নীলাকে বিছানায় শুইয়ে জামা পান্তলুন টেনে খুলে ছুড়ে দেয় মেঝেয়, যেন একগাদা বাড়তি জিনিস নীলা গায়ে জড়িয়েছিল। এরপর দীর্ঘ গভীর চুমু ঠোঁটে, ঠোঁটের লাল চুষে খেতে থাকে, যেন কেবল ঠোঁটেই নয়, ঠোঁটের ওই লালেও আছে মধু, ঠোঁট থেকে ঠোঁট না সরিয়ে দুহাতে খুলে ফেলে নিজের পরনের যা কিছু, ওগুলোও বাড়তি। নীলা শরমে চোখে বোজে, চাদর টেনে দেয় নিজের শরীরে। সেটিও টেনে সরিয়ে নেয় বেনোয়া। এবার নীলার হাত আড়াআড়ি বুকের ওপর রাখা। হাতদুটোও সরিয়ে বেনোয়া মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে থাকে নীলার শরীরে। থরথর কণ্ঠ কাঁপে, কী সুন্দর তুমি নীলা!
নীলা পাশ ফিরে নিজেকে লুকোতে গিয়ে বলে, কী আছে আমার, যে সুন্দর।
তোমার রং। বেনোয়ার কণ্ঠে আবেগ উথলে ওঠে।
রং? এ তো সাদা নয়। নীলা বলে।
সাদা নয় বলেই তো সুন্দর।
মিঠুর মুখটি হঠাৎ মনে পড়ে নীলার। আহা মিঠু, একবার যদি দেখতে পেতিস, এই শ্যামল রঙের কারণে আমাকে ভালবাসছে একজন। আহা মিঠু, তোর জীবনেও হয়তো এমন কেউ আসতে পারত, অপেক্ষা করলি না কেন। আহ মিঠু, জীবনের আশ্চর্য সুন্দর এই রূপটি না দেখেই চলে গেলি, আহা মিঠু….
কী অপূর্ব রং তোমার গায়ের। কী মসৃণ ত্বক। কী চমৎকার রং তোমার চুলের। কী গভীর কালো। কী সুন্দর তোমার স্তন। কারও এমন সুন্দর স্তন আমি দেখিনি। যেন দুটো কচি বাতাবি লেবু। আমাকে পাগল করে দেবে তুমি। বলতে বলতে নীলার বুকের ওপর ফোঁটা ফোঁটা ওয়াইন ঢেলে সেই ওয়াইন জিভে শুষে নেয়।
এতে ওয়াইনের স্বাদ গেছে বেড়ে। সত্যি? সত্যি।
ঠিক?
ঠিক।
এরপর বাকি ওয়াইন নীলার বুকে পেটে তলপেটে ঢেলে পান করে বেনোয়া, আর নীলা বেনোয়ার সোনালি চুলের ভেতর ডুবিয়ে দেয় আঙুল, চুল থেকে বেনোয়ার কামানো গালে, কামানো গাল থেকে লালচে নাকের ডগা, ও থেকে ঠোঁট, ঠোঁট বেয়ে চিবুক, চিবুক থেকে আঙুল উঠে যায় নাক বেয়ে কপালে, কপাল থেকে আঙুলের আদর চোখের ভুরুতে, বোজা চোখের পাতায়…ব্রায়ান এডামসের সঙ্গে বেনোয়া তখন গাইছে—আই মে নট অলওয়েজ নো হোয়াটস রাইট, বাট আই নো আই ওয়ান্ট ইউ হেয়ার টুনাইট, গনা মেক দিজ মোমেন্ট লাস্ট ফর অল ইয়োর লাইফ, ওহ ইয়া দিজ ইজ লাভ, এন ইট রিয়েলি মিন সো মাচ, আই ক্যান টেল ফ্রম এভরি টাচ…।
স্তনজোড়ায় প্রথম পালকের মতো স্পর্শ আঙুলের। এরপর পাখির ঠোঁটের মতো নাক এসে চুমু খায় দুটোয়, এরপর বেনোয়া জিভের জলে ভিজিয়ে দেয় দুটো, ঘুমিয়ে থাকা কালো স্তনবৃন্তদুটো অল্প অল্প জাগতে থাকে, সেই জাগতে থাকা পলক না ফেলে দেখে, ঠোঁট নেমে আসে জেগে ওঠা বৃন্তে, আলতো করে চুমু খায়, যেন স্তনবৃন্তের চোখের পাতায় চুমু খেল, এই চুমুতে বৃন্ত যখন পুরো জেগে চোখ খোলে, শেষ অমৃতের পাত্র থেকে তলানি নিঃশেষ করার মতো বেপরোয়া বেনোয়া ও দুটো লেহন করে বলতে বলতে যে এ তার চেরি ফল। বেনোয়াকে বেনোয়া মনে হয় না তার, যেন এপোলো, এপোলো তার আফ্রোদিতিকে ভালবাসছে, গভীর করে ভালবাসছে।
নীলার বুক থেকে পেটে চুমু খেতে খেতে বেনোয়া নীচে নামতে থাকে, লাজুক যৌনাঙ্গে। দু ঊরু শক্ত করে যুক্ত করে রাখা, দুটোকে দুহাতে বিযুক্ত করতে করতে বেনোয়া বলে, তোমার স্বাদ নিতে দাও নীলা, তোমার স্বাদ নিতে দাও।
না।
কেন?
