১২২. যারা নিজেদের নিয়ে ভাবতে পারেন মন্থর আর আরামদায়কভাবে এবং হতে পারেন তাঁদের নিজের বিচারক, তাঁরা আইন মেনে চলেন। অন্যেরা নিজেদের ভেতরেই নিজেদের আইন টের পায়।
হেরমান হেসে
১২৩. অকর্মা আইন দরকারি আইনকেও দুর্বল করে ফেলে।
১২৪. অজ্ঞ মানুষেরা নিয়ম মেনে চলে, আর জ্ঞানীরা নিয়ম সৃষ্টি করে। ক্লাউডিয়ান ১২৫. নিষ্ঠুর লোক ঈশ্বরের দুশমন।
টমাস ফুলার
১২৬. তুমি যত নিষ্ঠুর হবে মানুষের কাছে তত রহস্যময় হয়ে উঠবে।
ই. বি. ব্রাউনিং
১২৭. যুক্তিতে না পারলে শক্তিতে দেখে নেব, এটাই বর্বর নীতি।
–শেখ সাদি
১২৮. নীরবতা মঙ্গল না করলেও ক্ষতি করে না।
জর্জ রিচার্ড
১২৯. জালেমকে শাস্তি দাও, মজলুমকে রক্ষা করো ও আদর্শের তরবারি ধরো, প্রয়োজন হইলে মরো; কিন্তু ইসলামের তরকারি নিরপরাধকে আঘাত করিবার জন্য নয়।
–আল-হাদিস
১৩০. সারাজীবন ভগবানের নাম করে মানুষ যে-সুফল পায় না, একটা মুহূর্তের ন্যায় কাজে হয়তো তুমি তা পাবে।
পারস্য প্রবাদ
১৩১. সূর্যের আলো যেমন সকলকে সমান উত্তাপ দেয়, ন্যায়বিচারও তেমনিভাবে সবার জন্য অপেক্ষা করে।
স্যার টমাস মুর
১৩২. ন্যায়বিচারের মতো এমন প্রকৃত মহৎ ও ঈশ্বরতুল্য সদ্গুণ আর নেই।
–এডিসন
১৩৩. আইনজ্ঞ আর চিত্রকরেরাই পারেন সাদাকে দ্রুত কালো করে ফেলতে।
–ডেনিস প্রবচন
১৩৪. লোকে বলে আইন,বোঝে সম্পত্তি।
–ইমারসন
১৩৫. যত বেশি আইন, তত কম ন্যায়।
জার্মান প্রবচন
১৩৬. আপনি কৌসুলি, আপনার দায়িত্ব মিথ্যে বলা, লুকিয়ে ফেলা, যে কোনোকিছুকে বিকৃত করা আর সবাইকে কাত করে ফেলা।
জাঁ জিরাদু
১৩৭. প্রতিটি নতুন সময়ই তার আইন জন্ম দেয়।
ম্যাক্সিম গোর্কি
১৩৮. মানুষের উচিত তাদের আইনের জন্যে লড়াই করা, যেমন উচিত তাদের নগরপ্রাচীরের জন্যে।
হেরাক্লিটাস
১৩৯. বিচারালয় খোদার দরবার, বিচারের মালিক খোদা। মানুষ তাহার প্রতিনিধি হিসাবে বিচারাসনে বলে। সেখানে মিথ্যার স্থান নাই।
–এ. কে. ফজলুল হক
১৪০. প্রভু, দণ্ডিতের সাথে
দণ্ডদাতা কাঁদে যবে সমান আঘাতে
সর্বশ্রেষ্ঠ সে বিচার; যার তরে প্রাণ
কোনো ব্যথা নাহি পায় তারে দণ্ডদান
প্রবলের অত্যাচার।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৪১. বাঁচো এবং বাঁচতে দাও–এই হল সাধারণ বিচারের কথা।
রোজার এল. ডাটেন্স
১৪২. পণ্ডিতদের অনেকে বলেন পাপ-পুণ্য মানসিক বিচার–এ-পৃথিবীতে পাপ-পুণ্য বলে কোনোকিছুর অস্তিত্ব নেই, মানুষের সুবিধার জন্য, সমাজের শৃঙ্খলা বজায় রাখবার জন্য পাপ-পুণ্য, ধর্ম, অধর্ম, সত্য-অসত্য–এই কথাগুলোর সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু এর উত্তরে আমি বলব, আমরা যখন কোনো কাজে অগ্রসর হই তখন কখনো পাই বিবেক আর মনের সমর্থন, আবার কখনো মনের মধ্য থেকেই আসে বাধা। আমি এটাকে শুধু সংস্কার বলে উড়িয়ে দিতে চাই না–তা হলে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে পৃথিবীতে ধর্ম আর সত্যের জয়ধ্বজা উড়ত না।
