• আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি
রবিবার, জুন 7, 2026
  • Login
BnBoi.Com
  • বাংলাদেশী লেখক
    • অতুলচন্দ্র গুপ্ত
    • অভিজিৎ রায়
    • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    • আনিসুল হক
    • আবু ইসহাক
    • আবু রুশদ
    • আবুল আসাদ
    • আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন
    • আবুল বাশার
    • আরজ আলী মাতুব্বর
    • আল মাহমুদ
    • আসাদ চৌধুরী
    • আহমদ ছফা
    • আহমদ শরীফ
    • ইমদাদুল হক মিলন
    • উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    • কাসেম বিন আবুবাকার
    • জসীম উদ্দীন
    • তসলিমা নাসরিন
    • দাউদ হায়দার
    • দীনেশচন্দ্র সেন
    • নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    • নিমাই ভট্টাচার্য
    • প্রফুল্ল রায়
    • প্রমথ চৌধুরী
    • ময়ূখ চৌধুরী
    • মহাদেব সাহা
    • মাহমুদুল হক
    • মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    • হুমায়ূন আহমেদ
  • ইন্ডিয়ান লেখক
    • অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়
    • অতুল সুর
    • অদ্রীশ বর্ধন
    • অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • অনীশ দেব
    • অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • অমিয়ভূষণ মজুমদার
    • আশাপূর্ণা দেবী
    • আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • কাজী নজরুল ইসলাম
    • ক্ষিতিমোহন সেন
    • তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
    • দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    • নারায়ণ সান্যাল
    • নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    • নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    • পাঁচকড়ি দে
    • পূর্ণেন্দু পত্রী
    • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • বিমল মিত্র
    • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    • হেমেন্দ্রকুমার রায়
  • বিভাগসমূহ
    • আত্মজীবনী
    • ইতিহাস
    • উপন্যাস
    • কবিতা
    • কল্পকাহিনী
    • কাব্যগ্রন্থ
    • খেলাধুলার বই
    • গল্পের বই
    • গোয়েন্দা কাহিনী
    • ছোট গল্প
    • জীবনী
    • দর্শন
    • ধর্মীয় বই
    • নাটকের বই
    • প্রবন্ধ
    • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
    • বৈজ্ঞানিক বই
    • ভূতের গল্প
    • মুক্তিযুদ্ধের-বই
    • রহস্যময় গল্পের বই
    • রোমাঞ্চকর গল্প
    • রোম্যান্টিক গল্পের বই
    • শিক্ষামূলক বই
    • সমগ্র
  • সিরিজ বই
    • মিসির আলী সমগ্র
    • হিমু সিরিজ
No Result
View All Result
  • বাংলাদেশী লেখক
    • অতুলচন্দ্র গুপ্ত
    • অভিজিৎ রায়
    • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    • আনিসুল হক
    • আবু ইসহাক
    • আবু রুশদ
    • আবুল আসাদ
    • আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন
    • আবুল বাশার
    • আরজ আলী মাতুব্বর
    • আল মাহমুদ
    • আসাদ চৌধুরী
    • আহমদ ছফা
    • আহমদ শরীফ
    • ইমদাদুল হক মিলন
    • উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    • কাসেম বিন আবুবাকার
    • জসীম উদ্দীন
    • তসলিমা নাসরিন
    • দাউদ হায়দার
    • দীনেশচন্দ্র সেন
    • নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    • নিমাই ভট্টাচার্য
    • প্রফুল্ল রায়
    • প্রমথ চৌধুরী
    • ময়ূখ চৌধুরী
    • মহাদেব সাহা
    • মাহমুদুল হক
    • মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    • হুমায়ূন আহমেদ
  • ইন্ডিয়ান লেখক
    • অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়
    • অতুল সুর
    • অদ্রীশ বর্ধন
    • অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • অনীশ দেব
    • অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • অমিয়ভূষণ মজুমদার
    • আশাপূর্ণা দেবী
    • আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • কাজী নজরুল ইসলাম
    • ক্ষিতিমোহন সেন
    • তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
    • দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    • নারায়ণ সান্যাল
    • নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    • নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    • পাঁচকড়ি দে
    • পূর্ণেন্দু পত্রী
    • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • বিমল মিত্র
    • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    • হেমেন্দ্রকুমার রায়
  • বিভাগসমূহ
    • আত্মজীবনী
    • ইতিহাস
    • উপন্যাস
    • কবিতা
    • কল্পকাহিনী
    • কাব্যগ্রন্থ
    • খেলাধুলার বই
    • গল্পের বই
    • গোয়েন্দা কাহিনী
    • ছোট গল্প
    • জীবনী
    • দর্শন
    • ধর্মীয় বই
    • নাটকের বই
    • প্রবন্ধ
    • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
    • বৈজ্ঞানিক বই
    • ভূতের গল্প
    • মুক্তিযুদ্ধের-বই
    • রহস্যময় গল্পের বই
    • রোমাঞ্চকর গল্প
    • রোম্যান্টিক গল্পের বই
    • শিক্ষামূলক বই
    • সমগ্র
  • সিরিজ বই
    • মিসির আলী সমগ্র
    • হিমু সিরিজ
No Result
View All Result
BnBoi.Com
No Result
View All Result

