–নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
৫৮. একটা দিন চলে যাওয়া মানে জীবন থেকে একটা দিন ঝরে যাওয়া।
–রবার্ট ব্রাউনিং
৫৯. আগে সময় সম্বন্ধে সচেতন হও, তারপর কাজ করো।
–সিন্ডেলা
৬০. সময় যে-কোনো অবস্থার সম্মুখীন হয়, সময়ই বিগত ইতিহাস ঐতিহ্য ধারণ করে আগামী সময়কে সুন্দর করে।
হেনরি বার্গসন
৬১. মুহূর্ত বিলম্ব না করে জীবন শুরু করুন এবং প্রত্যেকটি দিনকে গণ্য করুন এক-একটি পৃথক জীবনসত্তারূপে।
–সেনেকা
৬২. সময়ের সমুদ্রে আছি, কিন্তু এক মুহূর্ত সময় নেই।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৬৩. জীবনে কিছু সময় হাসার জন্য, কিছু সময় গান করার জন্য এবং কিছু সময় প্রিয়জনকে ভালোবাসার জন্য রেখে দাও।
–ফিলিপ মাসটন
৬৪. আজি হতে শতবর্ষ আগে
হে কবি, স্মরণ তুমি করেছিলে আমাদের
শত অনুরাগে
আজি হতে শতবর্ষ আগে।
কাজী নজরুল ইসলাম
৬৫. স্মৃতির রোমন্থন অনেকটা চলচ্চিত্রের মতো, অন্ধকার না হলে ছবিগুলো স্পষ্ট হয় না।
শংকর
৬৬. জীবন ছোট এবং সময় দ্রুতগতিসম্পন্ন। ফুল ঝরে পড়ে এবং ছায়া শীঘ্রই সরে যায়।
ইলিয়ট
৬৭. পরবর্তী দিন কখনো সুখের হবে না বিগত দিনের চেয়ে।
–মিল্টন
৬৮. শেষ কহে, একদিন সব শেষ হবে
হে আরম্ভ, বৃথা তব অহংকার তবে।
আরম্ভ কহিল, ভাই যেথা শেষ হয়
সেইখানে পুনরায় আরম্ভ-উদয়।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৬৯. আজকার এই নবীন উষা কিছুকাল পরে অতীতের স্বপ্ন বলে মনে হবে। এই অসময়ে তোমার যাত্রা শুরু হোক। নিজেকে বিশ্বাস করো, এই তুচ্ছ দিনগুলি তোমাকে কত সম্পদ দান করে, তা তুমি পরে দেখে নিও। জীবনের দিনগুলি কি অপব্যবহার করা যায়? এই সাধের মানবজন্ম কি আর পাওয়া যাবে? তুমি ইচ্ছা করলে প্রত্যেক দিন হতে মণিরত্ব কুড়িয়ে নিতে পার। অর্থ সঞ্চয় করা আর সময়ের সদ্ব্যবহার করা একই কথা।
–ডা. লুৎফর রহমান
৭০. নিশ্চলের যে ভয়ংকর চলা তাহার রুদ্র বেগ যদি দেখিতে চাও তবে দেখো ওই নক্ষত্রমণ্ডলীর আবর্তনে, দেখো যুগ যুগান্তরের তাণ্ডব নৃত্যে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৭১. প্রেমের মতন আমি শৈশবের স্মৃতি-তীর্থে বেড়ালাম ঘুরে
মনে হল ধন্য যেন অন্তহীন মরু–
প্রিয় যারা তাদের দেখা পেতে যেতে হবে পার হয়ে
বহু বহু দূরে
কেউ তারা ছেড়ে গেছে জীবনের পরপারে কেউ,
কেউ নিয়ে গেছে আরো কোনো জনে বিগত সবাই
পুরাতন পরিচিত মুখ গিয়েছে হারিয়ে।
–চার্লস ল্যাম
৭২. পিছনের অন্ধকার আবরণ তলে
নির্লিপ্ত নির্বাক তুমি বসিয়া বিরলে।
কত ফুল ঝরে গেল, রাজ্য ভাঙাগড়া
কত হলো তব বক্ষে হে অতীত মরা।
–আজিজুল হাকিম
৭৩. প্রতিদিন কোলাহল, প্রতিদিন চিতানল,
প্রতিদিন জগতের উদয় বিলয়।
এই যে অসংখ্য তারা অজর অমর পারা,
এরাও কি বিনাশের বশীভূত নয়?
