• আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি
সোমবার, জুন 22, 2026
  • Login
BnBoi.Com
  • বাংলাদেশী লেখক
    • অতুলচন্দ্র গুপ্ত
    • অভিজিৎ রায়
    • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    • আনিসুল হক
    • আবু ইসহাক
    • আবু রুশদ
    • আবুল আসাদ
    • আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন
    • আবুল বাশার
    • আরজ আলী মাতুব্বর
    • আল মাহমুদ
    • আসাদ চৌধুরী
    • আহমদ ছফা
    • আহমদ শরীফ
    • ইমদাদুল হক মিলন
    • উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    • কাসেম বিন আবুবাকার
    • জসীম উদ্দীন
    • তসলিমা নাসরিন
    • দাউদ হায়দার
    • দীনেশচন্দ্র সেন
    • নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    • নিমাই ভট্টাচার্য
    • প্রফুল্ল রায়
    • প্রমথ চৌধুরী
    • ময়ূখ চৌধুরী
    • মহাদেব সাহা
    • মাহমুদুল হক
    • মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    • হুমায়ূন আহমেদ
  • ইন্ডিয়ান লেখক
    • অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়
    • অতুল সুর
    • অদ্রীশ বর্ধন
    • অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • অনীশ দেব
    • অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • অমিয়ভূষণ মজুমদার
    • আশাপূর্ণা দেবী
    • আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • কাজী নজরুল ইসলাম
    • ক্ষিতিমোহন সেন
    • তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
    • দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    • নারায়ণ সান্যাল
    • নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    • নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    • পাঁচকড়ি দে
    • পূর্ণেন্দু পত্রী
    • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • বিমল মিত্র
    • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    • হেমেন্দ্রকুমার রায়
  • বিভাগসমূহ
    • আত্মজীবনী
    • ইতিহাস
    • উপন্যাস
    • কবিতা
    • কল্পকাহিনী
    • কাব্যগ্রন্থ
    • খেলাধুলার বই
    • গল্পের বই
    • গোয়েন্দা কাহিনী
    • ছোট গল্প
    • জীবনী
    • দর্শন
    • ধর্মীয় বই
    • নাটকের বই
    • প্রবন্ধ
    • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
    • বৈজ্ঞানিক বই
    • ভূতের গল্প
    • মুক্তিযুদ্ধের-বই
    • রহস্যময় গল্পের বই
    • রোমাঞ্চকর গল্প
    • রোম্যান্টিক গল্পের বই
    • শিক্ষামূলক বই
    • সমগ্র
  • সিরিজ বই
    • মিসির আলী সমগ্র
    • হিমু সিরিজ
No Result
View All Result
  • বাংলাদেশী লেখক
    • অতুলচন্দ্র গুপ্ত
    • অভিজিৎ রায়
    • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    • আনিসুল হক
    • আবু ইসহাক
    • আবু রুশদ
    • আবুল আসাদ
    • আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন
    • আবুল বাশার
    • আরজ আলী মাতুব্বর
    • আল মাহমুদ
    • আসাদ চৌধুরী
    • আহমদ ছফা
    • আহমদ শরীফ
    • ইমদাদুল হক মিলন
    • উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    • কাসেম বিন আবুবাকার
    • জসীম উদ্দীন
    • তসলিমা নাসরিন
    • দাউদ হায়দার
    • দীনেশচন্দ্র সেন
    • নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    • নিমাই ভট্টাচার্য
    • প্রফুল্ল রায়
    • প্রমথ চৌধুরী
    • ময়ূখ চৌধুরী
    • মহাদেব সাহা
    • মাহমুদুল হক
    • মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    • হুমায়ূন আহমেদ
  • ইন্ডিয়ান লেখক
    • অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়
    • অতুল সুর
    • অদ্রীশ বর্ধন
    • অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • অনীশ দেব
    • অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • অমিয়ভূষণ মজুমদার
    • আশাপূর্ণা দেবী
    • আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • কাজী নজরুল ইসলাম
    • ক্ষিতিমোহন সেন
    • তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
    • দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    • নারায়ণ সান্যাল
    • নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    • নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    • পাঁচকড়ি দে
    • পূর্ণেন্দু পত্রী
    • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • বিমল মিত্র
    • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    • হেমেন্দ্রকুমার রায়
  • বিভাগসমূহ
    • আত্মজীবনী
    • ইতিহাস
    • উপন্যাস
    • কবিতা
    • কল্পকাহিনী
    • কাব্যগ্রন্থ
    • খেলাধুলার বই
    • গল্পের বই
    • গোয়েন্দা কাহিনী
    • ছোট গল্প
    • জীবনী
    • দর্শন
    • ধর্মীয় বই
    • নাটকের বই
    • প্রবন্ধ
    • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
    • বৈজ্ঞানিক বই
    • ভূতের গল্প
    • মুক্তিযুদ্ধের-বই
    • রহস্যময় গল্পের বই
    • রোমাঞ্চকর গল্প
    • রোম্যান্টিক গল্পের বই
    • শিক্ষামূলক বই
    • সমগ্র
  • সিরিজ বই
    • মিসির আলী সমগ্র
    • হিমু সিরিজ
No Result
View All Result
BnBoi.Com
No Result
View All Result

