–মাইকেল মধুসূদন দত্ত
২১. হয় বাঁচো, না হয় মরে যাও হও ডুবে যাও, না হয় সঁতার কাটো।
–জর্জ পেল
২২. তুমি যতদিন বাঁচ-না কেন, ভালোভাবে বাঁচার পথ তোমাকেই জানতে হবে।
–উইলিয়াম মরিস
২৩. মরিতে না হইলে বাচিয়া থাকিবার কোনো মর্যাদাই থাকিত না।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২৪. যদি মৃত্যু না থাকিত, জগতের যেখানকার যাহা তাহা চিরকাল সেখানেই যদি অবিকৃতভাবে দাঁড়াইয়া থাকিত, তবে জগন্টা একটা চিরস্থায়ী সমাধি মন্দিরের মতো অত্যন্ত সঙ্কীর্ণ, অত্যন্ত কঠিন, অত্যন্ত বদ্ধ হইয়া রহিত। …….. মৃত্যুর অভাবে কোনো বিষয়ে কোথাও দাঁড়ি দিবার জো থাকিত না।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২৫. আমার জীবনের যেখানে নিশ্চয়তা নেই, তখন কী নিয়ে অহংকার করব।
–আর্থার গুইটারম্যান
২৬. মৃত্যুকে যে এড়িয়ে চলে মৃত্যু তারেই টানে,
মৃত্যু যারা বুক পেতে লয় বাঁচতে তারাই জানে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২৮. মৃত্যুহীনদের কাছেই একমাত্র মহান মৃত্যু আসে।
–জোসেফ হল
২৯. ফুলের ছোট্ট জীবন–অথচ কী মহিমাময়!
–জন ডুইট
৩০. ফুলের জীবন স্বল্প সময়ের, অথচ কতো মহিমাময়।
লরেন্স হোপ
৩১. মরে যাওয়াটাই শেষ কথা নয়–তার পরেও বেঁচে থাকা চাই।
–এইচ. জি. ভন
৩২. পৃথিবীতে কিছু লোক বেঁচে থাকে, আর বেশির ভাগ বেঁচে থাকার চেষ্টা করে।
মিন্টু ব্রন সটন
৩৩. মৃত্যু দিয়ে যে প্রাণের
মূল্য দিতে হয়
সে প্রাণ অমৃত লোক
মৃত্যু করে জয়।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩৪. মৃত্যুর জন্য নির্ধারিত সময়ের অব্যর্থতা সম্পর্কে সঠিক ধারণায় পৌঁছতে পারলে মানুষের নিকট সকল আশাই দুরাশায় পরিণত হত।
–হযরত আলি (রা.)
৩৫. মৃত্যুর জন্য সদা প্রস্তুত থাকবে। মৃত্যুর দূত তোমার ঘরের কাছে দাঁড়াইয়া আছে। তাহার ডাক দিবার পর আর প্রস্তুত হইবার অবসর পাইবে না।
–হযরত আলি (রা.)
৩৬. মানুষ মৃত্যুকে ঘৃণা করে। কিন্তু মৃত্যুই পারে তার সব জ্বালা-যন্ত্রণার অবসান ঘটাতে।
ওমর খৈয়াম
৩৭. তাঁহাদের তোমরা মৃত বলিও না, যাহারা আল্লাহর পথে শহীদ হইয়াছেন। তাঁহারা জীবিতই রহিয়াছেন–তোমরা শুধু তাহা বুঝিতে পারিতেছ না। –আল-কোরআন
৩৮. তবু মরিতে হবে এও সত্যি জানি
মোর বাণী
একদিন এ বাতাসে ফুটিবে না,
মোর আঁখি এ আলোকে লুটিবে না,
মোর হিয়া ছুটিবে না।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩৯. মৃত্যু, তবু মৃত্যু নয়। নিল যারা শহীদ শপথ,
মৃত্যু বিভীষিকা মাঝে পেল যারা প্রাণের সঞ্চয়।
ফররুখ আহমদ
