–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১১৫. খোদাতা’আলায় সম্পূর্ণরূপে আপনাকে অর্পণ করা, সেই মহাসম্রাটের দরবার হইতে যাহা কিছু আসে, ফুলুমনে তাহাই গ্রহণ করা–তাঁহারই ইচ্ছা–সিন্ধু নীরে আপন ইচ্ছাম্বুদ মিশাইয়া দেওয়া–ইহাই ইসলাম।
–এয়াকুব আলী চৌধুরী
১১৬. যাকে মান্য করা যায় তার কাছে নত হও।
টেনিস
১১৭. পরলোকে সেই অনন্ত শান্তি-রাজ্যে যদি সত্যসত্যই তোমার বিশ্বাস থাকিত, ধর্ম যদি তোমার নিকট সত্য জিনিস হইত, তবে কি সামান্য দুই হাত জমি লইয়া, একটা আল লইয়া মানুষ হইয়া মানুষের মাথায় লাঠি মারিতে?
শ্রীক্ষিতিনাথ ঘোষ
১১৮. যে কর্ম করে, কৃতকর্মের জন্য সে-ই দায়ী, কিন্তু কর্মের আর একটা দিক চিন্তা করিবার আছে। ব্যক্তিগত কর্ম ব্যতীত পারিবারিক কর্ম এবং জাতীয় কর্মের ফলও মানুষকে ভোগ করিতে হয়।
শ্রীক্ষিতিনাথ ঘোষ
১১৯. যারা আত্মপ্রসংশা করে, খোদা তাদের ঘৃণা করেন। সেন্ট ক্লিমেন্ট ১২০এ জগতে একজন সৎলোকই ঈশ্বরের সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।
পোপ
১২১. সভ্যসমাজে শৃঙ্খলিতভাবে বাস করা, অসভ্যসমাজে স্বাধীনভাবে বাস করার চেয়ে ভালো।
–এডিট কলিন্স
১২২. যে ভদ্র, কথায় সে।
–হযরত আলি (রা.)
১২৩. মনুষ্যত্বকে যারা শ্রদ্ধা করতে শেখে নাই, তাদের স্বাধীনতা পাবার কোনো অধিকার নাই; মনুষ্যত্ব মানবজীবনের উচ্চাঙ্গের ভদ্রতা ছাড়া আর কিছু নয়।
–ড. লুৎফর রহমান
১২৪. একজন উৎকৃষ্ট ভদ্রলোক হতে হলে অনেক জিনিসের প্রয়োজন হয়ে থাকে। কিন্তু সবচেয়ে প্রথমে যে-জিনিসের প্রয়োজন হয় সে হচ্ছে নাপিতের। –গোল্ডস্মিথ
১২৫. যে সৎ ব্যক্তি অসৎ ব্যক্তির পেছনে ঘোরে, সে সত্যি করুণার পাত্র।
সক্রেটিস
১২৬. সূর্যের যেমন তাপ আছে, তেমনি সৎলোকের মধ্যেও নির্ভীক দীপ্তি আছে।
জন স্টিল
১২৭. পৃথিবীতে সৎলোকের সংখ্যা বড়ই নগণ্য।
–সুইফট
১২৮. যেদেশে অসংখ্য দরিদ্র লোক আছে, তাদের সভ্যজাতি বলে গর্ব করা উচিত নয়।
–জন ডেনহাম
১২৯. অরণ্যে পশু-সহবাসে স্বাধীন বিচরণ করা অপেক্ষা বান্ধবসমাজে শৃঙ্খলিত জীবন-যাপন সহস্র গুণে শ্রেয়।
–শেখ সাদি
১৩০. সমাজ ও সংসারের কাছ থেকে মানুষ অনেক কিছু আশা করে। সমাজব্যবস্থা তেমন হওয়া উচিত যাতে মানুষ তার আশা থেকে বঞ্চিত না হয়। ভিক্টর হুগো
১৩১. তুমি সমাজসেবা নিজ গৃহ থেকে শুরু করো, তা হলে সামগ্রিকভাবে দেশের কল্যাণ আসবে।
রিচার্ড গ্রেড
১৩২. যে-ব্যক্তি সমাজের অন্তর্ভুক্ত নয়, হয় সে দেবতা–নয়তো পশু।
–অ্যারিস্টটল
১৩৩. আমি একজন লর্ড তৈরি করতে পারি; কিন্তু বিধাতাই একজন ভদ্রলোক তৈরি করতে পারেন।
–জন সেলডন
