سَلَامٌ عَلَى نُوحٍ فِي الْعَالَمِينَ
Salamun AAala noohin fee alAAalameena
YUSUFALI: “Peace and salutation to Noah among the nations!”
PICKTHAL: Peace be unto Noah among the peoples!
SHAKIR: Peace and salutation to Nuh among the nations.
KHALIFA: Peace be upon Noah among the peoples.
৭৯। ” সকল জাতির মাঝে নূহের জন্য শান্তি ও সম্ভাষণ ” ৪০৮৪।
৪০৮৪। প্লাবনের কাহিনী কোনও না কোনওভাবে বিভিন্ন জাতির মধ্যে দেখা যায়। এই কাহিনী যে শুধুমাত্র মুসার ধর্মগ্রন্থে বিদ্যমান তা নয়, মুসার ধর্মের অনুসারী ব্যতীত অন্যান্য ধর্মের অনুসারীরাও প্লাবনের কাহিনী প্রচার করে থাকে – কোন না কোন ভাবে। যেমন গ্রীক জাতি ঐতিহ্যগত ভাবে যে প্লাবনের কাহিনী বর্ণনা করে থাকে তার নায়ক হচ্ছে Deukalion এবং তার স্ত্রী হচ্ছেন Pyrrha। ভারতীয় পৌরাণিক কাহিনীতে [ সপ্তপথ ব্রাহ্মণ এবং মহাভারত ] মহাজ্ঞানী মনু ও মাছের উল্লেখ আছে। চীনা পৌরাণিক কাহিনীতে মহাপ্লাবনের কাহিনী আছে Shu-king এ। আমেরিকান ইন্ডিয়ানদের অনেক গোত্রের মাঝেই প্লাবনের কাহিনী খুবই সাধারণ ঘটনা।
এভাবেই সমগ্র বিশ্ব কোনও না কোনও ভাবে মহাপ্লাবনের ঘটনা স্মরণ করে থাকে।
আয়াতঃ 037.080
আমি এভাবেই সৎকর্ম পরায়নদেরকে পুরস্কৃত করে থাকি।
Thus indeed do we reward those who do right.
إِنَّا كَذَلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ
Inna kathalika najzee almuhsineena
YUSUFALI: Thus indeed do we reward those who do right.
PICKTHAL: Lo! thus do We reward the good.
SHAKIR: Thus do We surely reward the doers of good.
KHALIFA: We thus reward the righteous.
৮০। এ ভাবেই আমি পূণ্যবানদের পুরষ্কৃত করে থাকি।
৮১। নিশ্চয়ই সে ছিলো মোমেন বান্দাদের অন্তর্গত।
৮২। অন্য সকলকে আমি বন্যাতে নিমজ্জিত করেছিলাম।
৮৩। যারা তাঁকে অনুসরণ করেছিলো , ইব্রাহীম ছিলো তাদের অন্তর্গত ৪০৮৫।
৪০৮৫। ” ইব্রাহীম ছিলো তাদের অন্তর্গত।” এখানে “তাঁকে” সর্বনাম দ্বারা হযরত নূহকে বোঝানো হয়েছে ; কারণ আয়াত ৮১ তে বলা হয়েছে ” সে ছিলো মুমিন বান্দাদিগের অন্যতম।” এই “সে ” সর্বনামটি হযরত নূহ্ এর পরিবর্তে ব্যবহৃত ।
হযরত ইব্রাহীমের কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে সূরা [ ২১ : ৫১-৭৩ ] আয়াতে। কিন্তু হযরত ইব্রাহীমের এবং তাঁর পুত্রের আল্লাহ্র ইচ্ছার কাছে সর্বান্তকরণে আত্মসমর্পনের অধ্যায়কে বর্ণনা করা হয়েছে এই আয়াতের মাধ্যমে। আয়াত নং [ ১০২ -১০৭ ] এ, বর্ণনা করা হয়েছে পিতার কর্ম সম্পাদনের আন্তরিকতা ও পুত্রের সর্বোচ্চ আত্মসমর্পনের চমৎকার কাহিনী যা ছিলো তাদের জন্য এক মহা পরীক্ষা। এই সূরার মূল বিষয়বস্তু-ই হচ্ছে ” আল্লাহ্র ইচ্ছার কাছে আত্মসমর্পন।
আয়াতঃ 037.081
সে ছিল আমার ঈমানদার বান্দাদের অন্যতম।
For he was one of our believing Servants.
