অধ্যায়ঃ ৭৭/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তওবার প্রতি আহবান ও তাদের সাথে যুদ্ধ (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
হাদিস নম্বরঃ ৬৪৫৩ | 6453 | ٦٤۵۳
পরিচ্ছদঃ ২৮৯৮. যে ব্যক্তি আল্লাহ্র সাথে শিরক করে তার গুনাহ এবং দুনিয়া ও আখিরাতে তার শাস্তি। আল্লাহ্ তা’আলা বলেন, নিশ্চয়ই শিরক চরম জুলম। (৩১ঃ ১৩) তুমি আল্লাহ্র শরীক স্থির করলে তোমার কর্ম তো নিষ্ফল হবে এবং তুমি হবে ক্ষতিগ্রস্ত (৩৯ঃ ৬৫)
৬৪৫৩। খাল্লাদ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) … ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যাক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসুল! আমরা কি জাহিলী যুগের কৃতকর্মের জন্য পাকড়াও হবো? তিনি বললেনঃ যে ব্যাক্তি ইসলামী যুগে সৎ কাজ করবে সে জাহিলী যুগের কৃতকর্মের জন্য পাকড়াও হবে না। আর যে ব্যাক্তি ইসলাম গ্রহনের পর অসৎ কাজ করবে, সে প্রথম ও পরবর্তী (ইসলাম গ্রহণের আগের ও পরের উভয় সময়ের কৃতকর্যের জন্য) পাকড়াও হবে।
অধ্যায়ঃ ৭৭/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তওবার প্রতি আহবান ও তাদের সাথে যুদ্ধ (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
হাদিস নম্বরঃ ৬৪৫৪ | 6454 | ٦٤۵٤
পরিচ্ছদঃ ২৮৯৯. ধর্মত্যাগী পুরুষ ও নারীর হুকুম। ইবন উমর (রাঃ) যুহরী ও ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, ধর্মত্যাগী নারীকে হত্যা করা হবে এবং তার থেকে তওবা আহ্বান করা হবে। আল্লাহ্ তা’আলা বলেন, ঈমান আনার পর যে সম্প্রদায় সত্য প্রত্যাখ্যান করে তাদেরকে আল্লাহ্ তা’আলা কিরূপে সৎ পথের নির্দেশ দেবেন… এরাই তারা যারা পথভ্রষ্ট পর্যন্ত। (৩ঃ ৮৬-৯০) আল্লাহ্র বাণীঃ তোমরা যদি তাদের দল বিশেষের আনুগত্য কর যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তবে তারা তোমাদেরকে ঈমানের পর আবার সত্য প্রত্যাখ্যানকারীতে পরিণত করবে (৩ঃ ১০০) আল্লাহ্ বলেন, যারা ঈমান আনে, পরে কুফরি করে এবং আবার ঈমান আনে আবার কুফরি করে, এরপর তাদের কুফরি প্রবৃত্তি বৃদ্ধি পায় আল্লাহ্ তাদেরকে কিছুতেই ক্ষমা করবেন না এবং তাদেরকে কোন পথও দেখাবেন না (৪ঃ ১৩৭)। আল্লাহ্ তা’আলা বলেন, তোমাদের মধ্যে কেউ দীন হতে ফিরে গেলে আল্লাহ্ এমন এক সম্প্রদায় আনবেন যাদেরকে তিনি ভালোবাসবেন ও যারা তাঁকে ভালবাসবে (৫ঃ ৫৪)। আল্লাহ্ বলেন, যারা সত্য প্রত্যাখ্যানের জন্য হৃদয় উম্মুক্ত রাখে তাদের উপর আপতিত হয় আল্লাহ্র গযব এবং তাদের জন্য আছে মহাশাস্তি। তা এজন্য যে, তারা ইহজীবনকে পরজীবনের উপর প্রাধান্য দেয়। (১৬ঃ ১০৬, ১০৭)। অবশ্যই তারা আখিরাতে لا جرم অর্থ حقا নিশ্চয়ই যারা নির্যাতিত হবার পর দেশ ত্যাগ করে পরে জিহাদ করে এবং ধৈর্য ধারণ করে। তোমার প্রতিপালক এসবের পর তাদের প্রতি অবশ্যই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু (১৬ঃ ১১০)। আল্লাহ্ বলেন, তারা সর্বদা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে থাকবে, যে পর্যন্ত তোমাদেরকে তোমাদের দীন হতে ফিরিয়ে না দেয়, যদি তারা সক্ষম হয়। তোমাদের মধ্যে যে পর্যন্ত তোমাদেরকে তোমাদের দীন হতে ফিরিয়ে না দেয়, যদি তারা সক্ষম হয়। তোমাদের মধ্যে যে কেউ স্বীয় দ্বীন হতে ফিরে যায় ও কাফেররূপে মৃত্যুমুখে পতিত হয়, ইহকাল ও পরকালে তাদের কর্ম নিষ্ফল হয়ে যায়। এরাই অগ্নিবাসী, সেখায় তারা স্থায়ী হবে (২ঃ ২১৭)
