সুইফট
৬২. তিনটি অভ্যাসের নির্ধারিত তিনটি পুরস্কার রয়েছে, মৌনতার পুরস্কার শান্তি, খোদাভীরুতার পুরস্কার মর্যাদাপ্রাপ্তি এবং সেবার পুরস্কার নেতৃত্বলাভ।
–নিজামুল মূলক
৬৩. জগতের কল্যাণ হেতু নরের সৃজন
নরের কল্যাণ নিত্য যে ধর্ম পালন
–হেমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়
৬৪. তিল তিল করে মানুষের কল্যাণসাধনে দ্রুত হৃদয়কে তৈরি করতে হবে। তা হলে একদিন দেখবে তুমি জাতির সবচেয়ে সৎ কর্মময় মুহূর্তে হয়তো সবচেয়ে বেশি কল্যাণ-সাধনে সফল হয়েছ।
টলস্টয়
৬৫. মানুষের কল্যাণ করা বিধাতাকে সন্তুষ্ট করবার একমাত্র উপায়।
ফ্রাংকলিন
৬৬. তুমি যে-সেতুর উপর দিয়ে হাঁটছ, সেই সেতুর প্রতি তোমার কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।
বিশপ জন পিয়ারসন
৬৭. চরিত্রের উৎকৰ্ষানুযায়ী খোদাতা’আলা উন্নাতি দান করিয়া থাকেন।
–আল-হাদিস
৬৮. অর্থের প্রয়োজন নেই, পদমর্যাদার প্রয়োজন নেই; প্রয়োজন আছে শুধু চরিত্রের, যা মানুষের জীবনে সর্বাপেক্ষা প্রয়োজনীয়।
রাকি
৬৯. টাকায় কিছু হয় না, নাম যশে কিছু হয় না, বিদ্যায় কিছু হয় না, চরিত্রই বাধা বিঘ্নের বজ্ৰদৃঢ় প্রাচীর ভেদ করতে পারে।
–স্বামী বিবেকানন্দ
৭০. সুসামঞ্জস্য চরিত্রের লোক সুসামঞ্জস্য জীবনযাপন করে।
ডেমোক্রিটাস
৭১. আমরা বলব না যে প্রত্যেকটি মানুষ তার নিজের ভাগ্যের স্থপতি; কিন্তু আমরা আবশ্যই বলব যে, সকলে যার যার চরিত্রের স্থপতি।
জি. ডি. বোর্ডম্যান
৭২. তোমরা উত্তম চরিত্রের বৈশিষ্ট্যের পরিচয় দাও। নিজেদের মানসিক প্রবণতা বা ভাবোচ্ছাসকে সংযত করো। সকর্মী হও। পবিত্র জীবনযাপন করো। আল্লাহর হুকুমের সামনে মাথা পেতে দাও।
–আবদান গাউস
৭৩. তোমাদের সদা সৎ আচরণই তোমাদিগকে বেহেস্ত কিংবা দোজখের দিকে লইয়া যাইবে। তখন ইহা প্রতীয়মান হইবে যে, সেই বেহেস্ত বা দোজখই তোমাদের লেখা ছিল।
–আল-হাদিস
৭৪. সে-ই সত্যিকারের মানুষ যে অন্যের দোষত্রুটি নিজেকে দিয়ে বিবেচনা করে।
লর্ড হালিফাক্স
৭৫. বিখ্যাত লোকদের দোষগুলো বেওকুব লোকদের একমাত্র সান্ত্বনা।
ডিজরেইলি
৭৬. তোমার নিজের মধ্যে যেসব দোষ রয়েছে, অন্যের মধ্যে সেসব দোষ দেখে সমালোচনা করা সবচেয়ে বড় দোষ।
–হযরত আলি (রা.)
