১২৬ সেতুবন্ধ পালা, ঐ, ৩/১২/৯২। অনুলিখন।
১২৭ শবরীর প্রতীক্ষা পালা, ২৭/১১/৯২, ঐ, অনুলিখন।
১২৮ তরণীসেন বধ পালা, প্রাগুক্ত।
১২৯ তরণীসেনের যুদ্ধ ও পতন, কৃত্তিবাস বিরচিত কামায়ণ, সাক্ষরতা প্রকাশন, পৃ. ২৯৫-২৯৬।
১৩০ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, পথের পাঁচালী, কলিকাতা, ১৩৭২, পৃ. ২৯৩।
১৩১ অবনী অধিকারীর কথকতা, অহল্যাব শাপমোচন, ২৬ কেব্রুয়ারি, ১৯৯৩, শান্তিনিকেতন। ক্যাসেটে রক্ষিত।
১৩২ অনেক চেষ্টা করেও এখনও জগৎরামী রামায়ণের কোনও সংস্করণ পড়তে সক্ষম হইনি। তথ্যাদির জন্য দ্রষ্টব্য, D.C. Sen, The Bengali Runavaias (Calcutta, 192)), সুকুমার সেন, বাঙলা সাহিত্যের ইতিহাস, দ্বিতীয় খণ্ড, (আনন্দ সংস্করণ, ১৩৯৮), পৃ. ৩৬৩-৩৬৪।
১৩৩ ক্ষান্তিলতা দেবী, কুম্ভীস্তব (ভগবতী), বছর দশেক আগে শ্যামাপূজার দিনে আয়োজিত পাঠ, ক্যাসেটে রক্ষিত, শ্রীযুক্ত করুণকান্তির সৌজন্যে প্রাপ্ত।
১৩৪ বাসন্তী চৌধুরী, রাসলীলা, সপ্তম পর্ব, নিঃসম্বলানন্দ কলেজ, ভদ্রেশ্বর, ৫ জুলাই, ১৯৯৩। ক্যাসেটে রক্ষিত।
১৩৫ ‘মানি কাকা’, জীবনকথা, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় লিখিত (কলিকাতা, ১৯৭৯), পৃ. ১৪২-১৫০।
১৩৬ রামায়ণ কথা সংগ্রহঃ, নং ৩৭৮৭, এশিয়া, ১ক-১খ।
১৩৭ চন্দননগরেব ফটকগোড়ায় কথক কুমুদবন্ধুর প্রথম সাক্ষাৎকার ১৫ জুলাই, ১৯৯৩। উল্লেখ্য এই যে, এই জাতীয় ধারণা শ্রুতির মাধ্যমে শিল্পীরা তাঁদের চেতনায় গেথে বাখেন। ১৯২৫ সালে কলকাতায় কালকা বিন্দাজি ঘরাণার চৌধুরান বাইজি নৃত্যের নানা অঙ্গভঙ্গিকে নাট্যশাস্ত্র মতে ব্যাখ্যা করে অমিয়নাথ সান্যালকে হকচকিয়ে দিয়েছেন। অমিয়বাবু তখনও নাট্যশাস্ত্র গ্রন্থটি চোখেই দেখেননি আর বাইজি জানেনই না, ভরত লোকটি কে। দ্র. ‘নৃত্যের বস্তুতত্ত্ব’, সমকালীন, আষাঢ়, ১৩৬৮, পুনর্মুদ্রিত। ভরত নাট্যশাস্ত্র, সুরেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত, ২য় খণ্ড, (কলকাতা, ১৯৮২), পৃ.। ২৮০-২৮১।
১৩৮ ধ্বন্যালোক, অনুবাদক সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও কালীপদ ভট্টাচার্য (কলকাতা, ১৯৮৬), পৃ. ১৫, ৪৪, ৪৬। প্রথমোদ্দ্যোতঃ।
১৩৯ ঐ, পৃ. ২৫-২৬, ৪০-৪১। পঞ্চম কারিকার বৃত্তি ও ভাষ্য প্রথমোদ্দ্যোতঃ।
১৪০ ভট্টনায়কের ‘ভূক্তিবাদ’ ও অভিনবগুপ্তের ‘অভিব্যক্তিবাদ’ সম্পর্কিত তুলনামূলক আলোচনার জন্য দ্রষ্টব্য—বিষ্ণুপদ ভট্টাচার্য, সাহিত্য মীমাংসা, বিশ্বভারতী, ১৯৭৫, পৃ. ৭৬-১০৬।
১৪১ বিশ্বনাথ কবিরাজ, সাহিত্যদর্পণঃ, সম্পাদনা ও বঙ্গানুবাদ, বিমলাকান্ত মুখোপাধ্যায়, প্রাগুক্ত, ৩/৯, ৯৫-৯৬।
১৪২ দীনেশচন্দ্র সেন, ঘরের কথা ও যুগসাহিত্য, (কলকাতা, ১৯৬৯), পৃ. ১৮১-১৮২।
