হাদিস নম্বরঃ ৫৩৬৪ | 5364 | ۵۳٦٤
পরিচ্ছদঃ ২৩২৭. বিষ পান করা, বিষের সাহায্যে চিকিৎসা করা, মারাত্মক কিছু দ্বারা চিকিৎসা করা যাতে মারা যাবার আশংকা আছে এবং হারাম বস্তু দ্বারা চিকিৎসা করা
৫৩৬৪। মুহাম্মদ (রহঃ) … সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যাক্তি সকাল বেলা সাতটি আজওয়া খুরমা খেয়ে নিবে, তাকে সে দিন কোন বিষ অথবা যাদু ক্ষতি করতে পারবে না।
হাদিস নম্বরঃ ৫৩৬৫ | 5365 | ۵۳٦۵
পরিচ্ছদঃ ২৩২৮. গাধীর দুধ
৫৩৬৫। আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) … আবূ ছালাবা খুশানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বললেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বপ্রকার নখ বিশিষ্ট হিংস্র জন্তু খেতে নিষেধ করেছেন। যুহরী (রহঃ) বলেন, আমি সিরিয়ায় চলে আসা পর্যন্ত এ হাদীস শুনি নাই। লায়স বাড়িয়ে বলেছেন যে, ইউনুস (রহঃ) ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন যে, আমি এ হাদীসের বর্ণনাকায়ী (আবূ ইদরীস) কে জিজ্ঞাসা করেছি যে, গাধীর দুধ, হিংস্র প্রানীর পিত্তরস এবং উটের পেশাব পান করা বা তা দিয়ে ওযু করা জায়েয কি না? তিনি বলেছেনঃ পূর্বেকার মুসলিমগণ উটের পেশাব দ্বারা চিকিৎসার কাজ করতেন এবং একে তারা কোন পাপ মনে করতেন না। আর গাধীর দুধ সম্পর্কে কথা হল গাধার গোস্ত খাওয়ার নিষেধ বাণী আমাদের কাছে পৌছেছে, কিন্তু তার দুধ সম্পর্কে আদেশ বা নিষেধ কোনটিই আমাদের কাছে পৌছেনি। আর হিংস্র প্রানীর পিত্তরস সম্পর্কে ইবনু শিহাব (রহঃ) আবূ ইদরীস খাওলানী (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বপ্রকার নখর বিশিষ্ট হিংস্র প্রানী খেতে নিষেধ করেছেন।
হাদিস নম্বরঃ ৫৩৬৬ | 5366 | ۵۳٦٦
পরিচ্ছদঃ ২৩২৯. কোন পাত্রে যখন মাছি পড়ে
৫৩৬৬। কুতায়বা (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কারও কোন খাবার পাত্রে মাছি পড়ে, তখন তাকে সম্পূর্নভাবে ডুবিয়ে দিবে, তারপরে ফেলে দিবে। কারন, তার এক ডানায় থাকে শিফা, আর অন্য ডানায় থাকে রোগ জীবানু।
পোষাক-পরিচ্ছদ অধ্যায় (৫৩৬৭-৫৫৪৪)
হাদিস নম্বরঃ ৫৩৬৭ | 5367 | ۵۳٦۷
পরিচ্ছদঃ ২৩৩০. মহান আল্লাহ্র বাণীঃ বল, আল্লাহ্ স্বীয় বান্দাদিগের জন্য যে সব শোভার বস্তু সৃষ্টি করেছেন তা নিষেধ করেছেন কে? নবী (সাঃ) বলেছেনঃ তোমরা খাও, পান কর, পরিধান কর এবং দান কর, তবে অপচয় ও অহংকার পরিহার করো। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, যা ইচ্ছা খাও, যা ইচ্ছা পরিধান কর, যতক্ষন না দু’টো জিনিস তোমাকে বিভ্রান্ত করে- অপব্যয় ও অহংকার।
৫৩৬৭। ইসমাঈল (রহঃ) … ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ সে ব্যাক্তির দিকে (রহমতের দৃষ্টিতে) তাকাবেন না, যে অহংকারের সাথে তার (পরিধেয়) পোশাক টেনে চলে।
হাদিস নম্বরঃ ৫৩৬৮ | 5368 | ۵۳٦۸
পরিচ্ছদঃ ২৩৩১. যে ব্যক্তি বিনা অহংকারে তার লুঙ্গি ঝুলিয়ে চলে
৫৩৬৮। আহমাদ ইবনু ইউনুস (রহঃ) … সালিম তাঁর পিতা (রাঃ) থেকে বর্ননা করেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি অহংকারের সাথে নিজের পোশাক ঝুলিয়ে চলবে, আল্লাহ তার প্রতি (রহমতের) দৃষ্টি দিবেন না কিয়ামতের দিন। তখন আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমার লুঙ্গির এক পাশ ঝুলে থাকে যদি আমি তাতে গিরা না দেই। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত নও যারা অহংকার করে এরূপ করে।
হাদিস নম্বরঃ ৫৩৬৯ | 5369 | ۵۳٦۹
পরিচ্ছদঃ ২৩৩১. যে ব্যক্তি বিনা অহংকারে তার লুঙ্গি ঝুলিয়ে চলে
৫৩৬৯। মুহাম্মাদ (রহঃ) … আবূ বাকর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট ছিলাম, এমন সময় সূর্যগ্রহন আরম্ভ হয়। তখন তিনি ব্যস্ত হয়ে দাঁড়ালেন এবং কাপড় টেনে টেনে মসজিদে নিয়ে পৌছলেন। লোকজন জমায়েত হল। তিনি দু’ রাকআত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলেন। তখন সূর্য উজ্জল হয়ে গেল। এরপর আমাদের দিকে ফিরে বললেনঃ চন্দ্র ও সূর্য আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দুটি নিদর্শন, যখন তোমরা এতে কোন কিছু হতে দেখ, তখন সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করবে এবং আল্লাহর কাছে দু’আ করতে থাকবে, যতক্ষন না তা উজ্জল হয়ে যায়।
হাদিস নম্বরঃ ৫৩৭০ | 5370 | ۵۳۷۰
পরিচ্ছদঃ ২৩৩২. কাপড়ের মধ্যে জড়িয়ে থাকা
৫৩৭০। ইসহাক (রহঃ) … আবূ জুহায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বিলাল (রাঃ) কে দেখলাম, তিনি একটি বর্শা নিয়ে এসেছেন এবং তা মাটিতে পুঁতে দিলেন। তারপর সালাত (নামায/নামাজ)-এর ইকামত দিলেন। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখলাম, একটি জুব্বার দুটি চাদরের মধ্যে নিজেকে জড়িয়ে বের হয়ে আসলেন এবং বর্শার দিকে ফিরে দু’ রাকআত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলেন। আর মানুষ ও পশুকে দেখলাম, তারা তার সামনে দিয়ে এবং বর্শার পিছন দিয়ে গমন করছে।
হাদিস নম্বরঃ ৫৩৭১ | 5371 | ۵۳۷۱
