অধ্যক্ষ রুস্তম আলি পন্টু বলেন, ডাক্তার রসুল ভাই, সব আমাগো খুইল্যা বলেন; আপনের শরিলটা খারাপ দেখাইতেছে, অমন দ্যাহটা তিন দিনেই কাহিল হইয়া পড়ছে।
ডঃ কদম রসুল বলেন, বলতে শরম লাগতেছে, কিন্তু না বইল্যাও পারতেছি না, আপনেগো কাছে বলনই লাগবে।
জেনারেল কেরামতউদ্দিন চিৎকার করে ওঠেন, আই আন্ডারস্ট্যান্ড ডক্টর কদম রসুল, দি বাস্টার্ডস মাস্ট হ্যাভ বিটেন ইউ ইন কাস্টডি, দি বাস্টার্ডস্ আর দি অ্যাজেন্টস অফ দি নগনআলাজ, উই মাস্ট টিচ দেম এ গুড লেসন হোয়েন উই গো ব্যাক টু পাওয়ার। উই মাস্ট গো টু পাওয়ার।
ডঃ কদম রসুল বলেন, রাইত হইলেই দুই তিনটা পুলিশ আইসা ল্যাংটা করাইয়া আমারে ছ্যাচতো, ডলতো, পাথর দিয়া গুতাইতো; রক্ত বাইর হইত না, হাড়ি ভাঙতো কিন্তু ব্যাদনায় ফাঁইট্যা যাইতাম। এতো দিন মন্ত্রী আছিলাম, তার জইন্যো একটু মাইন্যগইন্যও করে নাই। তার বদলে গালি দিয়া বলতো, আয় শালা, মন্ত্রী হওন দ্যাখাই।
ব্যারিস্টার কুদরতে খুদা বলেন, বাট উই আর ভিআইপিজ।
মোহাম্মদ কুদ্দুস চৌধুরী বলেন, দি পুলিস ফোর্স ইজ এ প্যাক অব ব্যান্ডিটস, হার্টলেস কিলার্স অ্যান্ড রেপিস্ট, কয় দিন আগেও আমাদের সালামের পর সালাম দিতো, স্যালুট করতো, কয় দিন পর আবারও দিবে, কিন্তু এখন পাইলেই দে উইল বিট আস লাইক এনিথিং, দে আর সেডিস্ট।
পানির মতো পান করে চলছেন তাঁরা।
ডঃ কদম রসুল বলেন, আমারে গুতাইয়া, ডইল্যা, আর ছেইচ্যাই ছাড়ে নাই, অছিটা আমার থিকা পঞ্চাশ লাখ নগদ আদায় করছে, আইজ বাইর হইতে না পারলে আরও পঞ্চাশ লাখ দিতে হইত। আমাগো আর অ্যারেস্ট হওন চলবো না, আমাগো ধরনের উদ্দেইশ্য হইছে গুতাইয়া ডইল্যা ট্যাকা বাইর কইর্যা নেওন। এই কয় বছরে কয়টাই ট্যাকা করছি, তা লইয়া গ্যালে পলিটিক্স করুম কি দিয়া।
ব্যারিস্টার কুদরতে খুদা বলেন, উই হ্যাভ অলরেডি আন্ডারস্ট্রড ইট অ্যান্ড টেকেন নেসেসারি মিজার, সেইজইন্য আইনগত ব্যবস্থা নিয়াছি, দি কন্সটিটিউশন ইজ ইন আওয়ার ফেভার, সকলের আগাম নিয়া রেখেছি, নোবডি ক্যান টাচ আস অ্যানি মোর।
ছয়ফুর চাকলাদার বলেন, এর পর ধরতে আসলে হাত ছিইর্যা ফালামু, আমাগো চিনে নাই। শুয়ারবাচ্চাগো পাছা ফাডাই দিমু, আর আল্লায় মুখ তুইল্যা চাইলে মনে যা আছে তা কইর্যা ছারুম।
অধ্যক্ষ রুস্তম আলি পন্টু বলেন, আমাগো দুর্নীতি লইয়া বাড়াবাড়ি করন আর সইজ্য করুম না; কী আর দুর্নীতি করছি আমরা, কয় ট্যাকা বানাইছি? পলিটিক্স করবো আর ট্যাকাপয়সা বানাইবো না এইটা কোন দ্যাশে হয়? আমেরিকায় পলিটিশিয়ান ভাইরা ট্যাকাপয়সা বানায় না? ক্লিনটন ট্যাকা বানায় নাই? নাইলে তাগো চলে ক্যামনে? ইংলন্ডের ভাইরা বানায় না? বিনা পয়সায় ধনীগো ফাইভ ইস্টার হোটেলে থাকে না মাইয়ালোক লইয়া? জাপানের ভাইরা বানায় না? কোরিয়ার ভাইরা বানায় না? পাকিস্থানের ভাইরা বানায় না? ইন্ডিয়ার ভাইরা বানায় না? ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ইটালি, জার্মানির ভাইরা বানায় না? বানাইলে রাজনীতি করুম কি কেলা চুইষ্যা?