১৪৩ মন্ত্রশক্তি, প্রাগুক্ত, পৃ ৭৫-৭৬।
১৪৪ বেহালা হরিভক্তি প্রদামিনী সভা, (স্থাপিত ১২৫৯ সাল/সন ১৮৫২)। দ্রষ্টব্য—৬৫ তম সাষৎসরিক পত্রিকা (১৩২৪) ও ৬৬তম সাক্ষৎসরিক পত্রিকা, ১৩২৫, পৃ. ১৭ ১৫।
১৪৫ অনুচ্ছেদটি ৪/১১/৯২ সালে চালতাবাগানে দ্বিজরাজবাবুর কথকতার আসরে সমাগত শ্রোতাদের কথোপকথন-ভিত্তিক।
১৪৬ বিশ্বনাথ কবিরাজ, পূর্বোল্লিখিত, ৩/৮, পৃ. ১৪-৯৫। নাট্যশাস্ত্রে-র পরিভাষায় শ্রোতার সমাবেশরূপে সমাজ কথাটি প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত, অশোকের শিলালিপিতে শব্দের এই জাতীয় প্রয়োগ দেখা যায়। দ্রষ্টব্য, দেবদত্ত ভাণ্ডারকর ও ননীগোপাল মজুমদারের আলোচনা, Indian Antiquary, 1913. pp. 255-258 Indian Antiquary, 1918, pp. 221-223.
১৪৭ কথকতার কথা, প্রাগুক্ত, পৃ. ৭৩।
১৪৮ Victor Turner. Dramas, Fields and Metaphors, (Ithaca, 1974). Partha Chatterjee, ‘More on Modes of Powers and the Peasantry’. Subaltern Studies, Vol. II. edited by Ranajit Guha, (Delhi, 1983), pp. 338-339.
১৪৯ ভরত নাট্যশাস্ত্র, প্রথম খণ্ড, প্রাগুক্ত, সপ্তম অধ্যায়, ৭ নং শ্লোক, পৃ ১৫৪। সাহিত্য দর্পণ, তৃতীয় পরিচ্ছেদঃ, প্রাগুক্ত, পৃ. ৮৬। একজন আধুনিক গবেষকের মতে ‘চমৎকার’ ধারণাটি উৎপন্ন হয়েছে ভাল খাবার পর জিভ দিয়ে টাক্রার যে তৃপ্তিবিধায়ক আওয়াজ করা হয়, তার থেকে। রামায়ণ চর টীকাতেও আছে। “চমদিত্যনূকরণ শব্দঃ।” পরে শব্দের অর্থ বিস্তার হয়েছে, রসাস্বাদনে চিত্তবৃত্তির বিস্তার অর্থে প্রযুক্ত হয়েছে। Raghavan, প্রাগুক্ত, পৃ. ২৯৪।
১৫০ রাজানক কুম্ভকাচার্যের বক্রোক্তিজীবিত, রবিশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত, ১/৫ প্রাগুক্ত, পৃ. ৩০। Sushil Kuniur pe. Makroktijivita of Kanaka. প্রথমেন্মেযঃ, শ্লোক নং ৫, প্রাগুক্ত, পৃ. ৫।
১৫১ ‘লোকশিক্ষা’, বঙ্কিম রচনাবলী, ২য় খণ্ড, যোগেশচন্দ্র বাগল সম্পাদিত, সংসদ সংস্করণ, ১৩৭১, পৃ. ৩৭৬-৩৭৭।
১৫২ দীনেশচন্দ্র সেন, বৃহৎ বঙ্গ, প্রথম খণ্ড, দে’জ সংস্করণ ১৯৯৩, পৃ. ৩৮৬।
১৫৩ দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, ‘ভারতে বস্তুবাদ প্রসঙ্গে’, অনুষ্টুপ, (কলকাতা, ১৯৮৭), পৃ. ১৯২-১৯৫।
১৫৪ রমাকান্ত চক্রবর্তী, ‘কথকতা পাঠকত’, যোগসূত্ৰ।
১৫৫ যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধি, পৌরাণিক উপাখ্যান, (কলকাতা, ১৩৯০), পৃ. ৮৮-৮৯।
১৫৬ মহেন্দ্রনাথ দত্ত, শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণের অনুধ্যান, সম্পাদনা ধীরেন্দ্রনাথ বসু, (কলিকাতা, ১৩৫০), পৃ. ১২।
