হাদিস নম্বরঃ ৫৩৭৮ | 5378 | ۵۳۷۸
পরিচ্ছদঃ ২৩৩৬. চাদর পরিধান করা। আনাস (রাঃ) বলেনঃ এক বেদুঈন নবী (সাঃ) এর চাদর টেনে ধরেছেন
৫৩৭৮। আবদান (রহঃ) … হুসায়ন ইবনু আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আলী (রাঃ) বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার চাঁদর আনতে বললেন। তিনি তা পরিধান করেন, এরপর হেঁটে চললেন। আমি ও যায়েদ ইবনু হারিসা তার পিছনে চললাম। শেষে তিনি একটি ঘরের কাছে আসেন, যে ঘরে হামযা (রাঃ) ছিলেন। তিনি অনুমতি চাইলেন তারা তাদের অনুমতি দিলেন।
হাদিস নম্বরঃ ৫৩৭৯ | 5379 | ۵۳۷۹
পরিচ্ছদঃ ২৩৩৭. জামা পরিধান করা। মহান আল্লাহর বানীঃ ইউসুফ (আঃ) এর ঘটনাঃ তোমরা আমার এ জামাটি নিয়ে যাও আর তা আমার পিতার মুখমন্ডলে রাখ, তিনি দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাবেন
৫৩৭৯। কুতায়বা (রহঃ) … ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যাক্তি জিজ্ঞাসা করলোঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! মুহরিম ব্যাক্তি কি কাপড় পরিধান করবে? নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মুহরিম জামা, পায়জামা, টুপি এবং মোজা পরবে না। তবে যদি সে জুতা সংগ্রহ করতে না পারে তা হবে টাখনুর নীচে পর্যন্ত (মোজা) পরতে পারবে।
হাদিস নম্বরঃ ৫৩৮০ | 5380 | ۵۳۸۰
পরিচ্ছদঃ ২৩৩৭. জামা পরিধান করা। মহান আল্লাহর বানীঃ ইউসুফ (আঃ) এর ঘটনাঃ তোমরা আমার এ জামাটি নিয়ে যাও আর তা আমার পিতার মুখমন্ডলে রাখ, তিনি দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাবেন
৫৩৮০। আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) … জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু উবাইকে কবরে রাখার পর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে এলেন। তার লাশ কবর থেকে উঠাবার নির্দেশ দিলেন। তখন লাশ কবর থেকে উঠান হল এবং তার দু’ হাটুর উপর রাখা হলো। তিনি তার উপর থুথু দিলেন এবং তাকে নিজের জামা পরিয়ে দিলেন। আল্লাহই ভাল জানেন।
হাদিস নম্বরঃ ৫৩৮১ | 5381 | ۵۳۸۱
পরিচ্ছদঃ ২৩৩৭. জামা পরিধান করা। মহান আল্লাহর বানীঃ ইউসুফ (আঃ) এর ঘটনাঃ তোমরা আমার এ জামাটি নিয়ে যাও আর তা আমার পিতার মুখমন্ডলে রাখ, তিনি দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাবেন
৫৩৮১। সাদাকা (রহঃ) … আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যখন আবদুল্লাহ ইবনু উবাই মারা যায়, তখন তার ছেলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসে। সে বললঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনার জামাটি আমাকে দিন। আমি এ দিয়ে তাকে করর দিব। আর তার জানালার সালাত (নামায/নামাজ) আপনি আদায় করবেন এবং তার জন্য ইস্তিগফার করবেন। তিনি নিজের জামাটি তাকে দিয়ে দেন এবং বলেন যে, তুমি (কাফন পরানোর কাজ) সেরে ফেলে আমাকে সংবাদ দিবে। তারপর তিনি (কাফন পরানোর কাজ সেরে তাকে সংবাদ দিলেন) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জানাযার সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতে এলেন।
উমর (রাঃ) তাকে টেনে ধরে বললেনঃ আল্লাহ কি আপনাকে মুনাফিকদের (জানাযার) সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতে নিষেধ করেননি? তিনি এ আয়াতটি পড়লেনঃ তুমি ওদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর অথবা তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা না কর একই কথা। তুমি সত্তরবার ওদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করলেও আল্লাহ ওদের কখনই ক্ষমা করবেন না তখন নাযিল হয়ঃ ওদের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে তুমি কখনও ওদের জন্য জানাযার সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করবে না। এরপর থেকে তাদের জানাযার সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করা বর্জন করেন।
হাদিস নম্বরঃ ৫৩৮২ | 5382 | ۵۳۸۲
পরিচ্ছদঃ ২৩৩৮. মাথা বের করার জন্য জামা ও অন্য পোশাকের বুকের অংশ ফাক রাখা
৫৩৮২। আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার কৃপণ ও দানশীল ব্যাক্তিকে এমন দু’ ব্যাক্তির সাথে তুলনা করেন যাদের পরিধানে লোহার দুটি বর্ম আছে। তাদের দুটি হাতই বুক ও ঘাড় পর্যন্ত পৌছে আছে। দানশীল ব্যাক্তি যখন দান করে তখন তার বর্মটি এমন ভাবে প্রশস্ত হয় যে তার পায়ের আঙ্গুলের মাথা পর্যন্ত ঢেকে ফেলে এবং (শরীরের চেয়ে লম্বা হওয়ার জন্য চলার সময়) পদ চিহৃ মুছে ফেলে। আর কৃপণ লোকটি যখন দান করতে ইচ্ছে করে তখন তার বর্মটি শক্ত হয়ে যায় ও এক অংশ অন্য অংশের সাথে মিলে থাকে এবং প্রতিটি অংশ স্ব-স্ব স্থানে থেকে যায়।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ আমি দেখলাম, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার আঙ্গুল এভাবে বুকের দিক দিয়ে খোলা অংশের মধ্যে রেখে বলতে দেখেছি। তুমি যদি তা দেখতে তাহলে দেখতে) যে তিনি তা প্রশস্ত করতে চাইলেন কিন্ত তা প্রশস্ত হল না। ইবনু তাউস তার পিতা থেকে এবং আবূ যিনাদ, আরাজ থেকে অনুরূপ ভাবে جُبَّتَيْنِ বর্ণনা করেন। আর জাফর আরাজ এর সূত্রে جُبَّتَانِ বর্ণনা করেছেন। হানযালা (রহঃ) বলেনঃ আমি তাউসকে আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে جُبَّتَانِ বলতে শুনেছি।
হাদিস নম্বরঃ ৫৩৮৩ | 5383 | ۵۳۸۳
পরিচ্ছদঃ ২৩৩৯. যিনি সফরে সংকীর্ণ আস্তিন বিশিষ্ট জোব্বা পরিধান করেন
৫৩৮৩। কায়স ইবনু হাফস (রহঃ) … মুগীরা ইবনু শু’বা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন (তাবুক যুদ্ধের সময়) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বাইরে যান এবং তারপর ফিরে আসেন। আমি তার নিকট পানি নিয়ে পৌছি। তিনি উযূ (ওজু/অজু/অযু) করেন। তখন তার পরিধানে শাম দেশীয় (সিরিয়ার) জোব্বা ছিল। তিনি কুলী করেন, নাক পরিষ্কার করেন এবং তার মুখমন্ডল ধৌত করেন। এরপর তিনি আস্তিন থেকে দু’ হাত বের করতে থাকেন, কিন্তু আস্তিন দুটি ছিল সংকীর্ণ, তাই তিনি হাত দু’খানি জামার নীচ দিয়ে বের করে উভয় হাত ধৌত করেন। এরপর মাথা মাসেহ করেন এবং মোজার উপর মাসেহ করেন।
