হাদিস নম্বরঃ ৫০৫১ | 5051 | ۵۰۵۱
পরিচ্ছদঃ ২১৪৭. আজওয়া খেজুর প্রসঙ্গে
৫০৫১। জুম্আ ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) … সা’দ (রাঃ) তার পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি প্রত্যহ সকালে সাতটি আজওয়া (উৎকৃষ্ট) খেজুর খাবে, সেদিন তাকে কোন বিষ ও যাদু ক্ষতি করবে না।
হাদিস নম্বরঃ ৫০৫২ | 5052 | ۵۰۵۲
পরিচ্ছদঃ ২১৪৮. একসঙ্গে মিলিয়ে একাধিক খেজুর খাওয়া
৫০৫২। আদম (রহঃ) … জাবাল ইবনু সুহায়ম (রহঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, ইবনু যুবায়র এর আমলে আমাদের উপর দুর্ভিক্ষ পতিত হল। তখন তিনি খাদ্য হিসাবে আমাদের কিছু খেজুর দিলেন। আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) আমাদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে সময় আমরা খাচ্ছিলাম। তিনি বললেনঃ একত্রে একাধিক খেজুর খেয়ো না। কেননা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একত্রে একাধিক খেজুর খেতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, তবে কেউ যদি তার ভাইকে অনুমতি দেয় তাহলে এতে কোন দোষ নেই। শুবা বলেন, অনুমতির বিষয়টি ইবনু উমরের নিজের কথা।
হাদিস নম্বরঃ ৫০৫৩ | 5053 | ۵۰۵۳
পরিচ্ছদঃ ২১৪৯. কাঁকুড় প্রসঙ্গে
৫০৫৩। ইসমাঈল ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) … আবদুল্লাহ ইবনু জাফর (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কাকুড় (ক্ষীরা বা শসা জাতীয় ফল) এর সাথে খেজুর খেতে দেখেছি।
হাদিস নম্বরঃ ৫০৫৪ | 5054 | ۵۰۵٤
পরিচ্ছদঃ ২১৫০. খেজুর বৃক্ষের বরকত
৫০৫৪। আবূ নু’আয়ম (রহঃ) … ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্নিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বৃক্ষসমূহের মধ্যে একটি বৃক্ষ আছে, যা (বরকত ও উপকারিতায়) মুসলমানের সদৃশ আর তা হলো- খেজুর গাছ।
হাদিস নম্বরঃ ৫০৫৫ | 5055 | ۵۰۵۵
পরিচ্ছদঃ ২১৫১. একই সঙ্গে দু’রকম খাদ্য বা সু-স্বাদের খাদ্য খাওয়া
৫০৫৫। ইবনু মুকাতিল (রহঃ) … আবদুল্লাহ ইবনু জাফর (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কাঁকুড়ের সাথে খেজুর খেতে দেখেছি।
হাদিস নম্বরঃ ৫০৫৬ | 5056 | ۵۰۵٦
পরিচ্ছদঃ ২১৫২. দশজন দশজন করে মেহমান ভিতরে ডাকা এবং দশজন দশজন করে আহারে বসা
৫০৫৬। সালত ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) … আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তার মা উম্মে সুলায়ম (রাঃ) এক মুদ যব নিয়ে তা পিষলেন এবং এ দিয়ে ‘খতীফা’ (দুধ ও আটা মিশ্রিত) তৈরী করলেন এবং ঘি এর পাত্র নিংড়িয়ে দিলেন। তারপর তিনি আমাকে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পাঠালেন। তিনি সাহাবাদের মাঝে ছিলেন। এ সময় আমি তার কাছে এসে তাকে দাওয়াত করলাম। তিনি বললেনঃ আমার সঙ্গে যারা আছে? আমি বাড়ীতে এসে বললাম। সে জিজ্ঞেস করছেন আমার সঙ্গে যারা আছে? তারপর আবূ তালহা (রাঃ) তার কাছে গিয়ে বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! এতো অতি সামান্য খাবার যা উম্মে সুলায়ম তৈরী করেছে। এরপর তিনি আসলেন। তার কাছে সেগুলো আনা হল। তিনি বললেনঃ দশ জনকে আমার কাছে প্রবেশ করতে দাও। তারা এসে তৃপ্তি সহকারে খেলেন। তিনি পুনরায় বললেনঃ আরো দশজনকে আমার কাছে প্রবেশ করতে দাও। তারা এসে পরিতৃপ্ত হয়ে খেলেন। তিনি আবার বলেনঃ আরো দশজনকে আমার কাছে আসতে দাও। এভাবে তিনি শেষ সংখ্যা পর্যন্ত উল্লেখ করলেন। তারপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খেলেন এবং চলে গেলেন। আমি দেখতে লাগলাম, তা থেকে কিছু কমেছে কিনা? অর্থাৎ কিছুমাত্র কমেনি।
