১০৫. রূপ চোখ জুড়ায়, কিন্তু গুণ হৃদয় জয় করে থাকে।
পোপ
১০৬. দক্ষ ব্যক্তির চাকরি হারাবার বা পাবার জন্য চিন্তা করতে হয় না।
–সিমেন্স
১০৭. মানুষের দক্ষতা অসীম। এইসব দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারলে যে-কোনো জাতির উন্নতি অবধারিত।
১০৮. দুর্নীতি গাছের শাখা-প্রশাখার মতো। খুব সহজেই এর বিস্তার ঘটে।
উইলিয়াম পিট
১০৯. দুর্নীতিপূর্ণ স্বাধীন মানুষ দাসেরও অধম।
–গ্যারিক
১১০. যে-লোক আমার দোষত্রুটি অপরের নিকট ব্যক্ত করে সে আমার গুরু। এমনকি সে যদি আমার দাসও হয়, তবুও। প্রকৃতপক্ষে মানুষের ক্রটিই মানুষকে মনোরম করে।
–গ্যেটে
১১১. আমাকে ভালোবাসতে হলে আমার গুণকে যেমন ভালোবাসবে তেমনি দোষত্রটিগুলিকেও ধৈর্যের সঙ্গে সংশোধন করতে সাহায্য করবে।
এনড্রিউ মার্ভেল
১১২. আমাদের দোষত্রুটিগুলো যখন শুধু আমাদের কাছে জানা থাকে, তখন আমরা সহজেই তা ভুলে যাই।
–লা রোচি ফুঁকো
১১৩. অপরের দোষ অপেক্ষা নিজের দোষ যাচাই করা উত্তম।
ডেমোক্রিটাস
১১৪. ধৈর্যশীল লোকদের জন্যই সুন্দর দিন আসে।
স্যামুয়েল লাভার
১১৫. বিশ্বাসের প্রধান অংশই হচ্ছে ধৈর্য।
ক্রিস্টিনা রসেটি
১১৬. ভিক্ষাবৃত্তি পতিতাবৃত্তির চেয়েও খারাপ।
-–লেনিন
১১৭. যিনি বিনাশ্রমে অন্যের অর্থ গ্রহণ করেন, তিনিই ভিক্ষুক।
–সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ
১১৮. ভুল বা অন্যায় করে যে স্বীকার করে না বা তার জন্য অনুতপ্ত হয় না–তাকে কখনো ক্ষমা করা যায় না।
–ইয়ং
১১৯. মানুষ কখনো কখনো এমন ভুল করে–যার ফলে তার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের সব সৌন্দর্য ও সুকীর্তি ম্লান হয়ে যায়।
–জেমস্ মন্টোগোমারি
১২০. ভুলভ্রান্তি নিয়েই মানুষের জীবন। সেই ভুলকে প্রাধান্য দিয়ে বাকি জীবনে অশান্তি ডেকে আনার কোনো মানে হয় না।
লাওলে
১২১. বোকার সঙ্গে যদি কথা বল বুদ্ধি করে, উলটো তোমকে সে গালি দেবে থোকা।
ইউরিপিডিস
১২২. প্রত্যেকের পোশাকের ভেতরে আছে একজন করে বোকা।
টমাস ফুলার
১২৩. বোকারা পৃথিবী শাসন করে না, তার মানে এই নয় যে তারা সংখ্যালঘু।
–এডগার ওয়াটসন হাউ
১২৪. চূড়ান্ত বোকা মেয়েরাও চালাক লোককে কাবু করে ফেলতে পারে। কিন্তু বোকা লোককে সামাল দিতে চালাক মেয়েরও জান বেরিয়ে যায়।
রুডিয়ার্ড কিপলিং
১২৫. বয়সি বোকারা জোয়ান বোকাঁদের চেয়ে বেশি বোকা।
–লা রনফুঁকো
১২৬. যার জীবনে যত ভুল তার জীবন তত মঙ্গলময় হতে পারে। তার কারণ অন্ধকার অলিগলি পার হয়েই মানুষ আলোকবর্তিকার সন্ধান পায়।
–ডেল কার্নেগি
১২৭. গুণকে গৌরব ছায়ার মতো অনুসরণ করে থাকে।
সিসেরো
