হাদিস নম্বরঃ ৬৭৩৭ | 6737 | ٦۷۳۷
পরিচ্ছদঃ ৩০৬২. রাসূলূল্লাহ (সাঃ) এর বাণীঃ যদি এরূপ এরূপ হতো
৬৭৩৭। খালিদ ইবনু মুখাল্লাদ (রহঃ) … আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক রাত নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাগ্রত রইলেন। পরে তিনি বললেনঃ যদি আমার সাহাবীদের কোন এক নেক ব্যাক্তি আজ রাত আমার পাহারাদারী করত! হঠাৎ আমরা অস্ত্রের আওয়াজ শুনতে পেলাম। তখন তিনি বললেনঃ এ কে? বলা হল, এ হচ্ছে সা’দ, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনার পাহারাদারীর জন্য এসেছি। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমালেন, এমন কি আমরা তার নাক ডাকার আওয়াজ শুনতে পেলাম। আয়িশা (রাঃ) বলেন, বিলাল (রাঃ) আবৃতি করেছিল, হায়! আমার উপলব্ধি, আমি কি উপত্যকায় রাত যাপন করতে পারব, যখন আমার পাশে হবে জালীল ও ইযখির ঘাস। পরে আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ খবর পৌছিয়ে ছিলাম।
হাদিস নম্বরঃ ৬৭৩৮ | 6738 | ٦۷۳۸
পরিচ্ছদঃ ৩০৬৩. কুরআন (অধ্যয়ন) ও ইলম (জ্ঞানার্জনের) আকাঙ্ক্ষা করা
৬৭৩৮। উসমান ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুটি বিযয় ছাড়া ঈর্ষা করা যায় না। একটি হল এমন ব্যাক্তি, যাকে আল্লাহ তা’আলা কুরআন দান করেছেন। সে তা দিবারাত্রি তিলাওয়াত করে। (শ্রোতাদের) কেউ বলল, একে যা দান করা হয়েছে, যদি আমাকেও তা দান করা হত, তবে সে যেরূপ করছে, আমিও সেরূপ করতাম। অপরটি হল, এমন ব্যাক্তি যাকে আল্লাহ মাল দান করেছেন, সে তা ন্যায় সঙ্গতভাবে খরচ করে। (তা দেখে) কেউ বলল, যদি তাকে যা প্রদান করা হয়েছে তা আমাকে প্রদান করা হত তাহলে সে যা করে আমিও তা করতাম।
হাদিস নম্বরঃ ৬৭৩৯ | 6739 | ٦۷۳۹
পরিচ্ছদঃ ৩০৬৪. যে বিষয়ে আকাঙ্ক্ষা করা নিষিদ্ধ। মহান আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ যা দ্বারা মহান আল্লাহ্ তোমাদের কাউকে কারো উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন, তোমরা তার লালসা করোনা……. (৪ঃ ৩২)
৬৭৩৯। হাসান ইবনু রাবী (রহঃ) … আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যদি আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ কথা না বলতে শুনতাম যে, তোমরা মৃত্যুর কামনা করো না, তাহলে অবশ্যই আমি (মৃত্যু) কামনা করতাম।
হাদিস নম্বরঃ ৬৭৪০ | 6740 | ٦۷٤۰
পরিচ্ছদঃ ৩০৬৪. যে বিষয়ে আকাঙ্ক্ষা করা নিষিদ্ধ। মহান আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ যা দ্বারা মহান আল্লাহ্ তোমাদের কাউকে কারো উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন, তোমরা তার লালসা করোনা……. (৪ঃ ৩২)
৬৭৪০। মুহাম্মাদ (রহঃ) … কায়স (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমরা খাব্বাব ইবনু আরাত (রাঃ) এয় শুশ্রুষায় গেলাম। তিনি সাতটি দাগ লাগিয়ে ছিলেন। তখন তিনি বললেন, যদি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে মউতের জন্য দোয়া করতে নিষেধ না করতেন তাহলে আমি অবশ্যই এর দোয়া করতাম।
হাদিস নম্বরঃ ৬৭৪১ | 6741 | ٦۷٤۱
পরিচ্ছদঃ ৩০৬৪. যে বিষয়ে আকাঙ্ক্ষা করা নিষিদ্ধ। মহান আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ যা দ্বারা মহান আল্লাহ্ তোমাদের কাউকে কারো উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন, তোমরা তার লালসা করোনা……. (৪ঃ ৩২)
৬৭৪১। আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ মৃত্যু কামনা করবে না। কেননা, (কামনাকারী) সে যদি সৎকর্মশীল হয় তবে (বেঁচে থাকলে) হয়ত সে সৎকর্ম করবে। কিংবা সে পাপাচারী হবে, তাহলে হয়ত সে অনুতপ্ত হয়ে তাওবা করবে। আবু আবদুল্লাহ [বুখারী (রহঃ)] বলেন, আবূ উবায়দ এর নাম হচ্ছে সা’দ ইবনু উবায়দ আবদুর রহমান ইবনু আযহার এর আযাদকৃত গোলাম।
হাদিস নম্বরঃ ৬৭৪২ | 6742 | ٦۷٤۲
পরিচ্ছদঃ ৩০৬৫. কারোর উক্তি: যদি মহান আল্লাহ্ তা’আলা না করতেন, তাহলে আমরা কেউ হেদায়েত লাভ করতাম না
৬৭৪২। আবদান (রহঃ) … বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খন্দকের যুদ্ধে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সাথে মাটি উঠাচ্ছিলেন। আমি তাকে দেখতে পেলাম তার পেটের শুভ্রতাকে মাটি আচ্ছাদিত করে ফেলেছে। তিনি পড়ছিলেনঃ
(হে আল্লাহ) যদি আপনি না করতেন তাহলে আমরা হেদায়েত লাভ করতাম না এবং আমরা সাদাক করতাম না, আর সালাত (নামায/নামাজ)ও পড়তাম না। অতএব আপনি আমাদের উপর শান্তি অবতীর্ন করুন। নিঃসন্দেহে প্রথম দলটি আমাদের উপর যুলুম করেছে; কখনো বলতেন, নিঃসন্দেহে একদল লোক আমাদের উপর যুলুম করেছে, যখন তারা কোনরূপ ফিতনার ইচ্ছা করে আমরা তা প্রত্যাখ্যান করি। “প্রত্যাখ্যান করি” এ কথাটি উচ্চস্বরে বলতেন।
হাদিস নম্বরঃ ৬৭৪৩ | 6743 | ٦۷٤۳
পরিচ্ছদঃ ৩০৬৬. শত্রুর মুখোমুখী হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করা নিষিদ্ধ। এ মর্মে আরাজ (রহঃ) আবু হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে রাসূলূল্লাহ (সাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন
৬৭৪৩। আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) … আবূ নাযর সালিম (রাঃ) যিনি উমর ইবনু উবায়দুল্লাহর আযাদকৃত গোলাম এবং তার কাতিব (সচিব) ছিলেন, বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, তার কাছে আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) একট চিঠি লিখলেন, আমি তা পাঠ করলাম। তাতে লেখা ছিল, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা শত্রুর মুখোমুখী হওয়া কামনা করো না বরং আল্লাহ তায়াআলার কাছে শান্তি কামনা কর।
