“Therefore only intellectually committed but critical nontheists (nonbelievers) are genuinely good and will go to heaven. Therefore, if a god exists, his silence and allowance of evil are explained and justified by his plan to discover the only sorts of people who deserve to populate heaven: sincere nontheists. And this makes perfect sense of many mysteries, thus explaining what theists struggle to explain themselves.”
একই কথা বলেছেন ম্যাসিমো পাগ্লিউসি তার ‘Pascal’s Wager: Is It Safer To Believe In God Even If There Is No Proof That One Exists?’ la ভিন্নভাবে[২০৫]। এই প্রবন্ধ থেকে কিছু লাইন–
“Many Agnostics, for example, have evaluated all the “proofs” for God’s existence, and all of the ‘proofs’ of God’s non-existence. They conclude that neither belief can be substantiated. They feel that they cannot rationally believe in the existence or non-existence of God; they must remain Agnostic. Under these conditions, a person can only believe in God if they violate their honesty. And God might punish a lack of honestly more severely than not being able to believe in God. It can also be argued that if people believe something on insufficient evidence, that the result is the promoting of credulity— something that harms society. Again, that could be a sin that God is particularly concerned about punishing.”
সারমর্ম হল– আসল ঈশ্বরের নিশ্চয় মাথা খারাপ না যে, কেউ বিনা প্রমাণে সমাজের যাবতীয় অপবিশ্বাস আর কুবিশ্বাসে বিশ্বাসী বলেই তাকে আদর করে বেহেস্তে পাঠিয়ে দেয়া হবে, আর নাস্তিক যুক্তিবাদীদের জায়গা হবে নরকে। বরং আমিতো বলব, অবিশ্বাসীরা ইহজগতে সে কাজটাই ভালমতো করছে যা ঈশ্বরের পছন্দ– মানবিকতা, যুক্তিবাদ আর মুক্তবুদ্ধির চর্চা। কাজেই, অবিশ্বাসী নাস্তিকেরাই ‘ঈশ্বরের পরীক্ষায় পাশ করে বেহেস্তে যাওয়ার দাবীদার!
ঈশ্বরের পরীক্ষাটা আসলে কি ধরণের পরীক্ষা? ঈশ্বরের পরীক্ষার কথা যখন আসলোই আরো একটা মজার ব্যাপার মনে হল। আরজ আলী মাতুব্বর তার “সত্যের সন্ধান গ্রন্থে লিখছিলেন–
‘বলা হয় যে, ঈশ্বরের অনিচ্ছায় কোন ঘটনা ঘটে না। এমনকি গাছের পাতাটিও নড়ে না। বিশেষত তার অনিচ্ছায় যদি কোন ঘটনা ঘটতে পারে তাহা হইলে তাহার সর্বশক্তিমান’ নামের সার্থকতা কোথায়? আর যদি ঈশ্বরের ইচ্ছায়ই সকল ঘটনা ঘটে তবে জীবের দোষ বা পাপ কী?’
এখন ঈশ্বরের অনিচ্ছায় যদি কোন ঘটনা না ঘটে, তাইলে প্যাস্কেলের পুরো বাজিই একটা তামাসায় পর্যবসিত হয়ে যায়। ঈশ্বর যেহেতু সর্বজ্ঞ, তিনি নিশ্চয় জানেন কে আস্তিক হবে আর কে নাস্তিক। যে লোকটা নাস্তিক হচ্ছে, সে আসলে কিন্তু প্রকারান্তরে কোন না কোনভাবে ঈশ্বরের ইচ্ছা আর উদ্দেশ্যই পূরণ করছে। কারো সাধ্য আছে কি ঈশ্বরের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যাওয়ার? নেই। ঈশ্বরের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে গেলে তো তার ‘সর্বশক্তিমান’ খেতাবটাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়। তাই ঈশ্বর হয়তো সত্যই চান যে নাস্তিকেরা নাস্তিকই থাকুক। এই দিক দিয়ে চিন্তা করলে প্যাস্কেলের বাজি কিন্তু ভোজবাজি মিলিয়ে যেতে বেশি দেরী লাগে না।
আসলেই কি বিশ্বাসে কিছুই হারানোর নেই? এখন কথা হচ্ছে যদি কোন ঈশ্বর কেবল অন্ধবিশ্বাসী হবার কারণে কাউকে পুরস্কৃত করে, আর অবিশ্বাসীকে কঠিন শাস্তি দেয়, তাহলে সেই ঈশ্বর তো আসলে স্তাবকতাপ্রিয় ঈশ্বর। ইনি চাটুকারিতা পছন্দ করেন। একটা লোক ইহজীবনে কেমন ছিল, কী করল, মানুষের জন্য ভালো কাজ করেছে নাকি করেনি, সেগুলো বিবেচনা না করে সারা জীবন ধরে চাটুকারিতা করেছে কিনা এইটাই যদি হয় একমাত্র ক্রাইটেরিয়া– তাহলে কোন সুস্থ-বুদ্ধির লোক তাকে “ঈশ্বর’ নামে ডাকার চেয়ে বিশ্ববেহায়া স্বৈরাচারী এরশাদের মত কিছু একটা নামেই হয়তো ডাকবে।
অনেকেরই মনে আছে বোধ করি আশির দশকে এরশাদের শাসনামলে মওদুদ, শাহ মোয়াজ্জেম এবং কাজী জাফরের মতো লোকজন মধুর লোভে মধুমক্ষিকার মতোন সারাটা সময় এরশাদকে ঘিরে থাকতেন। কিন্তু বুদ্ধিবিবেচনা সম্বলিত মানুষজনের কাছে তিনি ছিলেন একজন দুর্নীতিবাজ পতিত স্বৈরশাসক। পতিত স্বৈরশাসকের প্রতি অন্ধ আনুগত্য যেমন নিজের বিচারবুদ্ধি, বিবেচনাবোধ এবং মানবিকতাকে ধ্বংস করে দেয়, ঠিক তেমনি প্যাস্কেল এবং তার অনুসারীদের স্তাবকতাপ্রিয় ঈশ্বরে বিশ্বাস করলে, তার প্রতি অন্ধ আনুগত্য আনলে আসলেই সমস্যা। পরকালে কিছুই হারানোর নাই বলে কেউ নিজেকে প্রবোধ দিলেও তিনি মূলত মানুষ হিসেবে চিন্তা করার ক্ষমতাটাই হারিয়ে ফেলবেন এরকমের অন্ধ আনুগত্যের ফলে। চাটুকারিতার কাছে নির্লজ্জ আত্মসমর্পণ করে তিনি তার সততা হারাবেন, সাহস হারাবেন, নিষ্ঠা হারাবেন, হারাবেন সুস্থ বিচারবোধ। তারপরেও কেউ বলবেন তার কিছুই হারানোর নেই? দার্শনিক জর্জ স্মিথ তার ‘Atheism: The Case Against God’ বইয়ে সেজন্যই বলেছেন[২০৬]–
