–আবুল হাসনাত
৬০. মানুষের বাসগৃহ তা যত বড়ই হোক না কেন তা মূলত গৃহই।
–কিথ প্রিক্টন
৬১. তুমি বাইরে বেরিয়ে এসো। সকলের মাঝখানে। চেয়ে দেখো কী কঠোর সংসার। তোমার চারদিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা, চারদিকে তোমার বিভিন্ন শক্তির ঘাত-প্রতিঘাত। এই জয়-পরাজয়ের জুয়াখেলায় তুমি আপন সংকল্পে স্থির হয়ে নিজের পথ বার করবে। মনে রেখো, এ সংসারে দুর্বলের ঠাঁই নেই, অযোগ্যকে ক্ষমা করে না কেউ। তুমি যদি নৈরাশ্য কিংবা বৈরাগ্য নিয়ে একপাশে সরে দাঁড়াও–সবাই তোমাকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যাবে।
–প্রবোধকুমার সান্যাল
৬২. আগে গৃহের প্রত্যেকের মন জয় করো। বাইরে সবার সাথে মধুর ব্যবহার করবে আর গৃহে অসন্তোষের আগুন জ্বালাবে এটা ঠিক নয়।
লুসিয়াস
৬৩. বেশি বয়সেই বিচিত্র বৃহৎ সংসারে তরঙ্গদোলার মধ্যেই স্ত্রী-পুরুষের যথার্থ স্থায়ী গভীর সংযত নিঃশব্দ প্রীতির লীলা আরম্ভ হয়–নিজের সংসার বৃদ্ধির সঙ্গে বাইরের জগৎ ক্রমেই বেশি বাইরে চলে যায় সেইজন্যই সংসার বৃদ্ধি হলে এক হিসাবে সংসারের নির্জনতা বেড়ে ওঠে এবং ঘনিষ্ঠতার বন্ধনগুলি চারদিক থেকে দুজনকে জড়িয়ে আনে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৬৪. সমগ্র সৃষ্টি আল্লাহর পরিবার। সমগ্র সৃষ্টির ভিতর আল্লাহর নিকট অধিকতর প্রিয় সেই ব্যক্তি, যে তার নিজের পরিবারের প্রতি দয়ালু।
–আল-হাদিস
৬৫. বুঝে পড়ে দেখিলাম করি তালিকা
সবচেয়ে সুমধুর ছোট শ্যালিকা।
–গোলাম মোস্তফা
৬৬. প্রত্যেকটি মানুষই এই সংসারে অভিশাপ নিয়ে জন্মায়। কিসের অভিশাপ? যা যে হতে চায় না তাই তাকে হতে হয়, যা সে হতে চায় তা সে কোনদিনই হতে পারে না।
নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
১৫. পরিবার-পরিজন
১. প্রকৃতির প্রথম ও প্রধান আইন হচ্ছে মাতাপিতাকে মান্য করা।
জ্যাকুইল মিলার
২. সংগ্রামী পিতামাতাকে শ্রদ্ধা করতে শেখো।
–টমাস গোল্ড
৩. কথায়বার্তায় যে অন্তরঙ্গ হতে পারে, সে-ই বেশি আপন হয়।
–টমাস কেন
৪. বন্ধু কী? দুটি দেহের মধ্যে অভিন্ন একটি হৃদয়।
–অজ্ঞাত
৫. মোটা পণ লালসায় মন ভরো না।
শালী যেথা নেই সেথা বিয়ে করো না।
গোলাম মোস্তফা
৬. যে-স্ত্রী স্বামীর অবাধ্য আচরণ করে, স্বামী হইতে বিচ্ছিন্ন হইবার জন্য ইচ্ছা করে, সে একজন শঠ।
–আল-হাদিস
৭. স্ত্রীর কাছে কেউ ভদ্র হতে পারে না।
হাবিবুল্লাহ্
৮. বউ আট আনা শালী সাত আনা
শালা আছে যতসব আধ আনা।
এক এক পাই শ্বশুর-শাশুড়ি
যত আছে বুড়ি সব কানাকড়ি
জামায়ের প্রেমে বিভাগ এই।
–পরশুরাম
৯. স্ত্রীর কাছে মানুষ খাটো হতে চায় না।
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
১০. নতুন প্রেমে নতুন বধূ
আগাগোড়া কেবল মধূ,
পুরাতন অম্ল-মধুর
একটুকু ঝাঁঝালো।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১১. লোকে ভুলে যায় দাম্পত্যটা একটা আর্ট, প্রতিদিন ওকে নূতন করে সৃষ্টি করা চাই।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১২. জন্মদাতা ও জন্মদাত্রী হওয়া সহজ, কিন্তু পিতা-মাতা হওয়া কঠিন। উইলিস্কি ১৩. মা সকল ক্ষেত্রে সকল পরিবেশেই মা।
লেডি বার্নার্ড
১৪. যে গৃহে মা নেই, স্নেহের শীতল হাতের স্পর্শ সেই গৃহে নেই।
–জন অস্টিন
১৫. পুত্রের কাছে পিতার গৌরবের চেয়ে অথবা পিতার কাছে পুত্রের সম্মানজনক চরিত্রের চেয়ে বড় অলঙ্কার আর কী থাকতে পারে?