১৩৪. একটি সুন্দর মুখের কুৎসিত কথার চেয়ে একটি কুৎসিত মুখের মধুর কথা অধিকতর সুন্দর।
-ইমারসন
১৩৫. ভদ্রতার আর এক নাম সহানুভূতি ও প্রেম। যে-পরিবারে ভদ্রতা নাই, সেই পরিবারের সদস্যরা সাধারণত নিষ্ঠুরহৃদয়, কাণ্ড-জ্ঞানহীন, স্বার্থপর, কটুভাষী ও অসহিষ্ণু।
–ডা. লুৎফর রহমান
১৩৬. ঔদ্ধত্য মানুষের জীবনে দুঃখ আনে।
–টমাস ক্যাম্বেল
১৩৭. চরিত্রবল সৃষ্টি করতে হলে জনসমাজে মেলামেশা করো, কিন্তু যদি প্রতিভার সম্যক প্রস্ফুরণ তোমার কাম্য হয়, তবে সাধনা করো নির্জনে।
–গ্যেটে
১৩৮. কারও ধনসম্পদ নষ্ট হলে কিছুই ক্ষতি হয় না; স্বাস্থ্য নষ্ট হলে কিছুটা ক্ষতি হয়, সময় নষ্ট হলে আরও বেশি ক্ষতি হয়, চরিত্র নষ্ট হলে সবকিছুই নষ্ট হয় আর ক্ষতি হয়।
–অজ্ঞাত
১৩৯. মানুষকে যারা শ্রদ্ধা করতে শেখে নাই তাদের স্বাধীনতা পাবার কোনো অধিকার নেই, মনুষ্যত্ব মানবজীবনের উচ্চাঙ্গের ভদ্রতা ছাড়া আর কিছুই নয়।
–ড. লুৎফর রহমান
১৪০. সমাজের সবচেয়ে বড় আশাই ব্যক্তিগত চরিত্র।
–চ্যানিং
১৪১. জনসাধারণের লজ্জা বা কৃতজ্ঞতা বলে কিছু নেই।
–হেজলিট
১৪২. জনতা সবচেয়ে জ্ঞানী সমালোচকের থেকেও বিজ্ঞ।
ব্যান ক্রোফট
১৪৩. মানুষের অনুধাবন করার মতো সাতটি প্রয়োজনীয় জিনিস আছে। যেমন : (ক) হাড়কিপটেমি করে অগাধ অর্থ লাভ করা যায় না। (খ) সবলকে দুর্বল করার মাধ্যমে দুর্বলকে সবল করা যায় না। (গ) বড় মানুষকে নিচে নামালেই নিচের মানুষকে উপরে তোলা যায় না। (ঘ) মালিকের বিনাশ করে শ্রমিককে ধনী করা সম্ভব নয়। (ঙ) মানুষের উৎসাহ ও স্বাধিকার কেড়ে নিয়ে নিজের চরিত্রের ও সাহসের দ্বিকরণ সম্ভব নয়। (চ) ধনীকে মারলেই গরিব বেঁচে যাবে, এটা ঠিক নয়। (ছ) কাউকে চিরদিন সাহায্য করা সম্ভব নয়, যদি সেই লোক নিজেকে নিজে সাহায্য করে।
–Argonaut পত্রিকার সৌজন্যে
১৪৪. শ্রেষ্ঠ মানুষের তিনটি চিহ্ন থাকে, ধার্মিক হওয়ার দরুন তিনি দুশ্চিন্তামুক্ত, জ্ঞানী হওয়ার জন্য তিনি হতবুদ্ধিতা থেকে মুক্ত এবং সাহসী হওয়ার জন্য তিনি ভয়মুক্ত হয়ে থাকেন।
কনফুসিয়াস
১৪৫. জগত জুড়িয়া এক জাতি আছে,
সে জাতির নাম ‘মানুষ’ জাতি;
এক পৃথিবীর স্তন্যে লালিত
একই রবি-শশী মোদের সাথী।
–সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
১৪৬. একজন ভালো আইনবিদ প্রতিবেশী হিসেবে ভালো নয়।
ফ্রাংকলিন
১৪৭. মৃত্যুর পরে যার জন্য মানুষ মানুষের হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকে, সে হচ্ছে তার ব্যবহার।
–এডওয়ার্ড জন
১৪৮. সংসারে প্রত্যেকের সাথে ভালো ব্যবহার করো; কারণ কখন কার সাহায্য তোমার প্রয়োজন হয়ে পড়বে বলা যায় না।