নেই, কিছু নেই – তসলিমা নাসরিন

Nei Kichu Nei by Taslima Nasrin

হাসপাতাল থেকে জ্বর খানিকটা কমানো হয়েছে কড়া অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে। তোমাকে বাড়ি আনা হল। কিমোথেরাপি শেষ পর্যন্ত বন্ধ করতে হলো। কারণ তোমার শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। তোমার ঘর আগপাশতলা ডেটল দিয়ে পরিষ্কার করে তোমাকে বিছানায় শোয়ালাম। তোমার ধারে কাছে যেন কেউ না আসে সেই ব্যবস্থা করলাম। কারও শরীর থেকে যেন কোনও জীবাণু গিয়ে তোমাকে না আক্রমণ করে। যারা তোমার ঘরে ঢুকতো, নিয়ম করে দিয়েছিলাম ঢুকবে পায়ের জুতো খুলে, হাতপা ধুয়ে। দূরে চেয়ারে বসতে দিতাম তোমাকে দেখার জন্য। বুঝি না কেন আমি তোমাকে সবার থেকে দূরে সরিয়ে রাখছিলাম। কী লাভ, শরীরের ভেতরটাতো তোমার ক্ষয়ে যাচ্ছিল। কটা দিন যেন বেশি বাঁচো? কিন্তু মানুষের স্পর্শ তোমাকে তো আনন্দ দিতে পারতো কিছুটা! স্পর্শের আশ্চর্য এক শক্তি আছে। আমিও আশংকায় তোমাকে স্পর্শ করিনি।

হঠাৎ করেই যেন শয্যাশায়ী হয়ে গেলে মা। অথচ নিউইয়র্ক থেকে ফিরে এসে দিব্যি তো ছিলে, বাজার আসছে, মাছ মাংস আলাদা করছে। কী রান্না হবে তা বলে দিচ্ছ, দেখিয়ে দিচ্ছ। আমি প্রথম প্রথম বলেছিলাম তুমি ঘরে গিয়ে শুয়ে থাকো, এসব আমি দেখছি। কিন্তু তুমি শোনোনি। বাড়ির দেখাশোনার দায়িত্ব তুমি নিলে। এখন বুঝি সেই নেওয়াটা কত প্রয়োজন ছিলো তোমার। তুমি অসুস্থ মানুষের মতো শুয়ে থাকতে চাওনি। শরীরের শেষশক্তি পর্যন্ত তুমি উঠেছো, হেঁটেছে, ব্যস্ত থেকেছে। আমার সংসার তখন তোমার সংসার। তোমার নিজের সংসার তোমার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে তোমার ছেলের বউ, মেয়ের সংসারের দায়িত্ব শুধুনাওনি, মেয়ের টাকা পয়সা বাঁচাবার চেষ্টা করেছে খুব। প্রচুর টাকার বাজার করতে পাঠাতাম কিন্তু তুমি হিসেব করে রান্না করতে বলতে। এই হিসেবটা আমার ভালো লাগতো না। আমি চাইতাম প্রচুর রান্না হোক, বাড়িতে সবাই আমরা, তার ওপরনানি আছে, ঝুনু খালা আসছে, অন্যরাও আসছে। তোমার আত্মীয়রা সবাই আসুক তোমার কাছে, সবাই থাকুক। তোমাকে ঘিরে থাকুক সবাই, তোমাকে যারা ভালোবাসে, অথবা তুমি যাদের ভালোবাসোসবার ভালোবাসা পেয়ে তোমার যেন মন ভরে। শরীরের কষ্টটাকে কেউ তো আমরা দূর করতে পারবোনা। যতদিন বেঁচে আছো, যেন তুমি কোনও দুর্ঘটনা না দেখ, দুঃসংবাদ না শোনো, যেন কোনও কান্নার শব্দ, যেন কোনও হাহাকার, যেন ঝগড়া, যেন হিংসে, যেন কটুকথা না শোনো। শুধু ভরে থাকো হাসিতে আনন্দে। কিন্তু আমার চাওয়ার মতো সবকিছু ঘটে না। তুমি বলোনি কিন্তু বুঝতে পারতাম যে তুমি চাইতে

