৪৫০০। মুসাদ্দাদ (রহঃ) … ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময় চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছে। এর এক খণ্ড পাহাড়ের উপর এবং অপর খণ্ড পাহাড়ের নিচে পড়েছিল। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা সাক্ষী থাক।
হাদিস নম্বরঃ ৪৫০১ | 4501 | ٤۵۰۱
পরিচ্ছদঃ আল্লাহ্র বাণীঃ “চন্দ্র বিদীর্ণ হয়েছে, তারা কোন নিদর্শন দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেয় (৫৪ঃ ১-২)
৪৫০১। আলী (রহঃ) … আবদুল্লাহ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, চন্দ্র বিদীর্ণ হল, এ সময় আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। এবং তা দু’টুকরা হয়ে গেল। তখন তিনি আমাদের বললেন, “তোমরা সাক্ষী থাক, তোমরা সাক্ষী থাক”।
হাদিস নম্বরঃ ৪৫০২ | 4502 | ٤۵۰۲
পরিচ্ছদঃ আল্লাহ্র বাণীঃ “চন্দ্র বিদীর্ণ হয়েছে, তারা কোন নিদর্শন দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেয় (৫৪ঃ ১-২)
৪৫০২। ইয়াহইয়া ইবনু বুকায়র (রহঃ) … ইবনু আব্বাস (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যামানায় চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছিল।
হাদিস নম্বরঃ ৪৫০৩ | 4503 | ٤۵۰۳
পরিচ্ছদঃ আল্লাহ্র বাণীঃ “চন্দ্র বিদীর্ণ হয়েছে, তারা কোন নিদর্শন দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেয় (৫৪ঃ ১-২)
৪৫০৩। আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) … আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন- মক্কাবাসীরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে একটি নিদর্শন দেখানোর দাবি জানালো। তখন তিনি তাদের চাঁদ বিদীর্ণ হওয়ার নিদর্শন দেখালেন।
হাদিস নম্বরঃ ৪৫০৪ | 4504 | ٤۵۰٤
পরিচ্ছদঃ আল্লাহ্র বাণীঃ “চন্দ্র বিদীর্ণ হয়েছে, তারা কোন নিদর্শন দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেয় (৫৪ঃ ১-২)
৪৫০৪। মুসাদ্দাদ (রহঃ) … আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন- চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত হয়েছে।
হাদিস নম্বরঃ ৪৫০৫ | 4505 | ٤۵۰۵
পরিচ্ছদঃ আল্লাহ্র বাণীঃ “যা চলত আমার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এ-ই পুরস্কার তাঁর জন্য, যে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। আমি একে রেখে দিয়েছি এক নিদর্শনরূপে; অতএব উপদেশ গ্রহনকারী কেউ আছে কি?” (৫৪ঃ ১৫-১৫) কাতাদা (রহঃ) বলেন, আল্লাহ্ তা’আলা নুহ (আঃ) এর নৌকাটি রেখে দিয়েছেন। ফলে এ উম্মতের প্রথম যুগের লোকেরাও তা পেয়েছে।
৪৫০৫। হাফস ইবনু উমর (রহঃ) … আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন- নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ পড়তেন।
হাদিস নম্বরঃ ৪৫০৬ | 4506 | ٤۵۰٦
পরিচ্ছদঃ আল্লাহ্র বাণীঃ “আমি কুরআন সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহনের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহনকারী কেউ আছে কি? মুজাহিদ (রহঃ) বলেন, يسرنا আমি এর পঠন পদ্ধতি সহজ করে দিয়েছি।
৪৫০৬। মুসাদ্দাদ (রহঃ) … আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন- নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ পড়তেন। (মূল পাঠে ছিল مذكر কিন্তু আরবী ব্যাকরণের বিধান অনুযায়ী কুরআনে ব্যবহৃত হয়েছে مُدَّكِرٍ)