সাইমুম সিরিজ – আবুল আসাদ

ককেশাস ক্রিসেন্টের বাকুর প্রধান মুহাম্মদ বিন মুসার কাছ থেকে ককেশাস পরিস্থিতির দীর্ঘ রিপোর্ট নিয়েছেন আহমদ মুসা।
অবস্থা খুবই হতাশাব্যঞ্জক। ককেশাস ক্রিসেন্টের এবং মুসলিম সমাজের যারা মাথা ছিল তারা সবাই হারিয়ে গেছে। একটা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সবার মধ্যে। সবাই মনে করছে ‘হোয়াইট উলফ’ অপ্রতিরোধ্য। আজারবাইজান সরকারও আতংক বোধ করছে, কিন্তু কিছু করতে নারাজ। তার ভয় হল, রাশিয়া ও পশ্চিমা খৃষ্টান দেশগুলোর মদদ-পুষ্ট ‘হোয়াইট উলফ’ কে ক্ষ্যাপালে তার অস্তিত্বই বিপন্ন হয়ে পড়বে। আর ক্ষ্যাপাবার স্কোপ ও তার নেই। রাশিয়া এবং পশ্চিমা দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতরা পরিস্কার বলেছে, ‘হোয়াইট উলফ’ এর ব্যাপারে যেন আজারবাইজান সরকার কোন প্রকার নাক না গলায়। ‘হোয়াইট উলফ’ মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক শক্তির উৎখাতের জন্য কাজ করছে, আজারবাইজান সরকারের সাথে তাদের কোন বিরোধ নেই। ‘হোয়াইট উলফ’ মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক শক্তির উৎখাতে সফল হলে তাতে আজারবাইজান সরকারের ও লাভ। তার এক প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বীর হাত থেকে বাঁচবে। আজারবাইজান সরকার বাধ্য হয়ে এই পরামর্শ গলধঃকরন করেছে, কিন্তু এই কথা গুলো তারা বিন্দুমাত্র বিশ্বাস করেনা। রাশিয়া ও পশ্চিমা দেশসমূহের মদদ-পুষ্ট ‘হোয়াইট উলফ’ কি তা আজারবাইজান সরকার ভাল করেই জানে। যাদেরকে তারা মৌলবাদী বা সাম্প্রদায়িক বলছে তারাই জাতির মৌল শক্তি। এ মৌল শক্তির বিনাশ করতে পারলে মূল্যহীন আজারবাইজান সরকারকে কুপোকাত করা কোন সময়ের ব্যাপার নয়। এই বিষয়টা পরিষ্কার বুঝার পরেও আজারবাইজান সরকারের আজ করার কিছুই নেই। ‘ককেশাস ক্রিসেন্ট’ কে গোপনে সাহায্য করতেও সে ভয় পায়। সে মনে করে ‘হোয়াইট উলফ’-এর সর্বদর্শী চোখ থেকে সে কিছুই লুকাতে পারবেনা। মোট কথা একদম মুষড়ে পরা অবস্থা ককেশাসের মুসলমানদের। আল্লামা ইব্রাহীম এদতিনা হারিয়ে যাবার পর সকলের অনেকখানি ভরসা ছিল ইমাম শামিলের বংশধর প্রতিভাবান তরুন সালমান শামিলের বুদ্ধিমত্তার ওপর। কিন্তু সে কিডন্যাপ হবার পর সকলের চোখে অন্ধকার নেমেছে।
ককেশাসের এই পরিস্থিতি আহমদ মুসার কাছে স্বাভাবিক বলেই মনে হল। সত্যই হোয়াইট উলফ এই পর্যন্ত যা করেছে তাতে কোন খুঁত নেই। ছাব্বিশজন মুসলিম নেতার অপহরনের কেস তিনি বিশদভাবে পর্যালোচনা করেছেন। ‘হোয়াইট উলফ’ কে এবং কারা তার চেনার কোন চিহ্নই তারা পেছনে রেখে যায়নি। এমন কি ঘটনার কোন সাক্ষীও নয়।
যেখানেই ‘হোয়াইট উলফ’ অপারেশনে গেছে সেখানকার কাউকেই সে বাঁচিয়ে রাখেনি। তাই জানা যায় না, অপহরণের কাজ কাদের দ্বারা, কিভাবে ঘটল। এমন কি এ সংক্রান্ত কোন খবরও পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি। ‘হোয়াইট উলফ’-এর হুমকিতে সব পত্রিকাই নীরব হয়ে গেছে।