ঝুনু খালা আসুক এত ঘন ঘন। তুমি এমনকী নানিকেও বারবার বলছো যেন ময়মনসিংহে ফিরে যায়। তোমাকে কোনও প্রশ্ন করিনি। কিন্তু আমার খারাপ লাগতো। আমি লক্ষ করতাম দুপুর বা রাতের খাবারের সময় টেবিলে এসে বসছো। তুমি সবাইকে বেড়ে দিচ্ছ যার যার খাবার। এসবের কী দরকার ছিল! বলেছি, মা, তুমি নিজের খাবার খাও, আমরাই আমাদের খাবার বেড়ে নিতে পারবো। তুমি শোনোনি। যেহেতু আমি চেয়েছিলাম যেমনভাবে ভালো লাগে তেমন ভাবেই চলো। যা করতে ইচ্ছে হয়, তাই যেন করো। তাই তোমার থালায় খাবার বেড়ে দেওয়াকে বন্ধ করতে চাইনি জোর করে। এতে যদি আনন্দ পাও, পাও। নিজে তুমি খেতে না, তোমার খাওয়ার মধ্যে সকালে আধসেদ্ধ ডিম, দুপুরে তরল করে বানানো এক বাটি মুরগির স্যুপ, মাঝে মাঝে আধবাটি মুড়ি। আর কিছু পেটে নিতে তোমার ইচ্ছে করতো না। আমাদের সবার থালায় খাবার বেড়ে দেওয়ার সময় আমি লক্ষ করতাম, তুমি নানির থালায় ছোট এক টুকরো মাছ বা মাংসের টুকরো দিয়েছো, ঝুনু খালা বা ছেলের থালাতেও। আর আমার থালায় বিশাল কিছু একটা দিয়ে বসে আছে। দেখে আমার এত লজ্জা হত যে আমি মাথা নিচু করে খেতাম, মনে মনে ক্ষমা চাইতাম ওদের কাছে। বাড়িতে আরও বেশি রান্না হলেই তোপারে। এতগুলো লোকের কী এত কম রান্নায় হয়! কী হচ্ছে এসব? এসব নিয়ে চেঁচাতে ইচ্ছে হত আমার। কিন্তু তোমার যদি মন খারাপ হয়, তাই মুখ বুজে থাকতাম। আমি যা পছন্দ করি খেতে, তুমি তাই রাঁধতে বলতে। একবার লাটি মাছের ভর্তা করলে। সেও কেবল আমাকেই খাওয়াতে চাইলে। তোমার। চরিত্র, সত্যি বলছি, আমার খুব অচেনা ঠেকেছে। তুমি শুধু দিতেই মানুষকে, যত পারতে ঢেলে দিতে। সেই তুমি কী হয়েছে যে পাল্টেগেছ? নানিকে কেন তুমি চাওনি তোমার সঙ্গে থাকুক? তুমি কি আমার খরচ বাঁচাতে চাইতে? তুমি দেখেছো পনেরো হাজার ডলার আমি আমেরিকা থেকে এনেছি। দশ লাখ টাকারও বেশি। এসেই নতুন একটা রেফ্রিজারেটর কিনেছি, কী দরকার। ছিল কেনার আগের সেই সুন্দর লাল রেফ্রিজারেটরটা তত ছিলোই। কিন্তু তারপরও মা, মনে হয়েছিলো তুমি হয়তো খুশি হবে। আমি যে জাঁকিয়ে বসছি আমার সংসারে তা দেখে তোমার আনন্দ হবে, তোমার এতকালের স্বপ্ন আমাকে ঘরে ফেরানো, সেই স্বপ্ন পূরণের উৎসব কিছু একটা দিয়ে না হয় তোক। কেনার পেছনে আরও একটা উদ্দেশ্য ছিল যে বাড়িতে এখন তোমাকে দেখার জন্য আত্মীয় স্বজন চেনা পরিচিতরা আসবে, আতিথেয়তা ছিল তোমার সবচেয়ে বড় ধর্ম, যে ধর্মটা বাবার সংসারে থেকে তুমি পালন করতে পারোনি, পারোনি তোমার ভাই বোনকে অবকাশে নেমন্তন্ন করতে। তোমার মাকে ভালো ভালো রান্না করে খাওয়াতে পারোনি তোমার কোনও বান্ধবী বা কাউকে বাড়িতে আপ্যায়ন করতে। আজ যেন এই সংসারকে তোমার সংসার মনে করে তুমি যা করতে পারোনি আগে, তা করতে পারার অবাধ স্বাধীনতা ভোগকরো। আমি ডলারগুলো সব তোমার হাতেই তুলে দিয়েছি। অথচ আশ্চর্য, তোমার সেই স্বতঃস্ফূর্ততা আমি দেখছিলাম না। নানিকে কেন তুমি বারবার বলছিলে চলে যেতে, তোমার কি মনে হচ্ছিল নানি আমার টাকার লোভ করছে? না, মা, মোটেও করেনি। নানি সম্পূর্ণই তোমার পাশে থাকতে চেয়েছিলো। আর কোনও উদ্দেশ্য নানির ছিলো না। হাশেম মামাকে কবরে শুইয়ে নানি তোমার কাছে এসেছে, তুমিই ছিলে একমাত্র