Some of the sects of degenerated Buddhists, in which laxity in sexual morals was one of the features, became gradually affiliated to the Lokayata school. One of these sects was the Kapalika sect, . The Kapalikas are a Yery ancient sect. They drink wine, offer human sacrifices and enjoy women. They strive to attain their religious goal with the help of Human corpses, wine and women. They are dreaded by. all fyrirhunan cruelties. As Kama or the enjoymeạt or sensusi pleasure was the goal of this sect, it came gradually to be affiliated to the Nastika form of the Lokayata school according to which the summum bonum of the human life is…the enjoyment of gross sensual pleasure…Or, it may be, that the followers of the orthodox schools, through bitter contempt, identified the Lokayatikas with the fierce Kapalikas, as in the previous cases the Vedicists used freely the terms of abuse like ‘bastard’, ‘incest’ and ‘monster’ with regard to the Lokayatikas. At the time of Brihaspati, the author of Arthasastra, these Kapalikas were a distinct sect. In Gunaratna’s time we find them identified with the Lokayata school which had already become a hated name in the Country.
অর্থাৎ কিনা, অধঃপাতে-যাওয়া কয়েকটি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বৈশিষ্ট্য ছিলো যৌনশৈথিল্য; এগুলি ক্রমশ লোকায়ত সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংযুক্ত হয়। এগুলির মধ্যে একটি হলো কাপালিক সম্প্রদায়। তারা মদ্যপান করে, নরবলি দেয় এবং নারী উপভোগ করে। তারা শব, মদ্য ও নারীর সাহায্যে ধর্মের আদর্শ লাভ করবার চেষ্টা করে। অমানুষিক নিষ্ঠুরতার জন্য তারা সকলের মধ্যেই আতঙ্ক সঞ্চার করে। যেহেতু এই সম্প্রদায়ের কাছে কামই হলো আদর্শ সেই-হেতু লোকায়ত সম্প্রদায়ের নাস্তিক রূপটির সঙ্গে স্বভাবতই এদের (কাপালিকদের) যোগাযোগ স্থাপিত হয় : নাস্তিক লোকায়তিকেরাও কামকেই পুরুষাৰ্থ মনে করে। কিংবা, এমনও হতে পারে যে, আস্তিক সম্প্রদায়ের অনুগামীরা ঘৃণাভরেই লোকায়তিক ও নিষ্ঠুর কাপালিকদের অভিন্ন বলে উল্লেখ করছেন— যেমন কিনা, অন্যান্য দৃষ্টান্তে দেখা যায়, বৈদিক ঐতিহ্যের বাহকের লোকাতিকদের জারজ, পাষণ্ড ইত্যাদি নানা প্রকার গালিগালাজ করেছেন। অর্থশাস্ত্রপ্রণেতা বৃহস্পতির যুগে কাপালিক একটি স্বতন্ত্র সম্প্রদায় ছিলো; গুণরত্বের সময়ে দেখা যায় লোকায়ত ও কাপালিকদের মধ্যে অভেদ স্বীকৃত হচ্ছে— লোকায়ত শব্দটি তখন ঘূণাসূচক নামে পরিণত হয়েছে।
উদ্ধৃত অংশের তাৎপর্যটুকু বিশ্লেষণ করা যাক।।
মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীকে অমুসরণ করে লেখক ধরেই নিচ্ছেন যে, কাপালিক (তথা তান্ত্রিকাদি) সম্প্রদায়গুলি অধঃপাতে-যাওয়া বৌদ্ধধর্মের নমুনামাত্র। অতএব, তাঁর কাছে প্রশ্ন হলে, এ-হেন অধঃপতিত বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে লোকায়তিকদের যোগাযোগ কী করে সম্ভব হলো। এ-সম্ভাবনার ব্যাখ্যা হিসেবে তিনি আমাদের সামনে দুটি প্রস্তাব রাখছেন। এক, কাপালিকাদি সম্প্রদায় কামাচারী, লোকায়তিকরাও অর্থ ও কামকে পরম পুরুষাৰ্থ মনে করেছে; অতএব কালক্রমে উভয়ের মধ্যে যোগাযোগ স্বাভাবিক ঘটনামাত্র। দুই, কিংবা এমনও হতে পারে যে, বেদপন্থীদের কাছে কাপালিক শব্দটি আরো পাঁচরকম ঝাঁঝালো গালিগালাজের সামিল হয়েছিলো এবং অতএব লোকায়তিকদের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শনের জন্যই তারা এদেরও কাপালিক বলে গালাগাল দিতেন।
ডক্টর শাস্ত্রীর এই দুটি প্রস্তাবের মধ্যে কোনোটি কি গ্রহণযোগ্য?
প্রথমটি নয়। এখানে ডক্টর শাস্ত্রীর প্রধান যুক্তি হলো, লোকায়ত-মতে অর্থ ও কাম পরমপুরুষাৰ্থ; কাপালিকাদি সম্প্রদায়গুলিও কামাচারী—অতএব এই কামপরায়ণতাই উভয়ের মধ্যে সেতুবন্ধন করেছিলো। কিন্তু আমরা ইতিপূর্বেই দেখেছি, ভারতীয় সংস্কৃতির ক্ষেত্রে এই কামাচারের পরিচয় শুধুমাত্র কাপালিকাদি আস্তিক-নিন্দিত সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বৈদিক সাহিত্যেও তার প্রভূত স্মারক টিকে থেকেছে। তার থেকে শুধু এই কথাই প্রমাণিত হয় যে, সভ্যতার দিকে অগ্রসর হবার পথে কোনো এক পর্যায়ে এই কামাচার মানব-চেতনার অনিবার্য অঙ্গ ছিলো। প্রসঙ্গত বলে রাখা যায়, ডক্টর শাস্ত্রীর সিদ্ধান্ত অনুসারে এই লোকায়ত-কাপালিক সমন্বয় শুধুমাত্র বৌদ্ধধর্মের অধঃপতনের পরিচায়ক নয়, ভারতীয় বস্তুবাদের অধঃপতনের পরিচায়কও। কেননা ডক্টর শাস্ত্রী রচিত ভারতীয় বস্তুবাদের ইতিহাসের তথাকথিত প্রথম তিনটি পর্যায়ে এই কামপরায়ণ ব্যভিচারের পরিচয় নেই।
ডক্টর শাস্ত্রীর দ্বিতীয় প্রস্তাবটিও গ্রহণযোগ্য নয়। কেননা, এই প্রস্তাব অনুসারে লোকায়ত ও কাপালিকাদি সম্প্রদায়ের মধ্যে মৌলিক সাদৃশ্য অন্বেষণ করা বৃথা; সাদৃশ্য শুধু এইটুকুই যে, উত্তরকালে বেদপন্থীদের কাছে লোকায়তিক ও কাপালিক উভয় নামই জারজ, পাষণ্ড ইত্যাদি ঘূণাসূচক শব্দমাত্রে পরিণত হয়েছিলো। অথচ, এই সম্ভাবনাটির প্রতি উপযুক্ত গুরুত্ব দিতে হলে ডক্টর শাস্ত্রীর পক্ষে স্ববিরোধী উক্তির আশ্রয় গ্রহণ করতেই হবে। কেননা, লোকায়ত্তিক ও কাপালিকাদি সম্প্রদায়ের মধ্যে যে মৌলিক ও তত্ত্বগত সাদৃশ্য আছে সে-কথা ভক্টর শাস্ত্রী স্বীকার করছেন এবং প্রায় হুবহু মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ভাষাতেই স্বীকার করছেন(৬১৫) :
