দাউদ হায়দার
১৫৩. শক্তিসাধনা ছেড়ে দিয়েছি, শক্তিও আমাকে ছেড়ে দিয়েছেন, প্রেমের সাধনা করি। কিন্তু যেখানে শক্তি নেই সেখানে প্রেমও থাকে না, সংকীর্ণতা ক্ষুদ্রতা আসে; ক্ষুদ্র সংকীর্ণ মনে প্রেমের স্থান নেই।
–অরবিন্দ
১৫৪. রাত ফুরোলেই মাতাল চেতনা ফিরে পায়, কিন্তু প্রেমের নেশা প্রাণ থাকতে কাটে না।
–শেখ সাদি
১৫৫. কিছু-কিছু গোপনীয়তা রক্ষা না করলে কোনো বন্ধুত্বই অটুট থাকে না।
–ডব্লিউ এস ল্যান্ডার
১৫৬. মিলনে আছিল বাধা
শুধু এক ঠাঁই, বিরহে টুটিয়া বাধা।
আজি বিশ্বময় ব্যাপ্ত হয়ে গেছ প্রিয়ে,
তোমরে দেখিতে পাই
সর্বত্র চাহিয়ে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৫৭. নারী জাতি যুক্তি বোঝে না, ওরা সর্বক্ষেত্রে কেঁদে জিততে চায়।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৫৮. এ যে সখি হৃদয়ের প্রেম
সুখ-দুঃখ বেদনার আদি অন্ত নাহি কর
চির দৈন্য চির পূর্ণ হেম
নব নব ব্যাকুলতা জাগে দিবারাত
তাই আমি না পারি বুঝিতে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৫৯. রূপ লাগি আঁখি ঝুরে গুণে মন ভোর
প্রতি অঙ্গ লাগি কান্দে প্রতি অঙ্গ মোর।
হিয়ার পরশ লাগি হিয়া মোর কান্দে
পরান পুতুলি মোর স্থির নাহি বান্ধে।
জ্ঞানদাস
১৬০. আমার তৃষ্ণা, তোমার সুধা,
তোমার তৃপ্তি, আমার ক্ষুধা।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৬১. সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু
অনলে পুড়িয়া গেল।
অমিয় সাগরে সিনান করিতে
সকলি গরল ভেল।
জ্ঞানদাস
১৬২. আমরা দুজনে ভাসিয়া এসেছি যুগল
প্রেমের স্রোতে
অনাদিকালের হৃদয় উৎস হতে।
আমরা দুজনে করিয়াছি খেলা
কোটি প্রেমিকের মাঝে
বিরহ মধুর নয়ন সলিলে
বিমল মধুর লাজে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৬৩. হৃদয়টা মশালের মতো নয়, যা দিয়ে তুমি সকল মানুষের মন আলোকিত করবে।
–ওসেমফোর্ড
১৬৪. প্রেমের আকাক্ষা আনন্দ, জীবনের আকাঙ্ক্ষা শান্তি আর আত্মার আকাঙ্ক্ষা স্বর্গ।
–উইলিয়াম শার্প
১৬৫. প্রেম প্রাণের মতোই, একবার গেলে আর আসে না।
সন্তোষকুমার ঘোষ
১৬৬. স্ত্রী অথবা মা হিসেবে অল্পবয়স্কা একজন তরুণী কোনোটাতেই ভালো নয়।
–জন অ্যাডামস
১৬৭. যে প্রেম সম্মুখ পানে
চলিতে চালাতে নাহি জানে,
যে প্রেম পথের মধ্যে পেতে ছিল
নিজ সিংহাসন।
তার বিলাপের সম্ভাষণ
পথের ধুলার মতো জড়ায়ে
ধরেছে তব পায়ে………..।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৬৮. সব মেয়ের কাছে সব পুরুষ ছেলেমানুষ, যাদের তারা ভালবাসে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৬৯. তোমার হৃদয়ের যতটা আমাকে দিতে পার, তার বেশি তো আমি চাইতে পারি না।
ফিওদর দস্তয়েভস্কি
১৭০. চাওয়াই হচ্ছে পাওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত।
বুদ্ধদেব বসু