শুধু ব্যতিক্রম সালমান শামিলের ব্যাপারটা। তাকে অপহরণের প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হবার খবরও পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। পরে তার কিডন্যাপের খবর বিস্তারিতই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। খবর বলে, কিভাবে সালমান শামিল একটা জীপ নিয়ে ইনস্টিটিউটের গেট দিয়ে বেরিয়ে আসে, কিভাবে একটা ট্রাক এসে তার জীপকে ধাক্কা দেয়, কিভাবে ছিটকে পড়ার পর উঠে বসতে চেষ্টা করে এবং কিভাবে একটা মাইক্রোবাস এসে তাকে তুলে নিয়ে যায়। তার সাথে বলে-দেশে ইদানিং সন্ত্রাসী তৎপরতা বৃদ্ধির কথা।
আহমদ মুসা ভেবে পেলনা, এই খবর প্রকাশ কিভাবে সম্ভব হল? নিউক্লিয়ার ফিজিক্স ইনস্টিটিউটের সালমান শামিল। ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ কি তাহলে এই ঘটনা প্রকাশের ব্যাপারে চেষ্টা করেছে বা চাপ দিয়েছে?
আহমদ মুসার চিন্তা স্রোতে বাধা পড়ল। হন্তদন্ত হয়ে ঘরে ঢুকল মুহাম্মদ বিন মুসা। বলল, জনাব আমাদের একজন লোককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
কোত্থেকে হারিয়েছে?
কুদতলি থেকে।
সে কি আমাকে দেখেছে কিংবা আমি আসার খবর জানে?
জানে, সে তখন উপকূলে হাজির ছিল।
খবর আপনি কখন পেয়েছেন।
এই মাত্র।
কে আপনাকে খবর দিয়েছে?
কুদতলি ‘ককেশাস ক্রিসেন্ট’- এর একজন কর্মী এসেছে।
কুদতলি থেকে কখন বেরিয়েছে সে?
বিকেলে।
এত দেরি কেন? ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বললেন আহমদ মুসা।
রাস্তায় গাড়ি খারাপ হয়ে গিয়েছিল। তাছাড়া প্রথমে সে ‘কুমুখী’তে যায়, তারপর এখানে আসে।
আহমদ মুসা কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে বসে রইলেন। বললেন তারপর, আমার অনুমান মিথ্যা না হলে আমি বলব আমাদের কুদতলি ঘাঁটি এতক্ষণে আক্রান্ত হয়েছে।
মুহাম্মদ বিন মুসা কোন কথা না বলেই সোফায় বসে পড়ল। তার মুখ শুকনো। চোখে-মুখে উদ্বেগ।
রাত তখন দশটা। আহমদ মুসা ভাবছিলেন চোখ বুজে। এক সময় চোখ খুলে মুহাম্মদ বিন মুসার দিকে তাকিয়ে বললেন, বাকুতে কতদিন ধরে আপনারা এই ঘাটিতে আছেন?
এক বছর।
আমার আশংকা হচ্ছে আজ রাতে এখানেও আক্রমণ হতে পারে।
কেমন করে বুঝলেন?
যে কর্মীকে ধরে নিয়ে গেছে তার কাছ থেকে নিশ্চিতভাবে আমার আসার খবর পাবে এবং সে খবর পাবার পর কোন সময় না দিয়ে সম্ভাব্য সকল স্থানে ওরা আঘাত হানবে।
আহমদ মুসা কথা শেষ করতেই টেলিফোন বেজে উঠল। মুহাম্মদ বিন মুসা গিয়ে টেলিফোন ধরল।
টেলিফোন ধরে কথা শুনতে শুনতে মুহাম্মদ বিন মুসার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে উঠল।
তারপর টেলিফোন রেখে আতর্নাদ করে উঠল, মুসা ভাই আমাদের কুদতলি ঘাঁটি শেষ করে দিয়েছে। কেউ বাঁচেনি।
