তুমি (পবিবার-পরিজনের জন্য) যা খরচ করবে তার প্রতিদান তোমাকে দেওয়া হবে। এমন কি ঐ লোকমাটিরও প্রতিদান তোমাকে দেওয়া হবে যা তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে তুলে দাও। আমি বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি কি আমার হিজরতকৃত স্থান থেকে পশ্চাতে থেকে যাব? তিনি বললেন, আমার পশ্চাতে থেকে গিয়ে তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যে আমলই করবে তাতে তোমার মর্যাদা ও সম্মান বৃদ্ধি পাবে। সম্ভবত তুমি আমার পরেও জীবিত থাকবে। এমন কি তোমার দ্বারা বহু সম্প্রদায় উপকৃত হবে এবং অন্যেবা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কিন্তু বেচারা সা’দ ইবনু খাওলী (রাঃ) এর জন্য আফসোস। মক্কাতেই হয়েছিল তার মৃত্যু। সে জন্য রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। “সুফিয়ান (রাঃ) বলেনঃ সা’দ ইবনু খাওলা (রাঃ) বনূ আমির ইবনু লুআই গোত্রের লোক ছিলেন।
অধ্যায়ঃ ৭৩/ উত্তরাধিকার (كتاب الفرائض)
হাদিস নম্বরঃ ৬২৭৮ | 6278 | ٦۲۷۸
পরিচ্ছদঃ ২৭৯৫. কন্যা সন্তানের উত্তরাধিকার
৬২৭৮। মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) … আলওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) আমাদের নিকট মুআজিম অথবা আমীর হিসাবে ইয়ামানে এলে আমরা তাঁর কাছে এমন এক ব্যাক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, যে লোকটি এক কন্যা ও একটি ভগ্নি রেখে মারা গিয়েছে। তখন তিনি কন্যাটিকে সম্পত্তির অর্ধেক ও বোনকে অর্ধেক প্রদান করলেন।
অধ্যায়ঃ ৭৩/ উত্তরাধিকার (كتاب الفرائض)
হাদিস নম্বরঃ ৬২৭৯ | 6279 | ٦۲۷۹
পরিচ্ছদঃ ২৭৯৬. পুত্রের অবর্তমানে নাতির উত্তরাধিকার। যায়িদ (রাঃ) বলেন, পুত্রের সন্তানাদি পুত্রের মতই, যখন তাকে ছাড়া আর কোন সন্তান না থাকে। নাতিগণ পুত্রদের মত আর নাতনীগণ কন্যাদের মত। পুত্রদের মত নাতনীগণও উত্তরাধিকার হয়, আবার পুত্রগণ যেরূপ অন্যদেরকে মাহরুম করে নাতিগণও সেরূপ অন্যদেরকে মাহরুম করে। আর নাতিগণ পুত্রদের বর্তমানে উত্তরাধিকারী হয় না।
৬২৭৯। মুসলিম ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) … ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রাপ্যাংশ (মিরাস) তাদের হকদারদের কাছে পৌছিয়ে দাও। এরপর যা অবশ্যই থাকবে তা নিকটতম-পুরুষের জন্য।
অধ্যায়ঃ ৭৩/ উত্তরাধিকার (كتاب الفرائض)
হাদিস নম্বরঃ ৬২৮০ | 6280 | ٦۲۸۰
পরিচ্ছদঃ ২৭৯৭. কন্যার বর্তমানে পুত্র তরফের নাতনীর উত্তরাধিকার
৬২৮০। আদম (রহঃ) … হুযায়ল ইবনু শুরাহবীল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আবূ মূসা (রাঃ) কে কন্যা, পুত্র পক্ষের নাতনী এবং ভগ্নির উত্তরাধিকার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হল। তখন তিনি বললেনঃ কন্যার জন্য অর্ধেক আর ভগ্নির জন্য অর্ধেক। (তিনি বললেন) তোমরা ইবনু মাসউদ (রাঃ) এর কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করে দেখ, তিনিও হয়ত আমার মত উত্তর দিবেন। সুতরাং ইবনু মাসউদ (রাঃ) কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হল এবং আবূ মূসা (রাঃ) যা বলেছেন সে সম্পর্কেও তাকে অবহিত করা হল। তিনি বললেনঃ আমি তো গোমরা হয়ে