যেনানিকেনিঃস্বার্থ ভাবে সেবা করেছো, তুমিই ছিলে একমাত্র যে নানিকে প্রাণ দিয়ে ভালোবেসেছো, তোমার তিন মাস বাঁচার খবর তো নানি জানে, নানি কেন ছুটে আসবেনা, জগতের সব ফেলে ঘর বাড়ি সংসার, কেন তোমার কাছে থাকবেনা, মা? তুমি হয়তো ভাবছিলে বাড়িতে হাশেম মামাকে অসুস্থ রেখে নানির তোমার কাছে ছুটে আসা, নিরবধি তোমার সঙ্গে থাকার পেছনে কোনও উদ্দেশ্য আছে, যে উদ্দেশ্যটি খুবমহৎনয়। হাশেম মামার অসুখের চেয়ে তোমার অসুখ কেন নানির কাছে বড় হল, তাই নিয়ে হয়তো নানারকম অংক কষছিলে। হাশেম মামা দুরারোগ্য ক্যানসার রোগে আক্রান্ত। তোমার তো চিকিৎসা হয়েছে, তোমার পাশে তোমার স্বামী পুত্র কন্যা আছে! তোমার অসুখ তো দুরারোগ্য নয়। নানি বরং পাশে থেকে হাশেম মামাকে একটুখানি শরীরের আরাম না দিতে পারুক, মনের আরাম দিক। অথবা তোমার নিজের চেয়ে হাশেম মামাকে তুমি ভালোবাসতে বেশি, তা হাশেম মামার কাছে যেহেতু তুমি যেতে পারছে না, অন্তত নানি যেন পাশে থাকে, তাই চাইছিলে। হাশেম মামা যে আর নেই, সে কথাও তোমাকে বলা যাচ্ছে না। আমি আজও বুঝি না ঝুনু খালাকেও কেন তুমি চাইতে না যে আসুক, বাড়িতে থাকুক। তোমারই তো ছোট বোন, ওকে তো কত ভালোবাসতে তুমি। সম্ভবত ওদের হাত থেকে আমাকে বাঁচাতে চাইতে। কেন ওই কৃপণতাগুলো ছিলো তোমার। তোমার মতো বড় মনের মানুষের ওই ক্ষুদ্রতা দেখে আমি অবাক বনেছিলাম। আমি বুঝে পাচ্ছিলাম না কেন তুমি তোমার আত্মীয় স্বজনকে দূরে সরাতে চাইছো। ওরা এলে, ওরা থাকলে, তোমার অসুখকে দুরারোগ্য কোনও অসুখ বলে মনে হয় বলে? তাই কি তুমি চাইছিলে না কেউ এসে তোমার মাথার কাছে কোরান পড়ে পড়ে ফুঁ দিক, ওসব যেহেতু মৃত্যুপথযাত্রীর জন্যই মানুষ করে! তুমি নিজেকে ভাবতে চাইছিলে তুমি সুস্থ, তোমার অসুখ বিসুখ যা ছিল সব সেরে গেছে। তোমার অসুখটি যে খুব অদুরারোগ্য নয়, তা বিশ্বাস করতে চাইছিলে না? আজও আমি জানি, কী কারণ ছিলো তোমার ওই অসহিষ্ণুতার। নানি শেষ পর্যন্ত চলে যেতে বাধ্য হল, তোমাকে স্বস্তি দিতেই বাধ্য হল। তোমাকে লুকিয়ে আমি পাঁচশ টাকা দিয়েছিলাম নানিকে। মাত্র পাঁচশ, সম্ভবত তুমি চাইছো না বলে অত কম দিয়েছিলাম। আসলে আরও বেশি টাকা নানিকে দেওয়া উচিত ছিল, পথ ঘাটের বিপদ আপদের কথা ভাবা উচিত ছিল আমার। তোমার যে মার জন্য তুমি জীবন দিয়ে দিতে, সেই তোমার মাকে আমাকে লুকিয়ে টাকা দিতে হয়েছে, ভাবতে পারি না। আমার তো তোমাকে বলার কথা যে নানিকে আমি টাকা দিয়েছি। আগে যদি এমন ঘটতো, খুশি তো হতে তুমিই। কিন্তু যেদিন জিজ্ঞেস করলে, নানিকে কোনও টাকা দিয়েছি কি না। আমি না বলেছিলাম। তোমার কিনানির দিকে ঈর্ষা হতো মা? নানির চলে যাওয়ায় আমার বুক ভেঙে যাচ্ছিল। সংসারে নানির মতো এত বুদ্ধিদীপ্ত, এত পরিশ্রমী, এত দৃঢ়চিত্ত দ্বিতীয় কেউ নেই, তোমার প্রতি নানির ভালোবাসাকে, তুমি, নানা কিছু অনুমান করি হয়তো, আজও আমি সঠিক করে জানি না, কেন মূল্য দাওনি। নানিকে আর ঝুনুখালাকে আড়ালে ডেকে তোমার অদ্ভুত নির্লিপ্তি নিয়ে কথা বলেছি। জিজ্ঞেস করেছি তারা আদৌ বুঝতেপারছেকিনা তুমি যা কোনওদিন করোনি, সে তা কেন আজ করছো! ঝুনু খালা জানে না, কিন্তু নানি বললো, সম্ভবত আমাকে আগলে রাখতে