–বেন জনসন
৭৫. লোকদের ইচ্ছাই সবচেয়ে বড় আইন।
ইউলিসাস এস. গ্রান্ট
৭৬. কোনো শুভ যখন মহত্তর কোনো শুভের উপভোগে বাধা দেয়, সত্যি করে বলতে গেলে, সেটি অশুভ।
–স্পিনোজা
৭৭. যদি দেখ সকল অশুভই বেরিয়ে আসছে শুভ থেকে, তখন আর কী করা!
লুইগি পিরান্দেল্লো
৭৮. শুভ আর অশুভ যাক জড়িয়ে। চরিত্রের শৈল্পিক কোনো ঐক্য খুঁজো না।
লর্ড এক্কন
৭৯. শুভ আর অশুভ কিংবা শুভতর আর অশুভতরের মানে সহজভাবে বোঝায় সাহায্য বা আঘাত করা।
ইমারসন
৮০. আইন ভাঙার জন্যই আইন তৈরি হয়।
জন উইলসন
৮১. আইন বড়ই নির্মম। সেখানে মা নেই, সন্তান নেই, প্রেম নেই, মমতা নেই, প্রীতি নেই–আইন আইনই।
নীহাররঞ্জন গুপ্ত
৮২. আইন পাপকে তুলে ধরতে পারে; কিন্তু পাপ রোধ করতে পারে না।
–জেরিমি টেলর
৮৩. অপ্রয়োজনীয় আইন ভালো নয়; এগুলো কখনো কখনো টাকা রোজগারের ফাঁদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
রিচার্ড বেন্টলি
৮৪. আইনের মাধ্যমে অত্যাচার করার চেয়ে বড় অত্যাচার আর নেই।
বেকন
৮৫. আদালতে যত বেশি লোকের সমাগম হয়, তত বেশি অদ্ভুত দৃশ্যের অবতারণা হয়।
জর্জ হার্বার্ট
৮৬. উকিল ও কোকিল হচ্ছে বিভিন্ন শ্রেণীর জীব–যদিও উভয়েই বাচাল। এর এককে দিয়ে অপরের কাজ করানো যায় না।
–প্রমথ চৌধুরী
৮৭. পারস্পরিক ন্যায়বিচারই আইনের নিশ্চয়তা।
–ডেমোক্রিটাস
৮৮. যে-দেশে মন্দ লোক নেই, সে-দেশে ভালো উকিলও নেই।
চার্লস ডিকেন্স
৮৯. আদালত হল অভিজ্ঞ এবং বিশিষ্ট ভিক্ষুকদের সমাবেশালয়।
স্ট্যালির্যান্ড
৯০. সামাজিক নিরাপত্তার অভাব মানুষকে চোর বানায়।
–জন ফ্লেবল
৯১. চুরি করলে হাত কেটে দেওয়ার আগে চোরের খাওয়া-পরার ব্যবস্থা করতে
আবুল ফজল
৯২. যেখানে অধিকাংশ চোর, সেখানে সততা নিশ্চয়ই দণ্ডনীয় বিবেচিত হয়।
–এমিল ক্ৰটকি
৯৩. চোরকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয় না। যে চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে তাকেই ফাঁসিতে যেতে হয়।
–চেকোস্লাভ প্রবাদ
৯৪. অন্যায়ের বিরুদ্ধে জেহাদ করাই প্রকৃত ন্যায়ধর্ম।
–ড. আহমদ শরীফ
৯৫. সূর্য এবং চন্দ্র যেমন কখনো কুপির আলোকে ভয় পায় না, তেমনি সত্য কখনো মিথ্যাকে ভয় পায় না।
–আবুল ফজল
৯৬. উকিলের শরণাপন্ন হলেই মামালায় জিতে যাবে–নির্বোধেরা এমনটা আশা করে।
–টেরেন্স
৯৭. নৈতিকতা মানুষের জন্য সৃষ্ট, মানুষ নৈতিকতার জন্য সৃষ্ট নয়।
জ্যাঙ্ক উইল
৯৮. পৃথিবীতে ধর্ম অনেকগুলো, কিন্তু নৈতিকতা একটিই।
–রাসকিন
৯৯. যে ন্যায়ের পক্ষে, সে সত্যেরও পক্ষে।
–রাহুল সংকৃত্যায়ন
১০০. যেটাকে ন্যায় মনে করবে, সেটাতেই স্থির থাকবে। ন্যায়ের পক্ষে যে, তার জয় হবেই।
–গুন্টার গ্রাস
