আয়াতঃ 026.076
তোমরা এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষেরা ?
“Ye and your fathers before you?-
أَنتُمْ وَآبَاؤُكُمُ الْأَقْدَمُونَ
Antum waabaokumu al-aqdamoona
YUSUFALI: “Ye and your fathers before you?-
PICKTHAL: Ye and your forefathers!
SHAKIR: You and your ancient sires.
KHALIFA: “You and your ancestors.
৭৩। সে বলেছিলো, ” তোমরা যখন [তাদের ] ডাক, তারা কি শোনে ,অথবা উহারা কি তোমাদের উপকার কিংবা অপকার করতে পারে ? ”
৭৪। তারা বলেছিলো, ” না , কিন্তু আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের [আমরা যা করি ] সেরূপ করতে দেখেছি। ”
৭৫। সে বলেছিলো, ” তোমরা কি ভেবে দেখেছ , কিসের পূঁজা করছো ?
৭৬। ” তোমরা এবং তোমাদের অতীত পিতৃপুরুষেরা ?
৭৭। ” জগত সমূহের প্রভু এবং প্রতিপালক ব্যতীত ; নিশ্চয়ই তারা আমার শত্রু। ৩১৭৭
৩১৭৭। হযরত ইব্রাহীমের বক্তব্য ছিলো : যে বস্তু তোমরা পূঁজা কর তা মানব সম্প্রদায়ের শত্রু। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হচ্ছে ঐ বস্তুগুলি আমার শত্রু। ওগুলি আমার কোনও উপকার করার ক্ষমতা রাখে না , কিন্তু আমাকে বিপথে চালিত করার ক্ষমতা রাখে। তুলনা কর সর্বশক্তিমান আল্লাহ্র ক্ষমতার সাথে তাদের অক্ষমতা। আল্লাহ্ আমাকে এবং সারা বিশ্বজাহানকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি আমার প্রতিপালক এবং জীবন পথের প্রদর্শক। তিনি আমার রক্ষণাবেক্ষণ করেন। আমার মৃত্যুর পরে তিনি আমাকে পুনরুত্থান করে নূতন জীবন দান করবেন। তিনি আমাকে ক্ষমা করবেন এবং আমার আত্মাকে মুক্তি দেবেন। এর পরেও কি তোমরা আল্লাহ্র এবাদত করবে না ? মূর্তিপূঁজা ও আল্লাহ্র এবাদত কি অন্ধকার আলোর সমতুল্য নয় ?
আয়াতঃ 026.077
বিশ্বপালনকর্তা ব্যতীত তারা সবাই আমার শত্রু।
“For they are enemies to me; not so the Lord and Cherisher of the Worlds;
فَإِنَّهُمْ عَدُوٌّ لِّي إِلَّا رَبَّ الْعَالَمِينَ
Fa-innahum AAaduwwun lee illa rabba alAAalameena
YUSUFALI: “For they are enemies to me; not so the Lord and Cherisher of the Worlds;
PICKTHAL: Lo! they are (all) an enemy unto me, save the Lord of the Worlds,
SHAKIR: Surely they are enemies to me, but not (so) the Lord of the worlds;
KHALIFA: “I am against them, for I am devoted only to the Lord of the universe.
৭৩। সে বলেছিলো, ” তোমরা যখন [তাদের ] ডাক, তারা কি শোনে ,অথবা উহারা কি তোমাদের উপকার কিংবা অপকার করতে পারে ? ”
৭৪। তারা বলেছিলো, ” না , কিন্তু আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের [আমরা যা করি ] সেরূপ করতে দেখেছি। ”
৭৫। সে বলেছিলো, ” তোমরা কি ভেবে দেখেছ , কিসের পূঁজা করছো ?
৭৬। ” তোমরা এবং তোমাদের অতীত পিতৃপুরুষেরা ?