চাইছো, আমার জন্য ভয় হচ্ছে তোমার। আমি না আবার অন্যের দুঃখে কষ্টে কাতর হয়ে নিজেকে নিঃস্ব করি। নানির কাছে তোমার হয়ে ক্ষমা চাইলাম আমি। বললাম, মা যত যাই বলুক, এসব নিয়ে নানি যেন একটুও মন খারাপ না করে, যেন ময়মনসিংহেনা ফিরে যায়, যেন বড়মামা বা ফকরুল মামার বাড়িতে কটা দিন থেকে আবার ফিরে আসে। মাকে বলা হবেনানি ময়মনসিংহে গিয়ে সব ঠিকঠাক করে রেখে এসেছে। ঝুনু খালার কাছে ক্ষমা চাইলাম। ঝুনু খালা রিউমাটয়েড আর্থাটাইসে ভুগছে অনেক বছর। শীতের সময় তার হাড়ের জোড়াগুলো সব তালাবন্ধ থাকে। এসময় তুমিইঝুনুখালাকে সাহায্য করতে। আর কেছিল তারপাশে দাঁড়ানোর। তুমিই জীবনভর ছিলে। আর বিশেষ করে ঢাকায় যখন ছিলে, তখন তুমিই ছিলে ঝুনুখালার সবচেয়ে বড় সহায়। তোমার মতো উদার হৃদয় তো ভাইবোনের মধ্যে আর কেউ ছিলো না। কিন্তু সেই তুমি কী করে বুনুখালার অসুখ নিয়ে মোটেও ভাবছিলে না! তোমার ভূমিকাটা আসলে আমিই নিয়েছিলাম। সম্ভবত তুমি চাওনি তোমার ভূমিকায় আমাকে দেখতে। যাবার আগে নানি আমাকে বলেছে, হতে পারে তুমি মায়া কাটাতে চাইছো, চলে যাওয়ার আগে কারও কারও নাকি এমন হয়। মা, বছর খানিক আগে তো নানি মরেই যাচ্ছিল। হাড়ে যক্ষ্মা হয়েছিলো। কোনও ডাক্তার ধরতে পারেনি। নানি বিছানা ছেড়ে উঠতে পারতো না, হাঁটতে পারতো না। কিছু খেতে পারতোনা, কথা বলতে পারতো না। পেচ্ছাবপায়খানায় যেতে পারতো না, সব বিছানায় করতো। তুমি তো তারপাশে থেকে তার পেচ্ছাবপায়খানাপরিষ্কার করতে। সারারাত জেগে জেগে কাটাতে। আর নানির জন্য আকুল হয়ে কাঁদতে। সবাই ভেবেছিলো নানি মারা যাচ্ছে। নানিকে শেষ বিদায় জানিয়ে দিয়েছিলো সবাই। কোথায় কবর দেওয়া হবে তাও ঠিকহয়ে গিয়েছিলো। কাফনের কাপড়ও কেনা হয়ে গিয়েছিলো। সেই নানির যক্ষ্মা রোগ ধরাপড়ার পর যক্ষ্মার দুটো ইনজেকশন পেয়ে প্রায় কবর থেকে উঠে আসার মতো উঠে এলো। সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠলো কদিনের মধ্যেই। তোমার মা তোমার চেয়ে সুস্থ, এ নিয়ে তো তোমার ঈর্ষা হওয়ার কথা নয়। তুমি তো ভীষণ ভালোবাসতে তোমার মাকে। তবে কি এই সত্য যে তোমার নিজের মা, যাকে তুমি প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসতে, সেই মায়ের চেয়েও আমি তোমার বেশি প্রিয়, আমাকে তুমি তার চেয়েও বেশি ভালোবাসো? আমার সামনে তোমার মা, তোমার ভাই বোন, সবাই তুচ্ছ! এ কথা ভাবতে আমার ভালো লাগে না, কিন্তু আমার ওরকমই মনে হয়েছে। ছোটদা বাড়িতে থাকতো না। ছুটি পেয়েও সে তোমার কাছে দুদণ্ড বসতো না। অনেক রাতে মদ খেয়ে বাড়ি ফিরতো। ফিরে আমার লেখার ঘরে বসে আরও মদ খেতো, খেতে খেতে ফোনে মেয়েদের সঙ্গে গল্প করতো। মেয়েরা জানিনা কী কারণে ছোটদাকে এত পছন্দ করে। আমি অবাক হয়ে দেখতাম, এই ছোটদা, তুমি বলেছো, যে, তোমাকে নাকি ভালোবাসে। এই কি ভালোবাসার নমুনা! তবে কি ছোটদা আমার দেশে ফেরায় খুশি হয়নি। এই প্রশ্নটা তোমারও মনে নিশ্চয়ই এসেছিলো। যেদিন সে আমার সঙ্গে বাড়ি ফাটিয়ে চিৎকার করে কথা বললো, যেহেতু বলেছিলাম, ব্যাংকের টাকাগুলো আমি চলে যাওয়ার পর কেন সে আমাকে না বলে সব তুলে নিয়েছে, তখন তুমিও অবাক হয়ে দেখলে ছোটদার ব্যবহার। তোমার