ধরো।
–আল-কোরআন
৫৩. ধর্ম ব্যক্তিগত ব্যাপার এবং রাজনীতিতে এর স্থান হওয়া অনুচিত।
–মহাত্মা গান্ধী
৫৪. আমার ধর্মের প্রতি আমি একান্ত অনুগত। এর জন্য আমি প্রাণ দিতে প্রস্তুত। তবে এ আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এ সম্বন্ধে রাষ্ট্রের কিছুই করণীয় নেই। ………. আপনার বা আমার ধর্ম সম্বন্ধে রাষ্ট্র কিছুই করবে না। এটা হল প্রত্যেকের ব্যক্তিগত ব্যাপার।
মহাত্মা গান্ধী
৫৫. ধর্মকে যারা সম্পূর্ণ উপলব্ধি না করিয়া প্রচার করিতে চেষ্টা করে, তাহারা ক্রমশই ধর্মকে জীবন হইতে দূরে ঠেলিয়া দিতে থাকে। ইহারা ধর্মকে বিশেষ গণ্ডি আঁকিয়া একটা বিশেষ সীমানার মধ্যে বদ্ধ করে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৫৬. যে করে ধর্মের নামে
বিদ্বেষ সঞ্চিত
ঈশ্বরকে অর্ঘ্য হতে
সে করে বঞ্চিত।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৫৭. ভণ্ডরাই ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে।
–কমরেড মুজাফফর আহমেদ
৫৮. যারা সম্পদ বিপদে দান করে, রাগ দমন করে, লোকদের ক্ষমা করে, আল্লাহ্ এমন হিতকারীদের ভালোবাসেন।
–আল-কোরআন
৫৯. ক্ষমাশীল হও, ভালো কাজ করতে আদেশ করো এবং যারা লেখাপড়া শেখে, তাদের কাছ থেকে দূরে থাকো।
–আল-কোরআন
৬০. তোমরা কি তাহাকে হেদায়েত করিতে চাওযাহাকে আল্লাহ বিপথে নিয়াছেন? বস্তুত আল্লাহ্ যাহাকে বিপথে নেন, তাহাদের জন্য তুমি পাইবে না কোনো পথ।
–আল-কোরআন
৬১. তাহারা (বিধর্মিগণ) আল্লাহকে ছাড়িয়া যাহাকে বন্দনা করিতেছে তোমরা তাহাদিগকে মন্দ বলিও না, কেননা তাহা হইলে তাহারা অজ্ঞানতাবশত আল্লাহকে মন্দ বলিয়া ফেলিবে।