৭৭। ” জগত সমূহের প্রভু এবং প্রতিপালক ব্যতীত ; নিশ্চয়ই তারা আমার শত্রু। ৩১৭৭
৩১৭৭। হযরত ইব্রাহীমের বক্তব্য ছিলো : যে বস্তু তোমরা পূঁজা কর তা মানব সম্প্রদায়ের শত্রু। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হচ্ছে ঐ বস্তুগুলি আমার শত্রু। ওগুলি আমার কোনও উপকার করার ক্ষমতা রাখে না , কিন্তু আমাকে বিপথে চালিত করার ক্ষমতা রাখে। তুলনা কর সর্বশক্তিমান আল্লাহ্র ক্ষমতার সাথে তাদের অক্ষমতা। আল্লাহ্ আমাকে এবং সারা বিশ্বজাহানকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি আমার প্রতিপালক এবং জীবন পথের প্রদর্শক। তিনি আমার রক্ষণাবেক্ষণ করেন। আমার মৃত্যুর পরে তিনি আমাকে পুনরুত্থান করে নূতন জীবন দান করবেন। তিনি আমাকে ক্ষমা করবেন এবং আমার আত্মাকে মুক্তি দেবেন। এর পরেও কি তোমরা আল্লাহ্র এবাদত করবে না ? মূর্তিপূঁজা ও আল্লাহ্র এবাদত কি অন্ধকার আলোর সমতুল্য নয় ?
আয়াতঃ 026.078
যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনিই আমাকে পথপ্রদর্শন করেন,
“Who created me, and it is He Who guides me;
الَّذِي خَلَقَنِي فَهُوَ يَهْدِينِ
Allathee khalaqanee fahuwa yahdeeni
YUSUFALI: “Who created me, and it is He Who guides me;
PICKTHAL: Who created me, and He doth guide me,
SHAKIR: Who created me, then He has shown me the way:
KHALIFA: “The One who created me, and guided me.
৭৮। ” যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং তিনিই আমাকে সুপথে পরিচালনা করেন।
৭৯। ” যিনি আমাকে খাদ্য ও পানীয় দান করেন।
৮০। ” এবং যখন আমি অসুস্থ থাকি , তিনিই আমাকে আরোগ্য করেন।
৮১। ” যিনি আমার মৃত্যু ঘটাবেন এবং তারপরে [ পুণরায় ] জীবিত করবেন।
৮২। ” এবং আমি আশা করি তিনি শেষ বিচারের দিনে আমার অপরাধ ক্ষমা করে দেবেন।
৮৩। ” হে আমার প্রভু ! আমাকে প্রজ্ঞা দান কর, এবং আমাকে পূণ্যাত্মাদের সাথে মিলিত করে দাও। ” ৩১৭৮
৩১৭৮। সত্য ও মিথ্যার মধ্যে প্রভেদ করার পরে হযরত ইব্রাহীম তাঁর অন্তরের ইচ্ছাকে ব্যক্ত করেন প্রার্থনার মাধ্যমে। ১) তিনি তাঁর আত্মাকে উদ্ভাসিত করতে চান স্বর্গীয় জ্ঞানে [ ৮৩ ]। ২) তাঁর জীবন ও আত্মাকে সৎ কার্যে পূর্ণ করতে চান, যেনো তিনি পূণ্যাত্মাদের অর্ন্তভুক্ত হতে পারেন [ ৮৩ ]। ৩) তিনি শুধুমাত্র নিজের জন্য বা তাঁর সমসাময়িক সম্প্রদায়ের জন্য কাজ করেই পরিতৃপ্ত নন। তিনি ভবিষ্যত প্রজন্মের মাঝেও তার সুকৃতি বিস্তার করতে চান [৮৪]। ৪) তাঁর জীবনের লক্ষ্য হচ্ছে বেহেশতের সুখ ও শান্তি এবং মোমেন বান্দারূপে আল্লাহ্ দরবারে স্বীকৃতি [৮৫]। ৫) তিনি তাঁর পথভ্রষ্ট পিতা ও অন্যান্য পরলোকগত আত্নীয়দের সাথে তাঁর আধ্যাত্মিক সুখ ও শান্তি ভোগ করতে চান। সে জন্য তাদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। যেনো শেষ বিচারের দিনে আল্লাহ্ তাদের ক্ষমা করেন [ ৮৬ ]।