যাব, হেদায়েত প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারব না। আমি এ ব্যাপারে তোমাদের মাঝে ঐ ফায়সালাই করব, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে ফায়সালা প্রদান করেছিলেন। কন্যা পাবে অর্ধাংশ আর নাতনী পাবে ষষ্ঠাশ। এভাবে দুতৃতীয়াংশ পুরু হবে। অবশিষ্ট এক-তৃতীয়াংশ থাকবে ভন্নির জন্য। এরপর আমরা আবূ মূসা (রাঃ)-এর কাছে আসলাম এবং ইবনু মাসউদ (রাঃ) যা বললেন, সে সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করলাম। তখন তিনি বললেনঃ যতদিন এ অভিজ্ঞ আলিম (জ্ঞানতাপস) তোমাদের মাঝে বিদ্যমান থাকবে ততদিন আমার কাছে কিছু জিজ্ঞাসা করো না।
অধ্যায়ঃ ৭৩/ উত্তরাধিকার (كتاب الفرائض)
হাদিস নম্বরঃ ৬২৮১ | 6281 | ٦۲۸۱
পরিচ্ছদঃ ২৭৯৮. পিতা ও ভ্রাতৃবৃন্দের বর্তমানে দাদার উত্তরাধিকার। আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ), ইবনু আব্বাস (রাঃ) এবং ইবনু যুবায়র (রাঃ) বলেন যে, দাদা পিতার মতই। ইবনু আব্বাস (রাঃ) এরূপ পড়েছেন يَا بَنِي آدَمَ، وَاتَّبَعْتُ مِلَّةَ آبَائِي إِبْرَاهِيمَ وَإِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ বস্তুত এরকম কেউ ই বলেননি যে, আবূ বকর (রাঃ)এর যামানায় কেউ তার বিরুদ্ধাচরণ করেছেন। অথচ সে সময়ে নবী করীম (সাঃ) এর অনেক সাহাবী বিদ্যমান ছিল। আর ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমার নাতি আমার উত্তরাধিকারী হবে, আমার ভাই নয়। তবে আমি আমার নাতির উত্তরাধিকারী হব না। তবে উমর আলী ইবনু্ মাসঊদ এবং যায়িদ (রাঃ) থেকে এ সম্পর্কে বিভিন্ন বক্তব্য পাওয়া যায়।
৬২৮১। সুলায়মান ইবনু হারব (রহঃ) … ইবনু আব্বাস (রাঃ) সুত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ প্রাপ্যাংশ তার হকদারকে পৌছিয়ে দাও। এরপর যা অর্বশিষ্ট থাকবে তা নিকটতম পুরুষের জন্য।
অধ্যায়ঃ ৭৩/ উত্তরাধিকার (كتاب الفرائض)
হাদিস নম্বরঃ ৬২৮২ | 6282 | ٦۲۸۲
পরিচ্ছদঃ ২৭৯৮. পিতা ও ভ্রাতৃবৃন্দের বর্তমানে দাদার উত্তরাধিকার। আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ), ইবনু আব্বাস (রাঃ) এবং ইবনু যুবায়র (রাঃ) বলেন যে, দাদা পিতার মতই। ইবনু আব্বাস (রাঃ) এরূপ পড়েছেন يَا بَنِي آدَمَ، وَاتَّبَعْتُ مِلَّةَ آبَائِي إِبْرَاهِيمَ وَإِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ বস্তুত এরকম কেউ ই বলেননি যে, আবূ বকর (রাঃ)এর যামানায় কেউ তার বিরুদ্ধাচরণ করেছেন। অথচ সে সময়ে নবী করীম (সাঃ) এর অনেক সাহাবী বিদ্যমান ছিল। আর ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমার নাতি আমার উত্তরাধিকারী হবে, আমার ভাই নয়। তবে আমি আমার নাতির উত্তরাধিকারী হব না। তবে উমর আলী ইবনু্ মাসঊদ এবং যায়িদ (রাঃ) থেকে এ সম্পর্কে বিভিন্ন বক্তব্য পাওয়া যায়।
৬২৮২। আবূ মা’মার (রহঃ) … ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি যদি এ উম্মাত থেকে কাউকে খলীল (অন্তরঙ্গ বন্ধু) বানাতাম তবে তাকে [আবূ বকর (রাঃ)] কে বানাতাম। কিন্তু ইসলামী বন্ধুত্বই হচ্ছে সর্বোত্তম। أَفْضَلُ শব্দ বলেছেনঃ না কি خَيْرٌ এতে রাবীর সন্দেহ আছে। তিনি দাদাকে পিতার মর্যাদা দিয়েছেন أَنْزَلَهُ أَبًا অথবা قَضَاهُ أَبًا বলেছেন।
