Atheism is characterized by an absence of belief in the existence of gods. This absence of belief generally comes about either through deliberate choice, or from an inherent inability to believe religious teachings which seem literally incredible. It is not a lack of belief born out of simple ignorance of religious teachings.
সহজেই অনুমেয় যে, ‘absence of belief’ শব্দমালা চয়ন করা হয়েছে বিশ্বাসহীনতা’কে তুলে ধরতেই, উল্টোটি বোঝাতে নয়। Gordon Stein তার বিখ্যাত “An Anthology of Atheism and Rationalism’ বইয়ে নাস্তিকতার (Atheism) সংজ্ঞায়ন করতে গিয়ে বলেন–
When we examine the components of the word ‘atheism,’ we can see this distinction more clearly. The word is made up of ‘a-’ and ‘-theism.’ Theism, we will all agree, is a belief in a God or gods. The prefix ‘a-’ can mean ‘not’ (or ‘no’) or ‘without’. If it means ‘not,’ then we have as an atheist someone who is not a theist (i.e., someone who does not have a belief in a God or gods). If it means ‘without,’ then an atheist is someone without theism, or without a belief in God’. (Atheism and Rationalism, p. 3. Prometheus, 1980)
আমরা যদি atheist শব্দটির আরো গভীরে যাই তবে দেখব যে, এটি আসলে উদ্ভূত হয়েছে গ্রিক শব্দ ‘a’ এবং ‘theos’ হতে। গ্রিক ভাষায় ‘theos’ বলতে বোঝায় ঈশ্বরকে, আর ‘a’ বলতে বোঝায় অবিশ্বাস বা বিশ্বাসহীনতাকে। সেজন্যই Michael Martin তার ‘Atheism: A Philosophical Justification’ বইয়ে বলেন–
According to its Greek roots, then, atheism is a negative view, characterized by the absence of belief in God. (Atheism: A Philosophical Justification’, p. 463., Temple University Press, 1990)
আসলে নাস্তিকদের বিশ্বাসী দলভুক্ত করার ব্যাপারটি খুবই অবিবেচনাপ্রসূত। ব্যাপারটাকে আরেকটু পরিষ্কার করা যাক। ধরা যাক, এক মুক্তমনা যুক্তিবাদী ব্যক্তি ভুতে বিশ্বাস করেন না। তবে কি সেজন্য তিনি ‘না-ভূতে বিশ্বাসী হয়ে গেলেন? উনাদের যুক্তি অনুযায়ী তাই হবার কথা। এভাবে দেখলে, প্রতিটি অপ-বিশ্বাস বিরোধিতাই তাহলে উল্টোভাবে বিশ্বাস বলে চালিয়ে দেওয়া যায়, তা সে ভুতই হোক, পঙ্খিরাজ ঘোড়াই হোক, অথবা ঘোড়ার ডিমই হোক। যিনি পঙ্খিরাজ ঘোড়া বা চাঁদের চরকা-বুড়ির অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন না, তিনি আসলে তার সংশয় এবং অবিশ্বাস থেকেই তা করেন না, তার ‘না-বিশ্বাসে বিশ্বাসী হবার কারণে নয়। যদি ওই ব্যক্তিটিকে জিজ্ঞাসা করা হয়, কেন ওগুলোতে তিনি বিশ্বাস করেন না, তিনি হয়তো জবাবে বলবেন, ওগুলোতে বিশ্বাস করার মতো যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায় নি বলে। কিংবা হয়তো বলতে পারেন, এখন পর্যন্ত পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ওগুলো সত্তার বাস্তব অস্তিত্ব কেউ প্রমাণ করতে পারেন নি, তাই ওসবে বিশ্বাস করার প্রশ্ন ওঠে না। এটি পরিষ্কার যে, এই বক্তব্য থেকে তার মনের সংশয় আর অবিশ্বাসের ছবিটিই আমাদের সামনে মূর্ত হয়ে ওঠে, বিশ্বাসপ্রবণতাটি নয়। ঈশ্বরে অবিশ্বাসের ব্যাপারটিও কিন্তু তেমনি। নাস্তিকেরা তাদের সংশয় আর অবিশ্বাস থেকেই নাস্তিক হন, ‘না-ঈশ্বরে বিশ্বাস থেকে নয়। সে জন্যই মুক্তমনা ড্যান বার্কার তাঁর বিখ্যাত ‘Losing Faith in Faith: From Preacher to Atheist গ্রন্থে পরিষ্কার করেই বলেছেন- Basic atheism is not a belief. It is the lack of belief.’। জুবায়ের অর্ণব বাংলা ব্লগে যে উক্তিটি করেছেন, সেটা সবসময়ই নাস্তিকতাকে বোঝার জন্য একটি মাইলফলক:
‘নাস্তিক্যবাদ ধর্ম হলে বাগান না করাও একটি শখ, ক্রিকেট না খেলাও একটি ক্রীড়া, কোকেইন সেবন না করাও একটি নেশা।
.
প্যাস্কেলের ওয়েজার
‘ভাই আমি আপনে সবাই একদিন মইরা যামু। ধরেন ঈশ্বর থাকা না থাকার সম্ভাবনা ফিফটি ফিফটি। ঈশ্বর যদি না থাকে তাইলে আস্তিক নাস্তিক কারোরই কোন সমস্যা নাই। হগগলেই তো মাটির তলায়। কিন্তু ঈশ্বর যদি থাকে আমরা যামু বেহেস্তে আর আপনেরা খাইবেন হের কোম্পানি। তাই আস্তিক হওয়াটাই নিরাপদ না?’
অবিশ্বাসী হওয়ার জ্বালা অনেক। এ ধরণের প্রশ্ন অহরহ শুনতে হয়। আমার মনে হয় এমন কোন নাস্তিক এই ধরাধামে নেই যিনি জীবনের কখনো না কখনো এই প্রশ্নের বিশাল ধাক্কা হজম করেননি। একটা সময় আমি এগুলো হেসে উড়িয়ে দিতাম। ভাবতাম— এই হাবিজাবি কথায় এতো গুরুত্ব দেওয়ার কী আছে! এটা তো ঈশ্বরের অস্তিত্বের কোন প্রমাণ নয়, কেবল বাচ্চাদের যেমন ভুতের ভয় দেখানো হয়, সেরকমের কিছু। পরে দেখি, আমার বহু ধার্মিক বন্ধুই ঈশ্বরের অস্তিত্বের পেছনে সত্য। সত্যই এটাকে একটা বিরাট দাবী বলে মনে করেন। যে কোন আড্ডায় গেলেই দেখা যায়, প্যালের ঘড়ি, হয়েলের বোয়িং, কিংবা হাল আমলের হুমায়ুনের নাইকন ক্যামেরা সহ অনেক ধরণের ‘যুক্তির পাশাপাশি[২০০] শেষ পর্যায়ে নাস্তিকদের বিরুদ্ধে মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে হাজির হয়ে যায় তাদের এই ‘নিরাপদ বাজির যুক্তি— ‘ভাই আমি মরলে তো সমস্যা নাই, আপনে নাস্তিক হইয়া মরলে তো খবর আছে! দোজখে পুড়বেন। হ্যানো ত্যানো”।
