আয়াতঃ 043.068
হে আমার বান্দাগণ, তোমাদের আজ কোন ভয় নেই এবং তোমরা দুঃখিতও হবে না।
(It will be said to the true believers of Islâmic Monotheism): My worshippers! No fear shall be on you this Day, nor shall you grieve,
يَا عِبَادِ لَا خَوْفٌ عَلَيْكُمُ الْيَوْمَ وَلَا أَنتُمْ تَحْزَنُونَ
Ya AAibadi la khawfun AAalaykumu alyawma wala antum tahzanoona
YUSUFALI: My devotees! no fear shall be on you that Day, nor shall ye grieve,-
PICKTHAL: O My slaves! For you there is no fear this day, nor is it ye who grieve;
SHAKIR: O My servants! there is no fear for you this day, nor shall you grieve.
KHALIFA: O My servants, you will have no fear on that day, nor will you grieve.
রুকু – ৭
৬৮।হে আমার ভক্তগণ ! আজ তোমাদের কোন ভয় নাই এবং তোমরা দুঃখিতও হবে না , – ৪৬৬৭
৬৯। যারা আমার আয়াতসমূহে বিশ্বাস করেছিলো , এবং[ তাদের ইচ্ছাকে ] আত্মসমর্পন করেছিলো ইসলামে।
৪৬৬৭। আল্লাহ্র প্রতি আন্তরিক বিশ্বাস, আল্লাহ্র ইচ্ছার কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পন ও আল্লাহ্র রাস্তায় সৎকাজ আত্মাকে সকল রীপুর দহন মুক্ত রাখে, ফলে অতীত, বর্তমান বা ভবিষ্যতের কোনও দুঃখ বা ভয় তার আত্মাকে বিপর্যস্ত করতে পারে না। আল্লাহ্র রহমতের আশ্রয়ে পৃথিবীর সীমাবদ্ধ সময়ের গন্ডি পেরিয়ে আত্মা যখন পরলোকে সীমাহীন সময়ের সমুদ্রে প্রবেশ করে তখনও তাদের এই মানসিক শান্তি অটুট থাকে বরং তা আরও বৃদ্ধি পায়। আল্লাহ্র প্রতি এই আন্তরিক ভালোবাসা ও তাঁর রাস্তায় সৎ কাজকে এভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ১) যে আল্লাহ্র আয়াত সমূহে বিশ্বাস স্থাপন করে। অর্থাৎ আল্লাহ্র নিদর্শনে বিশ্বাস স্থাপন করে ও তাঁর ইচ্ছাকে হৃদয়ের মাঝে উপলব্ধি করতে চেষ্টা করে। এবং ২) আমাদের ইচ্ছাকে সর্বশক্তিমানের ইচ্ছার সাথে সম্পৃক্ত করা অর্থাৎ সীমাহীন বিশ্বজনীন ইচ্ছার সাথে একই সুরে ঐকতান সৃষ্টি করতে পারা ; যা সম্ভব আল্লাহ্র ইচ্ছার কাছে সুখে দুঃখে বিপদ বিপর্যয়ে আত্মসমর্পনের মাধ্যমে।
আয়াতঃ 043.069
তোমরা আমার আয়াতসমূহে বিশ্বাস স্থাপন করেছিলে এবং তোমরা আজ্ঞাবহ ছিলে।
(You) who believed in Our Ayât (proofs, verses, lessons, signs, revelations, etc.) and were Muslims (i.e. who submit totally to Allâh’s Will, and believe in the Oneness of Allâh – Islâmic Monotheism).
الَّذِينَ آمَنُوا بِآيَاتِنَا وَكَانُوا مُسْلِمِينَ
Allatheena amanoo bi-ayatina wakanoo muslimeena
YUSUFALI: (Being) those who have believed in Our Signs and bowed (their wills to Ours) in Islam.
PICKTHAL: (Ye) who believed Our revelations and were self-surrendered,
SHAKIR: Those who believed in Our communications and were submissive:
KHALIFA: They are the ones who believed in our revelations, and were submitters.