জন্য ইয়াসমিন যখন এসেছিলো দেশে, তখন পাঠিয়েছিলাম ওর হাতে অনেক টাকা, যেন অপারেশন খরচ এবং আরও যা খরচ সব মেটানো হয়। আমি এলেও ছোটদা যখন বলেছেআরও বেশি টাকা লাগবে, তার নাকি তোমার জন্য আরও খরচ হয়েছে, যা চেয়েছে, যা দাবি করেছে সব দিয়েছি। দেখতে চাইনি কোনও হাসপাতালের বিল বা কিছু। বাড়ির চার বছরের ইলেকট্রিসিটি বিল, ফোন বিল সব মিটিয়ে দিয়েছি এসে। একটা মোবাইল ফোন নিয়েছি, তার জন্য যা চেয়েছে, ইন্টারন্যাশনাল লাইনের জন্য ডিপোজিট, সব দিয়েছি। টাকা টাকা টাকা। ছোটদা শুধু একটা জিনিসই চেনে। দাদাকে দিয়ে আমার ব্যাংক স্টেটমেন্ট আনিয়েছিলাম, কত টাকা আছে ব্যাংকে দেখতে। দেখে তাজ্জব হয়ে যাই যে আমি দেশ ছাড়ার পর সাড়ে সাত লাখ টাকা ছিল। আমেরিকার হিউমেন রাইটস ওয়াচ আমাকে একটি গ্র্যান্ট দিয়েছিল, ছ হাজার ডলারের গ্র্যান্ট। ওটিও জমা হয়েছিল অ্যাকাউন্টে। ছোটদা আমাকে জানায়নি। বরং যা টাকা ছিল, সব সে তুলে নিয়েছে ব্যাংক থেকে। কোনওদিন জানতেও পারিনি। তুমিও কখনও জানতে না যে ছোটদা আমার ব্যাংকের টাকা তুলে নেয়, একটি পয়সাও তুমি কোনওদিন দেখনি। আমি ভাবতাম ও তোমার হাত খরচে দরকার পড়ে হয়তো। হায় ভাবনা। তোমাকে একদিন পাঁচ শ ডলার পাঠিয়েছিলাম বিদেশ থেকে ছোটদার হাতে। তোমাকে চিঠিটা দিয়েছিল, তবে চিঠির খাম খুলে ডলারগুলো সরিয়ে নিয়ে, তারপর। তোমাকে ফোনে বোধহয় জিজ্ঞেস করেছিলাম, ডলার পেয়েছে কিনা, বললে চিঠি পেয়েছো শুধু। আর ব্যাংকের স্টেটমেন্ট দেখারপর কিছুক্ষণ হাঁ হয়ে থেকে যখন তোমাকে জিজ্ঞেস করেছি ব্যাংকের মাধ্যমে যে তোমাকে টাকা পাঠিয়েছি সেটা অথবা সেগুলো ঠিকঠাক পেয়েছে কিনা। তুমি মাথা নেড়ে বললে, আমি তোমাকে কোনওদিন টাকা পাঠাইনি। আমি হঠাৎ চুপ হয়ে গিয়েছিলাম। আমার তর্ক করতে ইচ্ছে হয়নি। ভাবতে চেষ্টা করেছি কোনওদিনও পাঠিয়েছি কি। নিশ্চয়ই পাঠিয়েছি, অন্তত একবার হলেও, কেন তবে জানো না! কারণ ওই টাকা সম্ভবত কোনওদিন ছুঁয়ে দেখার তোমার সুযোগ হয়নি। ছোটদাকেই তুমি চেকের বইএ সই করে দিতে। কেন নিচ্ছে, কত টাকা, এসব সেই জানতো। তোমার নিজের অ্যাকাউন্টের খবর তুমি নিজে রাখোনি, রেখেছে ছোটদা। তোমাকে কোনওদিন জানায়নি, কী তোমার আছে, কী তোমার যাচ্ছে। হাতে আমার প্রচুর ডলার। ডলারের দিকে জুলজুল করে তাকিয়ে থাকে ছোটদা। একদিন দেখি তোমার খালি ঘর থেকে বেরোচ্ছে। যে মানুষ আমি বা তুমি থাকলে ও ঘর মাড়ায়নি, ওখানে সে একা একা কী করছে! কী আর করবে, সম্ভবত দেখছে কোথাও ডলার আছে কিনা। কেন তার এত টাকার প্রয়োজন, আমি বুঝি না। যথেষ্ট টাকা উপার্জন করে ছোটদা। এর মধ্যে প্রায় সবটাই গীতাকে পাঠিয়ে দেয় বিদেশে। যে গীতার সঙ্গে তার আর মানসিক বা শারীরিক সম্পর্ক নেই, তাকে সেপুষে যাচ্ছে এখনও। আমার বাড়িতে থাকছে, আমার গাড়ি চড়ছে, বাপের হোটেলে খাচ্ছে। যে বান্ধবীদের নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সবাই স্বনির্ভর। তারপরও ছোটদার টাকার লোভ দিন দিন আগুনের মতো বাড়ছে। আমার বাড়িটায় আমি যদি আবার থেকে যাই দেশে যখন ফিরেছি, তাই সে আমার দেশে ফেরাকেও পছন্দ করছে না। এ এক আশ্চর্য মানুষ। আমার সঙ্গে বদ্ধ মাতাল চেঁচিয়ে কথা বলছে। ওই