–বিহারীলাল চক্রবর্তী
৭৪. দুদিনের জন্যই তো আমাদের জীবন, এই সামান্য সময়টুকু আমরা যেন ঘূণ্যতার পায়ে বিকিয়ে না দিই।
–ভলতেয়ার
৭৫. যারা সময়ের সদ্ব্যবহার করে তারাই জীবনে সফলতা লাভ করে। যারা সময়মতো অর্থ সঞ্চয় করে, তারাও কোনোদিন অর্থকষ্টে পড়ে না।
–হযরত আলি (রা.)
৭৬. অর্থসম্পদ হারালে তা ব্যবসায়-বাণিজ্য দ্বারা পূরণ করা যায়, জ্ঞানের অভাব হলে তা অধ্যয়ন দ্বারা লাভ করা যায়, স্বাস্থ্য নষ্ট হলে সংযম বা ওষুধ দ্বারা পুনরুদ্ধার করা যায়; কিন্তু সময়ের সদ্ব্যবহার না করলে তা চিরদিনের জন্যই চলে গেল।
–স্মাইলস
৭৭. বর্তমানের একটি দিন ভবিষ্যতের আগামী দুটি দিনের সমান।
ফ্রাংকলিন
৭৮. ফুরায় যা দেরে ফুরাতে।
ছিন্ন মালার ভ্রষ্ট কুসুম ফিরে যাসনেকো কুড়াতে
বুঝি নাই যাহা, চাই না বুঝিতে,
জুটিল না যাহা, চাই না খুঁজিতে,
পুরিল না যাহা কে রবে বুঝিতে তারি গহ্বর পুরাতে।
যখন যা পাস মিটায়ে নে আশ ফুরাইলে দিস ফুরাতে।
–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৭৯. আহা পাত্র ভরে নাও, পায়ের তলা দিয়ে যে সময় চলে যাচ্ছে! আগামীকালের জন্ম হয়নি এবং গতকাল মৃত। এদের নিয়ে ছটফট করে লাভ নেই, যদি আজকের দিনটি মধুর হয়। এই ভগ্নস্তূপের মধ্যে তো একটি মুহূর্তে জীবনউৎসে সুধাপানের জন্য একটিবারই হাত বাড়াতে পারা যায়। নক্ষত্রগুলি অস্তমিত হয়ে আসছে, নিরর্থক উষার দিকে স্বার্থবহ এগিয়ে চলেছে, তরান্বিত হও।
–ওমর খৈয়াম
৮০. আমি তোমাদের বলছি যে তোমরা মিনিটগুলির খেয়াল রাখো, তা হলেই দেখবে যে ঘণ্টাগুলিও আপনা থেকেই নিজেদের খেয়াল রেখেছে।
চেস্টারফিল্ড
৮১. সময়ে যা সুন্দর, অসময়ে তা আবেদনহীন।
–এঞ্জেলা মরগ্যান
৮২. যা তুমি আজ করতে পার, তা কখনো কালকের জন্য ফেলে রাখবে না।
ফ্রাংকলিন
৮৩. জীবন ছোট এবং সময় দ্রুতগতিসম্পন্ন। ফুল ঝরে পড়ে এবং ছায়া শীঘ্রই সরে যায়।
ইলিয়ট
৮৪. জীবনের প্রতি ঘণ্টা গত হলে সেই ক্ষণের নিরূপিত কর্ম আর হবে না। ঠাণ্ডা লোহার ওপর অসময়ের হাতুড়ির ঘা পড়লে কোনো লাভ নেই।
রাসকিন
৮৫. আমি সর্বদাই আমার কাজে যাওয়ার নির্দিষ্ট সময়ের ১৫ মিনিট আগেই আমার কাজে উপস্থিত হয়েছি এবং এটাই আমাকে সত্যিকারের মানুষ হতে সাহায্য করেছে।
নেলসন
৮৬. বর্তমান বলে কিছু নেই, যে-মুহূর্তে যাকে বর্তমান বলি, সেই মুহূর্তেই তা অতীত হয়ে যায়–অতএব কালের মধ্যে আছে কেবল অতীত ও ভবিষ্যৎ–আর তাদের মধ্যে হাইফেন হয়ে আছে পরিস্থিতিহীন বিন্দুমাত্র বর্তমান, যা থেকেও নেই, যা এক মুহূর্তে থেকে সেই মুহূর্তেই নেই হয়ে যায়, রিক্ত; তাতে কোনো আবর্জনা কলুষ লাগাতে পারে না, তাই পবিত্র।
