হাদিস নম্বরঃ ৬৮৮৩ | 6883 | ٦۸۸۳
পরিচ্ছদঃ ৩১১১. আল্লাহ্র বাণীঃ আল্লাহ্ সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা (৫৮ঃ ১), আমাশ তামীম, উরওয়া (রহঃ), আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, সকল প্রশংসা সেই মহান আল্লাহ্র, যার শ্রবনশক্তি শব্দরাজিকে পরিবেষ্টন করে রেখেছে। এরই পরে আল্লাহ্ তা’আলা নবী (সাঃ) এর উপর নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ করেন। হে রাসূল! আল্লাহ্ শুনেছেন সেই নারীর কথা, তার স্বামীর বিষয়ে আপনার সাথে বাদানুবাদ করছে। (৫৮ঃ ১)
৬৮৮৩। সুলায়মান ইবনু হারব (রহঃ) … আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা কোন এক সফরে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। আমরা উঁচু স্থানে উঠার সময় তাকবীর বলতাম। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা তোমাদের-নফসের উপর একটু সদয় হও। কেননা, তোমরা ডাকছ না বধির কিংবা অনুপস্থিত কাউকে। বরং তোমরা ডাকছ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা এবং ঘনিষ্টতমকে। এরপর তিনি আমার কাছে আসলেন। তখন আমি মনে মনে لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ পড়ছিলাম। তিনি আমাকে বললেনঃ হে আবদুল্লাহ ইবনু কায়স! পড় لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ কেননা এটি জান্নাতের খাযানা সমুহের একটি। অথবা তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাকে সেই বাক্যটির দিকে পথ প্রদর্শন করব না (যা হচ্ছে জান্নাতের খাযানা)?
হাদিস নম্বরঃ ৬৮৮৪ | 6884 | ٦۸۸٤
পরিচ্ছদঃ ৩১১১. আল্লাহ্র বাণীঃ আল্লাহ্ সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা (৫৮ঃ ১), আমাশ তামীম, উরওয়া (রহঃ), আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, সকল প্রশংসা সেই মহান আল্লাহ্র, যার শ্রবনশক্তি শব্দরাজিকে পরিবেষ্টন করে রেখেছে। এরই পরে আল্লাহ্ তা’আলা নবী (সাঃ) এর উপর নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ করেন। হে রাসূল! আল্লাহ্ শুনেছেন সেই নারীর কথা, তার স্বামীর বিষয়ে আপনার সাথে বাদানুবাদ করছে। (৫৮ঃ ১)
৬৮৮৪। ইয়াহইয়া ইবনু সুলায়মান (রহঃ) … আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে লক্ষ্য করে বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাকে এমন একটি দোয়া শিখিয়ে দিন যা দিয়ে আমি আমার সালাত (নামায/নামাজ)-এ দোয়া করতে পারি। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি বল, اللَّهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْمًا كَثِيرًا، وَلاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ، فَاغْفِرْ لِي مِنْ عِنْدِكَ مَغْفِرَةً، إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ হে আল্লাহ! আমি আমার নফসের ওপর অত্যধিক যুলম করেছি। অথচ আপনি ছাড়া আমার গুনাহসমূহ মাফ করার কেউই নেই। সুতরাং আপনার পক্ষ থেকে আমাকে সস্পূর্ণভাবে মাফ করে দিন। নিশ্চয়ই আপনিই অধিক ক্ষমাপরায়ণ ও দয়াবান।
হাদিস নম্বরঃ ৬৮৮৫ | 6885 | ٦۸۸۵
পরিচ্ছদঃ ৩১১১. আল্লাহ্র বাণীঃ আল্লাহ্ সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা (৫৮ঃ ১), আমাশ তামীম, উরওয়া (রহঃ), আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, সকল প্রশংসা সেই মহান আল্লাহ্র, যার শ্রবনশক্তি শব্দরাজিকে পরিবেষ্টন করে রেখেছে। এরই পরে আল্লাহ্ তা’আলা নবী (সাঃ) এর উপর নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ করেন। হে রাসূল! আল্লাহ্ শুনেছেন সেই নারীর কথা, তার স্বামীর বিষয়ে আপনার সাথে বাদানুবাদ করছে। (৫৮ঃ ১)
৬৮৮৫। আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) … আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জিবরীল আমাকে ডেকে বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা তো আপনার সম্প্রদায়ের লোকদের উক্তি শুনেছেন এবং তারা আপনার সাথে যে প্রতি উত্তর করেছে তাও তিনি শুনেছেন।
হাদিস নম্বরঃ ৬৮৮৬ | 6886 | ٦۸۸٦
পরিচ্ছদঃ ৩১১২. আল্লাহ্র বাণীঃ আপনি বলে দিন, তিনিই প্রকৃত শক্তিশালী
৬৮৮৬। ইবরাহীম ইবনু মুনযির (রহঃ) … জাবির ইবনু আবদুল্লাহ সালামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবাগণকে সকল কাজে এভাবে ইসতিখারা শিক্ষা দিতেন, যেভাবে তিনি তাদের কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেনঃ তোমাদের কেউ যখন কোন কাজ করার ইচ্ছা করে, তখন সে যেন দুই রাকাত নফল সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে নেয়। তারপর এ বলে দোয়া করে, হে আল্লাহ! আমি আপনারই ইল্মের সাহায্যে মঙ্গল তলব করছি। আর আপনারই কুদরতের সাহায্যে আমি শক্তি অন্বেষণ করছি। আর আপনারই অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি। কেননা, আপনই শক্তি রাখেন, আমি কোন শক্তি রাখি না। আপনই সব কিছু জানেন, আমি কিছু জানিনা। গায়বী বিষয়াদির বিশেষজ্ঞ একমাত্র আপনি। এরপর সালাত (নামায/নামাজ) আদায়কারী মনে মনে স্বীয় উদ্দেশ্য উল্লেখ করে বলবে, হে আল্লাহ! আপনি যদি জানেন যে, এ কাজটি আমার জন্য বর্তমানে ও ভবিষ্যতে মঙ্গলজনক বর্ণনাকারী বলেন, কিংবা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই স্থানে বলেছেনঃ আমার দ্বীন-দুনিয়া ও পরিনামের ক্ষেত্রে কল্যাণকর, তা হলে আমার জন্য তা নির্ধারন করে দিন এবং তা সুগম করে দিন, আর আমার জন্য এতে বরকত প্রদান করুন। হে আল্লাহ! আর যদি আপনি জানেন যে, এটি আমার দ্বীন, দুনিয়া ও পরিণামের ক্ষেত্রে অথবা আমার তাৎক্ষণিক ও আপেক্ষিক ব্যাপারে অমঙ্গলজনক, তবে তা থেকে আমাকে বিরত রাখুন। আর নির্ধারণ করুন আমার জন্য যা হয় কল্যাণকর এবং সেটিতেই আমাকে সস্তুষ্ট রাখুন।
