মি. পেথারিক পরে আমার কাছে এসেছিল এবং সঙ্গে এনেছিল আমার জন্য একটা সুন্দর চিঠি, মি. রডস-এর কাছ থেকে নিয়ে এসেছিল–সত্যিই এটা আমাকে লজ্জায় লাল করেছে। তারপর আমার পুরনো বন্ধু আমাকে বলল–একটা জিনিস-কেন তুমি ভাব যে এটা বেশি পছন্দসই কারথিউথাসের ক্ষেত্রে গ্রানবি থেকেও? তুমি কখনই তাদেরকে দেখনি।
-ঠিক আছে, আমি বলেছি, এটা ছিল g-এর। তুমি বলেছিলে সে তার g টা ফেলে দিয়েছিল। এটা অনেক শিকারী লোকের দ্বারা বইতে করা হয়েছিল। কিন্তু আমি জানি না। অনেক লোক যারা এটা সত্যিকারের করেছিল–এবং নিশ্চিতভাবে কেউই ৬০ বছরের নীচে নয়, তুমি বলেছিলে এই মহিলার বয়স চল্লিশ। এই ফেলে দেওয়া g গুলো আমার কাছে একজন মহিলার মত লাগছে যে একটা অংশ সম্পাদন করেছিল এবং আরো বেশি করে করেছিল।
আমি বলতে পারব না মি. পেথারিক এই বিষয়ে কী বলেছিল–কিন্তু সে খুব উপদেশ দিত–কিন্তু আমার কিছুই করার ছিল না, তাই আমাকে নিজের জন্য আনন্দিত হতে হয়েছিল।
এবং এটা খুবই অসাধারণ ছিল কিভাবে জিনিসগুলো বিশ্বের সবথেকে ভালো বিষয় উৎপন্ন করেছিল, মি. রডস পুনরায় বিয়ে করেছে একজন সুন্দরী, সহানুভূতিশীল মেয়েকে–এবং তাদের একাট ছোট্ট বাচ্চা আছে এবং–তুমি কী ভাব? তারা আমাকে বলেছিল। এটা তাদের জন্য ভালো নয় কি?
এখন অমি আশা করি যে তুমি ভাব না যে আমি অনেক পথ অতিক্রম করে আসছি।
৭. গ্রিনসহ’স ফোল্লি
গ্রিনসহ’স ফোল্লি
দুজন মানুষ কোথায় জঙ্গলের মধ্যে ঘুরছিল।
-ঠিক আছে, তুমি ওখানে-রেমন্ড ওয়েস্ট বলল, ঠিক আছে।
হোরাস বিল্ডলার একটা গভীর শ্বাস ফেলল।
–কিন্তু আমার প্রিয়, সে কেঁদে বলল, কতটা বিস্ময়কর, তার স্বরটা খুব বেশি হয়ে গেল সৌন্দর্য শাস্ত্রের আনন্দে, তারপরে সশ্রদ্ধ ভয়ে স্বরটা আরও গম্ভীর হয়ে গেল। এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। এই বিশ্বজগতের বাইরে এটা সত্যিই একটা ভালো ঘটনা।
আমি মনে করি তুমি এটা পছন্দ করেছ,–রেমন্ড ওয়েস্ট বলল সন্তোষজনক ভাবে।
পছন্দ কর? আমার প্রিয়–হোরানের এই কথাটা ব্যর্থ হল। সে তার ক্যামেরা খুলল এবং ব্যস্ত ছিল।
এটা আমার সংগ্রহের একটা রত্ন হয়ে থাকবে–সে আনন্দের সঙ্গে বলল। আমি মনে করি, তুমি কি মনে কর না, যে এটা সত্যিই আনন্দের কিছু মনস্ট্রিসিটিস সংগ্রহ করা? সাত বছর আগে স্নানের সময় একদিন রাত্রে আমার মনে এই ধারণা এসেছিল। আমার শেষের রত্নটা হচ্ছে, যেটা আমি ক্যাম্পো সেন্টোতে। জেনোয়াতে পেয়েছিলাম, আমি মনে করি যে এটা আমাকে প্রহার করে, এটাকে কী বলে?
–আমার ন্যূনতম ধারণা নেই এটার সম্বন্ধে, রেমন্ড বলল।
–আমি মনে করি, এটা একটা নাম পেয়েছে।
–হতে পারে। কিন্তু ঘটনাটা হল এটা অন্য কিছুর মত এতটা গুরুত্ব পায়নি। কিন্তু বেশি গুরুত্ব পেয়েছে গ্রিনসর মূর্খর্তা।
-গ্রিনস মানুষ হওয়ার জন্য এটা তৈরি করেছে?
