হাদিস নম্বরঃ ৫২৬৮ | 5268 | ۵۲٦۸
পরিচ্ছদঃ ২২৬৭. দু’আর উদ্দেশ্যে অসুস্থ শিশুকে নিয়ে যাওয়া
৫২৬৮। ইবরাহীম ইবনু হামযা (রহঃ) … সায়েব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার খালা আমাকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে নিয়ে গেলেন। এরপর তিনি বললেন ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমর বোনের ছেলেটি অসুস্থ। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার মাথায় হাত বুলালেন এবং আমার জন্য বরকতের দু’আ করলেন। এরপর তিনি উযূ (ওজু/অজু/অযু) করলেন। আমি তার উযূ (ওজু/অজু/অযু)র অবশিষ্ট পানি পান করলাম এবং তার পিঠের পেছনে গিয়ে দাঁড়ালাম। তখন আমি মোহরে নবুওয়াতের দিকে তাকিয়ে দেখলাম সেটি তার দুকাঁধের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত এবং খাটিয়ার গোল ঘুন্টির মত।
হাদিস নম্বরঃ ৫২৬৯ | 5269 | ۵۲٦۹
পরিচ্ছদঃ ২২৬৮. রোগীর মৃত্যু কামনা করা
৫২৬৯। আদম (রহঃ) … আনাস ইবনু মলিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ দুঃখ দৈন্যে নিপতিত হওয়ার কারণে যেন মৃত্যু কামনা না করে। যদি এমন একটা কিছু করতেই হয়, তা হলে সে যেন বলে হে আল্লাহ! আমাকে জীবিত রাখ, যতদিন পর্যন্ত আমার জন্য জীবিত থাকা কল্যাণকর হয় এবং আমাকে মৃত্যু দাও, যখন আমার জন্য মৃত্যু কল্যাণকর হয়।
হাদিস নম্বরঃ ৫২৭০ | 5270 | ۵۲۷۰
পরিচ্ছদঃ ২২৬৮. রোগীর মৃত্যু কামনা করা
৫২৭০। আদম (রহঃ) … কায়স ইবনু আবূ হাযিম (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা অসুস্থ খাব্বাব (রাঃ) কে দেখতে গেলাম। এ সময় (তার পেটে চিকিৎসার জন্য) সাতবার দাগ লাগানো হয়েছিল। তখন তিনি বললেনঃ আমাদের সংগীরা যারা (পূর্বেই) ইন্তেকাল করেছেন তাঁরা এমতাবস্থায় চলে গেছেন যে, দুনিয়া তাঁদের আমলের সাওয়াবে কোন রকম কমতি করতে পারেনি। আর আমরা এমন জিনিস লাভ করেছি, যা মাটি ছাড়া অন্য কোথাও রাখার জায়গা পাই না। যদি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মৃত্যুর জন্য দুআ কামনা করতে নিষেধ না করতেন, তবে আমি মৃত্যুর জন্য দু’আ করতাম। এরপর আমরা অন্য এক সময় তার কাছে এসেছিলাম। তখন তিনি তার বাগানের দেয়াল তৈরী করছিলেন। তিনি বললেনঃ মুসলমান ব্যাক্তিকে তার সকল প্রকার ব্যয়ের উপর সওয়াব দান করা হয় তবে এ মাটিতে স্থাপিত জিনিসের কথা ভিন্ন।
হাদিস নম্বরঃ ৫২৭১ | 5271 | ۵۲۷۱
পরিচ্ছদঃ ২২৬৮. রোগীর মৃত্যু কামনা করা
৫২৭১। আবুল ইয়ামান (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি তোমাদের কাউকে তার নেক আমল জান্নাতে প্রবেশ করাতে সক্ষম হবে না। লোকজন প্রশ্ন করলঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনাকেও নয়? তিনি বললেনঃ আমাকেও নয়, ততক্ষন পর্যন্ত আল্লাহ আমাকে তার করুণা ও মেহেরবানীর দ্বারা ঢেকে না দেন। কাজেই মধ্যপন্থা অবলম্বন কর এবং নৈকট্য লাভের চেষ্টা করে যাও। আর তোমাদের মধ্যে কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে। কেননা, সে ভাল লোক হলে (বেশী বয়স পাওয়ার দরুন) তার নেক আমল বৃদ্ধি পাওয়ার সুযোগ পাবে। পক্ষান্তরে মন্দ লোক হলে সে লজ্জিত হয়ে তওবা করার সুযোগ লাভ করতে পারবে।
হাদিস নম্বরঃ ৫২৭২ | 5272 | ۵۲۷۲
পরিচ্ছদঃ ২২৬৮. রোগীর মৃত্যু কামনা করা
৫২৭২। আবদুল্লাহ ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) … আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমার পায়ের উপর হেলান দেওয়া অবস্থায় বলতে শুনেছি, হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দাও, আমার প্রতি অনুগ্রহ কর, আর আমাকে মহান বন্ধুর সঙ্গে মিলিয়ে দাও।
হাদিস নম্বরঃ ৫২৭৩ | 5273 | ۵۲۷۳
পরিচ্ছদঃ ২২৬৯. রোগীর জন্য পরিচর্যাকারীর দু’আ করা। আয়শা বিনত সা’দ তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাঃ) বলেছেনঃ হে আল্লাহ্! সা’দকে নিরাময় কর
৫২৭৩। মূসা ইবনু ইসমাইল (রহঃ) … আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিয়ম ছিল, তিনি যখন কোন রোগীর কাছে আসতেন কিংবা তার নিকট যখন কোন রোগীকে আনা হত তখন তিনি বলতেন কষ্ট দূর করে দাও হে মানুষের রব, শেফা দান কর, তুমিই একমাত্র শেফাদানকারী। তোমার শেফা ব্যতীত অন্য কোন শেফা নেই। এমন শেফা দান কর যা সামান্য রোগকেও অবশিষ্ট না রাখে। আমর ইবনু আবূ কায়স ও ইবরাহীম ইবনু তুহমান হাদীসটি মানসুর ইবরাহীম ও আবূযযোহা থেকে إِذَا أُتِيَ بِالْمَرِيضِ “যখন কোন রোগীকে আনা হতো”, এভাবে বর্ননা করেছেন। জারীর হাদীসটি মানসুর আবূযযোহা সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি “যখন রোগীর কাছে আসতেন” এ শব্দসহ বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নম্বরঃ ৫২৭৪ | 5274 | ۵۲۷٤
পরিচ্ছদঃ ২২৭০. রোগীর পরিচর্যাকারীর অযু করা
৫২৭৪। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) … জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে প্রবেশ করলেন তখন আমি ছিলাম অসুস্থ। তিনি উযূ (ওজু/অজু/অযু) করলেন। এরপর আমর শরীরের উপর উযূ (ওজু/অজু/অযু)র পানি ছিটিয়ে দিলেন। কিংবা বর্ণনাকারী বলেছেন এরপর তিনি উপস্থিত লোকদের বলেছেনঃ তার শরীরে পানি ছিটিয়ে দাও। ফলে আমি চেতনা ফিরে পেলাম। আমি বললাম কালালাহ (পিতাও নেই, সন্তানও নেই) ব্যতীত আমার কোন ওয়ারিস নেই। সুতরাং আমার পরিত্যক্ত সম্পদ কিভাবে বণ্টন করা হবে? তখন ফারায়েয সম্পর্কিত আয়াত নাযিল হয়।