–জি, কে, চেস্টারটন
১৪৩. শিশু এবং বোকারা মিথ্যা বলে না।
জন হেউড
১৪৪. সত্যিকারের সমতা পৃথিবীতে কোনোদিন আসেনি এবং আসবে না। কিভাবে আমরা এখানে সকলে সমান হতে পারি? মানুষে যে ভেদাভেদ তা মস্তিষ্কের পার্থক্য। একমাত্র পাগল ব্যতীত কেউ বলবে না যে, আমরা সকলে একই মস্তিষ্কের শক্তি নিয়ে পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করি।
–স্বামী বিবেকানন্দ
১৪৫. অধিকারলাভের যে মর্যাদা আছে, সে মর্যাদা রক্ষা করিতে হইলে অধিকার প্রয়োগকে সংযত করিতে হয়।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৪৬. মানুষের বড় পুণ্য হচ্ছে–যতই মূল্য দিতে হোক না কেন, অন্যায়ের সাথে যুদ্ধ করা।
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
১৪৭. অন্যায়কারী তার দুষ্কর্মের রশিতেই বাঁধা পড়বে এবং একদিন-না-একদিন তাকে কৃতকর্মের ফলভোগ করতেই হবে।
হযরত সোলায়মান (আ.)
১৪৮. আমার মনে হয়, অন্যায় করার চেয়ে অন্যায় সহ্য করাটা ভালো।
ইমারসন
১৪৯. কৃত অপরাধ স্বীকার না করার অর্থ অপরাধটি দুবার করা।
টমাস ফুলার
১৫০. একজন আহত ব্যক্তি তার ক্ষতস্থানের ব্যথা যত শীঘ্র ভুলতে পারে, একজন অপমানিত ব্যক্তি তার অপমানের জ্বালা তত সহজে ভুলতে পারে না।
–লর্ড চেস্টারফিল্ড
১৫১. আমাদের সমস্ত নিয়মকানুন আমাদের মঙ্গল কামনাকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে।
থিওডোর পার্কার
১৫২. নীতিবানদের রাজ্যে রাজনীতি অচল।
ওয়েনডেল ফিলিপাস
১৫৩. নীতিবোধ কিংবা আরো স্পষ্ট করে বললে চারিত্রিক মূল্যবোধ সমাজ সংগঠনের প্রধান শক্তি।
–মোঃ মোর্তজা
১৫৪. যারা নীতিতে বিশ্বাসী নয়, বিশ্বাসী একমাত্র স্বার্থে, তাদের উন্নতি হয় বটে, কিন্তু পতনও আসে অপ্রতিরোধ্য গতিতে।
–লর্ড আর্থার
১৫৫. যেখানে বিচার আছে, সেখানে স্বাধীনতাও আছে।
টাস
১৫৬. যেদেশে বিচার নেই, সেদেশে সমস্যার কোনো সমাধান নেই। ম্যাসিঞ্জার ১৫৭. যে দুর্বল, সে সুবিচার করতে সাহস করে না।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৫৮. আমাদের নিজেদের সম্বন্ধে বিচার করার সময় আমরা ভবিষ্যতে কী করতে পারব তা ধরে নিজেদের বিচার করি। অন্যেরা যখন আমাদের সম্বন্ধে ভাবে বা বিচার করে তখন তারা আমাদের শুধু অতীত কার্যাবলির উপর দৃষ্টি রেখে বিচার করে থাকে।
লংফোলো
১৫৯. কৌশলের মধ্য দিয়ে মিথ্যে যেন না জেতে।
ইস্কিলাস
১৬০. যারা আইন তৈরি করেছে আইন মেনে চলায় তাদের চেয়ে বেশি পবিত্র দায় আর কারও নেই।