কখন আক্রমণ হয়েছে?
সন্ধ্যার পর পরই।
কে টেলিফোন করেছে?
কুদতলির পাঁচ মাইল পশ্চিমের একটি ছোট শহর থেকে আমাদের এক কর্মী।
আহমদ মুসা কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলেন। তারপর বললেন, মুহাম্মদ বিন মুসা, এখনই কয়েকজন কর্মীকে কুদতলিতে পাঠাও সব বিষয় সরেজমিনে জানার জন্যে।
একটু থেমে আবার বললেন, ‘কুমুখী’ তে খবর পাঠাও এখনি যাতে সকলে ঘাঁটি ছেড়ে দিয়ে অন্যত্র সরে যায়। আর এ ঘাঁটি থেকেও সবকিছু এবং সবাইকে এখনই সরিয়ে দাও। এ ঘাঁটিতে আজ শুধু তুমি, আজিমভ এবং আমি থাকব। বলে আহমদ মুসা চোখ বুজে সোফাতে গা এলিয়ে দিলেন।
তার মানস চোখে কুদতলি ঘাঁটির দৃশ্য। সারিবদ্ধ লাশ সেখানে। এদের মা, বাবা, ভাই-বোন, স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে সবাই আছে। তাদের বুক ফাটা কান্নায় কোন সান্ত্বনা দেয়া যাবে? চোখের কোণ ভারী হয়ে উঠল আহমদ মুসার।
আহমদ মুসা চোখ খুলে দেখল , মুহাম্মদ বিন মুসা নেই। সম্ভবত তার নির্দেশ পালন করতে বেরিয়ে গেছে।
সেদিন গভীর রাত। বাকুর ‘ককেশাস ক্রিসেন্ট’-এর ঘাঁটিটার দক্ষিণ পাশ দিয়ে একটা বড় এ্যাভিনিউ। আর পূর্ব পাশ দিয়ে ছোট একটা রাস্তা। ছোট রাস্তাটা ঐ এ্যাভিনিউ থেকে বেরিয়েছে। বাড়ির পূর্ব ও উত্তর দিকটা বাগান ঘেরা।
রাত এগারোটায় আহমদ মুসা, আলীআজিমভ ও মুহাম্মদ বিন মুসা গ্যাস মাস্ক হাতে নিয়ে বাড়ির পেছন দিকের সুইপার প্যাসেজ দিয়ে বেরিয়ে এলেন। আহমদ মুসা মুহাম্মদ বিন মুসার দিকে চেয়ে বললেন, তুমি পূব দিকে বাগানে লুকিয়ে দক্ষিণ ও পূর্বের প্রাচীরে দিকে লক্ষ্য রাখ। আর আলী আজিমভ উত্তর দিকের প্রাচীরে। আমি পশ্চিম দিকে থাকছি। আমার ধারণা ওরা এলে বারটার আগে আসবে না। ওরা এলে আমি যেভাবে বলেছি কাজ করবে।
এক এক করে বারটা বাজার শব্দ উঠল বাকু মিউজিয়ামের পেটা ঘড়িতে।
ধীরে ধীরে রাস্তায় গাড়ির শব্দ, হর্ণের আওয়াজ কমে এল। নিস্তব্ধতা নেমে এল রাতের বাকুতে।
আহমদ মুসা নিশ্চিত ‘হোয়াইট ওলফ’-এর কেউ যদি ককেশাস ক্রিসেন্টের এ ঘাঁটিতে ঢুকতে চায় তাহলে ফল বাগানের দিকটাই ব্যবহার করবে।
আহমদ মুসার অনুমান সত্য হল। রাত সাড়ে বারটার দিকে নিঃশব্দে একটা ছায়ামুর্তি উঠে এল প্রাচীরে ওপর। তারপর আরও দুজন।
প্রাচীরের এই অংশটা গাছের ছায়ায় অন্ধকার। কিন্তু আহমদ মুসার ইনফ্রারেড গগলস-এ সবছিু স্পষ্টভাবে ধরা পড়ল।
ওরা তিনশন নিঃশব্দে প্রাচীর থেকে নামল। কিছুক্ষণ দাড়িয়ে এদিক-ওদিক তাকাল। তারপর বিড়ালের মত নিঃশব্দে এগিয়ে চলল। ককেশাস ক্রিসেন্টের বাড়ির দিকে।
আহমদ মুসা মুখে তার গ্যাস মাস্ক ঠিক আছে কিনা দেখে নিয়ে তাদের পিছু নিলেন। কিন্তু কয়েক পা এগিয়েই পেছনে একটা শব্দ পেয়ে পেছনে ফিরে তাকালেন। দুজন লোক লাফিয়ে পড়েছে প্রাচীর থেকে ।তাদের হাতে লম্বা ব্যারেলের রিভলবার।
ওদিকে এক নিমেষ তাকিয়েই আহমদ মুসা চকিতে পাশের মোটা গাছটার আড়ালে সরে গেলেন।
