YUSUFALI: We see the turning of thy face (for guidance to the heavens: now Shall We turn thee to a Qibla that shall please thee. Turn then Thy face in the direction of the sacred Mosque: Wherever ye are, turn your faces in that direction. The people of the Book know well that that is the truth from their Lord. Nor is Allah unmindful of what they do.
PICKTHAL: We have seen the turning of thy face to heaven (for guidance, O Muhammad). And now verily We shall make thee turn (in prayer) toward a qiblah which is dear to thee. So turn thy face toward the Inviolable Place of Worship, and ye (O Muslims), wheresoever ye may be, turn your faces (when ye pray) toward it. Lo! Those who have received the Scripture know that (this revelation) is the Truth from their Lord. And Allah is not unaware of what they do.
SHAKIR: Indeed We see the turning of your face to heaven, so We shall surely turn you to a qiblah which you shall like; turn then your face towards the Sacred Mosque, and wherever you are, turn your face towards it, and those who have been given the Book most surely know that it is the truth from their Lord; and Allah is not at all heedless of what they do.
KHALIFA: We have seen you turning your face about the sky (searching for the right direction). We now assign a Qiblah that is pleasing to you. Henceforth, you shall turn your face towards the Sacred Masjid. Wherever you may be, all of you shall turn your faces towards it. Those who received the previous scripture know that this is the truth from their Lord. GOD is never unaware of anything they do.
১৪৪। [নির্দেশের জন্য] আকাশের দিকে তোমার বার বার তাকানোকে আমি লক্ষ্য করি ১৪৭। সুতরাং এখন তোমাকে এমন কিব্লার প্রতি ফিরিয়ে দেবো যা তোমাকে সন্তুষ্ট করবে। অতএব, তুমি মসজিদুল হারামের দিকে মুখ ফিরাও ১৪৮। তোমরা যেখানেই থাক না কেন তোমরা উহার দিকে মুখ ফিরাবে। কিতাব প্রাপ্তরা ভালভাবেই জানে যে, উহা তাদের প্রভুর প্রেরিত সত্য ১৪৯। তারা যা করে আল্লাহ্ সে সম্বন্ধে অমনোযোগী নন।
১৪৭। এই আয়াত [২:১৪৪] থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় আমাদের নবীর (সাঃ) কিব্লার দিক সম্পর্কে স্বর্গীয় নির্দেশের জন্য আন্তরিকতা, আকুলতা। যতদিন পর্যন্ত মুসলমানেরা তাদের নিয়ম-নীতি অনুযায়ী এক বিশেষ সম্প্রদায়ে পরিণত না হয়েছে ততদিন আমাদের রাসূল (সাঃ) ইহুদী ও খৃষ্টান সম্প্রদায়ের কিব্লা জেরুজালেমের অনুসরণ করতেন। কিন্তু সমস্ত ইহুদী ও খৃষ্টানেরা একই কিব্লা অনুসরণ করতো না। কিছু কিছু ইহুদী বিশেষভাবে যখন তারা বন্দী হতো তারা জেরুজালেমের দিতে মুখ করে উপাসনা করতো। কারণ আমাদের নবীর আমলে জেরুজালেম বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত ছিল-আর বাইজানটাইন সম্রাট ছিলেন খৃষ্টান। কিন্তু খৃষ্টানেরা তাদের চার্চের মুখ পূর্বদিকে পরিবর্তন করে। এই পরিবর্তন কোন বিশেষ কেব্লার জন্য তারা করে নাই। তারা কম্পাসের পূর্বদিক হিসেবে শুধুমাত্র একটি দিক নির্দেশনা হিসেবে এটা করে। কারণ বর্তমানেও দেখা যায় বিভিন্ন চার্চের বেদী ও বসার স্থান বিভিন্ন দিকে। তার মানে এই, তারা কোনও বিশেষ কিব্লার দিকে মুখ করে না। কিন্তু আমাদের নবী এক আল্লাহ্ বিশ্বাসীদের এক সত্যে, এক বিশ্বাসে, এক নীতিতে একতাবদ্ধ করতে চেয়েছিলেন। তাই যখন আল্লাহ্ কর্তৃক কাবাকে মুসলমানদের জন্য কিব্লা নির্ধারিত করা হয়; আমাদের নবীর হৃদয় স্বাভাবিকভাবে আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে ওঠে। এই সেই স্থান যে স্থানের ঐতিহ্য গড়ে উঠেছে আল্লাহ্ কর্তৃক মনোনীত হযরত ইব্রাহীম (আঃ) দ্বারা কাবা গৃহ নির্মাণের মাধ্যমে। এই সেই কাবা গৃহ যার ভিত্তিপ্রস্তর প্রথম স্থাপিত হয় ফেরেশ্তাদের দ্বারা হযরত আদম (আঃ) এর পূর্বে। সুতরাং আরবদের মাঝে প্রেরিত নবীর জন্য সেই ঐতিহ্যবাহী স্থানকে কিব্লা হিসেবে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা খুবই স্বাভাবিক এবং আল্লাহ্ তাঁর নবীর সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করেছেন; যেনো সমস্ত আরব এবং বিশ্ববাসী এক কিব্লার দিকে মুখ করে আল্লাহ্র এবাদত করতে পারে এবং নিজেদের মধ্যে তাওহীদের সত্যকে অনুভব করে একাত্মতা বোধ করে। কিন্তু যখন আল্লাহ্র তরফ থেকে কাবা গৃহকে কিব্লা মনোনীত করা হয় তখন মুসলিম সম্প্রদায় ছিল অত্যন্ত ছোট এবং মদীনায় নির্বাসিত। কিন্তু আল্লাহ্ কর্তৃক কাবাকে কিব্লা মনোনীত করার ফলে মুসলমানদের মধ্যে প্রচণ্ড অনুপ্রেরণার জন্ম নেয়। তারা বিশ্বাস করে যে তাদের জয় সুনিশ্চিত। পরবর্তীতে মুসলমানদের মক্কা জয়ই তার প্রমাণ এবং আজ সমস্ত মুসলিম জগতের একমাত্র কিব্লা হচ্ছে কাবা। সারা মুসলিম জগত যখন কাবা শরীফের দিকে মুখ করে নামাজ পড়ে তখন তারা একই ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে আবদ্ধ হয়।
