টুপার
৩০৩. যে একটা ভালো বই পাওয়া সত্ত্বেও পড়ে না এবং একটি প্রস্ফুটিত ফুলকে ছিঁড়ে ফেলে তার মতো বোকা আর নেই।
–স্টেফেন গ্রানে
৩০৪. বই বরং ভালোমতন লেখেন পাঠকরা আর পরিষ্কার করে লেখেন বিরোধী পক্ষরা।
–নিৎসে
৩০৫. কারও পক্ষে কোনো গভীর বই বোঝা সম্ভব নয় যদিনা তার অন্তত কিছু অংশ আমরা দেখি বা যাপন করি।
–এজরা পাউন্ড
৩০৬. নৈতিক বা অনৈতিক বই বলে কিছু নেই। আছে কেবল সুলিখিত বা কুলিখিত বই।
–অস্কার ওয়াইল্ড
৩০৭. জীবনে তিন ধরনের সহচর প্রয়োজন–পুরুষলোক, স্ত্রীলোক এবং বই।
–জোসেফ হল
৩০৮. জীবনে মাত্র তিনটি জিনিসের প্রয়োজন–বই, বই এবং বই।
টলস্টয়
৩০৯. বই হল বিশ্বাসযোগ্য আয়নার মতো, যাতে আমাদের মনের প্রতিবিম্ব ধরা পড়ে–জ্ঞানী ও বীরদের মনের প্রতিবিম্বও এর থেকে বাদ পড়ে না।
–গিবন
৩১০. বই লেখাটা নিষ্পাপ বৃত্তি এবং এতে করে দুষ্কর্মের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায়।
বার্ট্রান্ড রাসেল
৩১১. জ্ঞানীরা বই ব্যবহার করে আর অন্যেরা বই-এর প্রশংসা করে।
বেকন
৩১২. এককালে পৃথিবী বইয়ের উপর কাজ করত, এখন বই-ই পৃথিবীর উপর কাজ করে।
জুবার্ট
৩১৩. বরং প্রচুর বই নিয়ে গরিব অবস্থায় চিলেকোঠায় থাকব তবু এমন রাজা হতে চাই না যিনি পড়তে ভালোবাসেন না।
–মেকলে
৩১৪. পৃথিবীর কোনো জাতি জাতীয় সাহিত্য ছেড়ে বিদেশী ভাষায় সাহিত্য রচনা করে যশস্বী হতে পারেনি।
–ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
৩১৫. নদীর গতিপথ যেমন নির্দেশ করে দেওয়া যায় না, ভাষাও তেমনি। একমাত্র কালই ভাষার গতি নির্দেশ করে।
–ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
৩১৬. কারও কারও মুখের ভাষাই অস্ত্রের মতো ধারালো।
–জন লাভার
৩১৭. সংগীতের মাধ্যমে যা-কিছু শেষ হয়, তা-ই সুন্দর হয়।
রবার্ট বার্নস
৩১৮. সংগীত হল ভাঙা মনের ওষুধস্বরূপ।
–এ. হান্ট
৩১৯. যে-মানুষের আত্মার সঙ্গে সংগীতের বাস, সে-মানুষই ভালোবাসতে জানে।
–এডমন্ড স্মিথ
৩২০. যে সংগীত ভালোবাসে তার জীবনে নিঃসঙ্গতা থাকে না।
–এডিসন
৩২১. সাহিত্যের কাজ মানুষকে তার চারিদিককার মন্দ শক্তির বিরুদ্ধে বিদ্রোহী করে তোলা, তার মধ্যে সমাজ, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনকে অগ্রাহ্য করে ন্যায়, সত্য ও আল্লাহকে মেনে নেবার প্রবৃত্তি সৃষ্টি করে দেওয়া।
–ড. লুৎফর রহমান
৩২২. বড় পর্দা একটি বাজে চলচ্চিত্রকে ঠিক দ্বিগুণ বাজে করে তোলে।
–স্যামুয়েল গোল্ডউইন
৩২৩. চলচ্চিত্র হচ্ছে একটি নৌকা যা সবসময়েই ডুবে যাওয়ার পর্যায়ে থাকে। আপনি যখন চলতে থাকেন তখন সবসময়ে এটি তলিয়ে যাবার প্রয়াস পায় এবং আপনাকে এর সঙ্গে টেনে নিয়ে যেতে চায়।
ফ্রাঁসোয়া ক্রুসো
৩২৪. সাহিত্য খেলা নয়, শৌখিনতা তো নয়ই। সাহিত্য জীবনের প্রকাশ, আবার নব-জীবনেরও ভিত্তি।