১০১. যেখানে ন্যায়বিচার রাজত্ব করে, সেখানে আজ্ঞা পালন করাই স্বাধীনতা।
–জেমস মন্টোগোমারি
১০২. ন্যায়বিচারের মতো প্রকৃত মহৎ ও ঈশ্বরতুল্য সদৰ্ণ আর নেই।
এডিসন
১০৩. পক্ষপাতহীন বিচারকই ন্যায়বিচার করতে পারে।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১০৪. অন্য মানুষের পাপ দর্শনে ও বর্ণনে বিরত থাকো, উহা তোমাদের মধ্যেও আছে।
–আল-হাদিস
১০৫. সৎস্বভাব ও সুন্দর আচরণই পুণ্য আর যে বিষয় সম্পর্কে তোমার মনে দ্বিধা জাগে এবং লোকসমাজে যা প্রকাশ হওয়া তুমি অপছন্দ কর, তা-ই পাপ।
–আল-হাদিস
১০৬. পাপকে ঠেকাবার জন্য কিছু না করাই তো পাপ।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১০৭. সত্যকে মিথ্যা, মিথ্যাকে সত্য প্রতিপন্ন করার মানসেই মানুষ উকিলদের কাছে যায়। তাতে উকিলদের দুটো পয়সা হয়।
জরাসন্ধ
১০৮. সবাইকে বিশ্বাস করা একটি নৈতিক অপরাধ, সমপরিমাণ নৈতিক অপরাধ হচ্ছে কাউকে বিশ্বাস না করা।
–সিনেকা
১০৯. উত্তেজিত অবস্থায় কোনো সিন্ধান্ত গ্রহণ সঙ্গত নয়। উত্তেজনা শীতল হলে ঠাণ্ডা মস্তিষ্কে ভেবেচিন্তে অগ্রসর হওয়া ভালো।
–বিল বিশার
১১০. দুই উকিলের মধ্যে একটি গ্রাম্য লোককে দুই বিড়ালের মধ্যে একটি মাছের সাথে তুলনা করা যায়।
ফ্রাংকলিন
১১১. বৃহত্তম অভিশাপের অন্যতম হচ্ছে-ঘুষ ও দুর্নীতি। এটা বিসদৃশ; বজ্রকঠিন হস্তে আমরা এটা দমন করব।
–এম. এ. জিন্নাহ্
১১২. জীবন নিজে শুভ বা অশুভ নয়; এটি শুভ বা অশুভের দৃশ্যপট, যেভাবে একে সাজাও।
–মতেইন
১১৩. অতি নির্বোধও অত্যাচারের প্রতিবাদ করে।
সুইনবার্ন
১১৪. অন্যায়ের প্রতি বিদ্রূপ করা অপেক্ষা মহৎ কাজের জন্য সংগ্রাম করা ভালো।
–টেনিসন
১১৫. অন্যায়কারী অন্যায় কৃতের চাইতে অধিক দুর্ভাগা।
ডেমোক্রিটাস
১১৬. যদি কেহ তব মন্দ বলে,
তুমি কিছু বোলো নাকো।
অন্যায় যদি কেহ করে তব–
চুপ করে সয়ে থাকো।
চেষ্টা নাও অন্যায় হতে
মানুষেরে ফিরাবার।
নাও তুমি ভাই অপরাধীর
যতেক ক্ষমার ভার।
মির্জা গালিব
১১৭. মন্দ লোকেরা তাদের অপরাধগুলো লুকোতে এবং ভালো লোকেরা সেগুলো পরিত্যাগ করতে সচেষ্ট থাকে।
স্যামুয়েল জনসন
১১৮. ঈশ্বর আমাদের পাপকে ক্ষমা করলেও বিবেকের কাছে আমরা অপরাধী।
–উইলিয়াম জেমস
১১৯. ক্ষমতাপ্রাপ্ত রাজপুরুষের অত্যাচার ও বিচারাসনে বসিয়া বিচারকের অবিচারের মতো মন্দ কর্ম আর নেই।
–হযরত আলি (রা.)
১২০. সকল বিষয়েই আমার কর্মপন্থা থাকবে সুপারিশ করার মতো কিছু, জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কার্যকর করার জন্য একটাও না।
–উইলসন এস. গ্রান্ট
১২১. সংসারের শ্রেষ্ঠ জিনিস মাত্রেই নিজের নিয়ম নিজেই সৃষ্টি করে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