চেঁচানোর, ওই কথার কোনও মাথামুণ্ডু ছিল না। বিকট চিৎকার। বোধহয় বলছিল, মার কাছে বসার আমার কোনও দরকার নেই, আমি যা করার করেছিমার জন্য, এইবার তুইকর। তুমি তখন খুব শান্ত গলায় ছোটদাকে বললে সে যেন আলাদা বাড়ি নিয়ে চলে যায়। আমি আজও জানি না কেন তুমি ছোটদাকে হঠাৎ চলে যেতে বলেছিলে, কার ওপর অভিমান করে, আমার ওপর, নাকি ছোটদার ওপর! আমি এমন চাইনি, আমি চাইনি তোমার আদরের ছেলেকে তুমি চলে যেতে বলে। আমার একটাই অনুরোধ ছিল সে যেন অনর্থক বাইরে বাইরে না ঘুরে তোমাকে একটু সময় দেয়। ছোটদার জন্য তোমার আদরআমি দেখেছি। আমার কাপড়চোপড়েরসুটকেসপড়ে ছিলো ড্রইংরুমে। আমারই আলমারির একটা অংশে ছোটদার কাপড়চোপড় রাখা। তুমি কিন্তু দেখেও একবারও ছোটদাকে বলোনি আমার আলমারি থেকে ছোটদার কাপড় সরাতে। আমিই একদিন নিজে বললাম, ছোটদা পরে ওগুলো তার যে একটা স্টিলের আলমারি এনে রেখেছিলো আমার বাড়িতে, ওতে রেখে দেয়। আজ ভাবি, কেন আমি বলতে গিয়েছিলাম তোমাকে আলমারি খালি করে দিতে। কী দরকার ছিলো। যেভাবে ছিলো, সেভাবেই থাকতো, আমার কি একটু ঈর্ষা হচ্ছিল, তুমি আমার চেয়ে বেশি তোমার ছেলেকে ভালোবাসো। যে ছেলে তোমার পাশে বসছে না, খবর নিচ্ছে না, যে ছেলে তোমার জন্য একটি পয়সা খরচ করে না, অপারেশনের টাকা দুদুবার করে নিয়ে গেল। সেই ছেলেকে কি ভালোবাসো কারণ সে তোমাকে বাবা আর দাদার মতো অত বেশি তুচ্ছ করেনি, অত অপমান করেনি বলে! নাকি ভালোবাসো তোমাকে উমরাহ করতে নিয়ে গিয়েছিলো বলে! সেও তো নিয়েছিলো বিনে পয়সায়। ঈর্ষা কেন করেছিলাম আমি, তোমার ভালোবাসার কি কোনও কমতি ছিলো আমার জন্য! তুমি তো উজাড় করে দিচ্ছিলে। সব কি আমি নিজের জন্য চাইছিলাম নাকি ছোটদারনিষ্ঠুরতা আমার আর সহ্য হচ্ছিলো না! কিন্তু ছোটদা যদি তোমার পাশে বসতো, ছোটদা যদি একটু ভালোবাসা প্রকাশ করতো তোমার জন্য, সব চেয়ে খুশি তো হতাম আমিই। যে করেই হোক চাইছিলাম তোমার মন ভালো থাক, তুমি ভালো থাকো। তুমিও কি ছোটদার ব্যবহারে কষ্ট পাওনি! হয়তো পেয়েছো! অথবা পাওনি। ছোটদার সঙ্গে এত ভালো মনের মিল ছিলো যে ছোটদা তোমার পাশে এসে না বসলেও জানো তুমি যে সে তোমাকে ভালোবাসে। তুমি তাকে তার মতো করেই থাকতে দিয়েছে। ছোটদাকে তোমার পাশে থাকার জন্য, কাছে আসার জন্য বলোনি, কিছুর দাবিই কারও কাছে করোনি। আমার বাড়ি থেকে যদি ছোটদাকে চলে যেতে হয়, সে তুমি বেঁচে থাকা অবস্থায় নয়। চারদিকের মনোমালিন্য, অহংকার, অভিযোগ, বিরোধ, বিদ্রোহ, রাগ, জেদ, এসব জাদুবলে উড়িয়ে দিতে চেয়েছি। অসুন্দর কিছু যেন স্পর্শ না করতে পারে তোমাকে, চেয়েছিলাম। চেয়েছিলাম মিথ্যে করে হলেও মানুষ বলুক তোমাকে ভালোবাসে। তুমি দেখ, সবাই মিলে মিশে আমরা হাসি আনন্দে আছি। তোমার শৈশবের না-পাওয়া-দোলনায় আমরা সুখের দোলা দুলছি। তুমি যাদের ভালোবাসো, তারা ভালো আছি। পরস্পরকে ভালোবাসছি। কিন্তু ছোটদাকে তুমি ঠাণ্ডা গলায় বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার কথা বলায় আমার হয়তো, যে অভিযোগ আমার ছোটদার বিরুদ্ধে, খুশি হওয়ার কথা। কিন্তু আমি খুশি হই না। অদৃশ্য একটা চাবুক এসে পড়ে আমার ওপর। ধনুকের মতো বেঁকে যায় আমার অহংকারের পিঠ।

