হাদিস নম্বরঃ ৫৭৮৭ | 5787 | ۵۷۸۷
পরিচ্ছদঃ ২৫৫৪. ঢিল ছোঁড়া
৫৭৮৭। আদম (রহঃ) … আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল মুযানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঢিল ছুড়তে নিষেধ করেছেন। আর বলেনঃ এ কোন শিকার মারতে পারবে না এবং শক্রকেও আহত করতে পারবে না বরং কারো চোখ ফুঁড়ে দিতে পারে আবার কারো দাত ভেংগে দিতে পারে।
হাদিস নম্বরঃ ৫৭৮৮ | 5788 | ۵۷۸۸
পরিচ্ছদঃ ২৫৫৫. হাঁচিদাতার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা
৫৭৮৮। মুহাম্মদ ইবনু কাসীর (রহঃ) … আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন একদিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে দু’ব্যাক্তি হাঁচি দিল। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজনের জবাব দিলেন। অপরজনের জবাব দিলেন না। তাকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেনঃ এই বাক্তি আলহামদুলিল্লাহ বলেছে। আর ঐ ব্যাক্তি আলহামদুলিল্লাহ বলে নি। (তাই হাঁচির জবাব দেয়া হয় নি)।
হাদিস নম্বরঃ ৫৭৮৯ | 5789 | ۵۷۸۹
পরিচ্ছদঃ ২৫৫৬. হাঁচিদাতা ‘আলহামদুলিল্লাহরর জবাব দেয়া
৫৭৮৯। সুলায়মান ইবনু হারব (রহঃ) … বারা ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সাতটি কাজের আদেশ দিয়েছেন এবং সাতটি কাজ থেকে নিষেধ করেছেন। রোগীর দেখাশোনা করতে, জানাযার সঙ্গে যেতে, হাঁচিদাতার জবাব দিতে, দাওয়াত গ্রহণ করতে, সালামের জবাব দিতে, মানুষের সাহায্য করতে এবং কসম পুরা করতে আমাদের আদেশ দিয়েছেন। আর সোনার আংটি অথবা বালা ব্যবহার করতে, সাধারণ রেশমী কাপড় পরতে, মিহিন রেশমী কাপড়, রেশমী যিন ব্যবহার করতে, কাসীই ব্যবহার করতে এবং রৌপ্য পাত্র ব্যবহার করতে আমাদের নিষেধ করেছেন।
হাদিস নম্বরঃ ৫৭৯০ | 5790 | ۵۷۹۰
পরিচ্ছদঃ ২৫৫৭. কিভাবে হাঁচির দু’আ মুস্তাহাব, আর কিভাবে হাই তোলা মাকরূহ
৫৭৯০। আদম ইবনু আবূ আয়াস (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহ তা’আলা হাঁচি দেওয়া পছন্দ করেন, আর হাই তোলা অপছন্দ করেন। সুতরাং কেউ হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বললে, যারা তা শুনবে তাদের প্রত্যেকের তার জবাব দেওয়া ওয়াজিব হবে। আর হাঁই তোলা, তাতো শয়তানের তরফ থেকে হয়ে থাকে, তাই যথাসাধ্য তা রোধ করা উচিত। কারণ যখন কেউ মুখ তুলে হা করে তখন শয়তান তার প্রতি হাসে।
হাদিস নম্বরঃ ৫৭৯১ | 5791 | ۵۷۹۱
পরিচ্ছদঃ ২৫৫৮. কেউ হাঁচি দিলে, কীভাবে জওয়াব দিতে হবে?
৫৭৯১। মালিক ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ হাঁচি দেয়, তখন সে যেন “আলহামুদুলিল্লাহ” বলে। আর তার শ্রোতা যেন এর জবাবে “ইয়ার হামুকাল্লাহ” বলে। আর যখন সে “ইয়ার হামুকাল্লাহ” বলবে তখন হাঁচিদাতা তাকে বলবেঃ “ইয়াহদিকুমুল্লাহ ওয়া ইয়ুসলিহু বালাকুম”।
হাদিস নম্বরঃ ৫৭৯২ | 5792 | ۵۷۹۲
পরিচ্ছদঃ ২৫৫৯. হাঁচি দাতা ‘আলহামদুলিল্লাহ’ না বললে তার জবাব দেওয়া যাবে না
৫৭৯২। আদম (রহঃ) … আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে দুই ব্যাক্তি হাঁচি দিলেন। তিনি একজনের হাচির জবাব দিলেন এবং অপর ব্যাক্তির জবাব দিলেন না। অপর ব্যাক্তিটি বললঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি তার হাঁচির জবাব দিলেন, কিন্তু আমার হাঁচির জবাব দিলেন না। তিনি বললেনঃ সে আলহামদুলিল্লাহ বলেছে, কিন্তু তুমি আলহামদুলিল্লাহ বলনি।
হাদিস নম্বরঃ ৫৭৯৩ | 5793 | ۵۷۹۳
পরিচ্ছদঃ ২৫৬০. যদি কেউ হাই তুলে, সে যেন নিজের হাত মুখে রাখে
৫৭৯৩। আসিম ইবনু আলী (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা হাঁচি দেওয়া পছন্দ করেন আর হাই তোলা অপছন্দ করেন। যদি তোমাদের কেউ হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলে তবে প্রত্যেক মুসলমান শ্রোতার তার জবাবে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলা ওয়াজিব। আর হাই তোলা শয়তানের তরফ থেকে হয়ে থাকে। সুতরাং তোমাদের কারো হাই উঠলে সে যেন তা যথাসাধ্য রোধ করে। কারণ কেউ হাই তোললে শয়তান তার প্রতি হাসে।
অনুমতি চাওয়া অধ্যায় (৫৭৯৪-৫৮৬৫)
হাদিস নম্বরঃ ৫৭৯৪ | 5794 | ۵۷۹٤
পরিচ্ছদঃ ২৫৬১. সালামের সূচনা
৫৭৯৪। ইয়াহইয়া ইবনু জাফর (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা আদম (আলাইহিস সালাম) কে তার যথাযথ আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন, তার উচ্চতা ছিল ষাট হাত। তিনি তাঁকে সৃষ্টি করে বললেনঃ তুমি যাও। উপবিষ্ট ফিরিশতাদের এই দলকে সালাম করো এবং তুমি মনোযোগ সহকারে শুনবে তারা তোমার সালামের কি জবাব দেয়? কারন এটাই হবে তোমার ও তোমার বংশধরের সম্ভাষন (তাহিয়্যা) তাই তিনি গিয়ে বললেন ‘আস সালামু আলাইকুম’। তারা জবাবে বললেনঃ “আসসালামুআলাইকা ওয়া রাহমাতুল্লাহ। তারা বাড়িয়ে বললেনঃ ওয়া রাহমাতুল্লাহ বাক্যটি। তারপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বললেন যারা জান্নাতে প্রবেশ করবে তারা আদম (আলাইহিস সালাম) এর আকৃতি বিশিষ্ট হবে। তারপর থেকে এ পর্যন্ত মানুষের আকৃতি ক্রমাগত হ্রাস পেয়ে আসছে।
