–সত্যেন্ত্রনাথ দত্ত
৪৫. জ্ঞান জীবনকে পূর্ণতা দান করে, সুখ জীবনকে দীর্ঘস্থায়ী করে, শুভকর্ম জীবনকে মৃত্যুহীন করে।
–এন. টি. কোলরিজ
৪৬. অকৃতজ্ঞ হচ্ছে অহংকারের অন্যতম সন্তান।
–এস. গার্থ
৪৭. অকৃতজ্ঞ মানুষের মতো অকৃতজ্ঞ জাতিও আছে। যারা তাদের দেশের শ্রেষ্ঠ সূর্য-সন্তানদের সম্মান করে না, তারাই সবচেয়ে নিকৃষ্টতম অকৃতজ্ঞ জাতি।
–আহমদ শরীফ
৪৮. যে নিজেকে অপমানিত হতে দেয় সে অপমানিত হওয়ার যোগ্য।
কোরনেলি
৪৯. একজন মহান ব্যক্তিত্বকে বোঝা যায় ছোট ব্যক্তিদের সঙ্গে তার সার্বক্ষণিক ব্যবহার দেখে।
—ডেল কার্নেগি
৫০. অপমানের প্রতিশোধ নেওয়াটা সহাসের বড়াই নয়, সঙ্গত।
–শরশ্চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৫১. শ্রদ্ধা ও স্নেহের অভিনন্দন মন দিয়ে গ্রহণ করতে হয়, তার জবাব দিতে নেই।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৫২. মানুষ অশান্তি চায় না, আবার মানুষই অশান্তির কারণ।
–আবু জাফর শামসুদ্দীন
৫৩. অসহায়কে অবজ্ঞা করা উচিত নয়। কারণ মানুষমাত্রই জীবনের কোনো-না কোনো সময়ে অসহায়ত্বের শিকার হবে।
–গোল্ডস্মিথ
৫৪. গড়িয়া তুলিতে সংযম দরকার হয়, নষ্ট করিতে অসংযম। ধারণা করিতে সংযম চাই, আর মিথ্যা বুজিতেই অসংযম।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৫৫. সাধারণের মধ্যে অসাধারণ–এ এক অনন্য গুণ।
–দিব্যেন্দু পালিত
৫৬. অহঙ্কারী ব্যক্তিমাত্রই ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি।
–লর্ড হেলিফক্স
৫৭. অহঙ্কার থেকেই বেশির ভাগ অনিষ্টের সৃষ্টি হয়।
–টি. এ. কেম্পিস
৫৮. অহঙ্কার পতনের মূল।
প্রবাদ
৫৯. অহঙ্কার এবং দারিদ্র্য পাশাপাশি বাস করতেই পছন্দ করে।
–লর্ড হ্যালিফক্স
৬০. আমি স্বপ্নবিলাসী নহি। আমি নিজেকে একজন কুশলকর্মা আশীর্বাদী বলিয়া দাবি করি। অহিংসা কেবল ঋষি ও মুনিগণের ধর্ম নহে, ইহা সাধারণ মানুষের ধর্ম। বলপ্রয়োগ পশুর ধর্ম, মানুষের ধর্ম অহিংসা। পশুর মধ্যে আত্মিক শক্তি নিদ্রিত। সে বাহুবল ছাড়া আর কিছু বুঝে না; কিন্তু মানুষের মর্যাদা তাহাকে উচ্চতর নীতি ও আত্মিক শক্তি গ্রহণ করিতে প্রেরণা দেয়।
মহাত্মা গান্ধী
৬১. আমি বুঝতে শিখেছি যে, কেউ আর কারও কথা ভাবে না। সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে। প্রাতঃরাশের আগে, প্রাতঃরাশের পরে, এমনকি মাঝরাতেও তারা নিজেদের কথাই ভাবে। নিজেদের মথায় যন্ত্রণা হলে তারা যতখানি ব্যস্ত হয়, আপনার মৃত্যুসংবাদও তাদের অতটা বিচলিত করতে পারে না।
—ডেল কার্নেগি
৬২. আত্মকেন্দ্রিক লোক দ্বারা সমাজের কোনো উপকার হয় না।
জর্জ ব্রো
৬৩. যার আত্মমর্যাদা বোধ নেই, সে পদে-পদে মাথা হেঁট করে চলতে পারে।
–ড. আহমদ শরীফ
৬৪. আদর্শ হচ্ছে এমন এক প্রহরী যা মানুষকে সৎ পথে চলতে শেখায়।
স্পেন্সর
