মিল্টন
৩৭৮. যে নির্জনে বসে সংগীত শোনে, সে-ই সংগীতকে হৃদয়-মন দিয়ে উপলব্ধি
–এডমন্ড স্মিথ
৩৭৯. শব্দহীন পরিবেশে সংগীত মনের ভাঁজে ভাঁজে সুর ছড়ায়।
–ওয়েলেন্স স্টিভেন্স
৩৮০. উচ্চারণ হল ভাষার আত্মার মতো; এর থেকেই অনুভূতি ও সাধ্য জন্ম নেয়।
–রুশো
৩৮১. কবিরা সমাজদেহের চক্ষু, বাগানের মুক্ত পাখি এবং সত্যের দর্পণ।
ইকবাল
৩৮২. লেখকের স্বাধীনতা যে শুধু লেখকের জন্য প্রয়োজন তা নয়, সমাজের বৃহত্তম কল্যাণের জন্যও তা অত্যাবশ্যক। ভাষার স্বাধীকারের সাথে লেখকের স্বাধীনতাও চাই।
–আবুল ফজল
৩৮৩. বই আমাদের পড়তেই হবে, কেননা বই পড়া ছাড়া সাহিত্যচর্চার উপায়ান্তর নেই। ধর্মের চর্চা মন্দিরের বাইরেও করা চলে, দর্শনের চর্চা গুহায়, নীতির চর্চা ঘরে এবং বিজ্ঞানের চর্চা যাদুঘরে, কিন্তু সাহিত্যের চর্চার জন্য চাই গ্রন্থাগার। এই চর্চা মানুষ কারখানাতে করতে পারে না, চিড়িয়াখানাতেও নয়।
–প্রমথ চৌধুরী
৩৮৪. সমস্ত বই-ই হয় স্বপ্ন, নয় তলোয়ার।
–এ. সি. লাওয়েল
৩৮৫. বই কেনা শখটারে
দিয়ো নাকে প্রশ্রয়;
ধার নিয়ে ফিরিয়ো না,
তাতে নাহি দোষ রয়।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩৮৬. শব্দ যদি কবিতা হয়, তবে তার উৎস হচ্ছে হৃদয়।
–আলফ্রেড লোয়ের্স
৩৮৭. পৃথিবীর সকল মানুষ মায়ের মুখের ভাষায়ই কথা বলে।
–বেগ লার্ড
৩৮৮. সমাজবিজ্ঞানী এবং গবেষকরা ছাড়াও সাহিত্যিকরা সমাজের ভেতরের একজন অনুসন্ধানী। তাই তাঁদের লেখায় সমাজচিত্র ফুটে উঠবেই।
–হুমায়ূন আহমেদ
৩৮৯. শিল্পকলায় যারা প্রভুত্ব অর্জন করেছে, আমি তাঁদের সবচেয়ে বেশি শ্রদ্ধা করি।
আর্থার হুইটারম্যান
৩৯০. কবি তখনই দরিদ্র হবেন, যখন তিনি তাঁর শব্দ ব্যবহারে কৃপণতা করবেন।
–জর্জ অ্যাবি
৩৯১. যেদেশে শিল্পী নিগৃহীত হন, সেদেশে শোভন কিছু সৃষ্টি হতে পারে না।
–জেমস টমসন
৩৯২. আমি তোমাকে আমার সংগীতের মাধ্যমেই আনন্দ দিয়ে যাব।
–রাওল্যান্ড হিল
৩৯৩. বেশি বই পড়ার চেয়ে অল্প পড়েও মনে রাখা ভালো।
চার্লস ল্যাম
০৩. ধর্ম, দর্শন ও সৃষ্টিকর্তা
১. আল্লাহ ব্যতীত উপাস্য নাই।
–আল-কোরআন
২. সে-ই যথার্থ ধর্ম, যাতে সব মানুষের কল্যাণ নিহিত।
হান্নামুর
৩. ধর্ম একটাই, যদিও রয়েছে এর একশোটা রূপ।
জর্জ বার্নার্ড শ
৪. ধর্মের মূল কথাই হচ্ছে মানুষ হিসেবে মানুষের সেবা করা।
স্টমাস ফুলার
৫. যারা ধর্মবিশ্বাসী তারাই যুবক এবং যারা অবিশ্বাসী তারাই বৃদ্ধ।
চ্যানি
৬. প্রত্যেক ধর্মই ভালো; কারণ প্রত্যেক ধর্মই মানুষকে ভালো হবার শিক্ষা দেয়।
–জর্জ ক্র্যাবি
৭. ধর্ম নিয়ে যারা বাড়াবাড়ি করে তাদের ধর্মান্ধ না বলে স্বার্থান্বেষী বলা ভালো।
লর্ড হ্যালিফক্স
৮. একটি ধর্ম আরেকটি ধর্মের মতোই সত্য।
রবার্ট বার্টন
