হাদিস নম্বরঃ ৫৪৫৪ | 5454 | ۵٤۵٤
পরিচ্ছদঃ ২৩৭৯. আংটিতে নকশা করা
৫৪৫৪। মুহাম্মদ ইবনু সালাম (রহঃ) … ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুপার একটি আংটি তৈরী করেন। সেটি তার হাতে ছিল। এরপর তা আবূ বকর (রাঃ) এর হাতে আসে। পরে তা উমর (রাঃ) এর হাতে আসে। এরপর তা উসমান (রাঃ) এর হাতে আসে। শেষকালে তা আরীস নামক এক কূপের মধ্যে পড়ে যায়। তাতে অংকিত ছিল ‘مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ ’।
হাদিস নম্বরঃ ৫৪৫৫ | 5455 | ۵٤۵۵
পরিচ্ছদঃ ২৩৮০. কনিষ্ট আঙ্গুলে আংটি পরা
৫৪৫৫। আবূ মা’মার (রহঃ) … আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি আংটি তৈরী করেন। তারপর তিনি বলেনঃ আমি একটি আংটি তৈরী করেছি এবং তাতে একটি নকশা করেছি। সুতরাং কেউ যেন নিজের আংটিতে নকশা না করে। তিনি (আনাস) বলেনঃ আমি যেন তাঁর কনিষ্ঠ আংগুলে আংটিটির দ্যূতি (এখনও) দেখতে পাচ্ছি।
হাদিস নম্বরঃ ৫৪৫৬ | 5456 | ۵٤۵٦
পরিচ্ছদঃ ২৩৮১. কোন কিছুর উপর সীলমোহর দেওয়ার জন্য অথবা আহলে কিতাব বা অন্য কারো নিকট পত্র লেখার জন্যে আংটি তৈরি করা
৫৪৫৬। আদম ইবনু আবূ ইয়াস (রহঃ) … আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রোম সম্রাটেরর নিকট পত্র লিখতে মনস্থ করেন, তখন তাঁকে বলা হল, আপনার পত্র যদি মোহরাংকিত না হয়, তবে তারা তা পড়বে না। এরপর তিনি রুপার একটি আংটি বানান এবং তাতে مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ খোদাই করা ছিল। (আনাস (রাঃ) বলেন) আমি যেন (এখনও) তার হাতে সে আংটির শুভ্রতা প্রত্যক্ষ করছি।
হাদিস নম্বরঃ ৫৪৫৭ | 5457 | ۵٤۵۷
পরিচ্ছদঃ ২৩৮২. যে লোক আংটির নাগিনা হাতের তালুর দিকে রাখে
৫৪৫৭। মূসা ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) … আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বর্ণের একটি আংটি তৈরি করেন। যখন তিনি তা পরতেন তখন তার নাগিনা হাতের তালুর দিকে রাখতেন। (তার দেখাদেখি) লোকেরাও স্বর্নের আংটি তৈরি আরম্ভ করে। এরপর তিনি মিম্বরে আরোহণ করেন। আল্লাহর প্রশংসা ও গুণাবলী প্রকাশ করার পর বলেনঃ আমি এ আংটি তৈরি করেছিলাম। কিন্তু তা আর পরব না। এরপর তিনি তা ছুড়ে ফেলেন। লোকেরাও (তাদের আংটি) ছুড়ে ফেলল। জুওয়ায়রিয়া (রহঃ) বলেনঃ আমার ধারনা যে, বর্ণনাকারী (নাফি) এ কথাও বলেছেন যে আংটিটি তার ডান হাতে ছিল।
হাদিস নম্বরঃ ৫৪৫৮ | 5458 | ۵٤۵۸
পরিচ্ছদঃ ২৩৮৩. নবী (সাঃ) এর বাণীঃ তার আংটির নকশার ন্যায় কেউ নকশা বানাতে পারবে না
৫৪৫৮। মউসাদ্দাদ (রহঃ) … আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুপার একটি আংটি তৈরী করেন। তাতে مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ এর নকশা খোদাই করেন। এরপর তিনি বলেনঃ আমি একটি রুপার আংটি বানিয়েছি এবং তাতে مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ এর নকশা খোদাই করেছি। সুতরাং কেউ সেন তার আংটিতে এ নকশা খোদাই না করে।
হাদিস নম্বরঃ ৫৪৫৯ | 5459 | ۵٤۵۹
পরিচ্ছদঃ ২৩৮৪. আংটির নক্শা কি তিন লাইনে করা যায়?
৫৪৫৯। মুহাম্মদ ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আবূ বকর (রাঃ) যখন খলীফা নির্বাচিত হন, তখন তিনি তার (আনাস) (রাঃ) কাছে (যাকাতের পরিমাণ সম্পর্কে) একটি পত্র লেখেন। আংটিটির নকশা তিন লাইনে ছিল। এক লাইনে ছিল مُحَمَّدٌ এক লাইনে ছিল, رَسُول আর এক লাইনে ছিল اللَّه
আবূ আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী) বলেনঃ আহমাদের সূত্রে আনাস (রাঃ) থেকে এ কথা অতিরিক্ত বর্ণিত আছে। তিনি বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আংটি (তার জীবদ্দশায়) তার হাতেই ছিল। তার (ইন্তেকালের) পরে তা আবূ বকর (রাঃ) এর হাতে থাকে। আবূ বকর (রাঃ) এর (ইন্তেকালের) পরে তা উমার (রাঃ) এর হাতে থাকে। যখন উসমান (রাঃ) এর আমল এল, তখন (একদিন) তিনি ঐ আংটি হাতে নিয়ে আরীস নামক কুপের উপর বসেন। আংটিটি বের করে নাড়চাড়া করছিলেন। হঠাৎ তা (কুপের মধ্যে) পড়ে যায়। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা তিন দিন যাবত উসমানের (রাঃ) সাথে অনুসন্ধান চালালাম কূপের পানি ফেলে দেয়া হল কিন্তু আংটি আর আমরা পেলাম না।
হাদিস নম্বরঃ ৫৪৬০ | 5460 | ۵٤٦۰
পরিচ্ছদঃ ২৩৮৫. মহিলাদের আংটি পরিধান করা। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) এর স্বর্ণের কয়েকটি আংটি ছিল ।
৫৪৬০। আবূ আসিম (রহঃ) … ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে এক ঈদে উপস্থিত ছিলাম। তিনি খুতবার আগেই সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলেন। আবূ আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী) বলেনঃ ইবনু ওহাব, ইবনু জুরায়জ থেকে এতটুকু বেশী বর্ণনা করেছেন যে, এরপর তিনি মহিলাদের কাছে আসেন। তারা (সাদকা হিসেবে) বিলাল (রাঃ) এর কাপড়ে মালা ও আংটি ফেলতে লাগল।
হাদিস নম্বরঃ ৫৪৬১ | 5461 | ۵٤٦۱
পরিচ্ছদঃ ২৩৮৬. মহিলাদের হার পরিধান করা, সুগন্ধি ও ফুলের মালা পরা
৫৪৬১। মুহাম্মদ ইবন আর’আর (রহঃ) … ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ঈদের দিনে বের হন এবং (ঈদের) দু’ রাকআত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেন। তার আগে এবং পরে আর কোন নফজ সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেননি। তারপর তিনি মহিলাদের কাছে আসেন এবং তাদের সাদকা করার জন্য আদেশ দেন। মহিলারা তাদের হার ও মালা সাদকা করতে থাকল।