১৭১. দুনিয়ায় লক্ষ-কোটি মানুষ, কিন্তু ভালোবাসার মানুষ একটি, দুটি।
মনোজ বসু
১৭২. সেইসব মেয়েরাই ভাগ্যবতী, যাদের একজন বাল্যপ্রেমিক থাকে, কিন্তু তার সঙ্গে বিয়ে হয় না, বিয়ে হয় একজন বেশ স্বাস্থ্যবান, সচ্ছল, নির্ভরযোগ্য মানুষের সঙ্গে, তারপর বাকি জীবন সেই বাল্যপ্রেমিকটির সঙ্গে কাছাকাছি বা দূরত্বের মধুর সম্মান থেকে যায়।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
১৭৩. সে চুম্বন, আলিঙ্গন, প্রেম-সম্ভাষণ,
অতৃপ্ত হৃদয় মূলে
ভীষণ ঝটিকা তুলে,
উন্মত্ততা, মাদকতা ভরা অনুক্ষণ,
মনে কি পড়ে গো সেই প্রথম চুম্বন।
কায়কোবাদ
১৭৪. আমাকে চুমো খেলে
দেহর স্বাদ পেলে,
নরম লাল ঠোঁটে
কি কথা কেঁপে ওঠে।
–ওমর আলী
১৭৫. মিলন হইতে দেবী বরঞ্চ বিরহ ভাল,
দেখিব বলিয়া আশা থাকে চিরকাল।
–গোবিন্দচন্দ্র দাস
১৭৬. গোপনে চুমো খাওয়াই সবচেয়ে মিষ্টি।
–লেইফ হান্ট
১৭৭. একজন মেয়ের পক্ষে অবশ্যই বিয়ে করা উচিত প্রেমের জন্য। এবং যতদিন সে সেই প্রেম না পায় ততদিন তার একের পর এক বিয়ে করে যাওয়া উচিত।
সা সা গ্যাবর
১৭৮. কোনো মেয়ের কাছে প্রেম করার অর্থ হচ্ছে পুরুষকে এটি আবিষ্কার করতে সাহায্য করা যে, সে তাকে (মেয়েটিকে) বিয়ে করতে যাচ্ছে।
চার্লিন মিল্টন
১৭৯. আমি মনে করি, প্রেমের জন্য রহস্যময়তা, গোপনীয়তা ও নৈঃশব্দের প্রয়োজন রয়েছে।
–ব্রিজিত বার্দোত
১৮০. শ্বেত মিথ্যারা লাল গোলাপের মতো : রোমাঞ্চের জন্য দুটোই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
–সোফিয়া লোরেন
১৮১. প্রেম হল অন্ধ। প্রেমিকরা তাদের প্রিয়জনের দোষগুলো দেখতে পায় না, অথচ তারা নিজেরাই এমন দোষ করে থাকে।
১৮২. তোমার প্রেম যে বইতে পারি
এমন সাধ্য নাই।
এ সংসারে তোমার আমার
মাঝখানেতে তাই।
কৃপা করে রেখেছে নাথ
অনেক ব্যবধান
দুঃখ সুখের অনেক বেড়া
ধন জন মান।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৮৩. ভালোবাসাটা হচ্ছে একধরনের প্রতিজ্ঞা।
–কৃষণ চন্দর
১৮৪. পুরুষেরা সর্বদাই চায় নারীর প্রেমাস্পদ হতে আর নারী হতে চায় পুরুষের শেষ প্রণয়িনী।
–অস্কার ওয়াইল্ড
১৮৫নারী তাকে ভালোবাসার জন্য পুরুষকে ঘৃণা করে, যদি-না সে তার ভালোবাসা ফিরিয়ে দিতে পারে।
–এলিজাবেথ স্টান্ডার্ড
১৮৬. নারীরা সুন্দরী, লাবণ্যময়ী বা বুদ্ধিমতী কিংবা উচ্চবংশীয়, এ-সমস্ত কারণে নয়–নারীরা নারী বলেই ভালোবাসা পেতে চায়।
হেনরি ফ্রেডারিক আমিয়েল
১৮৭. নারীর সাহচর্যে পুরুষেরা চিন্তাশীলতা ও সচেতনতায় নবসমাজের নির্মাণে সুদৃঢ় হতে পারে।
–লেনিন
১৮৮. ভগবানের এই এক আশ্চর্য আর নিষ্ঠুর বিধান যে আমাদের মন, বা আত্মা বা যাই হোক না, যে চায় আকাশ, অসীম অমৃত ইত্যাদি অনেক কিছু–সেই মন যখন ভালোবাসে তখন তার যন্ত্র হিসেবে, ভাষা হিসেবে, উপায় হিসেবে বেছে নেয় এই শরীরটাকেই, এই ছোট নোংরা বুড়ো হওয়া ঘেন্নায় ভরা শরীরটা।
