পরিচ্ছদঃ ২৮১৩. কোন কওমের আযাদকৃত গোলাম তাদেরই অন্তর্ভূক্ত। আর বোনের ছেলেও ঐ কাওমের অন্তর্ভূক্ত
৬৩০৫। আদম (রহঃ) … আনাস ইবনুু মালিক (রাঃ) সুত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন কাওমের (আযাদকৃত) গোলাম তাদেরই অন্তর্ভুক্ত অথবা এ জাতীয় কোন কথা বলেছেন।
অধ্যায়ঃ ৭৩/ উত্তরাধিকার (كتاب الفرائض)
হাদিস নম্বরঃ ৬৩০৬ | 6306 | ٦۳۰٦
পরিচ্ছদঃ ২৮১৩. কোন কওমের আযাদকৃত গোলাম তাদেরই অন্তর্ভূক্ত। আর বোনের ছেলেও ঐ কাওমের অন্তর্ভূক্ত
৬৩০৬। আবূল ওযালীদ (রহঃ) … আনাস (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন কাওমের বোনের পুত্র সে কাওমেরই অন্তর্ভুক্ত। এখানে তিনি مِنْهُمْ বলেছেন অথবা مِنْ أَنْفُسِهِمْ বলেছেন।
অধ্যায়ঃ ৭৩/ উত্তরাধিকার (كتاب الفرائض)
হাদিস নম্বরঃ ৬৩০৭ | 6307 | ٦۳۰۷
পরিচ্ছদঃ ২৮১৪. বন্দীর উত্তরাধিকার। শুরায়হ শত্রুদের হাতে বন্দী মুসলমানদের উত্তরাধিকার প্রদান করতেন এবং বলতেন এ বন্দী লোক উত্তরাধিকারের প্রতি বেশী মুখাপেক্ষী। উমর ইবন আবদুল আযীয (রহঃ) বলেন, বন্দী ব্যক্তির ওসিয়ত, তাকে আযাদ কর এবং তার মালের ব্যবহারকে জায়েয মনে কর, যতক্ষন না সে আপন ধর্ম থেকে ফিরে যায়। কেননা, এ হচ্ছে তারই মাল। সে এতে যা ইচ্ছা তাই করতে পারে
৬৩০৭। আবূল ওয়ালীদ (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) সুত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি ধন-সস্পদ রেখে মারা যায় সে ধন-সম্পদ তার উত্তরাধিকারীদের জন্য। আর যে ঋণ রেখে (মারা) যায় তা (আদায় করা) আমার যিম্মায়।
অধ্যায়ঃ ৭৩/ উত্তরাধিকার (كتاب الفرائض)
হাদিস নম্বরঃ ৬৩০৮ | 6308 | ٦۳۰۸
পরিচ্ছদঃ ২৮১৫. মুসলমান কাফেরের এবং কাফির মুমুসলমানের উত্তরাধিকারী হয় না। কোন ব্যক্তি সম্পত্তি বন্টনের পূর্বে মুসলিম হয়ে গেলে সে মিরাস পাবে না
৬৩০৮। আবূ আসিম (রহঃ) … উসামা ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলমান কাফেরের উত্তরাধিকারী হয় না আর কাফেরও মুসলমানের উত্তরাধিকারী হয় না।
অধ্যায়ঃ ৭৩/ উত্তরাধিকার (كتاب الفرائض)
হাদিস নম্বরঃ ৬৩০৯ | 6309 | ٦۳۰۹
পরিচ্ছদঃ ২৮১৭. যে ব্যক্তি কাউকে ভাই বা ভ্রাতুষ্পুত্র হওয়ার দাবি করে
بَابُ مِيرَاثِ الْعَبْدِ النَّصْرَانِيِّ وَمُكَاتَبِ النَّصْرَانِيِّ، وَإِثْمِ مَنِ انْتَفَى مِنْ وَلَدِهِ
২৮১৬. নাসারা গোলাম ও নাসারা মাকতিবের মিরাস এবং যে ব্যাক্তি আপন সন্তানকে অস্বীকার করে তার গুনাহ