হাদিস নম্বরঃ ৪৫০৭ | 4507 | ٤۵۰۷
পরিচ্ছদঃ আল্লাহ্র বাণীঃ “উন্মুলিত খেজুর কান্ডের ন্যায়, কী কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী” (৫৪ঃ ২০-২১)
৪৫০৭। আবূ নু’আঈম (রহঃ) … আবূ ইসহাক (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি এক ব্যাক্তি আল-আসওয়াদ (রহঃ) এর নিকট জিজ্ঞেস করেছেন যে, আয়াতের মধ্যে فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ নাকি مُذَّكِرٍ? তিনি বললেন, “আমি আবদুল্লাহকে আয়াতখানা فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ পড়তে শুনেছি। তিনি বলেছেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে আয়াতখানা ‘দাল’ দিয়ে পড়তে শুনেছি”।
হাদিস নম্বরঃ ৪৫০৮ | 4508 | ٤۵۰۸
পরিচ্ছদঃ আল্লাহ্র বাণীঃ “ফলে তারা হয়ে গেল খোঁয়াড় প্রস্তুতকারী দ্বিখন্ডিত শুস্ক, শাখা-প্রশাখার ন্যায়। আমি কুরআনকে উপদেশ গ্রহনের জন্য সহজ করে দিয়েছি; অতএব উপদেশ গ্রহনকারী কেউ আছে কি? (৫৪ঃ ৩১-৩২)
৪৫০৮। আবদান (রহঃ) … আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ পড়েছেন।
হাদিস নম্বরঃ ৪৫০৯ | 4509 | ٤۵۰۹
পরিচ্ছদঃ আল্লাহ্র বাণীঃ প্রত্যুষে বিরামহীন শাস্তি তাদেরকে আঘাত করল এবং আমি বললাম, আস্বাদন কর আমার শাস্তি ও সতর্কবাণীর পরিনাম।
৪৫০৯। মুহাম্মদ (রহঃ) … আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ পড়েছেন।
হাদিস নম্বরঃ ৪৫১০ | 4510 | ٤۵۱۰
পরিচ্ছদঃ আল্লাহ্র বাণীঃ ولقد أهلكنا أشياعكم فهل من مدكر “আমি ধ্বংস করেছি তোমাদের মত দলগুলোকে, অতএব, তা থেকে উপদেশ গ্রহনকারী কেউ আছে কি?” (৫৪ঃ ৫১)
৪৫১০। ইয়াহইয়া (রহঃ) … আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ তিনি বলেন- আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে فَهَلْ مِنْ مُذَّكِرٍ পড়ার পর তিনি বললেনঃ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ
হাদিস নম্বরঃ ৪৫১১ | 4511 | ٤۵۱۱
পরিচ্ছদঃ আল্লাহ্র বাণীঃ سيهزم الجمع ويولون الدبر “এ দল তো শীঘ্র পরাজিত হবে এবং পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে (৫৪ঃ ৫৫)
৪৫১১। মুহাম্মদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু হাওশাব (রহঃ) … মুহাম্মদ ইবনু ইয়াহইইয়া (রহঃ) … ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদর যুদ্ধের দিন একটি ছোট্ট তাঁবুতে অবস্থান করে এ দু’আ করেছিলেন- “হে আল্লাহ! আমি তোমাকে তোমার ওয়াদা ও অঙ্গীকার বাস্তবায়নের আবেদন করছি! হে আল্লাহ! যদি তুমি চাও, আজকের পর তোমার ইবাদত আর না করা হোক” … ঠিক এ সময়ই আবূ বকর সিদ্দিক (রাঃ) তাঁর হাত ধরে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! “যথেষ্ট হয়েছে। আপনি আপনার রবের নিকট অনুনয়-বিনয়ের সাথে বহু দু’আ করেছেন”। এ সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ম পরা অবস্থায় দাঁড়িয়ে গেলেন। এরপর তিনি তাঁবু থেকে বেরিয়ে গেলেন দুটি আয়াত পড়তে পড়তে, “এ দল তো শীঘ্রই পরাজিত হবে এবং পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে। অধিকন্তু কিয়ামত তাদের আযাবের নির্ধারিতকাল এবং কিয়ামত হবে কঠিনতর ও তিক্ততর” (৫৪: ৪৫-৪৬)।