সোলায়মান হাওলাদার বলেন, সব মাছেই গু খায় নাম হয় পাংগাশ মাছের; দ্যাশের কোন শালা ট্যাকা বানায় না? দোষ খালি আমাদের, পলিটিশিয়ানগো, য্যান খালি আমরাই শয়তান, অন্যেরা ফ্যারেশতা।
এমন সময় চারটি গায়িকা ও নর্তকী দেখা দেয়। তারা পাতাঘেরা মঞ্চে ওঠে; গায়িকাটি গান গাইতে শুরু করে, নর্তকী তিনটি নাচতে শুরু করে। তাদের কণ্ঠ ও শরীর থেকে রক্তিম সুর ঝরে পড়তে থাকে।
জেনারেল কেরামত বলেন, টেন্ডার ইজ দি নাইট, অ্যান্ড হ্যাঁপলি দি কুইন মুন ইজ অন হার থ্রোন, ইউ গো অন ড্যান্সিং অ্যান্ড সিংগিং বিউটিফুল রোউজেজ।
গায়িকা ও নর্তকীরা মধুর হাসে।
লিয়াকত আলি মিয়া বলেন, দ্যাশটা গরিব, আমাগো চলতে হয় লোনের ট্যাকায়, তাও কয় ট্যাকাই আমরা লোন পাই, চাইর পাঁচ বচ্ছরে আর কয় ট্যাকাই আমরা বানাইতে পারি? রাজীব গান্ধিটারে দ্যাখেন, চ্যাহারা আর হাসিখান দ্যাখলে মনে হয় গীতাপাঠ ছাড়া আর কিছু জানে না; কিন্তু এক বেফোর্স কম্পানির থিকাই খাইছে দুই শো কোটি ডলার, যেই ফাঁইটার বিমান কোনো কামে লাগবো না তাঅই কিনছে পাশশোটা।
সোলায়মান হাওলাদার বলেন, আমাগো চৈদ্দপুরুষেও ওই ট্যাকা স্বপ্নেও দ্যাকতে পারে না; ইন্ডিয়ানরা খায় ইন্ডিয়ানগো মতন।
ছয়ফুর চাকলাদার বলেন, আমাগো পাকিস্থানি ভাইগো আর বইনগোই ধরেন না ক্যান; বেনজির আফা অক্সফোর্ডে না কোন জায়গায় পইর্যা আইলেন, বিশ পঁচিশটা বয়ফ্রেন্ডের লগে ঘোমাইলেন, কয়বার প্যাট খালাশ করলেন, কত আন্দোলন করলেন, খাঁটি মুসলমান হইলেন, প্রধান মন্ত্রী হইলেন, তারপর দুই তিনটা বউআলা জারদারিরে বিয়া কইর্যা হাজার কোটি বানাইলেন। আমাগো মহাদেশনেত্রী আর কয় ট্যাকা বানাইছেন?
জেনারেল কেরামতউদ্দিন বলেন, ব্যুরোক্র্যাটগুলোর কথাই ধরেন না ভাই, দে আর করাপ্ট টু দি ব্যাক বোউন, অ্যাসিসটেন্ট কমিশনার হয়ে ঢোকার পর থেকে খাইতে থাকে, হোয়েরেভার দে গো দে ডিস্কভার গোল্ড মাইস্, দি ডিসিজ, জয়েন্ট অ্যান্ড এডিশনাল সেক্রেটারিজ, চেয়ারমেন অফ করপোরেশন্স, রাষ্ট্রদূতগুলি, অ্যান্ড সেক্রেটারিজ টাকার পাহাড় বানায়, কিন্তু দোষ হয় পলিটিশিয়ানদের। পলিটিশিয়ানরা কয় বছরই আর চান্স পায়?

চমৎকার খুব ভাল লাগলো