হাদিস নম্বরঃ ৫৪৮১ | 5481 | ۵٤۸۱
পরিচ্ছদঃ ২৩৯৭. কোঁকড়ানো চুল
৫৪৮১। আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) … আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি এক রাতে স্বপ্নে কাবা ঘরের নিকট একজন গেরুয়া বর্নের পুরুষ লোক দেখতে পেলাম। এমন সুন্দর গেরুয়া লোক তুমি কখনও দেখনি। তার মাথার চুল ছিল কাঁধ পর্যন্ত। কাঁধ পর্যন্ত লম্বা এমন সুন্দর চুল তুমি কখনও দেখনি। লোকটি চুল আচড়িয়েছে, আর তা থেকে ফোটা ফোটা পানি পড়ছে। সে দু’জন লোকের উপর ভর করে কিম্বা দু’জন লোকের কাঁধের উপর ভর করে কাবা ঘর তাওয়াফ করছেন। আমি জিজ্ঞাসা করলামঃ এ লোকটি কে? জবাব দেওয়া হলো তিনি মরিয়মের পুত্র (ঈসা) মাসীহ! আর দেখলাম অন্য একজন লোক, যার চুল ছিল অতিশয় কোকড়ান, ডান চোখ টেরা, যেন তা একটি ফুলে উঠা আঙ্গুর। আমি জিজ্ঞাসা করলাম এ লোকটি কে? বলা হলোঃ ইনি মাসীহ দাজ্জাল।
হাদিস নম্বরঃ ৫৪৮২ | 5482 | ۵٤۸۲
পরিচ্ছদঃ ২৩৯৭. কোঁকড়ানো চুল
৫৪৮২। ইসহাক (রহঃ) … আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাথার চুল (কখনও কখনও) কাঁধ পর্যন্ত লম্বা হত।
হাদিস নম্বরঃ ৫৪৮৩ | 5483 | ۵٤۸۳
পরিচ্ছদঃ ২৩৯৭. কোঁকড়ানো চুল
৫৪৮৩। মূসা ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) … আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চুল (কোন কোন সময়) কাঁধ পর্যন্ত দীর্ঘ হতো।
হাদিস নম্বরঃ ৫৪৮৪ | 5484 | ۵٤۸٤
পরিচ্ছদঃ ২৩৯৭. কোঁকড়ানো চুল
৫৪৮৪। আমর ইবনু আলী (রহঃ) … কাতাদা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চুল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চুল মধ্যম ধরনের ছিল না একেবারে সোজা লম্বা, না অতি কোঁকড়ান। আর তা ছিল দু’কান ও দু-কাঁধের মধ্যবর্তী স্থান পর্যন্ত।
হাদিস নম্বরঃ ৫৪৮৫ | 5485 | ۵٤۸۵
পরিচ্ছদঃ ২৩৯৭. কোঁকড়ানো চুল
৫৪৮৫। মুসলিম (রহঃ) … আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুবারক হাত গোশতে পরিপূর্ণ ছিল। তার পরে আর কাউকে অমন এমন দেখিনি। আর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চুল ছিল মধ্যম ধরনের বেশী কৌকড়ানোও না আর বেশী সোজাও না।
হাদিস নম্বরঃ ৫৪৮৬ | 5486 | ۵٤۸٦
পরিচ্ছদঃ ২৩৯৭. কোঁকড়ানো চুল
৫৪৮৬। আবূ নু’মান (রহঃ) … আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দু’ হাত ও দু’ পা ছিল গোশতবহুল। চেহারা ছিল সুন্দর। তাঁর আগে ও তার পরে আমি তার মত অপর (কাউকে এত অধিক সুন্দর) দেখিনি। তার হাতের তালু ছিল চওড়া।
হাদিস নম্বরঃ ৫৪৮৭ | 5487 | ۵٤۸۷
পরিচ্ছদঃ ২৩৯৭. কোঁকড়ানো চুল
৫৪৮৭। আমর ইবনু আলী (রহঃ) … আনাস (রাঃ) ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দু’ পা ছিল গোশতবহুল। চেহারা ছিল সুন্দর। আমি তার পরে তার ন্যায় (কাউকে এমন সুন্দর) দেখিনি।
হিশাম (রহঃ) … আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দু’ পা ও হাতের দু’ কবজা গোশতে পরিপূর্ণ ছিল।
আবূ হিলাল (রহঃ) … আনাস (রাঃ) অথবা জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর, দু টি কব্জা ও দুটি পা গোশতপূর্ণ ছিল। আমি তার পরে তার ন্যায় (কাউকে এত অধিক সুন্দর) দেখিনি।
হাদিস নম্বরঃ ৫৪৮৮ | 5488 | ۵٤۸۸
পরিচ্ছদঃ ২৩৯৭. কোঁকড়ানো চুল
৫৪৮৮। মুহাম্মদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) … মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একদা ইবনু আব্বাসের নিকট ছিলাম। তখন লোকজন দাজ্জালের কথা আলোচনা করন। একজন বললঃ তার দু’চোখের মাঝখানে লেখা থাকবে ‘কাফির’ ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেনঃ আমি এমন কথা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনিনি। তবে তিনি বলেছেনঃ তোমরা যদি ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম) কে দেখতে চাও, তা হলে তোমাদের সঙ্গী নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দিকে তাকাও। আর মূসা (আলাইহিস সালাম) হচ্ছেন শ্যাম বর্ণের লোক, কোঁকড়ান চুল বিশিষ্ট, নাকে লাগাম পরান লাল উটে আরোহণকারী। আমি যেন তাঁকে দেখতে পাচ্ছি যে, তিনি তালবিয়া (লাব্বায়কা) পাঠরত অবস্থায় (মক্কা) উপত্যকায় অবতরণ করছেন।
হাদিস নম্বরঃ ৫৪৮৯ | 5489 | ۵٤۸۹
পরিচ্ছদঃ ২৩৯৮. মাথার চুল জট করা
৫৪৮৯। আবুল ইয়ামান (রহঃ) … আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি উমার (রাঃ) কে বলতে শুনেছি যে ব্যাক্তি চুল জট করে, সে যেন তা মুড়ে ফেলে। আর তোমরা মাথার চুল জটকারীদের ন্যায় জট করো না। ইবনু উমর (রাঃ) বলতেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে চুল জট করা অবস্থায় দেখেছি।
হাদিস নম্বরঃ ৫৪৯০ | 5490 | ۵٤۹۰
পরিচ্ছদঃ ২৩৯৮. মাথার চুল জট করা
৫৪৯০। হিব্বান ইবনু মূসা ও আহমাদ ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) … ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে চুল জট করা অবস্থায় ইহরামকালে উচ্চরন তালবিয়া পাঠ করতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ লাব্বাইকা আমি হাযির, হে আল্লাহ! আমি হাজির, আমি হাজির, আপনার কোন শরীক নেই। আমি হাযির, নিশ্চয়ই প্রশংসা এবং অনুগ্রহ কেবল আপনারই, আর রাজত্বও। এতে আপনার কোন শরীক নেই। এ শব্দগুলো থেকে বাড়িয়ে তিনি অতিরিক্ত কিছু বলেন নি।