কী বিচ্ছিরি ব্যাপার।
তোমার কোমল কালো লোমগুলো কী অপূর্ব। তারও নীচে আমি জানি, অমৃত আছে। আমাকে পান করতে দাও।
ধীরে ধীরে দু ঊরু বিযুক্ত করে বেনোয়া। নীলাকে চোখ ঢাকতে হয় লজ্জায়।
যৌনাঙ্গের ঠোঁটজোড়া জিভের জলে ভিজিয়ে দিয়ে বেনোয়া আরও গভীরে আরও জল উপচে পড়া নদীর দিকে যায়, মোমের মৃদু আলোয় বেনোয়াকে ডুবুরির মতো দেখতে লাগে। সবটুকু জল সে শুষে নিতে থাকে অন্ধ উন্মাদের মতো, যেন অমৃতসাগর সে খুঁজে পেয়েছে, পুরো অমৃত পান না করলে তার মৃত্যু হবে, এমনই তৃষ্ণার্ত তার শরীর।
বেনোয়া ফিসফিস করে বলে, চোখ খোলো নীলা। দেখো আমাকে। স্পর্শ করো। চুমু খাও।
নীলা চোখ খুলে আঁতকে ওঠে, প্রকাণ্ড এক শিশ্ন নীলার চোখের সামনে দপদপ করছে, যেন শিশ্ন নয়, বনাগ্নির লেলিহান শিখা। ভয়ে লজ্জায় সে চোখ বোজে। পুরুষঅঙ্গ, জীবনে দুটোই তাকে ছুঁয়েছে, সুশান্তরটির দিকে লজ্জায় সে তাকায়নি, কিষানেরটির দিকে হঠাৎ চোখ পড়েছিল, কড়ে আঙুলের মতো অথবা নেংটিইঁদুরের লেজের মতো দেখতে। দৈর্ঘ্যে প্রস্থে কিষানের শিশ্ন উইয়ের ঢিবি যদি হয়, বেনোয়ার অঙ্গ হিমালয়। হিমালয়কে শেষ অব্দি স্পর্শ করে নীলা, মুঠো করে ধরেও নখের নাগাল পায় না, হাত থরথর কাঁপে তার। বেনোয়া নীলার ঠোঁটের কাছে লেলিহান শিখাটিকে, বিশাল দৈত্যটিকে আনে, চুমু পেতে।
এমন মড়ার মতো শুয়ে থাকো কেন? কালও চোখ বুজে মড়া হয়ে ছিলে, চোখ খোলো, দেখো, অনুভব করো, আনন্দ করো। হাতে নাও, মুখে নাও, গালে নাও, বুকে নাও, আমাকে জাগাও, আমাকে বাজাও। এ তো আমার একার নয়, এ আনন্দ আমাদের দুজনের।
চিত হয়ে মড়ার মতো শুয়ে থাকাই নীলার অভোস। এ খেলার নিয়মই, সে জানে, এমন। মেয়ে শুয়ে থাকবে চোখ বুজে, আর পুরুষ সেই মৃতপ্রায় শরীরের ওপর চড়ে বসে সুখ নেবে। নিয়ে নেমে যাবে। মেয়ে যদি কিছু পায় তো পেল, না পেলে না পেল।