পর মুহূর্তেই একটা নিউট্রন বুলেট এসে বিস্ফোরিত হল গাছটির পাশে, আহমদ মুসার থেকে এক হাতের মধ্যে। ভয়াবহ নিউট্রন বুলেটটির এত সান্নিধ্যে শিউরে উঠল আহমদ মুসার দেহ।
আহমদ মুসা বুঝতে পেরেছিলেন তার সামনে পেছনে দুদিকেই শত্রু। তাদের সময় দেয়া যাবে না। যে মুহূর্তে নিউট্রন বুলেট বিস্ফোরিত হল, সে মুহূর্তেই গাছের আড়াল থেকে আহমদ মুসার এম-১০ মেশিন রিভলবার গুলী বৃষ্টি করল পেছনের ঐ ছায়ামুর্তি লক্ষ্য করে।
সাইলেন্সর লাগানো এম-১০ থেকে চাপা শিষের মত একটা আওয়াজ বেরুল শুধু।
নিউট্রন বুলেট ছোঁড়ার পর ওরা উঠে দাড়িয়েছিল এগিয়ে আসার জন্যে। কিন্তু এম-১০ এর এক ঝাঁক বুলেটে ঝাঝঁরা হয়ে যেখানে দাড়িয়েছিল সেখানেই পড়ে গেল।
আহমদ মুসা গুলী ছোড়ার পর ফিরে দাড়িয়ে দেখলেন, সামনের চলমান তিনটি ছায়ামুর্তি থমকে দাড়িয়েছে।
আহমদ মুসা বুঝলেন পেছনের সাথীদের কি হয়েছে, কি ঘটেছে তা না দেখে ওরা আর সামনে এগুবে না।
ওদের থেকে নিজেকে আড়াল করার জন্যে আহমদ মুসা সন্তর্পণে গাছের পশ্চিম পাশে চলে এলেন।
তারপর গাছের আড়াল থেকে উঁকি মেরে দেখলেন, তিনটি ছায়ামুর্তি নিশ্চলভাবে দাড়িয়েই আছে। বোধ হয় ঘটনা বুঝতে চেষ্টা করছে।
আরও কিছুক্ষণ পর ঝি-ঝি পোকার মত এক ধরণের শব্দ করে উঠল তাদের একজন।
ওটা ওদের সংকেত । কোন উত্তর ওরা পেল না।
আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর ওরা তিনটি ছায়ামুর্তি হামাগুড়ি দিয়ে সর্ন্তর্পণে এগিয়ে আসতে লাগল।
আহমদ মুসা একহাতে টর্চ, অন্য হাতে এম-১০ নিয়ে অপেক্ষা করতে লাগল । ইচ্ছা করলে আহমদ মুসা খুব সহজেই তাদের হত্যা করতে পারেন। কিন্তু আহমদ মুসা ‘হোয়াইট উলফ’কে জীবন্ত ধরতে চান। জানতে চান ওদেরকে।
ওরা গাছের সমান্তরালে আসতেই আহমদ মুসা টর্চের আলো ওদের ওপর ফেলে কঠোর কণ্ঠে বললেন, উঠে হাত তুলে দাড়াও। না হলে এম-১০ এর গুলী ঝাঁক এখনই তোমাদের ঝাঁঝরা করে দেবে।
টর্চের আলোর দিকে স্থির দৃষ্টি রেখেই তারা উঠে দাড়াচ্ছিল। দুচোখে থেকে তাদের হিংস্রতা ঝরে পড়ছিল। উঠতে গিয়ে তাদের একজন অকস্মাৎ ঝাপিয়ে পড়ল আহমদ মুসার ওপর।
আহমদ মুসা তাদের উপর স্থির দৃষ্টি রেখেছিলেন। মতলব বুঝতে পেরেই আহমদ মুসা লোকটি ঝাঁপিয়ে পড়ার সাথে সাথেই নিজেকে ডানপাশে একটু সরিয়ে নেন।
এইভাবে সরতে গিয়ে বামহাতের টর্চ নিভে যায়, কিন্তু এম-১০ এর ট্রিগার তার তর্জনি চেপে বসল। বেরিয়ে যায় এক ঝাঁক গুলী। সামনের দুজন অস্ফুট আর্তনাদ করে মুখ থুবড়ে পড়ে যায় মাটিতে। যে লোকটি আহমদ মুসার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সে আহমদ মুসার পাশেই উপুড় হয়ে পড়ে যায়। আহমদ মুসা তাকে আর ওঠার সুয়োগ দেননি। এম-১০ ও টর্চ ফেলে দিয়ে তার ওপর ঝাপিয়ে পড়েন।
কিন্তু লোকটির কাছ থেকে কোন প্রতিরোধ আসে না। বরং তার শরীরে এক অস্বাভাবিক কম্পন অনুভব করেন আহমদ মুসা।