إِنَّهُ مِنْ عِبَادِنَا الْمُؤْمِنِينَ
Innahu min AAibadina almu/mineena
YUSUFALI: For he was one of our believing Servants.
PICKTHAL: Lo! he is one of Our believing slaves.
SHAKIR: Surely he was of Our believing servants.
KHALIFA: He is one of our believing servants.
৮০। এ ভাবেই আমি পূণ্যবানদের পুরষ্কৃত করে থাকি।
৮১। নিশ্চয়ই সে ছিলো মোমেন বান্দাদের অন্তর্গত।
৮২। অন্য সকলকে আমি বন্যাতে নিমজ্জিত করেছিলাম।
৮৩। যারা তাঁকে অনুসরণ করেছিলো , ইব্রাহীম ছিলো তাদের অন্তর্গত ৪০৮৫।
৪০৮৫। ” ইব্রাহীম ছিলো তাদের অন্তর্গত।” এখানে “তাঁকে” সর্বনাম দ্বারা হযরত নূহকে বোঝানো হয়েছে ; কারণ আয়াত ৮১ তে বলা হয়েছে ” সে ছিলো মুমিন বান্দাদিগের অন্যতম।” এই “সে ” সর্বনামটি হযরত নূহ্ এর পরিবর্তে ব্যবহৃত ।
হযরত ইব্রাহীমের কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে সূরা [ ২১ : ৫১-৭৩ ] আয়াতে। কিন্তু হযরত ইব্রাহীমের এবং তাঁর পুত্রের আল্লাহ্র ইচ্ছার কাছে সর্বান্তকরণে আত্মসমর্পনের অধ্যায়কে বর্ণনা করা হয়েছে এই আয়াতের মাধ্যমে। আয়াত নং [ ১০২ -১০৭ ] এ, বর্ণনা করা হয়েছে পিতার কর্ম সম্পাদনের আন্তরিকতা ও পুত্রের সর্বোচ্চ আত্মসমর্পনের চমৎকার কাহিনী যা ছিলো তাদের জন্য এক মহা পরীক্ষা। এই সূরার মূল বিষয়বস্তু-ই হচ্ছে ” আল্লাহ্র ইচ্ছার কাছে আত্মসমর্পন।
আয়াতঃ 037.082
অতঃপর আমি অপরাপর সবাইকে নিমজ্জত করেছিলাম।
Then the rest we overwhelmed in the Flood.
ثُمَّ أَغْرَقْنَا الْآخَرِينَ
Thumma aghraqna al-akhareena
YUSUFALI: Then the rest we overwhelmed in the Flood.
PICKTHAL: Then We did drown the others.
SHAKIR: Then We drowned the others
KHALIFA: We drowned all the others.
৮০। এ ভাবেই আমি পূণ্যবানদের পুরষ্কৃত করে থাকি।
৮১। নিশ্চয়ই সে ছিলো মোমেন বান্দাদের অন্তর্গত।
৮২। অন্য সকলকে আমি বন্যাতে নিমজ্জিত করেছিলাম।
৮৩। যারা তাঁকে অনুসরণ করেছিলো , ইব্রাহীম ছিলো তাদের অন্তর্গত ৪০৮৫।
৪০৮৫। ” ইব্রাহীম ছিলো তাদের অন্তর্গত।” এখানে “তাঁকে” সর্বনাম দ্বারা হযরত নূহকে বোঝানো হয়েছে ; কারণ আয়াত ৮১ তে বলা হয়েছে ” সে ছিলো মুমিন বান্দাদিগের অন্যতম।” এই “সে ” সর্বনামটি হযরত নূহ্ এর পরিবর্তে ব্যবহৃত ।