হাদিস নম্বরঃ ৫০৫৭ | 5057 | ۵۰۵۷
পরিচ্ছদঃ ২১৫৩. রসূন ও (দুর্গন্ধ যুক্ত) তরকারী মাকরূহ হওয়া প্রসঙ্গে। এ ব্যাপারে ইব্ন উমার (রা) থেকে রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) এর হাদীস বর্ণিত হয়েছে
৫০৫৭। মুসাদ্দাদ (রহঃ) … আবদূল আযীয (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আনাস (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করা হল আপনি রসুনের ব্যাপারে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছ থেকে কী শুনেছেন? তিনি বললেনঃ যে ব্যাক্তি তা খাবে সে যেন আমাদের মসজিদের কাছেও না আসে (এ উক্তি)।
হাদিস নম্বরঃ ৫০৫৮ | 5058 | ۵۰۵۸
পরিচ্ছদঃ ২১৫৩. রসূন ও (দুর্গন্ধ যুক্ত) তরকারী মাকরূহ হওয়া প্রসঙ্গে। এ ব্যাপারে ইব্ন উমার (রা) থেকে রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) এর হাদীস বর্ণিত হয়েছে
৫০৫৮। আলী ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) … আতা (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) মনে করেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি রসূন বা পেঁয়াজ খাবে সে যেন আমাদের থেকে দুরে থাকে। অথবা তিনি বলেছেনঃ সে যেন আমাদের মসজিদ থেকে দুরে থাকে।
হাদিস নম্বরঃ ৫০৫৯ | 5059 | ۵۰۵۹
পরিচ্ছদঃ ২১৫৪. কাবাছ-পিলু গাছের পাতা প্রসঙ্গে
৫০৫৯। সাঈদ ইবনু উফায়র (রহঃ) … জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মক্কার যাহরান নামক স্থানে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম এবং পিলু ফল পাড়ছিলাম। তিনি বললেনঃ কালোটা নিও। কেননা, সেটা সুস্বাদু। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলোঃ আপনি কি বকরী চরিয়েছেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। এমন নাবী নেই যিনি বকরী চরান নি।
হাদিস নম্বরঃ ৫০৬০ | 5060 | ۵۰٦۰
পরিচ্ছদঃ ২১৫৫. আহারের পর কুলি করা
৫০৬০। আলী ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) … সুওয়ায়দ ইবনু নূমান (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেনঃ আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে খায়বার অভিযানে রওয়ানা হলাম। সাহবা নামক স্থানে পৌছলে তিনি খাবার আনতে বললেন। কিন্তু ছাতু ছাড়া আর কিছু আনা হল না। আমরা তা-ই খেলাম। তারপর সালাত (নামায/নামাজ)-এর জন্য উঠে কুলি করলেন। আমরাও কুলি করলাম। ইয়াহইয়া বলেনঃ আমি বুশায়রকে সুওয়ায়েদ সুত্রে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে খায়বরের দিকে রওয়ানা হলাম। আমরা যখন সাহবা নামক স্থানে পৌহুলাম, ইয়াহইয়া বলেন, এ স্থানটি খায়বর থেকে এক মনযিলের পথে, তিনি খাবার নিয়ে আসতে বললেন। কিন্তু ছাতু ছাড়া অন্য কিছু আনা হলো না। আমরা তাই মুখে দিয়ে নাড়াচাড়া করে খেয়ে ফেললাম। তিনি পানি আনতে বললেন এবং কুলি করলেন, আমরাও কুলি করলাম। এরপর তিনি আমাদের নিয়ে মাগরিবের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলেন। কিন্তু উযূ (ওজু/অজু/অযু) করলেন না।