আহমদ মুসা উঠে দাড়ান। টর্চ কুড়িয়ে নিয়ে তার ওপর টর্চের আলো ফেলে দেখে, লোকটি তার ডান হাতের আংটিটি কামড়ে ধরে আছে।
আহমদ মুসার আর বুঝতে বাকি থাকে না, আংঠিতে লুকানো ভয়ানক বিষ খেয়ে লোকটি আত্মহত্যা করছে।ধরা পড়া অবধারিত জেনেই সে এটা করেছে ‘হোয়াইট উলফ’-এর এটাই বোধ হয় নির্দেশ যে, কারো জীবন্ত ধরা পড়া চলবে না।
আহমদ মুসা অন্ধকারে দাঁড়িয়ে একটা শিস দিলেন।
সংকেত পেয়ে অল্পক্ষনের মধ্যেই আলী আজিমভ এবং মুহাম্মদ বিন মুসা এসে হাজির হল সেখানে।
আহমদ মুসা ওদেরকে সংক্ষেপে সব কথা বলে লাশগুলো বাগান থেকে টেনে নিয়ে এলেন আলোতে। দেখলেন, সবাই আর্মেনিয়।
তাদের পকেট হাতড়ে কিছুই পাওয়া গেল না। অস্রশস্র আর কিছুই নেই তাদের সাথে।
পরদিন সকাল। ককেশাস ক্রিসেন্টের বাকু পার্টির ড্রইংরুম।
আহমদ মুসা মহাম্মাদ বিন মুসাকে বললেন, লাশগুলোর ব্যবস্থা করেছ?
জি হ্যাঁ।
আজ তোমাদের প্রধান কাজ হল ককেশাস ক্রিসেন্টকে তার সব ঘাঁটি খালি করতে বলা। তুমি তোমার পক্ষ থেকে সবাইকে জানিয়ে দাও সবাইকে, পুরাতন ঘাঁটি ছেড়ে আজই নতুন ঘাটি যেন খুঁজে নেয়।
আজ মুহাম্মদ বিন মুসাকে খুব খুশি দেখাচ্ছে। গতকাল পর্যন্ত তরি মধ্যে যে ভয় আর হতাশার চিহ্ন ছিল আজ তা নেই। এই প্রথমবারের মত তারা ‘হোয়াইট উলফ’-এর পাঁচজনকে হত্যা করতে পেরেছে, তাদের একটা মিশন তারা ব্যর্থ করতে পেরেছে। সে খুব খুশি যে, সাফল্য দিয়েই আহমদ মুসার যাত্রা শুরু হয়েছে। ঐসময় আহমদ মুসার ঐ নির্দেশকে তার ভাল লাগল না। বলল, কেন জনাব? আমাদের জন্যে কি এটা এখন খুব জরুরি?
হ্যাঁ, আমরা ওদের আক্রমণের অসহায় শিকার হতে পারি না।
কিন্তু আক্রান্ত না হলে তো আজকের এই সাফল্য আসতো না।
এইধরনের সাফল্যের জন্যে যে প্রস্তুতি আমাদের প্রয়োজন তা আমাদের নেই।
কিন্তু এই সরে পড়া ‘আমরা ভীত’ প্রমাণ করবে না?
তা করুক। শত্রু একটা আত্মপ্রসাদ লাভ করুক। কিন্তু আমাদের এটা কৌশল।
শত্রুকে আমাদের ব্যাপারে অন্ধকারে ফেলে দেয়া। আমরা যেমন ওদের ঠিকানা জানি না তেমনি আমাদের ঠিকানাও ওদের কাছ থেকে মুছে ফেললাম।
ঠিক বলেছেন জনাব। খুশি হয়ে বলল, মুহাম্মদ বিন মুসা।
আমার আরও একটা নির্দেশ সবাইকে জানিয়ে দাও। সেটা হল আমাদের পরিচিত ও নেতৃস্থানীয় সব লোককে আজ থেকে আত্মগোপন করতে হবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কাউকে জনসমক্ষে আসা চলবে না।
এটা কেন জনাব? সম্ভব হবে কি এটা?
সম্ভব হতে হবে।
আমাদের লোকক্ষয় এড়াবার জন্যে এটা প্রয়োজন। তাছাড়া আমাদের পরিচিত ও নেতৃস্থানীয় লোকজন যদি জনসমক্ষে থাকে, তাহলে আমাদের নতুন ঘাঁটির সন্ধান ‘হোয়াইট উলফ’ দু’এক দিনেই বের করে ফেলবে।
আমি এখন বুঝতে পেরেছি জনাব। হাসিতে মুখ উজ্জ্বল করে বলল মুহাম্মদ বিন মুসা।
হাসিমুখেই মুহাম্মদ বিন মুসা আহমদ মুসার নির্দেশ পালনের জন্য বেরিয়ে গেল।