Page 30 of 94
Prev1...293031...94Next
Previous Post

সেইসব অন্ধকার – তসলিমা নাসরিন

Next Post

নির্বাসন – তসলিমা নাসরিন

Next Post

নির্বাসন - তসলিমা নাসরিন

দ্বিখণ্ডিত - তসলিমা নাসরিন

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সাম্প্রতিক প্রকাশনাসমূহ

  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৫: ভূমিকম্প – শামসুদ্দীন নওয়াব
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৮: বিভীষিকার প্রহর – রকিব হাসান
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৭: বড়দিনের ছুটি – রকিব হাসান
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৭: আলাস্কা অভিযান – রকিব হাসান
  • তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১১৭: আমিই কিশোর – রকিব হাসান

বিভাগসমূহ

  • আত্মজীবনী
  • ইতিহাস
  • উপন্যাস
  • কবিতা
  • কাব্যগ্রন্থ
  • গল্পের বই
  • গোয়েন্দা কাহিনী
  • ছোট গল্প
  • জীবনী
  • দর্শন
  • ধর্মীয় বই
  • নাটকের বই
  • প্রবন্ধ
  • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
  • বৈজ্ঞানিক বই
  • ভূতের গল্প
  • রহস্যময় গল্পের বই
  • রোমাঞ্চকর গল্প
  • রোম্যান্টিক গল্পের বই
  • শিক্ষামূলক বই
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি

© 2023 BnBoi - All Right Reserved

No Result
View All Result
  • বাংলাদেশী লেখক
    • অতুলচন্দ্র গুপ্ত
    • অভিজিৎ রায়
    • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    • আনিসুল হক
    • আবু ইসহাক
    • আবু রুশদ
    • আবুল আসাদ
    • আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন
    • আবুল বাশার
    • আরজ আলী মাতুব্বর
    • আল মাহমুদ
    • আসাদ চৌধুরী
    • আহমদ ছফা
    • আহমদ শরীফ
    • ইমদাদুল হক মিলন
    • উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    • কাসেম বিন আবুবাকার
    • জসীম উদ্দীন
    • তসলিমা নাসরিন
    • দাউদ হায়দার
    • দীনেশচন্দ্র সেন
    • নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    • নিমাই ভট্টাচার্য
    • প্রফুল্ল রায়
    • প্রমথ চৌধুরী
    • ময়ূখ চৌধুরী
    • মহাদেব সাহা
    • মাহমুদুল হক
    • মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    • হুমায়ূন আহমেদ
  • ইন্ডিয়ান লেখক
    • অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়
    • অতুল সুর
    • অদ্রীশ বর্ধন
    • অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • অনীশ দেব
    • অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • অমিয়ভূষণ মজুমদার
    • আশাপূর্ণা দেবী
    • আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • কাজী নজরুল ইসলাম
    • ক্ষিতিমোহন সেন
    • তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
    • দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    • নারায়ণ সান্যাল
    • নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    • নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    • পাঁচকড়ি দে
    • পূর্ণেন্দু পত্রী
    • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • বিমল মিত্র
    • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    • হেমেন্দ্রকুমার রায়
  • বিভাগসমূহ
    • আত্মজীবনী
    • ইতিহাস
    • উপন্যাস
    • কবিতা
    • কল্পকাহিনী
    • কাব্যগ্রন্থ
    • খেলাধুলার বই
    • গল্পের বই
    • গোয়েন্দা কাহিনী
    • ছোট গল্প
    • জীবনী
    • দর্শন
    • ধর্মীয় বই
    • নাটকের বই
    • প্রবন্ধ
    • বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
    • বৈজ্ঞানিক বই
    • ভূতের গল্প
    • মুক্তিযুদ্ধের-বই
    • রহস্যময় গল্পের বই
    • রোমাঞ্চকর গল্প
    • রোম্যান্টিক গল্পের বই
    • শিক্ষামূলক বই
    • সমগ্র
  • সিরিজ বই
    • মিসির আলী সমগ্র
    • হিমু সিরিজ

© 2023 BnBoi - All Right Reserved

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In