৯৮। [ এটাতে অকৃতকার্য হয়ে ] উহারা তার বিরুদ্ধে চক্রান্তের সংকল্প করেছিলো ; কিন্তু আমি তাদের লাঞ্ছিত করেছিলাম ৪০৯৪।
৪০৯৪।দেখুন আয়াত [ ২১ : ৭১ ]। পূণ্যাত্মা ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে তাদের চক্রান্ত নস্যাৎ হয়ে যায়। ইব্রাহীম দেশ ত্যাগ করেন এবং সিরিয়া ও প্যালেস্টাইনে বসতি স্থাপন করে সাফল্য ও সমৃদ্ধি লাভ করেন। তাঁর সাফল্যে তাঁর বিরুদ্ধে যারা চক্রান্ত করেছিলো , তারা বিশ্বের চোখে হেয় প্রতিপন্ন হয়।
উপদেশ : আল্লাহ্র পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ব্যক্তিদের আল্লাহ্ কি ভাবে সাফল্য দান করবেন তা আমাদের মত সাধারণ মানুষের পক্ষে অনুধাবন করা অসম্ভব ব্যাপার।
আয়াতঃ 037.099
সে বললঃ আমি আমার পালনকর্তার দিকে চললাম, তিনি আমাকে পথপ্রদর্শন করবেন।
He said: “I will go to my Lord! He will surely guide me!
وَقَالَ إِنِّي ذَاهِبٌ إِلَى رَبِّي سَيَهْدِينِ
Waqala innee thahibun ila rabbee sayahdeeni
YUSUFALI: He said: “I will go to my Lord! He will surely guide me!
PICKTHAL: And he said: Lo! I am going unto my Lord Who will guide me.
SHAKIR: And he said: Surely I fly to my lord; He will guide me.
KHALIFA: He said, “I am going to my Lord; He will guide me.”
৯৯। সে বলেছিলো , ” আমি আমার প্রভুর দিকে চললাম। তিনি অবশ্যই আমাকে সঠিক পথে পরিচালিত করবেন ৪০৯৫।
৪০৯৫। সে অর্থাৎ হযরত ইব্রাহীম। হযরত ইব্রাহীমের হিজরতের উল্লেখ এখানে করা হয়েছে। ইব্রাহীম তাঁর শৈশবের লালিত জন্মভূমি , প্রিয়জন সব কিছু ত্যাগ করে অচেনা অজানা পৃথিবীর পথে পা বাড়ান সত্যকে রক্ষা করার প্রয়াসে। পূর্ব পুরুষদের মিথ্যাচারে জীবনকে পরিচালিত করা অপেক্ষা সত্যের প্রতি আনুগত্য তাঁর নিকটে অধিক প্রিয় বলে বিবেচিত হয়। এ ব্যাপারে তাঁর একমাত্র ভরসা ছিলো সর্বশক্তিমান আল্লাহ্। পরবর্তীতে আল্লাহ্র অনুগ্রহে তিনি সত্যের অনুসারীদের ভিত্তি স্থাপন করতে সক্ষম হন যা পরবর্তীতে বিশাল মহীরূহে পরিণত হয়।
উপদেশ : ইব্রাহীমের কাহিনীর মাধ্যমে এই শিক্ষাই দেয়া হয়েছে যে, আল্লাহ্র রাস্তায় প্রকৃত সংগ্রাম কখনও বৃথা যেতে পারে না। এ সত্য নবী রসুলদের জন্য যেমন প্রযোজ্য ঠিক সমভাবে সাধারণ মানুষের জন্যও প্রযোজ্য।
আয়াতঃ 037.100
হে আমার পরওয়ারদেগার! আমাকে এক সৎপুত্র দান কর।
“O my Lord! Grant me a righteous (son)!”
رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ
Rabbi hab lee mina alssaliheena
YUSUFALI: “O my Lord! Grant me a righteous (son)!”
PICKTHAL: My Lord! Vouchsafe me of the righteous.
SHAKIR: My Lord! grant me of the doers of good deeds.
KHALIFA: “My Lord, grant me righteous children.”