হোয়াইট উলফের পাঁচজনকে মারতে পেরে মুহাম্মদ বিন মুসার খুশি ধরছে না। বলল আলী আজিমভ।
কিন্তু ওদের মৃত্যু আমাদের ক্ষতি করেছে, ওদের এই মৃত্যু আমি চাইনি। এঘটনা শত্রুকে আরও সাবধান ও সতর্ক করে দিয়ে গেল। বেঁচে থাকলে ওদের কাছ থেকে শত্রুর একটা সন্ধান আমরা পেতামই।
আলী আজিমভ কোন কথা বলল না, আহমদ মুসাও না।
আহমদ মুসা সোফায় গা এলিয়ে দিয়ে চোখ বন্ধ করলেন। তাঁর কপাল কুঞ্চিত। ভাবছেন তিনি।
কোন পথে এগুনো যায়? পথ কোথায় সামনে এগুবার? অদৃশ্য শত্রুর বিরুদ্ধে কিভাবে লড়াই করা যায়?
মনে পড়ল আহমদ মুসার সালমান শামিলের কথা। সালমান শামিলের কিডন্যাপের মধ্যেই শুধু একটা আলোর ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু যারা কিডন্যাপ দেখেছে, যারা ঝুঁকি নিয়ে নিউজটা সংবাদপত্রে দিয়েছে, তারা কি আহমদ মুসার সাথে কথা বলতে রাজি হবে? আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভেনের ঐ সম্মানিত ইনস্টিটিউটের কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়ই খৃস্টান হবে। তাদের কোন প্রকার সহযোগিতা মুল্যবান হতে পারে।
আহমদ মুসার বিশ্বাস, ‘হোয়াইট উলফ’-এর মেরুদন্ড যেহেতু খৃস্টান আর্মেনিয়া, তাই হোয়াইট উলফের মূল ঠিকানা ঐ ইয়েরেভেনেই হবে। যাই হোক অবিলম্বে তাঁর ইয়েরেভেনেই যাওয়া দরকার।
এই সময় মুহাম্মদ বিন মুসা ড্রইং রুমে প্রবেশ করল উসমান এফেন্দীকে নিয়ে কথা বলতে বলতে।
চিন্তায় বাধা পড়ল আহমদ মুসার। চোখ মেলে তাকালেন তিনি।
মুহাম্মদ বিন মুসা বলল, জনাব ইনি উসমান এফেন্দী। ইয়েরেভেন থেকে এসেছেন। আমাদের ইয়েরেভেন যুব শাখার কর্মী।
সালাম বিনিময়ের পর আহমদ মুসা তাকে বসতে বলে বললেন, ভালই হল আমি ইয়েরেভেন যেতে চাচ্ছি।
সত্যি? আপনার যাওয়া প্রয়োজন। চোখ উজ্জ্বল করে বলল উসমান এফেন্দী।
কেন প্রয়োজন মনে কর? প্রশ্ন করলেন আহমদ মুসা।
সালমান শামিলের অনুসন্ধানের জন্যে।
সন্ধানের কোন সুত্র পাওয়া যাবে সেখানে?
বলতে পারব না, তবে এটুকু শুনেছি- সালমান শামিল ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর ডঃ জনসনের খুব প্রিয় ছাত্র ছিল। দারোয়ানের কাছ থেকে আমি শুনেছি সালমান সেদিন সোজা গিয়ে ডঃ পল জনসনের কাছেই উঠেছিল। দেড় ঘন্টা ছিল সেখানে। সেখান থেকে বেরিয়ে ফেরার পথেই সে কিডন্যাপ হয়।
ঠিক বলেছ উসমান, আমরা তার সাহায্য চাইতে পারি সালমান শামিলের অনুসন্ধানের জন্যে।
সালমান শামিল তার প্রথম কিডন্যাপ প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে পালিয়ে উসমান এফেন্দীর ওখানেই উঠেছিল। আবার যেদিন সে কিডন্যাপ হয় সেদিন উসমান এফেন্দীর ওখান থেকেই যায়। বলল মুহাম্মদ বিন মুসা।
ঠিক আছে উসমান তুমি একটু বিশ্রাম নাও। পরে তোমার কাছ থেকে সব শুনব। আজই আমরা ইয়েরেভেনে রওয়ানা হতে চাই। বলে আহমদ মুসা উঠে দাঁড়ালেন। প্রবেশ করলেন তাঁর বিশ্রাম কক্ষে।