৯. ধর্ম অর্থ সৃষ্টিকর্তার প্রতি মানুষের ভালোবাসা।
উইলিয়াম পেন
১০. তিনিই তোমাদের মাতৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ করেছেন, তখন তোমরা কিছুই জানতে না। তিনিই তোমাদের শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি, বুদ্ধি এবং পরস্পরের প্রতি মায়া মমতা দিয়েছেন যাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হও।
–আল-কোরআন
১১. সত্যই হল ভগবান, সত্য-সাধনাই হল তপস্যা, জগতের যা-কিছু শ্রেষ্ঠ কাজ তার মূলে সত্য; সত্যের চেয়ে বড় আর কিছুই নেই।
ব্যাসদেব
১২. মাহপুরুষেরা ধর্ম-সম্প্রদায় প্রতিষ্ঠা করিয়া যান, আর আমরা তাহা হইতে সম্প্রদায়টাই লই, ধর্মটা লই না।
বরীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৩. কোরআন একটি জানালা, যার দ্বারা আমরা পরবর্তী দুনিয়ার দৃশ্যাবলী দেখতে পাই।
ইবনে হাব্বল
১৪. ধর্মের গোঁড়ামি দরিদ্রকে আরও দরিদ্র করে তোলে।
সুইফ্ট
১৫. যারা তীর্থের পর তীর্থ পর্যটন করে বেড়ায়, তাদের মধ্যে কেবল আছে আত্মতাড়না, তারা দেবতার পিছনে পিছনে ছোটে, দেবত্বের স্পর্শ পায় না।
–প্রবোধকুমার সান্যাল
১৬. সত্যবাদী ও ধর্মনিষ্ঠ বণিক ব্যতীত অন্যান্য বণিককে প্রতারক দলভুক্ত করা হবে।
–আল-হাদিস।
১৭. প্রত্যেক ধর্মেই অনেক ভালো জিনিস আছে। এইসকল ধর্মের মধ্যে যা সুন্দর তা গ্রহণ করে যা নিকৃষ্ট তা ত্যাগ করব।
আকবরনামা
১৮. ধর্মের মাঝে থেকেই মানুষ এত দুষ্টু আর বদমায়েশ হয়েছে; ধর্মের আবরণে যদি মানুষ না থাকত তা হলে তারা আরও কত দুষ্টু ও বদমায়েশ হত।
ফ্রাংকলিন
১৯. একটি গৃহে যদি ধর্মগ্রন্থ না থাকে, অথচ প্রতিদিন খাবারের নিমিত্ত পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যসামগ্রী থাকে, তাতে সে-গৃহের লোকদের দেহের খাদ্য হয় বটে, কিন্তু আত্মার খাদ্য থেকে এরা বঞ্চিত হয়।
সি. ভি. মেইজ
২০. মানুষকে অপমান কোরো না, মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব।
–শেখ সাদি
২১. পাপকে ঘৃণা করো, পাপীকে নয়।
বাইবেল
২২. ধর্মীয় কুসংস্কারগুলো মানবজাতির পক্ষে সবচেয়ে ক্ষতিকারক।
বার্ট্রান্ড রাসেল
২৩. নিশ্চয়ই অত্যাচারীরা পরস্পরের ভাই, কিন্তু যারা সৎ কাজ করে আল্লাহ্ তাদের বন্ধু।
–আল-কোরআন
২৪. যে-ব্যক্তি প্রতিশ্রুতি দেয় যে, সে মানুষের কাছে কিছুই চাইবে না, আমি তাকে বেহেশতের প্রতিশ্রুতি দিই।
–আল-কোরআন
২৫. সাবধান! লোককে দেখাইবার জন্য তাহাদের সাক্ষাতে তোমাদের ধর্মকর্ম করিও না। করিলে তোমাদের স্বর্গীয় পিতার নিকটে তোমাদের পুরস্কার নাই।
বাইবেল
২৬. তোমরা যখনই প্রার্থনা করিতে দাঁড়াও, যদি কাহারও বিরুদ্ধে তোমাদের কোনো কথা থাকে, তাহাকে ক্ষমা করিও, যেন তোমাদের স্বর্গস্থ পিতাও তোমাদের অপরাধ ক্ষমা করেন।