৬৪৫৪। আবূ নু’মান মুহাম্মদ ইবনু ফাযল (রহঃ) … ইকরামা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী (রাঃ) এর নিকট একদল যিন্দীককে (নাস্তিক ও ধর্মদ্রোহী) আনা হল। তিনি তাদেরকে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিলেন। এ ঘটনা ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর কাছে পৌঁছলে তিনি বললেন, আমি হলে কিন্তু তাদেরকে পুড়িয়ে ফেলতাম না। কেননা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে যে, তোমরা আল্লাহর শাস্তি দ্বারা শাস্তি দিও না। বরং আমি তাদেরকে হত্যা করতাম। কেননা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশ রয়েছে, যে কেউ তার দ্বীন বদলে ফেলে তাকে তোমরা হত্যা কর।
অধ্যায়ঃ ৭৭/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তওবার প্রতি আহবান ও তাদের সাথে যুদ্ধ (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
হাদিস নম্বরঃ ৬৪৫৫ | 6455 | ٦٤۵۵
পরিচ্ছদঃ ২৮৯৯. ধর্মত্যাগী পুরুষ ও নারীর হুকুম। ইবন উমর (রাঃ) যুহরী ও ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, ধর্মত্যাগী নারীকে হত্যা করা হবে এবং তার থেকে তওবা আহ্বান করা হবে। আল্লাহ্ তা’আলা বলেন, ঈমান আনার পর যে সম্প্রদায় সত্য প্রত্যাখ্যান করে তাদেরকে আল্লাহ্ তা’আলা কিরূপে সৎ পথের নির্দেশ দেবেন… এরাই তারা যারা পথভ্রষ্ট পর্যন্ত। (৩ঃ ৮৬-৯০) আল্লাহ্র বাণীঃ তোমরা যদি তাদের দল বিশেষের আনুগত্য কর যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তবে তারা তোমাদেরকে ঈমানের পর আবার সত্য প্রত্যাখ্যানকারীতে পরিণত করবে (৩ঃ ১০০) আল্লাহ্ বলেন, যারা ঈমান আনে, পরে কুফরি করে এবং আবার ঈমান আনে আবার কুফরি করে, এরপর তাদের কুফরি প্রবৃত্তি বৃদ্ধি পায় আল্লাহ্ তাদেরকে কিছুতেই ক্ষমা করবেন না এবং তাদেরকে কোন পথও দেখাবেন না (৪ঃ ১৩৭)। আল্লাহ্ তা’আলা বলেন, তোমাদের মধ্যে কেউ দীন হতে ফিরে গেলে আল্লাহ্ এমন এক সম্প্রদায় আনবেন যাদেরকে তিনি ভালোবাসবেন ও যারা তাঁকে ভালবাসবে (৫ঃ ৫৪)। আল্লাহ্ বলেন, যারা সত্য প্রত্যাখ্যানের জন্য হৃদয় উম্মুক্ত রাখে তাদের উপর আপতিত হয় আল্লাহ্র গযব এবং তাদের জন্য আছে মহাশাস্তি। তা এজন্য যে, তারা ইহজীবনকে পরজীবনের উপর প্রাধান্য দেয়। (১৬ঃ ১০৬, ১০৭)। অবশ্যই তারা আখিরাতে لا جرم অর্থ حقا নিশ্চয়ই যারা নির্যাতিত হবার পর দেশ ত্যাগ করে পরে জিহাদ করে এবং ধৈর্য ধারণ করে। তোমার প্রতিপালক এসবের পর তাদের প্রতি অবশ্যই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু (১৬ঃ ১১০)। আল্লাহ্ বলেন, তারা সর্বদা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে থাকবে, যে পর্যন্ত তোমাদেরকে তোমাদের দীন হতে ফিরিয়ে না দেয়, যদি তারা সক্ষম হয়। তোমাদের মধ্যে যে পর্যন্ত তোমাদেরকে তোমাদের দীন হতে ফিরিয়ে না দেয়, যদি তারা সক্ষম হয়। তোমাদের মধ্যে যে কেউ স্বীয় দ্বীন হতে ফিরে যায় ও কাফেররূপে মৃত্যুমুখে পতিত হয়, ইহকাল ও পরকালে তাদের কর্ম নিষ্ফল হয়ে যায়। এরাই অগ্নিবাসী, সেখায় তারা স্থায়ী হবে (২ঃ ২১৭)
৬৪৫৫। মুসাদ্দাদ (রহঃ) … আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম। আমার সাথে আশআরী গোত্রের দু’ব্যাক্তি ছিল। একজন আমার ডানদিকে, অপরজন আমার বামদিকে। আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন মিসওয়াক করছিলেন। উভয়েই তাঁর কাছে আবদার জানাল। তখন তিনি বললেনঃ হে আবূ মূসা! অথবা বললেন, হে আবদুল্লাহ ইবনু কায়স! রাবী বলেন, আমি বললাম, ঐ সত্তার কসম! যিনি আপনাকে সত্য দ্বীনসহ পাঠিয়েছেন তারা তাদের অন্তরে কি আছে তা আমাকে জানায়নি এবং তারা যে চাকরি প্রার্থনা করবে তা আমি বুঝতে পারিনি। আমি যেন তখন তাঁর ঠোটের নিচে মিসওয়াকের প্রতি লক্ষ্য করছিলাম যে তা এক কোণে সরে গেছে। তখন তিনি বললেন, আমরা আমাদের কাজে এমন কাউকে নিয়োগ দিব না বা দেই না যে নিজেই তা চায়। বরং হে আবূ মূসা! অথবা বললেন, হে আবদুল্লাহ ইবনু কায়স! তুমি ইয়ামনে যাও।