১০০। ” হে আমার প্রভু ! আমাকে এক পূণ্যাত্মা [ পুত্র ] দান কর।”
১০১। সুতারাং আমরা তাকে এক কষ্ট সহ্যকারী ও ধৈর্য্যশীল পুত্রের সুসংবাদ দিলাম ৪০৯৬, ৪০৯৭।
৪০৯৬। পুত্র সন্তান লাভের সুসংবাদ দান করা হয় সিরিয়া ও প্যালেস্টাইনের উর্বর ভূমিতে যখন হযরত ইব্রাহীম সেখানে অবস্থান করছিলেন। মুসলমানদের বিশ্বাস অনুযায়ী এই পুত্র হচ্ছেন হযরত ইসমাঈলের আগমনের সংবাদ। ইসমাঈল নামটি sami’a এই শব্দটি থেকে উত্থিত। sami’a অর্থাৎ শোনা, কারণ আল্লাহ্ হযরত ইব্রাহীমের প্রার্থনা কবুল করেন [ ৩৭ – ১০০ ]। ইসমাঈল যখন জন্মগ্রহণ করেন তখন হযরত ইব্রাহীমের বয়স ছিলো ৮৬ বৎসর [ Gen XVI 16 ] ।
৪০৯৭। হযরত ইব্রাহীমের অনাগত পুত্রের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এখানে বর্ণনা করা হয়েছে ; স্থির বুদ্ধি সম্পন্ন বা হালিম শব্দটি দ্বারা। হালিম শব্দটি হযরত ইব্রাহীমের উপাধিরূপে বর্ণনা করা হয় [ দেখুন আয়াত ৯ : ১১৪ ও ১১ :৭৫ ]। এই শব্দটি প্রকৃত ধৈর্য্যশীল বা সবরকারীদের জন্য প্রযোজ্য। সবর্ শব্দটির প্রকৃত তাৎপর্য সম্বন্ধে দেখুন টিকা ৬১। হযরত ইব্রাহীম ও তাঁর পুত্র আল্লাহ্র হুকুম অনুযায়ী কর্ম সম্পাদনের জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করতেও কুণ্ঠিত হন নাই। দেখুন পরবর্তী আয়াত।
আয়াতঃ 037.101
সুতরাং আমি তাকে এক সহনশীল পুত্রের সুসংবাদ দান করলাম।
So We gave him the good news of a boy ready to suffer and forbear.
فَبَشَّرْنَاهُ بِغُلَامٍ حَلِيمٍ
Fabashsharnahu bighulamin haleemin
YUSUFALI: So We gave him the good news of a boy ready to suffer and forbear.
PICKTHAL: So We gave him tidings of a gentle son.
SHAKIR: So We gave him the good news of a boy, possessing forbearance.
KHALIFA: We gave him good news of a good child.
১০০। ” হে আমার প্রভু ! আমাকে এক পূণ্যাত্মা [ পুত্র ] দান কর।”
১০১। সুতারাং আমরা তাকে এক কষ্ট সহ্যকারী ও ধৈর্য্যশীল পুত্রের সুসংবাদ দিলাম ৪০৯৬, ৪০৯৭।
৪০৯৬। পুত্র সন্তান লাভের সুসংবাদ দান করা হয় সিরিয়া ও প্যালেস্টাইনের উর্বর ভূমিতে যখন হযরত ইব্রাহীম সেখানে অবস্থান করছিলেন। মুসলমানদের বিশ্বাস অনুযায়ী এই পুত্র হচ্ছেন হযরত ইসমাঈলের আগমনের সংবাদ। ইসমাঈল নামটি sami’a এই শব্দটি থেকে উত্থিত। sami’a অর্থাৎ শোনা, কারণ আল্লাহ্ হযরত ইব্রাহীমের প্রার্থনা কবুল করেন [ ৩৭ – ১০০ ]। ইসমাঈল যখন জন্মগ্রহণ করেন তখন হযরত ইব্রাহীমের বয়স ছিলো ৮৬ বৎসর [ Gen XVI 16 ] ।
