In India, too, fish is looked upon with reverence…all varieties are emblems of fertility, and therefore used in marriage rites. The significance of fish in the religious rites pertaining to marriages of the Aos, the Chongis, the Lohars of the U. P., as well as of the Bengalis may, therefore, be now apparent… That is why fish is taboo to a Bengali widow, and is to be held in her hand by a Bengali bride in performing marriage rites….Mina (Fish) forms one of the panchamakaras (five m-s) of the vama-margin Saktas, a section of the Indian devotees of the Mother-Goddess, who have kept up faithfully most of the barbaric traditions conected with her worship in all their pristine purity.
অর্থাৎ, সারমর্ম, ভারতবর্ষেও মাছ উর্বরতা-বৃদ্ধির কামনাতেই প্রযুক্ত হয়। এই কারণেই নানান বিবাহ-অনুষ্ঠানে মৎস্যের ব্যবহার দেখা যায়, বাংলায় বিধবাদের পক্ষে মৎস্য নিষিদ্ধ এবং বামমার্গাবলম্বী শাক্তদের পঞ্চমকারের মধ্যে একটি মকার ওই মাছই।
তাহলে, তন্ত্রের পঞ্চমকারের মধ্যে এই মকারটির উৎসেও উর্বরতার কামনামূলক সেই আদিম জাদুবিশ্বাসেরই পরিচয় পাওয়া যাচ্ছে।
———————
৫৬১. বিশ্বকোষ ৭:৫২২ ।
৫৬২. R. Briffault op. cit. 2:435-6.
৫৬৩. Ibid.
৫৬৪. নন্দগোপাল সেনগুপ্ত বর্ণিত গৌরীগরণ প্রথার বিবরণ : আবুল হাসানৎ যৌনবিজ্ঞান ১:২৪০।
৫৬৫. বিশ্বকোষ ৭:৫৩১।
৫৬৬. ঐ ৭:৫৩২।
৫৬৭. সুখময় ভট্টাচার্য : তন্ত্রপরিচয় ৫৬-৭।
৫৬৮. ঐ ৫৬।
৫৬৯. বিশ্বকোষ ৭:৫২৬ ।
৫৭০. ERE 5:79.
৫৭১. ঋগ্বেদ ৪.৪৮.৩।
৫৭২. JAS (s) xix—1953, No. 1.
৫৭৩. ERE 5:80.
৫৭৪. Ibid-5:79.
৫৭৫. পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায় : রচনাবলী ২:২৫৪-৩০৭ ।
৫৭৬. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী : বৌদ্ধধর্ম ৮৩।
৫৭৭. পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায় : রচনাবলী ২:৩২১।
৫৭৮. R. Briffault op. cit. 3:196.
৫৭৯. Ibid.
৫৮০. Ibid.
৫৮১. Ibid.
৫৮২. Ibid. 3:197.
৫৮৩. Ibid. 3:196-7.
৫৮৪. Ibid 3:198.
৫৮৫. Ibid.
৫৮৬. Ibid.
৫৮৭. Ibid.
৫৮৮. Ibid. 3:199.
৫৮৯. Ibid.
৫৯০. J. Frazer GB 136.
৫৯১. G. Thomson AA 130ff.
৫৯২. R. Briffault op. cit. 3:197.
৫৯৩. D. Sen CHA 375ff.
৫৯৪. S. K. Dikshit MG 30-6.
৫৯৫. Ibid 32-3.
৩৫. অধ্যাপক সুরেন্দ্রনাথ দাসগুপ্ত : লোকায়তিক ধ্যানধারণার উৎস-প্রসঙ্গে
লোকায়তিক ধ্যানধারণা প্রসঙ্গে ওই পঞ্চমকারের আলোচনা কেন? কেননা, প্রাচীনেরাই লোকায়তিকদের প্রসঙ্গে এমন কথা বলেছেন যা প্রায় অনিবার্যভাবেই পঞ্চমকারের অন্তত প্রধানতম মকারগুলির কথা মনে পড়িয়ে দেয়। এবং প্রাচীনদের এ-জাতীয় উক্তি আধুনিক বিদ্বানদেরও চোখে পড়েছে; কিন্তু দুঃখের বিষয় আধুনিক বিদ্বানের আধুনিক যুগের ধ্যানধারনা নিয়ে এত রিভোর যে, ওই পঞ্চমকারের প্রসঙ্গ দেখে তাঁরা লোকায়তিকদের সম্বন্ধে শুধু ঘৃণাই প্রকাশ করেছেন, লোকায়তিক চিন্তাধারার আদি-তাৎপর্য সন্ধানে অগ্রসর হয়নি।
একটি নমুনা দেখা যাক। অধ্যাপক সুরেন্দ্রনাথ দাসগুপ্ত(৫৯৬) লিখছেন :
Gunaratna, however, in his commentary on Sad-darsanasamuccaya, speaks of the Carvakas as being a nihilistic sect who only eat but do not regard the existence of virtue and do not trust anything else but what can be directly perceived. They drank wine and ate meat and were given to unrestricted sex indulgence. Each year they gathered together on a particular day and had unrestricted intercourse with women. They behaved like common people and for this reason they were called lokayata.
কিন্তু যড়-দৰ্শন-সমুচ্চয়ের টীকায় গুণরত্ব বলছেন, চাৰ্বাকরা হলো এক রকম নাস্তিক সম্প্রদায়ের লোক যারা শুধুই খাওয়া-দাওয়া করতো এবং ধর্মাধৰ্ম মানতে না এবং যারা প্রত্যক্ষভাবে-জানতে-পারা ছাড়া আর কোনো কিছুর সত্বাই স্বীকার করতো না—তারা মদ্যপান করতো, মাংস ভোজন করতো এবং অবারিত মৈথুনে প্ৰমত্ত হতো। প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট দিনে তারা একত্রিত হতো এবং মেয়েদের সঙ্গে নির্বিচারে মিলিত হতো। তারা সাধারণ লোকের মতো ব্যবহার করতো এবং এই কারণেই তাদের বলা হতো লোকায়ত।
প্রাচীন কালের কোনো একটি দার্শনিক সম্প্রদায় প্রসঙ্গে এ-জাতীয় উক্তি নিশ্চয়ই বিস্ময়কর। কিন্তু আধুনিক কালের অতো বড়ে একজন বিদ্বানের পক্ষে এই উক্তিটি সংগ্রহ এবং উদ্ধৃত করবার পরও এ-বিষয়ে সম্পূর্ণ উদাসীন থাকাও কম বিস্ময়কর নয়। অথচ, অধ্যাপক সুরেন্দ্রনাথ দাসগুপ্ত এমনভাবে তথ্যটির উল্লেখ করলেন যেন মনে হয় এ-বিষয়ে আর কিছুই ভাববার নেই। কেননা, তিনি এ-নিয়ে আর কোনো আলোচনাই তুললেন না—এ-কথা বলবার পরে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র প্রসঙ্গের অবতারণা করলেন। অতএব তাঁর এ-উক্তির একমাত্র তাৎপর্য এই হয়ে রইলো যে, লোকায়তিকেরা নেহাতই দুর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তি ছিলো, তারা ধর্মধর্মের প্রভেদ মানতো না এবং আধুনিক যুগের লম্পটদের মতোই মদ্য, মাংস ও মৈথুন নিয়ে প্ৰমত্ত থাকতো।