৬৩০৯ কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) ও আবদু ইবনু যামআ একটি ছেলের ব্যাপারে পরস্পরে কথা কাটাকাটি করেন। সা’দ (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ! এ ছেলেটি আমার ভাই উতবা ইবনু আবূ ওয়াককাস-এর পূত্র। তিনি আমাকে ওসিয়ত করে গিয়েছিলেন যে! এ ছেলেটি তার পূত্র। আপনি তার আকৃতির দিকে লক্ষ্য করে দেখুন। আবদ ইবনু যামআ বললো! এ আমার ভাই, ইয়া রাসুলুল্লাহ! এ আমার পিতার ঔরসে তার কোন বাদীর গর্ভে জন্মগ্রহন করেছে। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার আকৃতির দিকে নযর করলেন এবং উতবার আকৃতির সাথে তার আকৃতির প্রকাশ্য মিল দেখতে পেলেন। তখন তিনি বললেনঃ হে আবদ। এ ছেলে তুমিই পাবে। কেননা সন্তান যথাযথ শয্যাপতির আর ব্যাভিচারীর জন্য হল পাথর। আর হে সাওদা বিনত যামআ! তুমি তার থেকে পর্দা কর। আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ এরপরে সে কখনও সাওদার সাথে দেখা দেয়নি।
অধ্যায়ঃ ৭৩/ উত্তরাধিকার (كتاب الفرائض)
হাদিস নম্বরঃ ৬৩১০ | 6310 | ٦۳۱۰
পরিচ্ছদঃ ২৮১৮. প্রকৃত পিতা ব্যতীত অন্যকে পিতা বলে দাবি করা
৬৩১০। মুসাদ্দাদ (রহঃ) … সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, যে ব্যাক্তি অন্য লোককে পিতা বলে দাবি করে অথচ সে জানে যে সে তার পিতা নয়, জান্নাত তার জন্য হারাম। রাবী বলেন, আমি এ কথাটি আবূ বকর (রাঃ) এর কাছে আলোচলা করলাম। তখন তিনি বললেন, আমার কান দু’টি তো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ কথা শুনেছে এবং আমার অন্তর তা সংরক্ষণ করেছে।
অধ্যায়ঃ ৭৩/ উত্তরাধিকার (كتاب الفرائض)
হাদিস নম্বরঃ ৬৩১১ | 6311 | ٦۳۱۱
পরিচ্ছদঃ ২৮১৮. প্রকৃত পিতা ব্যতীত অন্যকে পিতা বলে দাবি করা
৬৩১১। আসবাগ ইবনু ফারাজ (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের পিতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিও না (অস্বীকার করো না)। কেননা, যে ব্যাক্তি আপন পিতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় (পিতাকে অস্বীকার করে) এটি কুফরী।
অধ্যায়ঃ ৭৩/ উত্তরাধিকার (كتاب الفرائض)
হাদিস নম্বরঃ ৬৩১২ | 6312 | ٦۳۱۲
পরিচ্ছদঃ ২৮১৯. কোন মহিলা কাউকে পুত্র হিসাবে দাবি করলে তার বিধান
৬৩১২। আবূল ইয়ামান (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দু’জন মহিলার সঙ্গে তাদের দু’টি ছেলে ছিল। বাঘ এসে (একদিন) তাদের একজনের ছেলেকে নিয়ে গেল। একজন মহিলা তার অপর সঙ্গিনীকে বলল যে বাঘে তোমার ছেলেকে নিয়ে গেছে। অপরজন বলল যে বাঘে তোমার ছেলেকে নিয়ে গেছে। তারা উভয়ে দাউদ (আঃ) এর কাছে তাদের মুকাদ্দমা দায়ের করল। তিনি বড় মহিলাটির সম্পর্কে ফায়সালা প্রদান করলেন। এরপর তারা বের হয়ে দাউদ (আঃ) এর পুত্র সুলায়মান (আঃ) এর কাছে গেল এবং উভয়েই তাকে তাদের ঘটনা অবহিত করল। তখন তিনি বললেন, আমাকে একটি ছুরি দাও, আমি একে দু’টুকরা করে দু’জনের মধ্যে ভাগ করে দেব। তখন ছোট মহিলাটি বলল, আপনি এরূপ করবেন না, আল্লাহ আপনার উপর দয়া করুন। এ ছেলেটি তারই। তিনি ছেলেটি ছোট মহিলার পক্ষে রায় দিলেন। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! আমি ছুরি অর্থে سكين শদটি সে দিনই শুনেছি পূর্বে তো আমরা একে مدية বলতাম।
