হাদিস নম্বরঃ ৬৩৫৩ | 6353 | ٦۳۵۳
পরিচ্ছদঃ ২৮৩৯. ব্যভিচারীদের পাপ। আল্লাহর বাণীঃ আর তারা ব্যাভিচার করে না (২৫ঃ ৬৮) এবং তোমরা যিনার নিকটবর্তী হয়ো না। এটা অশ্লীল ও নিকৃষ্ট আচরণ (১৭ঃ ৩২)
৬৩৫৩। মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) … ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মু’মিন হিসেবে বহাল থাকা অবস্হায় কোন ব্যাক্তি ব্যভিচারে লিপ্ত হয় না। মুমিন থাকা অবস্থায় কোন চোর চুরি করে না। মুমিন থাকা অবস্থায় কেউ মদ পান করে না। মুমিন থাকা অবস্থায় কেউ হত্যা করে না।
ইকরামা (রহঃ) বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, তার থেকে ঈমান কিভাবে ছিনিয়ে নেয়া হয়? তিনি বললেনঃ এভাবে। আর অঙ্গুলীগুলি পরস্পর জড়ালেন, এরপর অঙ্গুলীগুলি বের করলেন। যদি সে তাওবা করে তবে পূর্ববৎ এভাবে ফিরে আসে। এ বলে অঙ্গুলীগুলি পুনরায় পরস্পর জড়ালেন।
হাদিস নম্বরঃ ৬৩৫৪ | 6354 | ٦۳۵٤
পরিচ্ছদঃ ২৮৩৯. ব্যভিচারীদের পাপ। আল্লাহর বাণীঃ আর তারা ব্যাভিচার করে না (২৫ঃ ৬৮) এবং তোমরা যিনার নিকটবর্তী হয়ো না। এটা অশ্লীল ও নিকৃষ্ট আচরণ (১৭ঃ ৩২)
৬৩৫৪। আদম (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ব্যভিচারী ব্যাভিচার করা অবস্থায় মু’মিন থাকে না। চোর চুরি করা অবস্থায় মু’মিন থাকে না। মদ্যপায়ী মদ্যপানকালে মু’মিন থাকে না। তবে তারপরও তওবা অবারিত।
হাদিস নম্বরঃ ৬৩৫৫ | 6355 | ٦۳۵۵
পরিচ্ছদঃ ২৮৩৯. ব্যভিচারীদের পাপ। আল্লাহর বাণীঃ আর তারা ব্যাভিচার করে না (২৫ঃ ৬৮) এবং তোমরা যিনার নিকটবর্তী হয়ো না। এটা অশ্লীল ও নিকৃষ্ট আচরণ (১৭ঃ ৩২)
৬৩৫৫। আমর ইবনু আলী (রহঃ) … আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! কোন পাপটি সবচেযে বড়? তিনি বললেন, তুমি আল্লাহর কোন সমকক্ষ সাব্যস্ত করবে। অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। আমি বললাম, তারপর কোনটি? তিনি বললেনঃ তোমার সাথে আহার করবে এ ভয়ে তোমার সন্তানকে হত্যা করা। আমি বললাম তারপর কোনটি? তিনি বললেনঃ তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে যিনা করা।
ইয়াহইয়া (রহঃ) … আবদুল্লাহ (রাঃ) আমি বললাম হে আল্লাহর রাসুল, অনুরুপ বর্ননা করেছেন। আমর (রহঃ) … আবূ মায়সারা (রহঃ) বলেন- এটিকে ছেড়ে দাও, এটিকে ছেড়ে দাও।
হাদিস নম্বরঃ ৬৩৫৬ | 6356 | ٦۳۵٦
পরিচ্ছদঃ ২৮৪০. বিবাহিতকে রজম করা। হাসান (রহঃ) বলেন, যে স্বীয় বোনের সহিত যিনা করে তার উপর যিনার হদ প্রয়োগ হবে
৬৩৫৬। আদম (রহঃ) … শাবী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আলী (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আলী (রাঃ) জুম’আর দিন জনৈকা মহিলাকে যখন রজম করেন তখন বলেন, আমি তাকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাত অনুযায়ী রজম করলাম।
হাদিস নম্বরঃ ৬৩৫৭ | 6357 | ٦۳۵۷
পরিচ্ছদঃ ২৮৪০. বিবাহিতকে রজম করা। হাসান (রহঃ) বলেন, যে স্বীয় বোনের সহিত যিনা করে তার উপর যিনার হদ প্রয়োগ হবে
৬৩৫৭। ইসহাক (রহঃ) … শায়বানী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রজম করেছেন কি? তিনি উত্তর দিলেনঃ হ্যাঁ। আমি বললাম, সূরায়ে নূর এর আগে না পরে? তিনি বললেনঃ আমি অবগত নই।
হাদিস নম্বরঃ ৬৩৫৮ | 6358 | ٦۳۵۸
পরিচ্ছদঃ ২৮৪০. বিবাহিতকে রজম করা। হাসান (রহঃ) বলেন, যে স্বীয় বোনের সহিত যিনা করে তার উপর যিনার হদ প্রয়োগ হবে
৬৩৫৮। মুহাম্মাদ ইবনু মুকাতিল (রহঃ) … জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, আসলাম গোত্রের এক ব্যাক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এল। এসে বলল, সে যিনা করেছে এবং নিজের বিরুদ্ধে চারবার সাক্ষ্য প্রদান করল। তারপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ব্যাপারে নির্দেশ দিলেন, তাকে রজম করা হল। আর সে বিবাহিত ছিল।
হাদিস নম্বরঃ ৬৩৫৯ | 6359 | ٦۳۵۹
পরিচ্ছদঃ ২৮৪১. পাগল ও পাগলিনীকে রজম করা যাবে না। আলী (রাঃ) উমর (রাঃ) কে বললেন, আপনি কি জানেন না যে, পাগল থেকে জ্ঞান ফিরে না আসা পর্যন্ত, বালক থেকে সাবালেগ না হওয়া পর্যন্ত, ঘুমন্ত ব্যক্তি জাগ্রত না হওয়া পর্যন্ত কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে?
৬৩৫৯। ইয়াহইয়া ইবনু বুকায়র (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যাক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এল। তিনি তখন মসজিদে ছিলেন। সে তাকে ডেকে বলল, হে আল্লাহর রাসুল! আমি যিনা করেছি। তিনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। এভাবে কথাটি সে চারবার পুনরাবৃতি করল। যখন সে নিজের বিরুদ্ধে চারবার সাক্ষ্য প্রদান করল তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার মধ্যে কি পাগলামীর দোষ আছে? সে বলল, না। তিনি বললেনঃ তাহলে কি তুমি বিবাহিত? সে বলল, হ্যাঁ। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা তাকে নিয়ে যাও আর রজম করো।
ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, আমাকে এমন এক ব্যাক্তি বর্ণনা করেছেন, যিনি জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন যে, আমি তার রজমকারীদের মধ্যে একজন ছিলাম। আমরা তাকে জানাযা আদায়ের স্থানে রজম করি। পাথরের আঘাত যখন তার অসহ্য হচ্ছিল তখন সে পালাতে লাগল। আমরা হাররা নামক স্থানে তার নাগাল পেলাম। আর সেখানে তাকে রজম করলাম।
