হাদিস নম্বরঃ ৬৮৯৫ | 6895 | ٦۸۹۵
পরিচ্ছদঃ ৩১১৫. আল্লাহ্ তা‘আলার নামসমূহের মাধ্যমে প্রার্থনা করা ও পানাহ চাওয়া
৬৮৯৫। হাফস ইবনু উমর (রহঃ) … আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিসমিল্লাহ পড়ে এবং তাকবীর বলে দুইটি ভেড়া কুরবানী করেছেন।
হাদিস নম্বরঃ ৬৮৯৬ | 6896 | ٦۸۹٦
পরিচ্ছদঃ ৩১১৫. আল্লাহ্ তা‘আলার নামসমূহের মাধ্যমে প্রার্থনা করা ও পানাহ চাওয়া
৬৮৯৬। হাফস ইবনু উমার (রহঃ) … জুনদাব ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি কুরবানীর দিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উপস্থিত ছিলেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলেন। এরপর খুৎবা দিলেন এবং বললেনঃ সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করার পূর্বে যে ব্যাক্তি কুরবানীর পশু যবাই করেছে, সে যেন এর স্থলে আরেকটি কুরবানী করে। আর যে ব্যাক্তি (সালাত (নামায/নামাজ)-এর পূর্বে) যবাই করেনি সে যেন আল্লাহর নামে যবাই করে।
হাদিস নম্বরঃ ৬৮৯৭ | 6897 | ٦۸۹۷
পরিচ্ছদঃ ৩১১৫. আল্লাহ্ তা‘আলার নামসমূহের মাধ্যমে প্রার্থনা করা ও পানাহ চাওয়া
৬৮৯৭। আবূ নুআঈম (রহঃ) … ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের বাপ-দাদার নামে কসম করো না। কারো কসম করতে হলে সে যেন আল্লাহর নামেই কসম করে।
হাদিস নম্বরঃ ৬৮৯৮ | 6898 | ٦۸۹۸
পরিচ্ছদঃ ৩১১৬. আল্লাহ্ তা‘আলার মূল সত্তা, গুনাবলি ও নামসমূহের বর্ণনা। খুবায়ব (রাঃ) বলেছিলেন, وَذَلِكَ فِي ذَاتِ الإِلَهِ (এবং ওটি আল্লাহ্র সত্তার স্বার্থে) আর তিনি মূল সত্তাকে তাঁর নামের সাথে সংযোজন করে বলেছিলেন
৬৮৯৮। আবুল ইয়ামান (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দশজন সাহাবীর একটি দল পাঠালেন। তাদের মধ্যে খুবায়ব আনসারীও ছিলেন। বর্ণনাকারী ইমাম যুহরী (রহঃ) বলেন, উবায়দুল্লাহ ইবনু আয়ায আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, হারিসের কন্যা তাকে জানিয়েছেন, যখন খুবায়ব (রাঃ) কে হত্যা করার জন্য তারা সবাই একত্রিত হল, তখন খুবায়ব (রাঃ) পাক-সাফ হওয়ার জন্য তার থেকে একখানা ক্ষুর চেয়ে নিলেন। আর যখন তারা খুবায়বকে হত্যা করার জন্য হারামের বাইরে নিয়ে এল, তখন খুবায়ব আনসারী (রাঃ) কবিতা আবৃতি করে বললেনঃ “মুসলমান হওয়ার কারণেই যখন আমাকে হত্যা করা হচ্ছে, তখন এতে আমার কোন আফসোস নেই। যে পার্শ্বেই ঢলে পড়ি না কেন, আল্লাহর জন্যই আমার এ মরণ। একমাত্র আল্লাহর সত্তার সার্থে আমার এ জীবন দান। যদি তিনি চান তবে আমার কর্তিত অঙ্গরাজির প্রতিটি টুকুরায় তিনি বরকত দিবেন।” এরপর হারিসের পুত্র তাঁকে শহীদ করল। তাঁদের সে মসীবতের খবরটি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবাগণকে সেদিনই জানিয়ে দিয়েছিলেন।
হাদিস নম্বরঃ ৬৮৯৯ | 6899 | ٦۸۹۹
পরিচ্ছদঃ ৩১১৭. আল্লাহ্র বাণীঃ আল্লাহ্ তাঁর নিজের সম্বন্ধে তোমাদেরকে সাবধান করছেন (৩ঃ ২৮)। আল্লাহ্র বাণীঃ আমার অন্তরের কথা তো আপনি অবগত আছেন, কিন্তু আপনার অন্তরের কথা আমি অবগত নই ( ৫ঃ ১১৬)
৬৮৯৯। উমর ইবনু হাফস ইবনু গিয়াস (রহঃ) … আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আল্লাহর চেয়ে বেশি আত্মমর্যাদা সম্পন্ন আর কেউ নেই। এই কারণেই তিনি অশ্লীলতাকে হারাম করে দিয়েছেন। এমন কেউ নেই যে, আত্নপ্রশংসা আল্লাহর চেয়ে অধিক ভালবাসে।
হাদিস নম্বরঃ ৬৯০০ | 6900 | ٦۹۰۰
পরিচ্ছদঃ ৩১১৭. আল্লাহ্র বাণীঃ আল্লাহ্ তাঁর নিজের সম্বন্ধে তোমাদেরকে সাবধান করছেন (৩ঃ ২৮)। আল্লাহ্র বাণীঃ আমার অন্তরের কথা তো আপনি অবগত আছেন, কিন্তু আপনার অন্তরের কথা আমি অবগত নই ( ৫ঃ ১১৬)
৬৯০০। আবদান (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) সুত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ যখন মাখলুক সৃষ্টি করলেন, তখন তা তাঁর কিতাবে লিপিবদ্ধ করলেন এবং তিনি আপন সত্তা সম্পর্কে লিখছেন যা তার কাছে আরশের উপর সংরক্ষিত আছে। আমার গযবের উপর আমার রহমতের প্রধান্য রয়েছে।
হাদিস নম্বরঃ ৬৯০১ | 6901 | ٦۹۰۱
পরিচ্ছদঃ ৩১১৭. আল্লাহ্র বাণীঃ আল্লাহ্ তাঁর নিজের সম্বন্ধে তোমাদেরকে সাবধান করছেন (৩ঃ ২৮)। আল্লাহ্র বাণীঃ আমার অন্তরের কথা তো আপনি অবগত আছেন, কিন্তু আপনার অন্তরের কথা আমি অবগত নই ( ৫ঃ ১১৬)
৬৯০১। উমার ইবনু হাফস (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা ঘোষনা করেন, আমি সেইরূপই, যেরূপ বান্দা আমার প্রতি ধারণা রাখে। আমি তার সাথে থাকি যখন সে আমাকে স্মরণ করে। যদি সে মনে মনে আমাকে স্মরণ করে আমিও তাকে নিজে স্মরণ করি। আর যদি সে লোক-সমাবেশে আমাকে স্মরণ করে তবে আমিও তাদের চেয়ে উত্তম সমাবেশে তাকে স্মরণ করি। যদি সে আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয়, তবে আমি তার দিকে এক হাত অগ্রসর হই, যদি সে আমার দিকে এক হাত অগ্রসর হয়; আমি তার দিকে দু হাত অগ্রসর হই। আর সে যদি আমার দিকে হেঁটে অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে দৌড়ে অগ্রসর হই।
