বুড়ো বিবিটিকে তালাক দিয়ে সে একটি মডার্ন যুবতী বিবি নিতে চেয়েছে, বুড়ো বিবিটার মস্তান ছেলেটি, মুহাইমেন বিন কোরবান, তা মেনে নিতে রাজি হয় নি, তাই কোরবান আলি ব্যাপারি একটু মছিবতে পড়েছিলো।
আমি মস্তানটিকে রাজি করিয়েছি, কোটি পাঁচেক লেগেছে তাতে; আমারও কিছু থেকেছে। আমার চাইতে হয় নি, আলহজ কোরবান আলি ব্যাপারি নিজেই আমার পায়ের কাছে রেখে গেছে, যা রেখেছে তিন লক্ষ বছর সাম্যবাদ করলেও আমি তা চোখেও দেখতে পেতাম না। জিহাদ আমাকে দিচ্ছে আর দিচ্ছে, আল্লার রহমতে আরো দেবে। মডার্ন বিবিটা বিএ পাশ, আলহজ কোরবান আলি ব্যাপারির ফার্মে গিয়েছিলো একটি চাকুরির জন্যে; মিস লাইলাতুল কদর আলহজ কোরবান আলি ব্যাপারির মুখোমুখি চেয়ারে বসতেই কোরবান আলি ব্যাপারি উত্তেজনা বোধ করে, তার ঠোঁট, আর ব্রেস্টের উচ্চতা আলহজ কোরবান আলি ব্যাপারিকে ছহবতের জন্যে উত্তেজিত করে। এটা শয়তানের কাজ; পুরুষ আর মেয়েলোক কাছাকাছি বসলে শয়তান কাজ করবেই, এসে মাঝখানে বসবেই, কোরবান আলির ফার্মেও শয়তান গন্ধম ফল নিয়ে হাজির হয়। আলহজ কোরবান আলি ব্যাপারির ফার্মে কোন মেয়েলোক কাজ করে না, এটা নিয়মবিরুদ্ধ, কিন্তু মিস লাইলাতুল কদরকে সে একটি চাকুরি দিতে চায়।
কোরবান আলি ব্যাপারি জিজ্ঞেস করে, ’আপনের নামটা আমার কাছে পাক মনে অইতেছে, আপনি কি বোরখা হিজাব পইর্যা আসতে পারবেন, মিস লাইলাতুন কদর?’
লাইলাতুন কদর বলে, ‘তা পারবো, ইনশাল্লা।‘
কোরবান আলি বলে, ‘তাইলে তুমি আইজই কামে জয়েন কইর্যা হালাও, রাহমানির রাহিম চান তুমি এইখানে কাম কর।’
লাইলাতুন কদর বিস্মিত হয়, ‘আজই?’
কোরবান আলি, ‘দেরি করনের কাম কি?’
লাইলাতুল কদর ওই দিনই কাজে যোগ দেয় ১৫,০০০ টাকা বেতনে।
ছুটির সময় কোরবান আলি লাইলাতুন কদরকে বলে, ‘থাউক, মিস লাইলাতুল কদর, তোমার বোরখা হিজাব পরন লাগব না, তোমার এই রকমেই সোন্দর দেহায়।‘
লাইলাতুন কদর বলে, ‘আপনে সত্য বলতেছেন? আমারে সোন্দর দেহায়?’
কোরবান আলি বলে, ‘মিছা কামু ক্যা? তোমার দেহডা নুরজাহানের মতন, হ্যামা মালিনির মতন, তোমারে এইভাবে দেখতেই আমার সুক লাগিব, আল্লার রহমতে আমি সোন্দর জিনিস দ্যাকতে পছন্দ করি।‘
লাইলাতুন কদর বলে, ‘তাহলে দেইখ্যেন।‘
কোরবান আলি কয়েক দিন সুন্দর জিনিশ দেখে, দেখে বেচইন হয়ে ওঠে।
কয়েক দিন পরই মহামান্য শক্তিধর শয়তান সন্ধ্যার একটু পর এসে ঢোকে আলহজ কোরবান আলি ব্যাপারির অফিস রুমে, সে মিস লাইলাতুল কদরকে একটুখানি জোর ক’রে অফিসের সোফার ওপর ফেলে বিছমিল্লা বলে ছহবত করে। বেশি জোর করতে হয় নি, লাইলাতুল কদর রাজিই ছিলো অনেকটা; বহুদিন পর ছহবতে দিল ভরে কোরবান আলি ব্যাপারির।
ছহবতের পরই মিস লাইলাতুন কদর বলে, ‘আমারে কাইলই বিয়া করতে হবে, দেরি করন যাইব না।‘
কোরবান আলি বলে, ‘বিয়া ত করুমই তয় আমার বুড়া বিবিটার মত লইতে হইবে, নাইলে করুম কেমনে?’
