হাদিস নম্বরঃ ৬৮৫৬ | 6856 | ٦۸۵٦
পরিচ্ছদঃ ৩০৯৮. দলীল-প্রমাণাদির দ্বারা যেসব বিধিবিধান সম্পর্কে অবগত হওয়া যায়। দলীল প্রমাণাদির অর্থ ও বিশ্লেষণ কিভাবে করা যায়? নবী (সাঃ) ঘোড়া ইত্যাদির হুকুম বলে দিয়েছেন। এরপর তাঁকে গাধার হুকুম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি মহান আল্লাহর নিম্নোক্ত বাণীর দিকে ইশারা করেনঃ কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলেও তা দেখতে পাবে (৯৯ঃ ৭)। নবী (সাঃ) কে ‘দব্ব’ (গুঁইসাপ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেনঃ আমি এটি খাই না, তবে হারামও বলি না। নবী (সাঃ) এর দস্তরখানে (‘দব্ব’ খাওয়া হয়েছে। এর দ্বারা ইবন আব্বাস (রাঃ) প্রমাণ করেছেন যে, ‘দব্ব’ হারাম নয়
৬৮৫৬। মূসা ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) … ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হারিস ইবনু হাযনের কন্যা উম্মে হুফায়দ (রাঃ) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উদ্দেশ্যে ঘি, পনির এবং কতগুলো দব্ব (অনেকটা গুইসাপের মত দেখতে) হাদিয়া পাঠালেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এগুলো চেয়ে নিলেন এবং এগুলো তাঁর দস্তরখানে বসে খাওয়া হল। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে এগুলো ঘৃণার কারণে খেতে অপছন্দ করলেন। যদি এগুলো হারাম হত, তবে তাঁর দস্তরখানে তা খাওয়া যেত না এবং তিনিও এগুলো খাওয়ার অনুমতি দিতেন না।
হাদিস নম্বরঃ ৬৮৫৭ | 6857 | ٦۸۵۷
পরিচ্ছদঃ ৩০৯৮. দলীল-প্রমাণাদির দ্বারা যেসব বিধিবিধান সম্পর্কে অবগত হওয়া যায়। দলীল প্রমাণাদির অর্থ ও বিশ্লেষণ কিভাবে করা যায়? নবী (সাঃ) ঘোড়া ইত্যাদির হুকুম বলে দিয়েছেন। এরপর তাঁকে গাধার হুকুম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি মহান আল্লাহর নিম্নোক্ত বাণীর দিকে ইশারা করেনঃ কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলেও তা দেখতে পাবে (৯৯ঃ ৭)। নবী (সাঃ) কে ‘দব্ব’ (গুঁইসাপ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেনঃ আমি এটি খাই না, তবে হারামও বলি না। নবী (সাঃ) এর দস্তরখানে (‘দব্ব’ খাওয়া হয়েছে। এর দ্বারা ইবন আব্বাস (রাঃ) প্রমাণ করেছেন যে, ‘দব্ব’ হারাম নয়
৬৮৫৭। আহমাদ ইবনু সালিহ (রহঃ) … জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি রসুন কিংবা পেঁয়াজ কাঁচা খায়, সে ব্যাক্তি যেন আমাদের থেকে কিংবা আমাদের মসজিদ থেকে পৃথক থাকে। আর সে যেন তার ঘরে বসে খাকে। এরপর তার খেদমতে একটি পাত্র আনা হল। বর্ণনাকারী ইবনু ওয়াহব (রাঃ) বলেন, অর্থাৎ শাক-সবজির একটি বড় পাত্র। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই পাত্রে এক প্রকার গন্ধ অনুভব করলে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তাকে-পাত্রের মধ্যকার শাক-সবজি সম্পর্কে অবগত করা হল। তিনি তা জনৈক সাহাবীকে খেতে দিতে বললেন যিনি তার সাথে উপস্থিত রয়েছেন। এরপর তিনি যখন অনুভব করলেন, সে তা খেতে অপছন্দ করছে তখন তিনি বললেনঃ খাও। কারণ আমি যার সাথে গোপনে কথোপকথন করি, তুমি তাঁর সাথে তা কর না।