Page 114 of 165
Prev1...113114115...165Next
Previous Post

পরী – আলাউদ্দিন আল আজাদ

Next Post

বিচিত চিন্তা – সাহিত্য চিন্তা – আহমদ শরীফ

Next Post

বিচিত চিন্তা – সাহিত্য চিন্তা - আহমদ শরীফ

বিচিত চিন্তা - সংস্কৃতি চিন্তা - আহমদ শরীফ

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সাম্প্রতিক প্রকাশনাসমূহ

  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৫: ভূমিকম্প – শামসুদ্দীন নওয়াব
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৮: বিভীষিকার প্রহর – রকিব হাসান
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৭: বড়দিনের ছুটি – রকিব হাসান
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৭: আলাস্কা অভিযান – রকিব হাসান
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৭: আমিই কিশোর – রকিব হাসান

বিভাগসমূহ

  • আত্মজীবনী
  • ইতিহাস
  • উপন্যাস
  • কবিতা
  • কাব্যগ্রন্থ
  • গল্পের বই
  • গোয়েন্দা কাহিনী
  • ছোট গল্প
  • জীবনী
  • দর্শন
  • ধর্মীয় বই
  • নাটকের বই
  • প্রবন্ধ
  • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
  • বৈজ্ঞানিক বই
  • ভূতের গল্প
  • রহস্যময় গল্পের বই
  • রোমাঞ্চকর গল্প
  • রোম্যান্টিক গল্পের বই
  • শিক্ষামূলক বই
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি

© 2023 BnBoi - All Right Reserved

No Result
View All Result
  • বাংলাদেশী লেখক
    • অতুলচন্দ্র গুপ্ত
    • অভিজিৎ রায়
    • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    • আনিসুল হক
    • আবু ইসহাক
    • আবু রুশদ
    • আবুল আসাদ
    • আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন
    • আবুল বাশার
    • আরজ আলী মাতুব্বর
    • আল মাহমুদ
    • আসাদ চৌধুরী
    • আহমদ ছফা
    • আহমদ শরীফ
    • ইমদাদুল হক মিলন
    • উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    • কাসেম বিন আবুবাকার
    • জসীম উদ্দীন
    • তসলিমা নাসরিন
    • দাউদ হায়দার
    • দীনেশচন্দ্র সেন
    • নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    • নিমাই ভট্টাচার্য
    • প্রফুল্ল রায়
    • প্রমথ চৌধুরী
    • ময়ূখ চৌধুরী
    • মহাদেব সাহা
    • মাহমুদুল হক
    • মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    • হুমায়ূন আহমেদ
  • ইন্ডিয়ান লেখক
    • অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়
    • অতুল সুর
    • অদ্রীশ বর্ধন
    • অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • অনীশ দেব
    • অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • অমিয়ভূষণ মজুমদার
    • আশাপূর্ণা দেবী
    • আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • কাজী নজরুল ইসলাম
    • ক্ষিতিমোহন সেন
    • তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
    • দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    • নারায়ণ সান্যাল
    • নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    • নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    • পাঁচকড়ি দে
    • পূর্ণেন্দু পত্রী
    • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • বিমল মিত্র
    • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    • হেমেন্দ্রকুমার রায়
  • বিভাগসমূহ
    • আত্মজীবনী
    • ইতিহাস
    • উপন্যাস
    • কবিতা
    • কল্পকাহিনী
    • কাব্যগ্রন্থ
    • খেলাধুলার বই
    • গল্পের বই
    • গোয়েন্দা কাহিনী
    • ছোট গল্প
    • জীবনী
    • দর্শন
    • ধর্মীয় বই
    • নাটকের বই
    • প্রবন্ধ
    • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
    • বৈজ্ঞানিক বই
    • ভূতের গল্প
    • মুক্তিযুদ্ধের-বই
    • রহস্যময় গল্পের বই
    • রোমাঞ্চকর গল্প
    • রোম্যান্টিক গল্পের বই
    • শিক্ষামূলক বই
    • সমগ্র
  • সিরিজ বই
    • মিসির আলী সমগ্র
    • হিমু সিরিজ

© 2023 BnBoi - All Right Reserved

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In