১২৮. গুণীর মান গুণবানেই দিতে পারেন। গুণাগুণের নিরপেক্ষ বিচার করার ক্ষমতা যার নেই, তার সমাদর ভক্তিমূলক। ভক্তি চটে গেলে শিষ্য গুরুর মাথায় লাঠি মারতেও কুণ্ঠিত হয় না।
আবদুর রহমান শাদাব
১২৯. ফলবান বৃক্ষ আর গুণবান লোক আপনা থেকেই নত হয়। শুকনো কাঠ আর মূর্খ ভেঙে দুমড়ে যায়, কিন্তু নত হয় না।
–ভবভূতি
১৩০. ম্রতা এবং ভদ্রতা গুণ দুটো মানুষের জীবনের পুরাতন ঐশ্বর্য।
–জন স্টুয়ার্ট মিল
১৩১. শিশু এবং মূর্খ সবকিছুই চায়, কারণ, গুণাগুণ বিচারের বুদ্ধি তাদের নেই।
সাভাইল
১৩২. বোকারাই আত্মপ্রশংসা করে।
দ্য জোই
১৩৩. যারা আত্মপ্রশংসা করে ঈশ্বর তাদের ঘৃণা করেন।
সেন্ট ক্লিমেন্ট
১৩৪. যার প্রশংসাকারী নেই, সে-ই আত্মপ্রশংসা করে।
ডরোথি
১৩৫. প্রতারণা হচ্ছে বিষাক্ত জলের মতো, যেদিক দিয়ে যাবে সেদিক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
–নিকোলাস রাউ
১৩৬. পিতার আত্মনিয়ন্ত্রণই ছেলেমেয়েদের পক্ষে সর্বশ্রেষ্ঠ উদাহরণ।
–ডেমোক্রিটাস
১৩৭. মুচি ভালো জুতা বানাতে পারে, কেননা সে আর কিছুই বানাতে পারে না।
–ইমারসন
১৩৮. যে শূন্যগর্ভ বর্তমানে দাঁড়িয়ে উজ্জ্বল অতীতের অহঙ্কার করে–সে নিঃসন্দেহে নির্বোধ।
–শওকত ওসমান
১৩৯. আমি অনেক কিছুই জানি না, কিন্তু মনে করি অনেক কিছুই জানি–এটা নির্বুদ্ধিতার লক্ষণ।
১৪০. কুসংস্কার মানুষের শত্রু বটে, কিন্তু সঙ্কীর্ণতা তার চাইতে বড় শত্রু।
স্বামী বিবেকানন্দ
১৪১. কথা বেশি বলাটা গর্বের কিছু নয়। এমন কথা বলা উচিত যাতে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় পাওয়া যায়।
–টমাস ফুলার
১৪২. যারা সবসময় পান করে তারা স্বাদ গ্রহণ করে না, আর যারা সর্বদা কথা বলে তারা চিন্তা করে না।
প্রাইসর
১৪৩. যে প্রায়ই অবাস্তব কথা বলে, প্রয়োজনের সময় তার যথার্থ মূল্যবান কথারও বিন্দুমাত্র মূল্য থাকে না।
–ভন স্মিথ
১৪৪. ধৈর্যহীনতা সাফল্যের শত্রু। অধৈর্য অস্থিরমতি ব্যক্তিরা জীবনে সফলতা অর্জন করতে পারে না।
–জন ব্রে
১৪৫. প্রৌঢ়ত্ব এবং দুঃখ যত শীঘ্র আমাদের রক্ত শুকিয়ে ফেলে অধৈর্যতা তার চেয়ে কম সময় নিয়ে থাকে।
সিলোন ১৪৬.
অলস ব্যক্তিরা জীবনে কখনো আলোর সন্ধান পায় না। –ডেল কার্নেগি ১৪৭. মারাত্মক সব ভুলের জন্য বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অহঙ্কার দায়ী থাকে।
সিডনি ডোবেল
১৪৮. স্বাস্থ্য এবং টাকা দুটোই ক্ষণস্থায়ী–এ দুটো নিয়ে কখনোই অহঙ্কার করা উচিত নয়।
চার্লস ফার্গুসন
১৪৯. খুব বেশি আত্মগরিমা খুব সহজেই সাংঘাতিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
–গ্যেটে
১৫০. অহমিকাবোধ আমাদের অনেক মুল্যবান সাহচর্য থেকে বঞ্চিত করে।
–আর. এইচ. নিওয়েল
১৫১. নিজেকে উচ্চ মনে করা এবং অন্যকে তুচ্ছ মনে করার নামই অহমিকা।