ইবনু উফায়র (রহঃ) … ইবনু ওয়াহব (রহঃ) طَبَقًا فِيهِ خَضِرَاتٌ এর স্থলে بِقِدْرٍ فِيهِ خَضِرَاتٌ (শাক-সজির একটি হাড়ি) বর্ণনা করেছেন। পক্ষান্তরে লায়স ও আবূ সাফওয়ান (রহঃ) ইউনুস (রহঃ) থেকে হাড়ির ঘটনা উল্লেখ করেননি। এটি কি হাদীস বর্ণিত না যুহরী (রহঃ) এর উক্তি এ সম্পর্কে আমার জানা নেই।
হাদিস নম্বরঃ ৬৮৫৮ | 6858 | ٦۸۵۸
পরিচ্ছদঃ ৩০৯৮. দলীল-প্রমাণাদির দ্বারা যেসব বিধিবিধান সম্পর্কে অবগত হওয়া যায়। দলীল প্রমাণাদির অর্থ ও বিশ্লেষণ কিভাবে করা যায়? নবী (সাঃ) ঘোড়া ইত্যাদির হুকুম বলে দিয়েছেন। এরপর তাঁকে গাধার হুকুম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি মহান আল্লাহর নিম্নোক্ত বাণীর দিকে ইশারা করেনঃ কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলেও তা দেখতে পাবে (৯৯ঃ ৭)। নবী (সাঃ) কে ‘দব্ব’ (গুঁইসাপ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেনঃ আমি এটি খাই না, তবে হারামও বলি না। নবী (সাঃ) এর দস্তরখানে (‘দব্ব’ খাওয়া হয়েছে। এর দ্বারা ইবন আব্বাস (রাঃ) প্রমাণ করেছেন যে, ‘দব্ব’ হারাম নয়
৬৮৫৮। উবায়দুল্লাহ ইবনু সা’দ ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) … জুবায়র ইবনু মুতঈম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক মহিলা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমতে হাযির হল এবং তার সাথে কিছু বিষয়ে কথাবার্তা বলল। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে কোন এক বিষয়ে নির্দেশ দিয়ে দিলেন। এরপর মহিলা আবেদন করল, হে আল্লাহর রাসুল! আপনাকে যখন পাব না তখন কি করব? তিনি উত্তর দিলেনঃ যখন আমাকে পাবে না, তখন আসবে আবূ বকর (রাঃ) এর কাছে।
আবূ আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, বর্ণনাকারী হুমায়দী (রহঃ) ইবরাহীম ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে আরো অতিরিক্ত বলেছেন, মহিলাটি সম্ভবত সেই আবেদন দ্বারা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওফাতের দিকে ইঙ্গিত করেছেন।
হাদিস নম্বরঃ ৬৮৫৯ | 6859 | ٦۸۵۹
পরিচ্ছদঃ ৩০৯৯. রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) এর বাণীঃ আহলে কিতাবদের কাছে কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করো না। আবুল ইয়ামান (রহঃ) বলেন, শুয়াইব (রহঃ), ইমাম যুহরী (রহঃ) হুমায়দ ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি মু’আবিয়া (রাঃ) কে মদীনায় বসবাসরত কুরায়শ বংশীয় কতিপয় লোককে আলাপ-আলোচনা করতে শুনেছেন। তখন কা’ব আহযাবের কথা এসে যায়। মু’আবিয়া (রাঃ) বললেন, যারা পূর্ববর্তী কিতাব সম্পর্কে আলোচনা করেন, তাদের মধ্যে তিনি অধিকতর সত্যবাদী, যদিও বর্ণিত বিষয়সমূহ ভিত্তিহীন
৬৮৫৯। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আহলে কিতাব হিব্রু ভাষায় তাওরাত পাঠ করে মুসলমানদের সামনে তা আরবী ভাষায় ব্যাখ্যা করত। (এই প্রেক্ষিতে) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আহলে কিতাবকে তোমরা সত্যবাদী মনে করো না এবং তাদেরকে মিথ্যাবাদীও ভেবো না। তোমরা বলে দাও, আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর প্রতি এবং আমাদের প্রতি যা অবতীর্ন হয়েছে এর প্রতি …… শেষ পর্যন্ত।