৭৭. যদি তুমি একটি লোকের দোষ খুঁজতে চাও, তবে তার সাথে যার সদ্ভাব নেই, তার কাছে যাও।
–টেন গার
৭৮. সম্মুখে যাকেই দেখ তাকেই তোমার চেয়ে উত্তম মনে করার নামই প্রকৃত বিনয়।
–হযররত ওসমান হারুনি (রা.) ৭৯. কষ্ট ও ক্ষতির পর মানুষ বিনয়ী ও জ্ঞানী হয়।
ফ্রাংকলিন
৮০. কথাবার্তায় বিনয় ভালো; কিন্তু চরিত্রের দৃঢ়তা থাকতে হবে। থ্যাচার ৮১. দলের সততাই দলের উৎকর্ষ বৃদ্ধি করে।
–এডমন্ড বার্ক
৮২. মানুষের স্বভাবেই রয়েছে আত্মপ্রতিষ্ঠার ও আত্মপ্রসারের আকাঙ্ক্ষা। এ কারো চরিত্রে থাকে সুপ্ত, আর কারো জীবনে হয় প্রকট।
ড. আহমদ শরীফ
৮৩. প্রতিভাবান ব্যক্তিরাই ধৈর্যধারণ করতে পারে।
ইসি, স্টেডম্যান
৮৪. ধৈর্য তিক্ত, কিন্তু তার ফল মধুর।
রুশো
৮৫. শক্তির চেয়ে ধৈর্যই মানুষের জীবনে সবচেয়ে বেশি সফলতা আনতে পারে।
–এডমন্ড বার্ক
৮৬. সব সমস্যারই প্রতিকার হচ্ছে ধৈর্য।
–পুটাস
৮৭. ধৈর্য এবং শিষ্টতা হচ্ছে শক্তি।
–লে হান্ট
৮৮. আকাঙ্ক্ষিত জিনিস তিনিই পান যিনি ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেন।
স্মিথ
৮৯. ধৈর্য বিষের মতো মনে হয়।
পরে কিন্তু তার ফল বেশ মধুময়।
রাজার চেয়ে সুখী কত দীন-দুখি জন,
সন্তোষ সুধায় ভরা যাহাদের মন।
–শেখ সাদি
৯০. ধৈর্য ও স্থিরচিত্ততা মানবচরিত্রকে সুষমামণ্ডিত করে তোলে।
হযরত ইমাম হোসেন (রা)
৯১. যার ধৈর্য আছে সে যা ইচ্ছা তা-ই পেতে পারে।
ফ্রাংকলিন
৯২. ঝানু চোরেরা মরে না, তারা স্রেফ চুরি হয়ে যায়।
–গ্লেন খিলব্রেথ
৯৩. চোরের বিশ্বাস সকলেই চোর।
–এডগার ওয়াটসন হার্ড
৯৪. আচার-বৈয়ামে হাত ঢোকালে কনুই পর্যন্ত ডুবিয়ে দাও।
মালয়ী প্রবাদ
৯৫. সকল চুরিই আপেক্ষিক। চূড়ান্ত বিচারে, কে চুরি করে না? ইমারসন ৯৬. সুযোগই তৈরি করে চোর।
–ইংরেজি প্রবাদ
৯৭. চোরের ভুলগুলোই বণিকের গুণ।
জর্জ বার্নার্ড শ
৯৮. ডিমচোরাই কালে কালে হয়ে ওঠে উটচোর।
পারস্য প্রবাদ
৯৯. সর্ব বিষয়ে ধৈর্য ধারণ করার অভ্যাস গড়ে তোলো। মানুষের মস্তকের সাথে শরীরের যে-সম্পর্ক, ইমানের পথে ধৈর্যেরও সম্পর্ক সেরূপ। মাথা ব্যতীত দেহের যেমন কোনো মূল্য নেই, ধৈর্য ছাড়া ইমানেরও দ্রুপ কোনো মূল্য নেই।
–হযরত আলি (রা.)
১০০. আমাদের প্রকৃত আশীর্বাদগুলো প্রায়শই যন্ত্রণা, ক্ষতি ও নৈরাশ্যের আকারে দেখা দেয়; কিন্তু আমরা যদি ধৈর্য ধারণ করি তবে আমরা শীঘ্রই সেগুলোকে তাদের সঠিক রূপে দেখতে পাব।
এডিসন
১০১. যে ধৈর্য ধরতে জানে, তার জন্য আনন্দঘন প্রশান্তি অপেক্ষা করে।
–জন লিলি
১০২. সকল বিষয়ে ধৈর্য ধারণ করো; প্রধানত তোমার নিজের বিষয়ে। তোমার নিজের ত্রুটিগুলো বিবেচনা করতে গিয়ে সাহস হারিয়ে ফেলো না; বরং সেগুলো তৎক্ষণাৎ সংশোধন করতে আরম্ভ করো–প্রতিদিন এ-কাজ নতুন করে শুরু করো।
–সেন্ট ফ্রান্সিস দ্য সেলস
১০৩. দারিদ্র পরিবেশ দূষণের প্রধান কারণ।
ইন্দিরা গান্ধী
১০৪. তুমি যদি জীবনে কিছু করতে চাও; তবে এখনই নিজের মতো করে জীবনটা গড়ে নাও।
হ্যারল্ড লাসকি
