হাদিস নম্বরঃ ৫৮৮৩ | 5883 | ۵۸۸۳
পরিচ্ছদঃ ২৬২৮. পায়খানায় প্রবেশ করার সময় দু’আ
৫৮৮৩। মুহাম্মদ ইবনু আরআরা (রহঃ) … আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বর্ননা করেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পায়খানায় প্রবেশ করতেন, তখন তিনি বলতেনঃ ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে যাবতীয় পূরুষ ও স্ত্রী জাতীয় শয়তানদের থেকে পানা চাচ্ছি।
হাদিস নম্বরঃ ৫৮৮৪ | 5884 | ۵۸۸٤
পরিচ্ছদঃ ২৬২৯. ভোর হলে কি দু’আ পড়বে
৫৮৮৪। মুসাদ্দাদ (রহঃ) … সাদ্দাদ ইবনু আওস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সাইয়্যিদুল ইন্তিগফার হলঃ ‘ইয়া-আল্লাহ! আপনিই আমার পালনকর্তা। আপনি ছাড়া আর কোন মাবুদ নেই। আপনিই আমাকে সৃষ্টি করেছেন, আর আমি আপনারই গোলাম। আর আমি আমার সাধ্যানুযায়ী আপনার সঙ্গে কৃত প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর সুদৃঢ়ভারে কায়েম আছি। আমি আমার প্রতি আপনার নিয়ামাত স্বীকার করছি এবং কৃতগুনাহসমূহ স্বীকার করছি। সুতরাং আমাকে ক্ষমা করে দিন। কারণ আপনি ছাড়া ক্ষমা করার আর কেউ নেই। আমি আমার কৃতগুনাহের মন্দ পরিণাম থেকে আপনারা কাছে পানাহ চাচ্ছি। যে ব্যাক্তি সন্ধ্যা বেলায় এ দুআ পড়বে আর এ রাতেই মারা যায় সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। রাবী বলেন, অথবা তিনি বলেছেনঃ সে হবে জান্নাতী। আর যে ব্যাক্তি সকালে এ দুআ পড়বে, আর এ দিনই মারা যায় সেও অনুরুপ জান্নাতী হবে।
হাদিস নম্বরঃ ৫৮৮৫ | 5885 | ۵۸۸۵
পরিচ্ছদঃ ২৬২৭. মধ্যরাতের দু’আ
৫৮৮৫। আবূ নুয়ায়ম (রহঃ) … হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ঘুমাতে চাইতেন, তখন বলতেনঃ ইয়া আল্লাহ! আমি আপনায় নামেই মরি এবং জীবিত হই। আর তিনি যখন ঘূম থেকে সজাগ হতেন তখন বলতেনঃ আল্লাহ তা’আলারই যাবতীয় প্রসংসা যিনি আমাদের (নিদ্রা জাতীয়) ওফাত দেওয়ার পর আবার নতুন জীবন দান করেছেন। আর অবশেষে তারই কাছে আমাদের পুনরুত্থান হবে।
হাদিস নম্বরঃ ৫৮৮৬ | 5886 | ۵۸۸٦
পরিচ্ছদঃ ২৬২৯. ভোর হলে কি দু’আ পড়বে
৫৮৮৬। আবদান (রহঃ) … আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রাতে বিছানায় যেতেন তখন দুআ পড়তেনঃ ইয়া আল্লাহ! আমি আপনারই নামে মরি এবং জীবিত হই। আর যখন তিনি জেগে উঠতেন তখন বলতেনঃ সকল প্রশংসা আল্লাহরই যিনি আমাদের জীবিত করেছেন, (নিদ্রা জাতীয়) মৃত্যর পর এবং তারই কাছে পুনরুত্থান সুনিশ্চিত।
হাদিস নম্বরঃ ৫৮৮৭ | 5887 | ۵۸۸۷
পরিচ্ছদঃ ২৬৩০. সালাতের মধ্যে দু’আ পড়া
৫৮৮৭। আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) … আবূ বকর সিদ্দিকী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। একবার তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বললেনঃ আপনি আমাকে এমন একটি দুআ শিখিয়ে দিন, যা দিয়ে আমি সালাতে দু’আ করব। তিনি বললেনঃ তুমি সালাতে পড়বেঃ ইয়া আল্লাহ! আমি আমার নিজের উপর অনেক বেশী যুলম করে ফেলেছি। আপনি ছাড়া আমার গুনাহ মাফ করার আর কেউ নেই। অতএব আপনি আপনার পক্ষ থেকে আমাকে মাফ করে দিন। আর আমার প্রতি দয়া করূন। নিশ্চইয় আপনি ক্ষমাশীল ও অতি দয়ালু।
হাদিস নম্বরঃ ৫৮৮৮ | 5888 | ۵۸۸۸
পরিচ্ছদঃ ২৬৩০. সালাতের মধ্যে দু’আ পড়া
৫৮৮৮। আলী (রহঃ) … আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে (আল্লাহর বানী) … সালাতে স্বর উচ্চ করবে না এবং অতিশয় ক্ষীণও করবে না …।” এ আয়াতটি দুআ সম্পর্কেই নাযিল করা হয়েছে।
হাদিস নম্বরঃ ৫৮৮৯ | 5889 | ۵۸۸۹
পরিচ্ছদঃ ২৬৩০. সালাতের মধ্যে দু’আ পড়া
৫৮৮৯। উসমান ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) … আবদুল্লাহ বলেন, আমরা সালাতে বলতামঃ “আসসালামু আলাল্লাহ, আসসালামু আলা ফুলানিন” তখন একদিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বললেনঃ আল্লাহ তাআলা তিনি নিজেই সালাম। সুতরাং তোমাদের কেউ যখন সালাতে বসবে, তখন সে যেন التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ … الصَّالِحِينَ পড়ে। সে যখন এতটুকু পড়বে তখন আসমান যমীনের আল্লাহর সব নেক বান্দাদের নিকট তা পৌছে যাবে। তারপর বলবেঃ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ তারপর হামদ সানা যা ইচ্ছা পড়তে পারবে।
হাদিস নম্বরঃ ৫৮৯০ | 5890 | ۵۸۹۰
পরিচ্ছদঃ ২৬৩১. সালাতের পরের দু’আ
৫৮৯০। ইসহাক (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। গরীব সাহাবীগণ বলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! ধনশীল লোকেরা তো উচ্চমর্যাদা ও চিরস্থায়ী নিয়ামত নিয়ে আমাদের থেকে এগিয়ে গেলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ তা কেমন করে? তারা বললেনঃ আমরা যে রকম সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করি, তারাও সে রকম সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেন। আমরা সে রূপ জিহাদ করি, তারাও সেরূপ জিহাদ করেন এবং তারা তাদের অতিরিক্ত মাল দিয়ে সাদাকা-খায়রাত করেন; কিন্তু আমাদের কাছে সম্পদ নেই। তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাদের একটি আমল বাতলে দেবনা, যে আমল দ্বারা তোমরা তোমাদের পূর্ববর্তীদের মর্যাদা অর্জন করতে পারবে, আর তোমাদের পরবর্তীদের চাইতে এগিয়ে যেতে পারবে, আর তোমাদের অনুরূপ আমল কেউ করতে পরেবে না, কেবলমাত্র যারা তোমাদের ন্যায় আমল করবে তারা ব্যতীত। সে আমল হলো তোমরা প্রত্যেক সালাত (নামায/নামাজ) এর পর ১০ বার সুবহানাল্লাহ, ১০ বার আলহামদুলিল্লাহ্ এবং ১০ বার আল্লাহ আকবর পাঠ করবে।
