হাদিস নম্বরঃ ৬৩৯৬ | 6396 | ٦۳۹٦
পরিচ্ছদঃ আল্লাহর বাণীঃ কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মু’মিন ব্যক্তিকে হত্যা করলে তার শাস্তি হল জাহান্নাম (৪ঃ ৯৩)
৬৩৯৬। কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) … আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যাক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসুল! আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড় গুনাহ কোনটি? তিনি বললেনঃ তুমি আল্লাহ সাথে কাউকে সমকক্ষ সাব্যস্ত কর অথচ তিনই তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। লোকটি বলল, এরপর কোনটি? তিনি বললেনঃ তারপর হল, তুমি তোমার সন্তানকে এ ভয়ে হত্যা কর যে, সে তোমার সাথে আহার করবে। লোকটি বলল, এরপর কোনটি? তিনি বললেনঃ তারপর হল, তুমি তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে যিনা কর। অতঃপর আল্লাহ এ কথার সত্যায়নে অবতীর্ণ করলেনঃ এবং তারা আল্লাহর সঙ্গে কোন ইলাহকে ডাকে না, আল্লাহ যার হত্যা নিষেধ করেছেন। যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে তাকে হত্যা করে না এবং ব্যাভিচার করে না। যে এগুলো করে সে শাস্তি ভোগ করবে (২৫ঃ ৬৮)।
অধ্যায়ঃ ৭৬/ রক্তপন (كتاب الديات)
হাদিস নম্বরঃ ৬৩৯৭ | 6397 | ٦۳۹۷
পরিচ্ছদঃ আল্লাহর বাণীঃ কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মু’মিন ব্যক্তিকে হত্যা করলে তার শাস্তি হল জাহান্নাম (৪ঃ ৯৩)
৬৩৯৭। আলী (রহঃ) … ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুমিন ব্যাক্তি তার দ্বীনের ব্যাপারে পূর্ন প্রশান্তমনা থাকে, যে পর্যন্ত না সে কোন হারাম (অবৈধ) রক্তপাতে লিপ্ত হয়।
অধ্যায়ঃ ৭৬/ রক্তপন (كتاب الديات)
হাদিস নম্বরঃ ৬৩৯৮ | 6398 | ٦۳۹۸
পরিচ্ছদঃ আল্লাহর বাণীঃ কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মু’মিন ব্যক্তিকে হত্যা করলে তার শাস্তি হল জাহান্নাম (৪ঃ ৯৩)
৬৩৯৮। আহমাদ ইবনু ইয়াকুব (রহঃ) … আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যেসব বিষয়ে কেউ নিজেকে লিপ্ত করার পরে তার ধবংস থেকে লিপ্ত ব্যাক্তির বাঁচার কোন উপায় থাকে না সেগুলোর একটি হচ্ছে হালাল ব্যতীত (বৈধতা বিহীন) হারাম রক্ত প্রবাহিত (অবৈধ ভাবে হত্যা) করা।
অধ্যায়ঃ ৭৬/ রক্তপন (كتاب الديات)
হাদিস নম্বরঃ ৬৩৯৯ | 6399 | ٦۳۹۹
পরিচ্ছদঃ আল্লাহর বাণীঃ কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মু’মিন ব্যক্তিকে হত্যা করলে তার শাস্তি হল জাহান্নাম (৪ঃ ৯৩)
৬৩৯৯। উবায়দুল্লাহ ইবনু মূসা (রহঃ) … আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সর্বপ্রথম লোকদের মধ্যে যে বিষয়ের ফায়সালা করা হবে তা হলো হত্যা।
অধ্যায়ঃ ৭৬/ রক্তপন (كتاب الديات)
হাদিস নম্বরঃ ৬৪০০ | 6400 | ٦٤۰۰
পরিচ্ছদঃ আল্লাহর বাণীঃ কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মু’মিন ব্যক্তিকে হত্যা করলে তার শাস্তি হল জাহান্নাম (৪ঃ ৯৩)
৬৪০০। আবদান (রহঃ) … বনী যুহরা গোত্রের মিত্র মিকদাদ ইবনু আমর কিনদী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। যিনি বদরের যুদ্ধ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে হাযির ছিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! জনৈক কাফেরের সাথে আমার মুকাবিলা হল এবং আমাদের পরস্পরের মধ্যে লড়াই বাঁধল। সে তরবারী দ্বারা আমার হাতে আঘাত করল এবং তা কেটে ফেলল। এরপর সে কোন বৃক্ষের আড়ালে আশ্রয় নিল। আর বলল আমি আল্লাহর জন্য মুসলমান হয়ে গেলাম। এ কথা বলার পর কি আমি তাকে হত্যা করতে পারব? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি তাকে হত্যা করবে না। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! সে তো আমার এক হাত কেটে দিয়েছো আর কেটে ফেলার পরই এ কথা বলেছে এতে কি আমি তাকে হত্যা করতে পারব?তিনি বললেনঃ তুমি তাকে হত্যা করবে না।
(এ অবস্থায়) তুমি যদি তাকে হত্যা কর তাহলে তাকে হত্যা করার পূর্বে তুমি যে স্থলে ছিলে সে সে স্থলে এসে যাবে। আর সে উক্ত কালিমা উচ্চারণ করার পূর্ব যে স্থলে ছিল তুমি সে স্থলে চলে যাবে। হাবীব ইবনু আবূ আমরা (রহঃ) সাঈদ (রহঃ) এর সুত্রে ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিকদাদ (রাঃ) কে বলেছেনঃ উক্ত মুমিন ব্যাক্তি যখন কাফের সম্প্রদায়ের সাথে অবস্থান করছিল তখন সে আপন ঈমান গোপন রেখেছিল। এরপর সে তার ঈমান প্রকাশ করল আর তুমি তাকে হত্যা করে ফেললে। তুমিও তো এর পূর্বে মক্কায় অবস্থানকালে আপন ঈমান গোপন রেখেছিলে।
অধ্যায়ঃ ৭৬/ রক্তপন (كتاب الديات)
হাদিস নম্বরঃ ৬৪০১ | 6401 | ٦٤۰۱
পরিচ্ছদঃ ২৮৬৭. আর কেউ কারো প্রাণ রক্ষা করলে (৫ঃ ৩২)। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে প্রাণ সংহার নিষিদ্ধ মনে করে তার থেকে গোটা মানব জাতির প্রাণ রক্ষা পেল।
৬৪০১। কাবীসা (রহঃ) … আবদুল্লাহ (রাঃ) সুত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ কোন মানব সন্তানকে হত্যা করা হলে আদম (আলাইহিস সালাম) এর প্রথম সন্তানের (কাবীল) উপর অপরাধের কিছু অংশ অবশ্যই বর্তায়।
অধ্যায়ঃ ৭৬/ রক্তপন (كتاب الديات)
হাদিস নম্বরঃ ৬৪০২ | 6402 | ٦٤۰۲
পরিচ্ছদঃ ২৮৬৭. আর কেউ কারো প্রাণ রক্ষা করলে (৫ঃ ৩২)। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে প্রাণ সংহার নিষিদ্ধ মনে করে তার থেকে গোটা মানব জাতির প্রাণ রক্ষা পেল।
৬৪০২। আবূল ওয়ালীদ (রহঃ) … আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) সুত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ তোমরা আমার পরে কুফুরমুখী হয়ে যেয়ো না যে তোমরা একে অপরের গর্দান উড়াবে।