৪০. প্রাণ দিবার শক্তি তাহাদের ছিল, লজ্জায় হোক, ধর্মোৎসাহে হোক, প্রাণ তাহারা দিয়াছিলেন। বাংলার সেই প্রাণ বিসর্জনপরায়ণা পিতামহীকে আজ আমরা প্রণাম করি। তুমি যেমন দিবাবসানে সংসারের কাজ শেষ করিয়া নিঃশব্দে পতির পালঙ্কে আরোহণ করিতে, দাম্পত্য লীলার অবসান দিনে সংসারের কার্যক্ষেত্র হইতে বিদায় লইয়া তুমি তেমনি সহজে বধূবেশে সংসারে মঙ্গল সিন্দুর পরিয়া পতির চিতায় আরোহণ করিয়াছ, মৃত্যুকে তুমি সুন্দর করিয়াছ, শুভ করিয়াছ, পবিত্র করিয়াছ, চিত্তকে তুমি বিবাহশয্যার ন্যায় আনন্দময় করিয়াছ, কল্যাণময় করিয়াছ।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৪১. না ফুরাতে আশা ভাষা; না মিটিতে ক্ষুধা
না ফুরাতে ধরণীর মৃৎ-পাত্রসুধা,
না পুরিতে জীবনের সকল আস্বাদ–
মধ্যাহ্নে আসিল দূত! যত তৃষ্ণা সাধ
কাঁদিল আঁকড়ি ধরা যেতে নাহি চায়।
ছেড়ে যেতে যেন সব স্নায়ু ছিঁড়ে যায়!
ধরার নাড়ীতে পড়ে টান! তরুলতা
জলবায়ু মাটি সব কয় যেন কথা।
যেয়োনাক যেয়োনাক যেন সবে বলে–
কাজী নজরুল ইসলাম
৪২. তরুণরা বারবার করে মৃত্যুবরণ করতে পারে, বৃদ্ধেরা একবারই মরে।
জন রে
৪৩. তুমি পাশে আসি বসো অচপল
ওগো অতি মৃদুগতি চরণ।
আমি বুঝি না যে কী কথা কও,
ওগো মরণ হে মোর মরণ।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৪৪. সাহস নিয়ে বেঁচে থাকো, না হলে মরে যাও।
মেরিডিথ
৪৫. যতদিন বাঁচব ততদিন অন্যের চোখে সুন্দর হয়ে বাঁচব।
রবার্ট বার্নস
৪৬. সুন্দরভাবে বেঁচে থাকা একটা আর্ট, যার জন্য সাধনার প্রয়োজন হয়।
জন ম্যাকি
৪৭. সেতো সেদিনের কথা বাক্যহীন যবে
এসেছিনু প্রবাসীর মতো এই ভবে
বিনা কোনো পরিচয়, রিক্ত, শূন্য হাতে,
একমাত্র ক্রন্দন সম্বল লয়ে হাতে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৪৮. সমাধিই যেন মানুষের প্রকৃত আশ্রয়স্থল। যেখানে যাবার জন্য মানুষকে জন্মের পর থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হয়।
–বি. এফ, ওয়েস্টম্যান
৪৯. জীবনটা নিজের হলেও এ-জীবন নষ্ট করার অধিকার কারও নেই। আত্মহত্যা নীতির চোখে অন্যায়, আইনের চোখে অপরাধ। আত্মহত্যা ব্যক্তি পরিবার গোষ্ঠী তথা সমাজে বিশৃঙ্খলা এনে দেয়।
সুনীলকুমার নাগ
৫০. আত্মহত্যাই জীবনের সবচেয়ে বড় কাপুরুষতার পরিচয়।
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
৫১. নতুন জন্মদিনে
পুরাতন অন্তরেতে
নতুন লও চিনে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৫২. মনরে মনে কর শেষের সেদিন ভয়ংকর
অন্যে কথা কইবে কিন্তু তুমি রৈবে নিরুত্তর।
রামমোহন রায়
৫৩. একদিন হবে যদি অবশ্য মরণ,
এত দম্ভ অহংকার কর কি কারণ।
এই যে মানব দেহ,
যারে এত কর স্নেহ
ভস্মসার তার মস্তক চরণ।
রামমোহন রায়
৫৪. মৃত্যু আর এক জীবন, সম্মানের সাথে আমরা তার নিকট মাথা নত করি।
আলেকজান্ডার
৫৫. যে সবসমসয় মৃত্যুর কথা ভাবে, জীবনের প্রতি মমত্ববোধ তার জন্মে না।
