হাদিস নম্বরঃ ৫১৫৩ | 5153 | ۵۱۵۳
পরিচ্ছদঃ ২২১০. ঈদগাহে নহর ও কুরবানী করা
৫১৫৩। মুহাম্মদ ইবনু আবূ বকর মুকাদ্দামী (রহঃ) … নাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ (রাঃ) কুরবানী করার স্থানে কুরবানী করতেন। উবায়দুল্লাহ বলেনঃ অর্থাৎ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কুরবানী করার স্থানে (কুরবানী করতেন)।
হাদিস নম্বরঃ ৫১৫৪ | 5154 | ۵۱۵٤
পরিচ্ছদঃ ২২১০. ঈদগাহে নহর ও কুরবানী করা
৫১৫৪। ইয়াহইয়া ইবনু বুকায়র (রহঃ) … ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বললেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদগাহে যবাহ করতেন এবং নহর করতেন।
হাদিস নম্বরঃ ৫১৫৫ | 5155 | ۵۱۵۵
পরিচ্ছদঃ ২২১১. নবী (সাঃ) এর দুটি শিংবিশিষ্ট মেষ কুরবানী করা। সে দুটি মোটাতাজা ছিল বলেও উল্লেখিত হয়েছে। ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ (র) বলেছেন: আমি আবূ উমামা ইবন সাহল থেকে শুনেছি, তিনি বলেছেন, মাদীনায় আমরা কুরবানীর পশুগুলোকে মোটাতাজা করতাজ এবং অন্য মুসলমানরাও (তাদের কুরবানীর পশু) মোটাতাজা করতেন।
৫১৫৫। আদম ইবনু আবূ ইয়াস (রহঃ) … আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুটি মেষ দ্বারা কুরবানী আদায় করতেন। আমিও কুরবানী আদায় করতাম দুটি মেষ দিয়ে।
হাদিস নম্বরঃ ৫১৫৬ | 5156 | ۵۱۵٦
পরিচ্ছদঃ ২২১১. নবী (সাঃ) এর দুটি শিংবিশিষ্ট মেষ কুরবানী করা। সে দুটি মোটাতাজা ছিল বলেও উল্লেখিত হয়েছে। ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ (র) বলেছেন: আমি আবূ উমামা ইবন সাহল থেকে শুনেছি, তিনি বলেছেন, মাদীনায় আমরা কুরবানীর পশুগুলোকে মোটাতাজা করতাজ এবং অন্য মুসলমানরাও (তাদের কুরবানীর পশু) মোটাতাজা করতেন।
৫১৫৬। কুতায়বা (রহঃ) … আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি সাদা কলো রংবিশিষ্ট শিংওয়ালা ভেড়ার দিকে এগিয়ে গেলেন এবং নিজ হাতে সে দুটিকে যবাহ করলেন। ইসমাঈল ও হাতিম ইবনু ওয়ারদান এ হাদীসটি আইউব, ইবনু সীরীন, আনাস (রাঃ) সুত্রে বর্ণনা করেছেন। আইউব থেকেও অনুরূপ বর্ননা করেছেন।
হাদিস নম্বরঃ ৫১৫৭ | 5157 | ۵۱۵۷
পরিচ্ছদঃ ২২১১. নবী (সাঃ) এর দুটি শিংবিশিষ্ট মেষ কুরবানী করা। সে দুটি মোটাতাজা ছিল বলেও উল্লেখিত হয়েছে। ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ (র) বলেছেন: আমি আবূ উমামা ইবন সাহল থেকে শুনেছি, তিনি বলেছেন, মাদীনায় আমরা কুরবানীর পশুগুলোকে মোটাতাজা করতাজ এবং অন্য মুসলমানরাও (তাদের কুরবানীর পশু) মোটাতাজা করতেন।
৫১৫৭। আমর ইবনু খালিদ (রহঃ) … উকবা ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর পশু হিসাবে সাহাবীদের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়ার জন্য তাকে এক পাল বকরী দান করেন। সেখান থেকে একটি বকরীর বাচ্চা অবশিষ্ট রয়ে গেলে তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে তা উল্লেখ করেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ তুমি নিজে তা কুরবানী করে নাও।
হাদিস নম্বরঃ ৫১৫৮ | 5158 | ۵۱۵۸
পরিচ্ছদঃ ২২১২. আবু বুরদাহকে সম্বোধন করে নবী (সাঃ) এর উক্তিঃ তুমি বকরীর বাচ্চাটি কুরবানী করে নাও। তোমার পরে অন্য কারোর জন্য এ অনুমতি থাকবে না
৫১৫৮। মুসাদ্দাদ (রহঃ) … বারা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ বুরদাহ (রাঃ) নামক আমার এক মামা সালাত (নামায/নামাজ) আদায়ের পূর্বেই কুরবানী করেছিলেন। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন তোমার বকরী কেবল গোশতের বকরী হল। তিনি বললেন ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমার নিকট একটি ঘরে পোষা বকরীর বাচ্চা রয়েছে। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সেটাকে কুরবানী করে নাও। তবে তা তুমি ব্যতীত অন্য কারোর জন্য ঠিক হবে না। এরপর তিনি বললেন যে ব্যাক্তি; সালাত (নামায/নামাজ) আদায়ের পুর্বে যবাহ করেছে, সে নিজের জন্যই যবাহ করেছে (কুরবানীর জন্য নয়) আর যে ব্যাক্তি সালাত (নামায/নামাজ) আদায়ের পর যবাহ করেছে তার কুরবানী পূর্ণ হয়েছে। আর সে মুসলমানদের নীতি-পদ্ধতি অনুসরনই করেছে।
শাবী ও ইবরাহীম থেকে উবায়দা (রহঃ) অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। হুরায়স সুত্রে শাবী থেকে ওয়াকী অনুরূপ বর্ণনা করেন। শাবী থেকে আসিম ও দাউদ আমার নিকট পাঁচ মাসের দুধের বকরীর বাচ্চা আছে বলে বর্ণনা করেছেনঃ আবূল আহওয়াস বলেনঃ মানসুর আমাদের কাছে দুই মাসের দুধের বাচ্চা আছে বলে বর্ণনা করেছেন ইবনু আউন বলেছেনঃ দুধের বাচ্চা।
হাদিস নম্বরঃ ৫১৫৯ | 5159 | ۵۱۵۹
পরিচ্ছদঃ ২২১২. আবু বুরদাহকে সম্বোধন করে নবী (সাঃ) এর উক্তিঃ তুমি বকরীর বাচ্চাটি কুরবানী করে নাও। তোমার পরে অন্য কারোর জন্য এ অনুমতি থাকবে না
৫১৫৯। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) … বারা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আবূ বুরদা (রাঃ) সালাত (নামায/নামাজ) আদায়ের পুর্বে যবাহ করেছিলেন। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন এটার বদলে আরেকটি যবাহ কর। তিনি বললেনঃ আমার কাছে একটি ছয়-সাত মাসের বকরীর বাচ্চা ব্যতীত কিছুই নেই। শু’বা বলেন, আমার ধারনা তিনি আরো বলেছেন যে, বকরীর বাচ্চাটি পূর্ন এক বছরের বকরীর চাইতে উত্তম। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তা হলে এটিকেই যবাহ কর। কিন্তু তোমার পরে অন্য কারোর জন্য কখনো এই অনুমতি থাকবে না। হাতিম ইবনু ওয়ারদান এ হাদীসটি আইউব, মুহাম্মাদ, আনাস (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে (দুধের বাচ্চা) শব্দে বর্ণনা করেছেন।