রুকু – ৭
৬৮।হে আমার ভক্তগণ ! আজ তোমাদের কোন ভয় নাই এবং তোমরা দুঃখিতও হবে না , – ৪৬৬৭
৬৯। যারা আমার আয়াতসমূহে বিশ্বাস করেছিলো , এবং[ তাদের ইচ্ছাকে ] আত্মসমর্পন করেছিলো ইসলামে।
৪৬৬৭। আল্লাহ্র প্রতি আন্তরিক বিশ্বাস, আল্লাহ্র ইচ্ছার কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পন ও আল্লাহ্র রাস্তায় সৎকাজ আত্মাকে সকল রীপুর দহন মুক্ত রাখে, ফলে অতীত, বর্তমান বা ভবিষ্যতের কোনও দুঃখ বা ভয় তার আত্মাকে বিপর্যস্ত করতে পারে না। আল্লাহ্র রহমতের আশ্রয়ে পৃথিবীর সীমাবদ্ধ সময়ের গন্ডি পেরিয়ে আত্মা যখন পরলোকে সীমাহীন সময়ের সমুদ্রে প্রবেশ করে তখনও তাদের এই মানসিক শান্তি অটুট থাকে বরং তা আরও বৃদ্ধি পায়। আল্লাহ্র প্রতি এই আন্তরিক ভালোবাসা ও তাঁর রাস্তায় সৎ কাজকে এভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ১) যে আল্লাহ্র আয়াত সমূহে বিশ্বাস স্থাপন করে। অর্থাৎ আল্লাহ্র নিদর্শনে বিশ্বাস স্থাপন করে ও তাঁর ইচ্ছাকে হৃদয়ের মাঝে উপলব্ধি করতে চেষ্টা করে। এবং ২) আমাদের ইচ্ছাকে সর্বশক্তিমানের ইচ্ছার সাথে সম্পৃক্ত করা অর্থাৎ সীমাহীন বিশ্বজনীন ইচ্ছার সাথে একই সুরে ঐকতান সৃষ্টি করতে পারা ; যা সম্ভব আল্লাহ্র ইচ্ছার কাছে সুখে দুঃখে বিপদ বিপর্যয়ে আত্মসমর্পনের মাধ্যমে।
আয়াতঃ 043.070
জান্নাতের প্রবেশ কর তোমরা এবং তোমাদের বিবিগণ সানন্দে।
Enter Paradise, you and your wives, in happiness.
ادْخُلُوا الْجَنَّةَ أَنتُمْ وَأَزْوَاجُكُمْ تُحْبَرُونَ
Odkhuloo aljannata antum waazwajukum tuhbaroona
YUSUFALI: Enter ye the Garden, ye and your wives, in (beauty and) rejoicing.
PICKTHAL: Enter the Garden, ye and your wives, to be made glad.
SHAKIR: Enter the garden, you and your wives; you shall be made happy.
KHALIFA: Enter Paradise, together with your spouses, and rejoice.
৭০। তোমরা এবং তোমাদের সহধর্মীনিগণ আনন্দের সাথে জান্নাতে প্রবেশ কর ৪৬৬৮।
৪৬৬৮। “জান্নাত” অর্থাৎ এমন স্থান যা হৃদয় মন, চক্ষু ও আত্মার জন্য শান্তিদায়ক ,সুন্দর এবং তৃপ্তিদায়ক। বেহেশত হচ্ছে পবিত্র ও সর্বোচ্চ শান্তির প্রতীক যার অনুভব ও ধারণা এই দুঃখ, ব্যথা ও বিক্ষুব্ধ যন্ত্রণা ভরা পৃথিবীতে বসে কল্পনা করাও অসম্ভব। পরবর্তী আয়াত সমূহে বেহেশতের সুখ শান্তিকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে পার্থিব আনন্দ ও আশা আকাঙ্খার মাধ্যমে যাতে আমরা মাটির মানুষ ধূলামাটির পৃথিবীতে বেহেশতের অপার সুখকে কল্পনায় ছবি আকঁতে পারি।