৬৫. যে আদর্শ যথার্থ মহান তাহা কেবল কাল বিশেষ বা অবস্থা বিশেষের উপযোগী নহে। তাহা মনুষ্যকে মুনষ্যত্ব দান করে, সে মানুষ সকল কালে সকল অবস্থাতেই আপন শ্রেষ্ঠতা রাখিতে পারে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৬৬. মানুষ সবসময় সর্বাবস্থায় আমিকে খোঁজে। আমি কে, আমি কী, আমি কোথায়? এই আমিত্ব নিয়েই মানুষের জীবনসাধনা। যেখানে আমি নেই, যেখানে আমি স্বার্থ নেই, সেখানে মানুষমাত্রই নির্বিকার। সবকিছু তছনছ হয়ে গেলেও সেখানে মানুষ আগ্রহ প্রকাশকে অকারণ বলে মনে করে চরম উপেক্ষা দেখায়।
–ডেল কার্নেগি
৬৭. আমি আছি তো সব আছে। যেখানে আমি নেই সেখানে কিছুই নেই। মানুষমাত্রই এমন স্বার্থান্ধ।
সৈয়দ মুজতবা আলী
৬৮. একথা চিন্তা করে বার মিলিয়ন নিগ্রো অধিবাসীর লজ্জিত হওয়ার কোনো হেতু নেই যে, তারা ক্রীতদাসের বংশধর। ক্রীতদাস হওয়ার মধ্যে কোনো অগৌরব নেই, অগৌরব রয়েছে ক্রীতদাসের মালিক হওয়ায়।
মহাত্মা গান্ধী
৬৯. নিগ্রোদের সঙ্গে আমাদের গায়ের রঙ যে এক নয় তা নিশ্চিত সত্য। হয়তো আরও বহু কিছুতেই তারা এক নয়, কিন্তু সাদা-কালো নির্বিশেষে অন্যসব মানুষের মতো তাদেরও রুটিরুজির সংস্থানের অধিকার রয়েছে।
আব্রাহাম লিঙ্কন
৭০. যার বুদ্ধি নেই, তার থেকে কৃতজ্ঞতা আশা কোরো না।
–হযরত আলি (রা.)
৭১. মানুষকে বিশ্বাস করো, তারা তোমার প্রতি সৎ হবে, তাদের প্রতি মহৎ আচরণ করো, তারা তোমার প্রতি মহত্ত্ব দেখাবে।
–ইমারসন
৭২. দেশ বা জাতি, ধর্ম বা সম্প্রদায় মানুষের জন্য যত বড় সম্পদই হোক না কেন, মনুষ্যত্ব বা মানবধর্ম তার চেয়ে অনেক বড়, বহু উর্ধ্বে তার স্থান।
–আবুল ফজল
৭৩. মানুষ মানুষের অসহায়ত্বের কথা ভাববে, মানুষ মানুষের দুরবস্থায় চিন্তিত হবে, মানুষ মানুষের পরাজয়ে বেদনা বোধ করবে, মানুষ মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করবে, মানুষ মানুষের সুখের পথ বাতলে দেবে–এটাইতো মানবতা। এটাইতো মানবতন্ত্র।
মুস্তাফা নূরউল ইসলাম
৭৪. মানুষই মানুষের ভবিষ্যৎ। মানুষের বিকাশই মানুষের অস্তিত্ব। মানুষ তার নিজের অস্তিত্বের জন্য দায়ী। স্বীয় কর্মকাণ্ডের যোগফল ব্যতীত সে আর কিছু নয়।
–জাঁ পল সার্ত্র
৭৫. পরিপূর্ণ মনুষ্যত্ব সতীত্বের চেয়ে বড়।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৭৬. মানুষ পঙ্কিলতা বা সৌন্দর্য যার মধ্যেই জন্মগ্রহণ করুক না কেন, সে মানুষই।
স্যার জন ডেভিস
৭৭. মানুষকেই বিদ্রোহ করতে হয়–কখনো নিজের জন্য, কখনো পরের জন্য।
–বার্নস
৭৮. আমরা যা করতে পারি তার তুলনায় কিছুই করা হয়ে ওঠেনি। বলা যায় আমরা অর্ধেক জেগে আছি মাত্র। আমাদের দৈহিক ও মানসিক ক্ষমতার সামান্য এক অংশকে আমরা কাজে লাগাতে পারি। মানুষের মধ্যে প্রবল প্রচণ্ড এক শক্তি ঘুমিয়ে আছে, কিন্তু সহজে জাগে না।