-হ্যাঁ, এটা তৈরি করা হয়েছিল ছিয়াশি কিংবা সত্তর কিংবা ওই সময়ে, সেটার সময় স্নায়ীর সাফল্যের ঘটনা ঘটেছিল। খালি পায়ে যে ছেলে চলাফেরা করত সে অনেক সম্পদের মালিক হয়ে, স্থানীয় ধারণাকে ভাগ করা হয়েছিল যে কেন সে এই বাড়িটা তৈরী করেছিল। এটা কি প্রাচুর্যের উদাহরণ না তার আস্থাভাজনদের অনুপ্রাণিত করার জন্য এই বাড়িটা তৈরি করেছিল। যদি পরেরটা সঠিক হয় তাহলে কিন্তু তার আস্থাভাজনেরা অনুপ্রাণিত হয়নি, তাই সে হয়ত দেউলিয়া হয়ে গেছিল কিংবা পরের কাজটার প্রতি অগ্রসর হয়েছিল। তারপর নামটা এসেছিল গ্রিনসর মূর্খ।
হোরাসের ক্যামেরায় একাট আওয়াজ হল সেখানে, সে বলল সন্তোষজনক সুরে আমাকে স্মরণ করাও তোমাকে ৩১০ নম্বরটা দেখাতে আমার সংগ্রহ থেকে। এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য মার্বেল পাথর দিয়ে তৈরি এবং এটা ইতালিয়দের রীতিনীতি মেনে করা হয়েছিল, সে তারপর ঘরটার দিকে তাকিয়ে বলল, আমি বুঝতে পারি না কিভাবে মি. গ্রিনস এটা ভেবেছিল।
এটা কিছু ক্ষেত্রে স্পষ্টও বটে, রেমন্ড বলল, সে লয়ার এর চেটিয়াক্স পরিদর্শন করেছে, তুমি কি সেটা মনে কর না? ওই চূড়াগুলো এবং তারপর, দুর্ভাগ্যভাবে, সে ওরিয়েন্ট ভ্রমণে গিয়েছিল। তাজের প্রভাব সত্যিই স্মরণীয় হয়ে থাকার মত। আমি বরং মুরিস উইং পছন্দ করি। সে বলল, ভেনেসিয়ান প্রাসাদের লক্ষণগুলো বটে।
একজন অবাক হয়ে যাবে এটা ভেবে যে সে কিভাবে একজন স্থপতিকারীকে নিয়ে এসেছিল এই পুরো ভাবনাটাকে বাস্তবায়িত করার জন্য।
রেমন্ড তার কাঁধ ঝাঁকুনি দিল।
–এটার সম্বন্ধে কোনও সমস্যা নেই, আমি প্রত্যাশা করি। সে বলল, সম্ভবত স্থপতিকারী একটা ভালো উপার্জন করে সরে গেছে। যখন গ্রিনস দেউলিয়া হয়ে গেছে।
–আমরা কি এটা অন্য দিক থেকে দেখতে পারি? জোরাস জিজ্ঞাসা করল, অথবা আমরা কি অনধিকার প্রবেশ করছি!
আমরা সত্যিই অনধিকার প্রবেশ করছি, রেমন্ড বলল, কিন্তু আমি মনে করি না এটা কোন ব্যাপার ঘটাবে।
সে ঘরের কোণার দিকে তাকাল এবং হোরাস তাকে অনুসরণ করতে লাগল
–এখানে কে বাস করে, আমার প্রিয়? মাতৃপিতৃহীন লোক না ছুটিতে যারা পরিদর্শনে আসে? এটা একটা বিদ্যালয় হতে পারে, এটা কোন খেলার মাঠ কিংবা তৎপরতার দক্ষতা হতে পারে না।
ওহ, একজন গ্রিনস এখানে এখনও থাকে,-রেমন্ড তার কাঁধ চাপড়ে বলল, এই ঘরটা এখনও ধ্বংস হয়ে যায়নি। ওল্ড গ্রিনস-এর ছেলে এই ঘরটার উত্তরাধিকারী; সে একটু কৃপণ স্বভাবেরও বটে, এবং এই কোণে থাকত। কখনই সে একটা টাকাও খরচ করত না সম্ভবত তাদের খরচ করার মত কোন টাকা ছিল না। তার মেয়ে এখন এখানে বাস করে। বৃদ্ধা, মহিলাটি-খুব পাগলের মত।