মিস লাইলাতুল কদর বলে, ‘আইজ আমি প্ৰেগনেন্ট হইতে পারি, কাইলই বিয়া করতে হবে, বুড়ির মতের দরকার নাই।’
কোরবান আলি বলে, ‘বুড়ি বিবির মত লইয়া লই।‘
মিস লাইলাতুল কদর বলে, ‘তারে তালাক দেও।’
কোরবান আলি বলে, ‘তালাক দিতে হইব?’
মিস লাইলাতুল কদর বলে, ‘হ।’
কোরবান আলি বলে, ‘আইচ্ছা, তারে তালাক দিমু; তয় আমার একটা গুণ্ডা পোলা আছে, সেইডা যে কি করব।’
মিস লাইলাতুল কদর বলে, ‘সেইটারে তুমি সামলাও।’
কোরবান আলি বলে, ‘হ, দেহি।‘
মিস লাইলাতুল কদর বলে, ‘নাইলে তোমার বিপদ হইব, আমারও বিপদ হইব, তোমার কোটি কোটি ট্যাকা ধইর্যা টান দিমু।‘
কোরবান আলি বলে, ‘আইজ রাইতে বুদ্ধি বাইর করতে হইব।‘
কোরবান আলি আরেকবার ছহবত করতে করতে বলতে থাকে, ‘অ, আমার লাইলাতুন কদর, এমুন সুক আর আমি পাই নাই, তুমি আবার বিবি, বুড়িডারে তালাক দিমু, তোমার দ্যাহ ভইর্যা মদু।‘
মিস লাইলাতুল কদর বলে, মদু পাইবা, কাইলই বিয়া করতে অইব মদু খাইতে চাইলে, নাইলে মদু বিষ হইয়া যাইব।’
কোরবান আলি বলে, ‘তোমার মদু ছাড়া আমি বাচুম না, তুমি চিন্তা কইর্য না, কাইল নাইলে পরশুই তোমারে শান্দি করুম।’
মিস লাইলাতুল কদর বলে, ‘তাইলে আরেকটু মদু খাও, দরজাটা আটকাইয়া লও, ভাল কইর্যা খাও, জানি আমিও মদু পাই।’
কোরবান আলি বলে, ‘ক্যান, লায়লাতুল কদর, তুমি মদু পাও নাই?’
মিস লাইলাতুল কদর বলে, ‘বুড়ির লগে হুইতে হুইতে তুমি মদু খাইতে আর খাওয়াইতে ভুইল্যা গ্যাছ, তোমারে শিখাই দিমুনে। তোমার শাবলডা চিলা অইয়া গ্যাছে, ওইডারে শক্ত করতে অইব, নইলে খুড়বা ক্যামনে?’
কোরবান আলি বলে, ‘হ, ঠিকই কইছা, বিবি লায়লাতুল কদর, ওই বুড়িডা ভাল কইর্যা চিৎ অইতে পারে না, কোনমতে কাম সারতে অয়।’
লাইলাতুল কদর বলে, ‘আর আমার কাম?’
কোরবান আলি ব্যাপারি বলে, ‘তুমি বিবি হগুরগো ছারাই গেছো। তোমার জান্নাতুল ফেরদাউসে আমি দিনরাইত ঢুইকা থাকুম।’
আলহজ কোরবান আলি ব্যাপারি আমার সাহায্যের জন্যে ছুটে আসে। আমি সাহায্য করি; সাচ্চা মুছলমান হয়ে আরেকজন সাচ্চা পরহেজাগার পাক স্তান, সার জমিন সাদ বাদ, দিওয়ান মজনু মুছলমানকে সাহায্য করা আমার কর্তব্য। এতে তার কয়েক কোটি ব্যয় হয়, কিন্তু ওটা তার কাছে সামান্য টাকা; লাইলাতুল কদরের সঙ্গে ছহবত করার জন্যে এটা কিছু নয়। তারা ছহি ছালামতে আছে, লাইলাতুল কদরকে এ-পর্যন্ত সে তিনবার গর্ভবতী করেছে; তার জান্নাতুল ফেরদাউসকে সে সব সময় ভরে রাখে; সে প্রোডাকশনে বিশ্বাস করে, প্রোডাকশন ছাড়া ফরিন করেন্সি আসে না।