–শ্রীসোমনাথ মৈত্র
৩২৫. আনন্দ দিতে, মানুষের জীবনের বোঝা কমাতে, তাদের দুঃখ-বেদনা, তাদের পাপ, তাদের নিশ্ৰুপ গৃহের মাঝে তাদের বিফল আশা ও তাদের বিষাদময় ভবিষ্যৎ থেকে মুক্তি দিতেই সাহিত্যের সৃষ্টি হয়েছে।
–ব্রিয়েল
৩২৬. কবিরা সমাজদেহের চক্ষু, বাগানের মুক্ত পাখি এবং সত্যের দর্পণ।
ইকবাল
৩২৭. কবিতাই চিরদিন ভোগ করে
নবীন যৌবন
সৌন্দর্যের সুধাপাত্র চিরদিন,
করে সে চুম্বন।
–গোলাম মোস্তফা
৩২৮. কবিতার দ্বারা আমি বিলাসিতা করিতে চাহি নাই … আমি চিরদিন বলিয়াছি, অদ্যও বলিতেছি যে, সৌন্দর্য সৃষ্টিই কবিতার প্রধান উদ্দেশ্য নয়, কবিতা নীতিপূর্ণ হইবে এবং বিশেষ কিছু শিক্ষা দিবে।
–কায়কোবাদ
৩২৯. মসজিদ পুষ্করিণী নাম নিজ দেশে রহে।
গ্রন্থকথা যথাতথা ভক্তিভাবে আলাউল কহে৷৷
–আলাউল
৩৩১. বই জ্ঞানের প্রতীক, বই আনন্দের প্রতীক, সৃষ্টির আদিমকাল হইতে মানুষ আসিয়াছে আর চলিয়া গিয়াছে; খ্যাতি, মান, অর্থ, শক্তি কিছুই কেউ রাখিয়া যাইতে পারে নাই। কিন্তু বইয়ের পাতা ভরিয়া তাহারা তাঁহাদের তপস্যা, তাঁহাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা, তাঁহাদের নৈরাশ্য, কি হইতে চাহিয়া কি তাঁহারা হইতে পারেন নাই সবকিছু তাঁহারা লিখিয়া গিয়াছেন।
জসীম উদ্দীন
৩৩২. জীবনটা বই দিয়ে ঘেরা নয় ঠিকই, তবে জীবনকে বুঝতে হলে, অভ্যাসের সংস্কারের বেড়া ভাঙতে হলে বই চাই।
সরোজ আচার্য
৩৩৩. ব্যায়ামের দ্বারা যেমন শরীরের উন্নতি হয়, পড়াশুনার দ্বারা মনেরও তেমনি উন্নতি হয়ে থাকে।
–এডিসন
৩৩৪. বই বিশ্বাসের অঙ্গ, বই মানবসমাজকে সভ্যতা টিকাইয়া রাখার জ্ঞান দান করে। অতএব, বই হইতেছে সভ্যতার রক্ষাকবচ।
–ভিক্টর হুগো
৩৩৫. সাহিত্য ও সংস্কৃতি দেশ ও জাতির দর্পণবিশেষ।
–উইলিয়াম ডানলপ
৩৩৬. কোনো কোনো বইয়ের কথা অসঙ্গতভাবেই ভুলে যাওয়া হয়; তবে অসঙ্গতভাবে কোনো বইকেই স্মরণে রাখা হয় না।
–ডব্লিউ এইচ অডেন
৩৩৭. হৃদয়ের স্পর্শ যেখানে আছে, সেটাই গ্রন্থ।
–হেনরি ডনডিক
৩৩৮. সমালোচক তারাই যারা সাহিত্য ও শিল্পক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে।
–ফ্রাংকলিন
৩৩৯. সাহিত্যখ্যাতি এমন খ্যাতি, যা মানুষের হৃদয়ে চিরদিন অবিস্মরণীয় হয়ে থাকে।
–হেনরি কিং
৩৪০. ছবি হচ্ছে শব্দহীন এক অনবদ্য কবিতা।
–ওয়াশিংটন আলস্টন
৩৪১. সেই নাটকই আসল নাটক, যার মধ্যে যে মানুষ যা চায় তা-ই পায়।
–শংকর
৩৪২. নৃত্য হচ্ছে সংগীত ও ভালোবাসার সন্তান।
স্যার জন ডেভিস
৩৪৩. মাতৃভাষার এমনি মহিমা যে কথা বলাটাই আনন্দের বলিয়া মনে হয়। বাঙ্গালা যে আমার মাতৃভাষা সে কথাটা আপনাদের সমক্ষে জোর গলায় বলিতে আমার একটু দ্বিধা হয় না। কারণ তাহা না হইলে আমার নিজের মাকেই অস্বীকার করিতে হয়।