সফোক্লেস
১৬. একটি ছেলে আসিয়া মাকে পৃথিবীর সকল ছেলের মা করিয়া দেয়।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৭. মা নাহি ঘরেতে যার, ছেলে কোলে নাই যার
যত কিছু সব তার মিছে।
–গিরীন্দ্রমোহিনী দাস
১৮. স্বামী-স্ত্রী, সন্তান-সন্ততি, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব এবং সজ্জন প্রতিবেশীই মানুষের প্রকৃত আপনজন।
সমরেশ বসু
১৯. সব মানুষের মধ্যে আদমই একমাত্র সবচেয়ে সুখী মানব ছিলেন, কেননা তাঁর কোনো শাশুড়ি ছিল না।
–পল পারফেইট
২০. শাশুড়িরা ভুলে যায় যে, তারা এককালে বধূ ছিল, তাদের মেয়েরা কোনো-না কোনো ঘরের গৃহবধূ।
–মালেকা বেগম
২১. মায়ের চোখে আকাশের চাঁদ আর তাঁর কোলের চাদে কোন তফাত নেই।
–আবুল ফজল
২২. তোমার হাত পা এবং তোমার সন্তানই জীবনের দুর্যোগময় মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি আপন।
–জর্জ মেরিডিথ
২৩. নহ প্রৌঢ়া, নহ বৃদ্ধা, নহ শিশু
নহ নাবলিকা
হে তরুণী রূপসী শ্যালিকা
ওষ্ঠে যবে আলতা দিয়া ভালে পর
খয়েরের টিপ,
চাহিয়া তোমার পানে বুক মোর
করে ঢিপ ঢিপ্
মনে হয় কেন আমি হলাম না
দিল্লীর বাদশাহ
অথবা কুলীন পুত্র, গুষ্টি সুদ্ধ
করিয়া বিবাহ
জীবন নির্বাহ
করিতাম মহানন্দে
কুসুমে কুসুমে পরিমল চুমে…
–শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
২৪. অবিবাহিত মানুষের মূল্য এতটুকু কখনোই নহে, যতটুকু বিবাহিত দম্পতির মিলনের মধ্যে পাওয়া যায়। অবিবাহিত জীবন একটি অসম্পূর্ণ জীবন এবং এই জীবনকে কাঁচির দুটি অংশের মধ্যে শুধু একটি অংশের সাথে তুলনা করা চলে।
–ফ্রাংকলিন
২৫. জ্ঞানী পুত্র বানিয়ে তোলে একজন সুখী পিতা, বোকা ছেলে হয়ে থাকে মাতার যন্ত্রণা।
বাইবেল
২৬. কোনো কোনো ছেলে একেবারে তাদের বাবার মতো। বেশিরভাগই তারা বাজে; হাতে গোনা কয়েকজন মাত্র ভালো।
–হোমার
২৭. স্ত্রী যত মহৎ হবে, স্বামীর মনের কলুষতা তত কমবে।
কুইন ক্রিস্টিনা
২৮. সন্তানের শুভাশুভ সমস্ত পিতার উপর নির্ভর করিতেছে, এইজন্য স্বভাবতই পিতার স্নেহের সহিত শাসন আছে এবং পুত্রের ভক্তির সহিত ভয় আছে; পদে পদে কঠোর কর্তব্যপথে সন্তানকে নিয়োগ করিবার জন্য পিতার আদেশ করিতে হয় এবং পুত্রের তাহা পালন করিতে হয়। এইজন্য পিতাপুত্রের মধ্যে আচরণের শৈথিল্য শোভা পায়
